দেশপ্রেমের চশমা

ভাষায় দূষণ এবং ভালোবাসায় সংকোচন

  মুহাম্মদ ইয়াহ্ইয়া আখতার ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ০০:০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

পৃথিবীতে একটি মাত্র দেশ আছে যে দেশের মানুষ বুকের রক্ত দিয়ে মাতৃভাষার মর্যাদা প্রতিষ্ঠিত করেছে। এ আত্মত্যাগ আজ বিশ্বব্যাপী আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালনের মধ্য দিয়ে বৈশ্বিক স্বীকৃতি পেয়েছে।

ভারত বিভক্তির পর ঐক্যবদ্ধ পাকিস্তানের শাসকগোষ্ঠী দেশটির সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের ভাষাকে অবজ্ঞা করে তাদের ওপর উর্দু ভাষা চাপিয়ে দেয়ার অপচেষ্টা চালিয়েছিল। পূর্ব পাকিস্তানবাসী বাঙালিরা এর প্রতিবাদ করে বুকের রক্ত ঝরিয়ে তাদের মায়ের ভাষার মর্যাদা রক্ষা করেছে।

তবে ভাষা আন্দোলন আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেলেও আমরা কিন্তু এ আন্দোলনকে সফল করতে পারিনি। কারণ, এ আন্দোলনের মূল প্রতিপাদ্য ছিল সর্বস্তরে বাংলা ভাষা চালু করা। আমরা গত ৬৮ বছরে সে কাজটি করতে পারিনি। ইংরেজিসহ পৃথিবীর কোনো ভাষার প্রতি আমাদের কোনো বিদ্বেষ নেই। সব ভাষাকে আমরা শ্রদ্ধা করি। কিন্তু সবচেয়ে বেশি ভালোবাসি নিজের মাতৃভাষাকে। সেজন্য আমাদের উচিত মাতৃভাষাকে সবচেয়ে গুরুত্ব দেয়া। আমরা সে কাজটি করতে পারছি কি?

শিক্ষাঙ্গন, বিচারাঙ্গন, প্রশাসন- সর্বত্র আজ ইংরেজি ভাষার জয়জয়কার। চারদিকে ইংরেজি স্কুলের ছড়াছড়ি। রাস্তার মোড়ে মোড়ে বাড়ি ভাড়া করে গড়ে তোলা হয়েছে এবং এখনও হচ্ছে ইংরেজি মাধ্যম বিদ্যালয়। এর মধ্যে রয়েছে ন্যাশনাল কারিকুলাম, মিশনারি স্কুল, কূটনৈতিক মিশন পরিচালিত স্কুল এবং ব্রিটিশ কারিকুলাম অর্থাৎ কেমব্রিজ ও এডেক্সেল বোর্ডের ব্রিটিশ পদ্ধতির ‘ও’ এবং ‘এ’ লেভেল কারিকুলাম পরিচালিত স্কুল।

এসব স্কুলের শিক্ষার্থী অন্যান্য দেশ সম্পর্কে যতটা জানে, নিজের দেশ সম্পর্কে জানে তার চেয়ে অনেক কম। আমরা এসব স্কুলের প্রতি ঝুঁকে পড়েছি। আমাদের মানসিকতায় বাংলা ভাষার প্রতি প্রেম গড়ে ওঠেনি। এ কারণে আমাদের ছেলেমেয়েরা ভালো ইংরেজি বলতে পারলে আমরা খুশি হই। গর্ব করে বলি, আমার ছেলেটি ইংরেজিতে খুব ভালো। সেজন্য বাংলার চেয়ে ইংরেজি প্রাইভেট শিক্ষকের মূল্য বেশি।

অনেকে বলেন, দেশের উন্নয়নের জন্য ইংরেজি শিক্ষার প্রয়োজন আছে। এ কথাটা আংশিক সত্য। তবে চীন, জাপান, জার্মানিসহ যেসব দেশ ইংরেজির চেয়ে নিজ মাতৃভাষার প্রতি অধিকতর গুরুত্ব দিয়েছে, তারা কি উন্নতিতে আমাদের চেয়ে পিছিয়ে আছে?

পাশ্চাত্যের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো শিক্ষার্থীদের মাতৃভাষা শিক্ষার ওপর গুরুত্ব দেয়। অস্ট্রেলিয়ার সরকারি স্কুলে কোনো বিশেষ ভাষাভাষী ছাত্রছাত্রীদের অভিভাবকরা যদি এ মর্মে স্কুল কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেন যে তাদের বাচ্চারা মাতৃভাষা ভুলে যাচ্ছে, তাহলে স্কুল কর্তৃপক্ষ ওই ভাষাভাষী ছাত্রছাত্রীদের তাদের মাতৃভাষা শেখানোর জন্য পৃথকভাবে শিক্ষক নিয়োগ করে।

আজ আমাদের মাঝে যে বাংলা ভাষা চর্চিত হয় তা-ও অধিকাংশ ক্ষেত্রে পরিশুদ্ধ নয়। অনেকেই বুঝে বা না বুঝে ভাষাকে বিকৃত করছেন। ভাষাপ্রেমী ও ভাষা বিজ্ঞানীরা এ বিকৃতি রোধে কোনো দৃশ্যমান পদক্ষেপ নিচ্ছেন না। ফলে ভাষার বিকৃতি ক্রমান্বয়ে বেড়ে চলেছে। ভাষার দেখভালের জন্য বাংলা একাডেমি থাকলেও এ ক্ষেত্রে এই প্রতিষ্ঠানটি প্রত্যাশিত ভূমিকা পালনে ব্যর্থ হয়েছে।

বাংলা বানানের একটি অভিধান বের করলেও একাডেমি সে অভিধানটিকে আপডেট করে না। ফলে এ অভিধানে বহু পরিচিত শব্দের বানান খুঁজে পাওয়া যায় না। একুশে ফেব্রুয়ারি এলে একাডেমি বইমেলার আয়োজন করে। কাজটি প্রশংসনীয় হলেও ত্রুটিমুক্ত নয়।

এখানে কেবল বইয়ের সংখ্যা গণনা করা হয়। প্রতি বছর মেলা শেষে একাডেমি বিবৃতি দিয়ে বলে, এ বছর গতবারের চেয়ে এত শত বই বেশি বেরিয়েছে। কতগুলো মানসম্পন্ন বই বেরিয়েছে, আর কতগুলো আজেবাজে বই বেরিয়েছে, সে সম্পর্কে একাডেমির কোনো মাথাব্যথা নেই। অসম্পাদিত ভুলেভরা বই কমানোর জন্য একাডেমিক কোনো প্রচেষ্টা নেই। কোনো কোনো প্রকাশক আজেবাজে বই বের করছে, তাদের চিহ্নিত করে সতর্ক করা হচ্ছে কি? একাডেমির সেদিকে কোনো লক্ষ্য নেই।

বই হল বইমেলার প্রাণ। আর বইয়ের স্রষ্টা হলেন লেখক। একাডেমির লেখকদের প্রতি কোনো মনোযোগ আছে কি? তারা যে বইমেলার আয়োজন করে তা অনেকটাই প্রকাশকবান্ধব। এখানে মাসব্যাপী কোটি কোটি টাকার বই বিক্রি হলেও সে অর্থের কতটা প্রকাশকের আর কতটা গ্রন্থস্রষ্টা লেখকের পকেটে যায়- কে তার হিসাব রাখে? লেখক তো লেখেন দায়বদ্ধতার কথা স্মরণ করে। তিনি তো পাঠকের মাঝে তার নিজের চিন্তাভাবনা ছড়িয়ে দিতে চান। এতেই তার আনন্দ।

কিন্তু পেশাদারিত্বের যুগে লেখকের সম্মানী পাওয়ার ন্যায্য অধিকার রক্ষায় কয়টি প্রকাশক প্রত্যেক লেখকের সঙ্গে সময়মতো চুক্তি করে তাদের সততার সঙ্গে প্রাপ্য সম্মানী দিয়ে থাকেন সে হিসাব কষতে গেলে হতাশ হতে হবে। অথচ একাডেমি চাইলে এ ক্ষেত্রে আইন-কানুনের কড়াকড়ি আরোপ করে লেখককে তার প্রাপ্য সম্মানী পেতে সহায়তা করতে পারে। কিন্তু সে দিকটিতে একাডেমির কোনো আগ্রহ আছে বলে মনে হয় না।

ভাষাকে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত করছেন একশ্রেণির সংস্কৃতিকর্মী। অনলাইন রেডিওগুলো প্রতিদিন ভাষার বুকে ছুরি মারছে। ভাষাকে খুন করছে। অথচ এর বিরুদ্ধে কেউ কিছু বলছেন না। তরুণ প্রজন্মের শ্রোতাদের কাছে তারা উপস্থাপন করছে বাংলার নামে এক বিকৃত জগাখিচুড়ির বাংলা এবং ইংরেজি মেশানো ‘বাংলিশ’ ভাষা। এদের পরিবেশনা ও উপস্থাপনাও বিকৃত।

উপস্থাপক অনেক সময় উপস্থাপনা শুরু করেন এভাবে : ‘ডিয়ার ভিউয়ার্স, এবার পরিবেশিত হবে আপনাদেরই একটি টপ ফেভারিট সং...’ । এভাবে ভাষাকে বিকৃত করার অধিকার অনলাইন রেডিওগুলোকে কে দিয়েছে?

আমি বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক হলে ভাষাকে বিকৃত করার অপরাধে এসব রেডিওর বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করতাম। অন্যদিকে নাট্যকাররা আজকাল বেশিরভাগ নাটক রচনা করছেন আঞ্চলিক ভাষায়। এতে আমার আপত্তি নেই। সব জেলার আঞ্চলিক ভাষার প্রতি সম্মান রেখে বলছি, আঞ্চলিক ভাষার নাটক যদি সংখ্যায় খুব বেশি হয়ে যায়, তাহলে আগামী প্রজন্ম প্রমিত বাংলা চর্চা করবেন কীভাবে?

টিভি চ্যানেলগুলোর পর্যবেক্ষণ থাকা উচিত, তারা মাসে কয়টি প্রমিত বাংলা ভাষার এবং কয়টি আঞ্চলিক ভাষার নাটক প্রচার করছে। কেবল দর্শকপ্রিয়তার কথা বলে প্রমিত বাংলা চর্চাকে সীমিত করা কতটা যুক্তিসঙ্গত?

আমি সরকারকে অনুরোধ করব ভাষার দূষণ রোধে বাংলা একাডেমিতে একটি বিশেষ সেল গঠন করতে। রক্ত দিয়ে আমরা যে ভাষার মর্যাদা প্রতিষ্ঠিত করেছি, সে ভাষার বিকৃতকারী ও খুনিদের বিরুদ্ধে আমাদের অবশ্যই করণীয় নির্ধারণ করতে হবে। আমাদের ভাষা অসুস্থ হয়ে পড়েছে। পরিকল্পিত পরিচর্যার অভাব এবং হিন্দি ও ইংরেজির প্রভাব এ অসুস্থতাকে ক্রমান্বয়ে অনিরাময়যোগ্য করে তুলছে। সংশ্লিষ্টদের এ বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া করা দরকার।

প্রায় তিন দশক হল ভাষার মাসে ১৪ ফেব্রুয়ারি ভালোবাসা দিবসের উদযাপন শুরু হয়েছে। প্রথমদিকে এ উদ্যাপন বাধাগ্রস্ত হলেও এখন আর এতে খুব একটা বাধা দেয়া হয় না। পাশ্চাত্য সংস্কৃতি থেকে আমদানিকৃত ভালোবাসা দিবস পালিত হলেও তা এ দেশের সাধারণ মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে পড়েনি। গ্রামগঞ্জে এ দিবসের উদযাপন খুব একটা লক্ষ করা যায় না। দিবসটি শহরাঞ্চলের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এবং বিত্তশালী যুবক-যুতীদের মধ্যেই বেশি পালিত হয়। এ দিবসকে কেন্দ্র করে প্রেমিক জুটিরা ব্যস্ত হয়ে ওঠেন। প্রিয়জনকে কাছে পেতে এবং উপহার দিতে তাদের মধ্যে ব্যস্ততা লক্ষ করা যায়।

এ দিনকে ঘিরে বেড়ে যায় ফুলের বিক্রি। কিন্তু এ দিবস পালনের মধ্য দিয়ে পরিকল্পিতভাবে সর্বস্তরে ভালোবাসাকে ছড়িয়ে দেয়া সম্ভব না হওয়ায় ভালোবাসা দিবস সাধারণ মানুষের মনে স্থান করে নিতে পারেনি। কৃষক, শ্রমিক, মেহনতি মানুষ এ দিবস সম্পর্কে মোটেও ওয়াকিবহাল নন। দিবসটি রাজধানী এবং বিভাগীয় শহরাঞ্চল ঘিরেই আবর্তিত হয়।

কেন ভালোবাসা দিবস সর্বস্তরের মানুষের মনে জায়গা পায়নি? এর একটি প্রধান কারণ হল, এ দিবস পালনকারীদের দিবসটি পালনের সঠিক উদযাপন পরিকল্পনা না থাকা। এরা ভালোবাসা দিবস পালনের নামে এক ধরনের অপরাধ করে চলেছেন।

ভালোবাসার মতো একটি পবিত্র ও মহান বিষয়কে এরা সব সম্পর্কে পরিব্যাপ্ত না করে কেবল ‘বাক বাকুম পায়রা’র মতো প্রেমিক-প্রেমিকার জুটিতে সীমাবদ্ধ করে ফেলেছেন। মা-বাবা, ভাই-বোন, স্বামী-স্ত্রী, মালিক-শ্রমিক, শিল্পকর্ম-শিল্পী, ধর্ম-ধার্মিক, ফুলবাগান-মালী, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, গুরু-শিষ্য, পীর-মুরিদ, নেতাকর্মী ইত্যাদি আরও যে হাজার রকম সম্পর্ক রয়েছে, তার সবই কিন্তু ভালোবাসানির্ভর।

কিন্তু ভালোবাসা দিবসে উল্লিখিত সম্পর্কগুলোর ভালোবাসার ওপর তেমন একটা আলোকপাত করা হয় না। ভালোবাসা দিবসকেন্দ্রিক আলোচনা সভাগুলোতে প্রেমিক-প্রেমিকার ভালোবাসার ওপরই সাধারণত আলোকপাত করা হয়। স্মর্র্তব্য, ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর মায়ের অসুখের খবর পেয়ে মাতৃপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে খরস্রোতা নদী সাঁতরে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে যেভাবে অসুস্থ মাকে দেখতে গিয়েছিলেন সে ভালোবাসার কি কোনো মূল্য নেই?

পাশ্চাত্য থেকে আমদানি করা বলেই যে ভালোবাসা দিবস ভালো নয়, বিষয়টি এমন নয়। এ দিবস পালনকারীদের প্রধান অপরাধ হল, এরা ভালোবাসার মতো একটি পবিত্র ও সর্বত্র বিরাজিত শক্তিকে কেবল প্রেমিক-প্রেমিকার সম্পর্কের মধ্যে সীমাবদ্ধ করে ফেলেছেন। ভালোবাসার শক্তিকে সর্বত্র ছড়িয়ে দিতে পারেননি। কেন কেবল তরুণ-তরুণী এবং যুবক-যুবতীদের প্রেমকে ভালোবাসা দিবসের অনুষ্ঠানে প্রাধান্য দেয়া হবে?

কেন শ্রমিকের প্রতি মালিকের, শিক্ষকের প্রতি শিক্ষার্থীর, পীরের প্রতি মুরিদের, ভাইয়ের প্রতি বোনের, পিতা-মাতার প্রতি সন্তানের এবং গণতন্ত্র ও নির্বাচনের প্রতি রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের ভালোবাসাকে একইভাবে গুরুত্ব দেয়া হবে না? কেন রাজনৈতিক অঙ্গনের প্রতিহিংসাপরায়ণতা দূর করে এ ক্ষেত্রে ভালোবাসার তীব্র খরাকে দূর করতে উদ্যোগ নেয়া হয় না?

কেন গার্মেন্ট শ্রমিকদের প্রতি গার্মেন্ট মালিকদের ভালোবাসা সৃষ্টি করতে উদ্যোগ নেয়া হয় না? এভাবে প্রতিটি সামাজিক ও রাজনৈতিক ক্ষেত্রে ভালোবাসা সৃষ্টি করে তা শক্তিশালী করতে পারলে হিংসা-বিদ্বেষ ও হানাহানি-মারামারি দূর করে পৃথিবীকে অধিকতর শান্তিময় করা সম্ভব।

বাংলাদেশে বিরাজিত বাস্তবতায় এখন প্রেমিক-প্রেমিকাদের মধ্যে ভালোবাসায় ঘাটতি নেই। তাদের বুকে ভালোবাসার উষ্ণ আবেগ ভরপুর। এ দেশে সবচেয়ে বেশি ভালোবাসার খরা চলছে রাজনীতিতে। প্রতিপক্ষ রাজনৈতিক দলগুলোর নেতাকর্মীদের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক এমন যে, একদলের নেতাকর্মীরা সুযোগ পেলে অন্যদলের নেতাকর্মীদের নিশ্চিহ্ন করে ফেলতে চান। নির্মূল করে ফেলতে চান।

সে কারণে ভালোবাসা দিবস উদযাপনকারীদের অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে দেশের রাজনৈতিক এলাকায় ভালোবাসা সৃষ্টির উদ্যোগ নেয়া দরকার। তা না করে ভালোবাসাকে কেবল প্রেমিক জুটিতে সীমাবদ্ধ করায় ভালোবাসার শক্তি সংকুচিত হয়ে পড়েছে। দৃশ্যমান হচ্ছে না ভালোবাসার বহুধাবিস্তৃত পরোপকারী ও মানবিক দিকগুলো। আমি এ লেখার মধ্য দিয়ে বিনয়ের সঙ্গে প্রত্যেক মানুষকে তাদের ভালোবাসার উষ্ণতাকে সর্বত্র সক্রিয় করার আহ্বান জানাচ্ছি।

ড. মুহাম্মদ ইয়াহ্ইয়া আখতার : অধ্যাপক, রাজনীতি বিজ্ঞান বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়

[email protected]

সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত