জীবন যেভাবে বদলে গেল

  অমিত রায় চৌধুরী ০৯ জুলাই ২০২০, ০০:০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

করোনা কি সত্যিই জীবনকে বদলে ফেলছে- এমন ধারণা ক্রমশ ভাবনার জগৎকে আচ্ছন্ন করেছে। আমাদের অভ্যাস, আচরণ বা সংস্কৃতি- সবই হয়তো পুনর্গঠিত হচ্ছে। ব্যক্তি-সমাজ-রাষ্ট্র হয়ে আন্তঃরাষ্ট্রীয় সম্পর্ক- সর্বত্রই পরিবর্তনের ছাপ। ব্যক্তির মনোজগতেও এ অভিঘাতের চিহ্ন স্পষ্ট। দেখতে দেখতে যেন পরিপার্শ্বটাই বদলে গেল। মা

স চারেক আগে যা কল্পনায় ছিল না, এমনকি কোভিড সংক্রমণের পরও যা ছিল অস্পষ্ট, বিমূর্ত, আজ তা রীতিমতো বাস্তব, মূর্ত। হয়তো এক সময় এ নতুন পরিস্থিতিই হয়ে উঠবে একদম স্বাভাবিক- যাকে আজও মনে করা হয় ‘নিও নরম্যাল’ বা অতি স্বাভাবিক।

এই তো সেদিন জুমের বাহনে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল আন্তঃজেলা স্কুল বিতর্ক। চূড়ান্ত পর্বে প্রতিপাদ্য ছিল ব্যক্তি সচেতনতাই হতে পারে করোনা সংক্রমণ থেকে মুক্তির উপায়। ভার্চুয়াল ভেন্যু বাগেরহাট জেলা প্রশাসকের কার্যালয়।

রাজধানীর বারিধারা থেকে যুক্ত হয়েছিলেন সাংসদ সারহান নাসের তন্ময়, কানাডা থেকে সংযুক্ত ছিলেন সাবেক বিতার্কিক নিপা দত্ত, ছিলেন বিভিন্ন প্রান্ত থেকে যুক্ত শিক্ষক, জনপ্রতিনিধি, আইনজীবী, সাংবাদিক ও প্রজাতন্ত্রের কর্মকর্তারা। প্রতিযোগী দলগুলোর প্রাণিত অংশগ্রহণ ক্ষণিকের জন্য হলেও ভুলিয়ে দিয়েছিল- আমরা শারীরিকভাবে নয়, অন্তর্জালে সংযুক্ত।

অদ্ভূত একটা ভালোলাগা মনটাকে ভরিয়ে তুলেছিল। উল্লাস, বিজয়চিহ্ন, হর্ষধ্বনি, আগ্রাসন- কোনো কিছুর কমতি ছিল না। বিচারকরা দূর থেকেই অনলাইনে মূল্যায়ন করছিলেন। জেলা সদরের ইউএনও সঞ্চালনা করছিলেন এমন সাবলীল ভঙ্গিতে যে, মনেই হয়নি তিনি বাস্তবে অনেক দূরে, একদম বিচ্ছিন্ন।

জেলা প্রশাসক সভাপতিত্ব করলেন। শারীরিক দূরত্বকে আমলেই নেননি। কিছুদিন আগেও এমন একটি অনুষ্ঠানকে রুপালি পর্দার চিত্রকল্পই মনে হতে পারত; কিন্তু আজ তা ভীষণ বাস্তব, প্রাত্যহিকতার নির্বিকল্প অনুষঙ্গ।

শুধু বিতর্ক নয়, অনলাইন ক্লাস, ওয়ার্কশপ, সেমিনার, মতবিনিময়- সবই সম্ভব হচ্ছে এমন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে; যা ধীরে ধীরে আমাদের দৈনন্দিন কাজকর্মের অংশ হয়ে উঠছে। এমনকি প্রত্যন্ত গ্রামীণ জনপদের নিভৃত আঙিনাও আজ প্রযুক্তির সমর্থনে প্রস্তুত, সক্ষম।

কোভিড শিষ্টাচার ব্যক্তির লৌকিক বা সামাজিক অনুশীলনে বেশকিছু নতুন উপাদান যুক্ত করেছে। অনুমান করা যায়- বিজ্ঞানচালিত এ আচরণই সৌজন্যের নতুন মানদণ্ড বেঁধে দেবে। মাস্ক না পরা, খুব কাছে গিয়ে কথা বলা বা চোখে মুখে হাত দেয়া- এ সবই অভব্যতা বলে প্রত্যাখ্যাত হবে।

অফিস-আদালত, সভা-সমাবেশ এমনকি টেবিল ম্যানারেও নতুন কোভিড অধ্যায় যুক্ত হবে। বাসগৃহের অভ্যন্তরীণ স্বাস্থ্য, পরিবেশ বা পরিচ্ছন্নতাবোধ আমাদের নতুন করে ভাবাবে। সাহেবি কায়দায় হয়তো কেউই আর বাইরের কাপড়-চোপড় বা জুতা পরে হুট করে ঘরে ঢুকে পড়বে না। ছোটখাটো এসব অভ্যাসই আবার দৈনন্দিন চর্চার অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ হয়ে উঠবে।

পারিবারিক আবহ আজ একদম আলাদা। শত বছরের জীবনাচার আজ পরিত্যাজ্য। গৃহকর্তা আজ পরম আত্মীয়কেও সহসা নিজগৃহে স্বাগত জানাবে না। আপনজন, বন্ধুস্বজন, পরিচিত-অপরিচিত কেউই আজ অন্যের বাড়িতে সমাদৃত নয়। জরুরি কোনো কাজেও অপরের বাড়িতে আজ যে কেউই অযাচিত, যার কাছে এসেছেন তিনিও বিব্রত। এ এক অদ্ভুত দৃশ্যকল্প।

সামাজিক রসায়নে এ এক নতুন মাত্রা। আপাতদৃষ্টে এ শুধু উৎকট অসামাজিকতা নয়, মানসিক বিকৃতিও মনে হতে পারে। কিন্তু পরিবর্তিত পটভূমিতে এ এক রূঢ় বাস্তবতা। পরিবারের রোজগেরে সদস্যটিও যখন জীবিকার সন্ধানে বাড়ির বাইরে যান, তাকেও এক শুদ্ধিকরণ প্রক্রিয়ায় উত্তীর্ণ হয়েই গৃহ প্রবেশ করতে হয়।

বয়স্ক বা কো-মরবিড অসুখে আক্রান্ত সদস্যদের এখন চলছে নিভৃতবাস। শিশুরা অনলাইন ক্লাস কিংবা ভিডিও গেইমসের ঘেরাটোপে বাঁধা। ছিন্নমূল শিশুরা উদ্ভ্রান্ত, দিশাহীন। ছোটাছুটি, হইহুল্লোড় বা দলবদ্ধ খেলাধুলায় সতর্ক অভিভাবকের বারণ। সঙ্গ এড়িয়ে চলা এদের জন্য ভীষণ কষ্টের। মুঠোফোনেই আশ্রয়। যার সামর্থ্য নেই, রাস্তার গলিতে উদাস চোখে দাঁড়িয়ে।

অচেনা চারপাশ তাকে কুরে কুরে খাচ্ছে। ছুটে চলা অমূল্য শৈশবের বিপন্ন মুহূর্তগুলো তাকে কেবলই ভারাক্রান্ত করছে।

কোনো ব্যক্তির মৃত্যু ঘটলে সমাজের মানবিক মুখটি স্বভাবতই ভেসে ওঠে, সভ্যতার উৎকৃষ্ট লক্ষণগুলো উজ্জ্বল হয়ে ওঠে। সম্পন্ন হয় শাস্ত্রীয় আচার, পরিবার ও সমাজের পক্ষ থেকে মৃতের প্রতি জানানো হয় শেষ শ্রদ্ধা, এরপর শেষযাত্রা। ফুলে ফুলে ভালোবাসায়, শ্রদ্ধায় প্রিয়জনকে বিদায় জানানো সভ্যতারই এক কালোত্তীর্ণ অনুশীলন।

কিন্তু কোভিড যুগে মৃতের এ প্রাপ্য সম্মানটুকুও জুটছে না। কত বর্ণাঢ্য, কীর্তিমান মানুষের বিদায় ঘটছে নিঃশব্দে, চুপিসারে। আর এখন এটাই বাস্তবতা। এমনকি অসুস্থ ব্যক্তিকে হাসপাতালে দেখতে যাওয়ার যুগসিদ্ধ শিষ্টাচারও এখন বিলুপ্তপ্রায়। এর পেছনে শুধু স্বাস্থ্যবিধির অনুশাসন নয়, কাজ করছে মনের গভীরে গেড়ে বসা যুক্তিহীন শঙ্কা আর স্বার্থপরতা।

তবে এ কথাও ঠিক যে, এ অদৃশ্য ঘাতকের ক্ষমতার পরিধি সম্পর্কে এখনও বিশেষজ্ঞরা নিশ্চিত নন। ইতিহাস সাক্ষী দেয় অতীতে এমন মহামারী চলাকালে মানুষের আচরণে এমনই বৈকল্য ধরা পড়েছিল।

আর কোভিড সংক্রমণ চলাকালে চিকিৎসক বা স্বাস্থ্যকর্মীরা রোগীর সংস্পর্শে এসে যেভাবে বেঘোরে প্রাণ হারাচ্ছেন, সেখানে সাধারণ মানুষের মনে আতঙ্ক দেখা দেয়া অস্বাভাবিক নয়। সঠিক প্রশিক্ষণ বা উপযুক্ত সুরক্ষার অভাব যদি স্বাস্থ্যকর্মীর জীবন বিপদাপন্ন করে, তখন সাধারণ মানুষ আক্রান্ত রোগীকে এড়িয়ে যাবেন- এটাই স্বাভাবিক। আর এও সত্যি যে, উপযুক্ত নির্দেশনা বা প্রশিক্ষণ ছাড়া সমাজের দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন করা সহজ নয়।

করোনার ভয়ংকর তাণ্ডবে জনগোষ্ঠীর এমন অংশ পৃথিবী থেকে চিরবিদায় নিয়েছে, যা ভাবনার অতীত। মুক্তিযুদ্ধের পর এত অল্প সময়ে এত অমূল্য প্রাণ এভাবে আর ঝরেছে বলে মনে হয় না। মুক্তিযুদ্ধকালীন গণহত্যা বা বুদ্ধিজীবী হত্যার অভিঘাত যুদ্ধকালীন অবস্থায় অনুমান করা সহজ ছিল না।

হত্যাকারী হানাদার বাহিনী পরিকল্পিতভাবেই এ হত্যাকাণ্ড চালিয়েছিল। জাতিকে মেধাশূন্য করার সুস্পষ্ট লক্ষ্য নিয়ে, যার প্রলম্বিত অভিঘাত আমরা আজও অনুভব করি। করোনাকালীন যে বিপুলসংখ্যক চিকিৎসক, শিক্ষক, সাংবাদিক, রাজনীতিক বা বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ পার্থিব বন্ধন ছিন্ন করেছেন তাদের শূন্যতা বা ক্ষতি সমাজের এ শঙ্কাচ্ছন্ন মনোজগতে সেভাবে জায়গা করে নেয়নি। তাদের নিয়ে তেমন কোনো আলোচনাও শোনা যায়নি।

এটাই প্রমাণ করে জনমানস এখনও স্বাভাবিক ছন্দে নেই। নিজেকে বাঁচিয়ে রাখার চেষ্টায় যথেষ্টই রক্ষণাত্মক; যা সমাজবদ্ধ একটি গোষ্ঠীর সভ্য বৈশিষ্ট্যের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। মানুষ মরণশীল। নিত্য তার আসা-যাওয়া। পুরনো চলে যায়, নতুন সে জায়গা জুড়ে নেয়। কিন্তু এখন যা ঘটছে, তার বিস্তার এতই ব্যাপক, এতই আকস্মিক যে সন্ত্রস্ত মানবতার সংবেদনশীল মুখটিও যেন শঙ্কার আবরণে ঢাকা পড়ে যায়। আর এটাও হয়তো সেই অতি স্বাভাবিকতা।

বাঙালি উৎসবমুখর জাতি। যে কোনো মিলনের মহোৎসবে এ জাতিকে সঠিকভাবে চেনা যায়। এ কথা বিশ্বাস করা কঠিন যে, বাংলার এ মাটিতে এবার নববর্ষ বা ঈদের মতো বর্ণাঢ্য উৎসবের দিনগুলো ছিল ম্রিয়মাণ, নিষ্প্রভ। বঙ্গবন্ধুর শতবর্ষে বাঙালি আবেগ বিস্ফোরিত হয়নি।

শারদোৎসবেও যে জনউচ্ছ্বাস পথঘাট উদ্বেলিত করবে না- তাও অনুমান করতে পারি। বাঙালি চেতনায় এমন দুর্ভিক্ষ এনে দেয়ার ঔদ্ধত্য দেখিয়েছে এক অদৃশ্য অনুজীব। সবুজ প্রান্তরকে ধূসর ভূমিতে বদলে দিয়েছে। সৃষ্টি করেছে নয়া মূল্যবোধ শাসিত কোভিড-উত্তর এক বিরস মরুভূমি। উৎসব শুধু মনের খোরাক নয়, বাঙালির এ উৎসবগুলোর অর্থনৈতিক গুরুত্বও অপরিসীম। বহু মানুষের জীবিকা নির্ভর করে এ উৎসবগুলোর ওপর। জীবনের জন্য, জীবিকার জন্য যে উৎসবের জয়যাত্রা চলেছে কালের স্রোতে ভেসে, তার গতিকেও রুদ্ধ করেছে সর্বগ্রাসী করোনা।

করোনা জীবনকে বদলে দিলেও যা সে পারেনি, তা মানুষের প্রবৃত্তিগত চরিত্র; যেখানে লোভ, হিংসা আর স্বার্থপরতার আধিপত্য নিরঙ্কুশ। শুধু ব্যক্তি পরিসরে নয়, আন্তঃরাষ্ট্রীয় সম্পর্কের ক্ষেত্রেও তা সমানভাবে প্রযোজ্য।

গোটা বিশ্ব যখন ভয়ংকর প্যানডেমিকের করালগ্রাসে দিশেহারা, তখনও আমরা দেখছি, বাণিজ্য কিংবা সাম্রাজ্য বিস্তারের আকাক্সক্ষা পরাক্রমশালী দেশগুলোকে আচ্ছন্ন করে রেখেছে। আমেরিকা, চীন, ভারত, পাকিস্তান, জাপান, কোরিয়ায় এখন যে সংঘাতের বাতাবরণ সৃষ্টি হয়েছে; তা রীতিমতো উদ্বেগের। বিশ্বশান্তি বিপন্ন করার জন্যও তা যথেষ্ট।

যে সময় একটা প্রাকৃতিক দুর্যোগে গোটাবিশ্ব পর্যুদস্ত, সে মুহূর্তে সময়, কাল বিবেচনা না করে বরং এ প্যানডেমিক সৃষ্ট অপ্রস্তুত অবস্থার সুযোগ নিতেই মরিয়া প্রতিদ্বন্দ্বী দেশগুলো, এমনকি জঙ্গীগোষ্ঠীগুলোও এ ক্রান্তিকালকেই বেছে নিয়েছে তাদের তৎপরতা চালানোর উপযুক্ত সময় হিসেবে; যা মানবচরিত্রের রহস্যময়তাকেই প্রমাণ করে।

করোনার বৈশ্বিক সংক্রমণ সারা বিশ্বকে, এক কথায় মানব সভ্যতার উৎকর্ষকেই চ্যালেঞ্জ করেছে। জ্ঞান-বিজ্ঞানে সমৃদ্ধ আধুনিক রাষ্ট্রগুলোকেই অসহায় বানিয়ে দিয়েছে। করোনাভাইরাসকে কোন রাষ্ট্র কীভাবে মোকাবেলা করতে সক্ষম হয়েছে তার চুলচেরা বিশ্লেষণ হতে থাকবে।

ভ্যাকসিন আবিষ্কারেও জাতিগত বা সম্মিলিত সক্ষমতার প্রমাণ মিলবে। গণতান্ত্রিক সমাজ রাষ্ট্রীয় দায়িত্বে থাকা সরকারগুলোর সামর্থ্যও যাচাই করবে। কর্তৃত্ববাদী রাষ্ট্রগুলোতে তথ্যের অবাধ প্রবাহ নেই। ফলে সেখানে রাষ্ট্রের সক্ষমতা নিরূপণের সুযোগ কম।

স্বৈরতান্ত্রিক রাষ্ট্রগুলো দুর্যোগ মোকাবেলায় সাফল্য দাবি করলেও তা আধুনিক সভ্যতার মডেল হতে পারে না। ত্রুটি-বিচ্যুতি থাকলেও মুক্ত সমাজ ও উদার গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থায়ই আরও অনেককাল শ্রেয়তর কাঠামো হিসেবে টিকে থাকবে বলে মনে হয়।

কোভিড-১৯ রাষ্ট্র ও সমাজের অন্তর্গত শক্তি বা দুর্বলতাকে উন্মোচিত করেছে। ঐকমত্যের ভিত্তিতে চিহ্নিত ত্রুটি-বিচ্যুতি সংশোধনের উদ্যোগ নিতে হবে জরুরি ভিত্তিতে। রাষ্ট্রের বড় সুবিধা কর্মক্ষম জনশক্তির প্রাচুর্য। অসুবিধা হল কোভিড-সৃষ্ট বেকারত্ব, দারিদ্র্য ও অবসাদ।

রাষ্ট্রের চ্যালেঞ্জ সেবা প্রতিষ্ঠানগুলোর স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা। আর এ বিপুল তারুণ্যকে জ্ঞান-বিজ্ঞানের প্রতি আস্থাবান করা, সময়ের চাহিদা অনুযায়ী প্রস্তুত করে তোলা। সর্বোচ্চ নেতৃত্বে অখণ্ড আস্থা এখনও দেশের বৃহত্তম পুঁজি; যা সুশাসনের আকাক্সক্ষাকে ক্রমাগত বাঁচিয়ে রাখে। এ সুবিধাকে কাজে লাগিয়ে দেশ প্রকৃতি কিংবা মনুষ্যসৃষ্ট সব প্রতিকূলতা পেরিয়ে সর্বজনীন সমৃদ্ধির কক্ষপথে আবার সংযুক্ত হবে- এমনই প্রত্যাশা থাকবে।

অমিত রায় চৌধুরী : সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ

[email protected]

ঘটনাপ্রবাহ : ছড়িয়ে পড়ছে করোনাভাইরাস

আরও
আরও খবর

সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত