করোনা-পরবর্তী সংকটে শিক্ষার্থীদের ভূমিকা

  শেখ মো. মুনিরুজ্জামান ও সাদিয়া আফরিন ১৪ জুলাই ২০২০, ০০:০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

করোনা-পরবর্তী অর্থনৈতিক সংকট মোকাবেলায় দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে (স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, বিশ্ববিদ্যালয়) নিজ নিজ উদ্যোগে ডিপার্টমেন্টাল স্টোর, ফুড কোর্ট, লাইব্রেরি, কৃষি ফার্ম প্রতিষ্ঠা করা দরকার। যেসব শিক্ষার্থী আর্থিকভাবে অসচ্ছল, তারা এখানে বিভিন্ন মেয়াদে পার্ট-টাইম কাজ করে প্রাপ্ত মুনাফা থেকে বেতন পাবে, পাশাপাশি ব্যবসায়ের আয়তন বৃদ্ধি করা হবে যাতে আরও শিক্ষার্থীর জন্য কাজের সুযোগ সৃষ্টি করা যায়।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী, অভিভাবক, শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রতিষ্ঠান দ্বারা পরিচালিত ডিপার্টমেন্টাল স্টোর, ফুড কোর্ট, লাইব্রেরি, কৃষি খামার থেকে বাজারমূল্যের চেয়ে অপেক্ষাকৃত কম মূল্যে পণ্য ও সেবা অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।

করোনাভাইরাস চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছে আমাদের চারপাশের মানুষ কত অসহায়। শিক্ষার্থীদের মধ্যেও অনেক অসহায় পরিবার রয়েছে যাদের কথা চিন্তা করতে হচ্ছে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে, ভাবতে হচ্ছে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি বিভাগ, প্রতিটি শিক্ষক, সর্বোপরি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে। এত এত অসহায় পরিবারকে দীর্ঘমেয়াদে সহায়তা করাটা অনেক কঠিন। করোনা-পরবর্তী সময়েও আমাদের এসব সমস্যা মোকাবেলা করতে হবে, অনেক শিক্ষার্থী ও তাদের পরিবার অসহায় হয়ে পড়বে।

মোটামুটি স্বল্প কথায় বলতে গেলে যুদ্ধ ও সংকট-পরবর্তী সময়ের একটা বিধ্বস্ত দেশকে পুনরুদ্ধারে কাজ করতে হবে আমাদের সবাইকে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে প্রচুর ছাত্রছাত্রী পড়াশোনা করে, তাদের কিছু একটা করার উদ্যোগ গ্রহণ করতে সহায়তা এবং উৎসাহ প্রদান করতে পারলে দীর্ঘমেয়াদে একটা সমাধানের পথ হয়তো তৈরি করা সম্ভব হবে।

এক্ষেত্রে স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে দীর্ঘমেয়াদে উদ্যোগ হাতে নিয়ে বাস্তবে রূপদানের জন্য। এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রচুর শিক্ষার্থী পড়াশোনা করে, বিশেষ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বেশি ভূমিকা পালন করতে পারবে।

ধরা যাক দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর কথা। সাধারণত পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর আওতায় অনেক জায়গা থাকে, দেখা যায় সবটুকু জায়গার সদ্ব্যবহার করাও সম্ভব হয় না, অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে থাকে অনেক জমি যা বিভিন্ন বিভাগ বিভিন্নভাবে ব্যবহার করতে পারে। কৃষি বিভাগের শিক্ষক ও ছাত্রদের তত্ত্বাবধানে অব্যবহৃত জমিতে সবজির আবাদ করা যেতে পারে, স্বল্পকালীন ফলন দেবে এমন সবজি, ফল ইত্যাদি ফলনের চেষ্টা করাই যায়।

পড়ে থাকা ফাঁকা জমিতে সবজি ও ফলের গাছ লাগিয়ে উৎপাদিত ফল ও ফসল বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের কাছেই সরবরাহ করা যায়, এতে খাঁটি সবজিও সবাই পাবে, আবার শিক্ষার্থীদের কিছু আয়ের উৎসও তৈরি হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যোগে স্বল্পপরিসরে একটি ক্যান্টিন স্থাপন করা যেতে পারে, যেটি পুরোপুরিভাবেই শিক্ষার্থীদের দ্বারা পরিচালিত হবে। সেখান থেকে আসা লভ্যাংশ শিক্ষার্থীরা পাবে, কিছু অংশ ক্যান্টিনের পরিসর বাড়াতে ব্যবহার করা যেতে পারে।

বিভাগীয় শহর থেকে দূরবর্তী জেলাগুলায় অবস্থিত বিশ্ববিদ্যালয়, যেমন নোয়াখালী, গোপালগঞ্জ, যশোর, নেত্রকোনা, টাঙ্গাইল এসব এলাকা রাজধানী থেকে দূরে থাকায় প্রয়োজনীয় অনেক বই, অন্যান্য উপকরণ এলাকার লাইব্রেরিতে অর্ডার করে ঢাকা থেকে নিতে হয়। ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক হওয়ায় আমাদের বিভাগের কথা বলতে পারি, শিক্ষার্থীদের প্রতি সেমিস্টারে অনেকটা সময় অপেক্ষা করতে হয় সিলেবাসে অন্তর্ভুক্ত নতুন বই হাতে পাওয়ার জন্য, অনেককে ঢাকা গিয়ে বইগুলো ক্রয় করতে হয়।

এসব সমস্যা মোকাবেলায় শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণেই একটা বইয়ের বিপণি স্থাপন করা যেতে পারে, যার পুরো তত্ত্বাবধানে থাকবে শিক্ষার্থীরা। ৩৪টি বিভাগ রয়েছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে। একটি বিপণি থেকে সবার বই সরবরাহ করতে পারলে সেটি অনেক মঙ্গলজনকও হয়, আবার শিক্ষার্থীদের একটা আয়ের উৎসও হতে পারে এই বিপণি। বিতর্ক আসতে পারে বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্ররা কি কৃষক, শ্রমিক হতে এসেছে? বুঝিয়ে বলছি বিষয়টা আমাদের স্বল্প জ্ঞান দিয়ে।

আমাদের দেশের বেশির ভাগ ছাত্রছাত্রীই নিজেদের প্রচেষ্টায় পড়াশোনা চালিয়ে যায়, অনেক সময় পরিবারের দায়িত্বও তাদের কাঁধে এসে পড়ে। টিউশনের পেছনে ছোটে প্রায় সব শিক্ষার্থী, বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশ অবশ্যই জরুরি কিন্তু যেখানে দিনাতিপাত করাটাই মুখ্য বিষয় হয়ে ওঠে, সেখানে সেটির যথাযথ ব্যবস্থা না করে শুধু বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশের ওপর জোর দিয়ে খুব একটা ফলপ্রসূ হওয়া যায় না। এর থেকে শিক্ষার্থীদের জীবিকার ব্যবস্থা করে অর্থচিন্তা আর অন্নচিন্তা দূর করতে পারলে তাদের কাছ থেকে বেশি বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশের সম্ভাবনা পাওয়া যাবে।

বেকারত্ব আমাদের দেশের অন্যতম প্রধান সমস্যা, বেকারত্বের বোঝা আর অভিশাপ কাঁধে নিয়ে দিনাতিপাত করে লাখ লাখ তরুণ। সেক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো তরুণ উদ্যোক্তা তৈরিতে বিশেষ ভূমিকা রাখতে পারে, অবদান রাখতে পারে ছাত্রদের কর্মসংস্থান সৃষ্টির ক্ষেত্রেও। আসলে সূদুরপ্রসারী চিন্তা করে কর্মক্ষেত্র তৈরি করা সম্ভব হলে এখান থেকেই ছোট ছোট উদ্যোক্তা তৈরি হবে যারা পড়াশোনা শেষ করে নিজেরাই নিজেদের উদ্যোগে বিভিন্ন ব্যবসা-বাণিজ্য পরিচালনা করতে পারবে।

সরকারি চাকরির পেছনে ছুটে সময়ক্ষেপণ করা লাগবে না তাদের। বাণিজ্য বিভাগের শিক্ষকরা প্রাথমিক প্রশিক্ষণ ও ধারণা দিলে ছাত্রছাত্রীরা নিজেদের ক্যাম্পাসেই পড়াশোনার পাশাপাশি রেস্টুরেন্ট, ক্যান্টিন, বইয়ের বিপণি বা লাইব্রেরি পরিচালনা করতে পারে খুব সহজভাবেই। কৃষি খামারের সঙ্গে যুক্ত হয়ে আয়ের উৎস তৈরি হতে পারে অনেক অনেক শিক্ষার্থীর। পড়াশোনার পাশাপাশি এগুলোয় যুক্ত হয়ে নিজের ও বন্ধুদের সচ্ছলতা আনয়নে কাজ করতেই পারে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

এতে করে অসহায় বোধ করা লাগে না অনেকেরই, কাল কীভাবে চলব বা কী খাব এ দুশ্চিন্তা যখন একজন ছাত্রের মাথায় থাকে তখন তার কাছ থেকে কতটুকু বিদ্যা-বুদ্ধির বিকাশ আমরা প্রত্যাশা করতে পারি! বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটা বিভাগ, হল এরকম সহায়তা বা বৃত্তি প্রদান করেই থাকে সচরাচর; কিন্তু করোনা-পরবর্তী সময়ে যুদ্ধটা এবং পথ চলাটা এত সহজ হবে না।

বিশ্ববিদ্যালয়ের অঢেল ফান্ড একসময় ঠিকই শূন্য হয়ে যাবে, বিপুলসংখ্যক ছাত্রছাত্রীদের কতজন শিক্ষক কতদিন ধরে মানবিকতা দেখাবেন বা দেখাতে পারবেন তা অনিশ্চিত। এই মানবিক চর্চাটা আমরা একটু অন্যভাবে করলে মন্দ হয় না। শিক্ষক, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন মিলে যদি উপরে আলোচিত বিষয়গুলোর ওপর আলোকপাত করে গুরুত্বসহকারে বিষয়গুলো বিবেচনা করে শিক্ষার্থীদের জন্য ছোট ছোট কর্মক্ষেত্র প্রস্তুত করা যায় তবে তা বেশি অবদান রাখবে তাদের আর্থিক কষ্ট লাঘবের ক্ষেত্রে।

আমাদের দেশে বর্তমানে ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড বা জনসংখ্যার বোনাসকাল চলছে। কোনো দেশে এই সময়কাল দীর্ঘদিন পরপর আসে এবং এ সময়টা যে কোনো দেশের জন্যই আশীর্বাদ, কারণ এ সময়ে দেশে তরুণ সমাজের সংখ্যাধিক্য থাকে এবং বয়স্ক জনসংখ্যা কম থাকে। যে কোনো দেশের তরুণ জনসংখ্যাকে আশীর্বাদ হিসেবে গড়ে তোলা যেতে পারলে তা দেশের জন্য বোঝা না হয়ে সম্পদ হবে। আমাদের দেশের বিপুলসংখ্যক তরুণের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা আমরা করতে পারছি না, জনসংখ্যার বোনাসকালের যথাযথ ব্যবহার আমরা করতে পারছি না।

আমাদের বেশির ভাগ তরুণ ছুটছে সরকারি চাকরির পেছনে। বেকারের সংখ্যার তুলনায় সরকারি চাকরির সুযোগ সীমিত। সরকারি-বেসরকারি মিলিয়েও আমাদের চাকরির প্রয়োজনীয় হারের তুলনায় বেকারত্বের হার অনেক বেশি। আমাদের এ বিপুলসংখ্যক তরুণকে যদি সফল উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তোলা যায়, তাহলে তারাই অনেকের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে পারবে নিজেরা স্বাবলম্বী হয়ে।

আমাদের কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীদেরও পড়ালেখা শেষ করে সেই সরকারি কৃষি কর্মকর্তা হওয়ার দৌড়ে অংশীদার হতে দেখা যায়, অথচ এদের অনেকেই নিজেরাই নিজেদের উদ্যোগে কৃষি খামার, নতুন নতুন চমকপ্রদ সব কৃষি আইডিয়া নিয়ে সামনে আসতে পারে, অবদান রাখতে পারে দেশের চালিকাশক্তি হিসেবে।

এজন্য সরকারি-বেসরকারি পৃষ্ঠপোষকতার প্রয়োজন রয়েছে তরুণদের মানসিক, আর্থিক প্রণোদনার জন্য। ২০৫০ সাল পর্যন্ত আমাদের দেশে জনসংখ্যার বোনাসকাল চলবে, এরপর থেকে আবার তরুণ জনসংখ্যা কমে বয়স্ক লোকসংখ্যা বাড়তে থাকবে। এ সময়ের যথাযথ ব্যবহার করতে চাইলে আমাদের তরুণ জনসংখ্যার মেধা ও মননকে কাজে লাগাতে হবে, বিশ্ববিদ্যালয় হতে পারে এর সূতিকাগার।

কিছু সফল উদ্যোক্তা তৈরি হলে এরাই পরবর্তী সময় আরও অনেক সফল উদ্যোক্তা তৈরি করতে সমর্থ হবে। করোনা-পরবর্তী সংকট মোকাবেলা করতে এ বিষয়গুলোর ওপর গুরুত্বসহকারে আলোকপাত করা জরুরি। কৃষির ওপর নির্ভর করে যে অর্থনীতি গড়ে উঠেছে, সে খাতই দেশে সব থেকে বেশি অবহেলিত, পাওয়া যায় না উদ্যোক্তা, ভর্তুকি, প্রয়োজনীয় অনুপ্রেরণা। দেশের অর্থনীতিকে চাঙ্গা রাখতে আমাদের কৃষিব্যবস্থার উন্নয়নের দিকে নজর দেয়া জরুরি।

উদ্যোক্তা একদিনে তৈরি হয়ে যায় না, এর জন্য প্রশিক্ষণ, শিক্ষা, অনুপ্রেরণা, উৎসাহ, ধৈর্য সবকিছুর প্রয়োজন পড়ে। বড় দেশগুলাতেও ছাত্রছাত্রীরা অনেক কাজই করে থাকে পড়াশোনার পাশাপাশি, এটাকে ছোট মনে করার কোনো অবকাশ নেই। তাছাড়া নিজেদের জন্য যখন এটা বিলাসিতা নয়, ‘নেসেসিটি’; তখন অন্যভাবে ভাবার কোনো অবকাশ নেই।

ছাত্রছাত্রীদের তৎপর হতে হবে, ভিন্নভাবে ভাবা শিখতে হবে, কীভাবে অর্থনীতিতে অবদান রাখা যায় ভাবতে হবে, বিশ্ববিদ্যালয়ে একই সঙ্গে ছাত্র ও উদ্যোক্তা হয়ে কীভাবে নিজের এবং সহপাঠীদের অসহায়ত্ব ঘোচানো যায়, সে বিষয়ে ভাবতে হবে। প্রতিটি সৃজনশীল ভাবনাকে মূল্যায়ন করতে হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, প্রশাসন এক্ষেত্রে অবদান রাখতে পারে। প্রয়োজনে ঋণের ব্যবস্থা করে প্রাথমিক কাজ শুরু করতে অনুপ্রেরণা দেয়া যেতে পারে। শুধু মানবিক সহযোগিতা নয়, বিভাগীয় বৃত্তি নয়, অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের দীর্ঘমেয়াদি আয়ের ব্যবস্থা করে দেয়াটা যেন উদ্দেশ্য হয়। কৃষি খামার, বিভাগীয় স্টোর, বইবিপণি, ক্যান্টিন, রেস্টুরেন্ট এগুলো শিক্ষার্থীরা খুব ভালোভাবেই পরিচালনা করে নিজেদের প্রয়োজন মেটাতে পারবে বলে বিশ্বাস।

শেখ মো. মুনিরুজ্জামান ও সাদিয়া আফরিন : প্রভাষক, ইংরেজি বিভাগ, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, গোপালগঞ্জ

ঘটনাপ্রবাহ : ছড়িয়ে পড়ছে করোনাভাইরাস

আরও
আরও খবর

সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত