শতফুল ফুটতে দাও

প্রধানমন্ত্রী আমলে নেবেন কিনা জানি না

  ড. মাহবুব উল্লাহ্ ৩০ জুলাই ২০২০, ০০:০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

গত ২৮ জুলাইয়ের কোনো কোনো পত্রিকায় প্রধানমন্ত্রীকে ডা. জাফরুল্লাহর লেখা খোলা চিঠির সংক্ষিপ্ত রূপ প্রকাশিত হয়েছে। মূল চিঠিটি ২ হাজার ৬৬৪ শব্দে লেখা। চিঠিটি সোমবার দিন প্রধানমন্ত্রীর দফতরে জমা দেয়া হয়েছে। গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রেস উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম মিন্টু এ তথ্য জানিয়েছেন।

ডা. জাফরুল্লাহ তার খোলা চিঠির শিরোনাম দিয়েছেন, ‘প্রিয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে একজন নাগরিকের খোলা চিঠি’। এই চিঠিতে তিনি প্রধানমন্ত্রীকে ঈদের দিন বেগম খালেদা জিয়ার বাসভবনে তাকে দেখতে যাওয়ার অনুরোধ করেছেন। তিনি লিখেছেন, ‘ঈদের দিন সময় করে সুস্বাস্থ্য কামনা করতে খালেদা জিয়ার বাসস্থানে যান, এতে দেশবাসী খুশি হবে এবং বঙ্গবন্ধু হেসে বলবেন, ভালো করেছিস মা।’

ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর এই শুভ কামনা কতটা পূরণ হবে বলা কঠিন। দুনিয়াব্যাপী সব রাজনৈতিক দলেই মোটাদাগে দুই ধরনের সদস্য থাকে। এদের একটি গ্রুপ চরমপন্থী, আর অন্য গ্রুপটি নরমপন্থী। যদি আওয়ামী লীগের মধ্যকার চরমপন্থীরা প্রধানমন্ত্রীকে প্রভাবিত করতে পারেন তাহলে প্রধানমন্ত্রী ডা. জাফরুল্লাহর এই আশা পূরণ করতে পারবেন না।

চরমপন্থীরা বলতে চাইবেন, বেগম খালেদা জিয়ার দ্বিতীয় সন্তান আরাফাত রহমান কোকোর মৃত্যুতে বেগম খালেদা জিয়াকে শোক জানানো এবং সান্ত্বনা দেয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার গুলশান কার্যালয়ে ছুটে গিয়েছিলেন; কিন্তু বিএনপির অপরিণামদর্শীদের অতি সক্রিয়তার ফলে তাকে গুলশান অফিসে ঢুকতে দেয়া হয়নি।

এরকম একটি হঠকারী সিদ্ধান্ত কারা নিয়েছিল তা আজও আমার কাছে অজ্ঞাত। আমরা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শাসন অপছন্দ করতে পারি এবং কারচুপি ও অনিয়মের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত নির্বাচনকে ব্যবহার করে ক্ষমতা আঁকড়ে রাখার তীব্র নিন্দা করতে পারি; কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে তিনি দেশের প্রধানমন্ত্রী।

এক্ষেত্রে ব্যক্তি শেখ হাসিনার আমরা নিন্দা করতে পারি; কিন্তু প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তিনি সৌজন্যের দাবিদার। ইংরেজিতে একটি কথা আছে- Courtesy costs nothing, এমন মূল্যবান হিতোপদেশ অগ্রাহ্য করা চরম বোকামি। তর্কের খাতিরে বিএনপির অনেক নেতাকর্মী বলতে চান, শেখ হাসিনার স্বামী ড. ওয়াজেদ মিয়ার মৃত্যুর পর তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া শেখ হাসিনার কাছে ছুটে গিয়েছিলেন। দুর্ভাগ্যের বিষয় তখন শেখ হাসিনা তার সঙ্গে দেখা করেননি।

গত প্রায় ২ বছর মামলায় দণ্ডিত হয়ে বেগম খালেদা জিয়া কারান্তরালে দিন যাপন করছিলেন। এই বয়সে কারাভোগের কষ্ট কত যে পীড়াদায়ক সেটা একমাত্র ভুক্তভোগীই বলতে পারেন। তাকে মুক্ত করা অথবা তার জামিনের ব্যবস্থা করার জন্য বহু আইনি লড়াই হয়েছে; কিন্তু আইনি লড়াই কোনো কাজে আসেনি।

শেষ পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রশাসনিক সিদ্ধান্তে তাকে ৬ মাসের জামিন দেয়া হয়, যাতে তিনি তার পছন্দমতো চিকিৎসা করাতে পারেন। তার কারামুক্তির সময় সারা দেশে কোভিড-১৯-এর প্রাদুর্ভাব ঘটেছে। এই প্রাদুর্ভাব বলতে গেলে সমগ্র দুনিয়াকে গ্রাস করেছে।

সে কারণে তিনি এখন পর্যন্ত সুচিকিৎসা করাতে পারেননি। যাই হোক, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজের প্রশাসনিক ক্ষমতাবলে বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্তি দিয়ে একটি ভালো রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। প্রশ্ন উঠতে পারে, এভাবে কারাভোগকারী দণ্ডিত আসামিকে তিনি মুক্তি দিতে পারেন কিনা।

এ প্রশ্নের জবাব হল, যে আইন দেশের মানুষের জন্য মঙ্গলজনক নয় তাকে আইন বলা যায় না। একটি জাতির ইতিহাসে কোনো কোনো সময় এমন মুহূর্ত আসে যখন রাজনৈতিক বিবেচনা আইনি বিবেচনার ঊর্ধ্বে চলে যায়। বেগম খালেদা জিয়ার এই সাময়িক মুক্তির ক্ষেত্রে রাজনৈতিক বিবেচনাই প্রাধান্য পেয়েছে। ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী তার খোলা চিঠিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ঈদের দিনে খালেদা জিয়ার বাসস্থানে গিয়ে দেখে আসার অনুরোধ করেছেন।

ডা. জাফরুল্লাহর লিখিত ভাষার বিশ্লেষণ করলে এটাই দাঁড়ায় যে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্য এটি হবে বড় রকমের রাজনৈতিক সুবিধা হাসিলের সাহসী প্রয়াস। বর্তমান আওয়ামী লীগের সব নেতাকর্মী শেষ পর্যন্ত তাদের সভানেত্রীর সিদ্ধান্তের দিকে তাকিয়ে থাকে।

ডা. জাফরুল্লাহর খোলা চিঠির একটি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট হল, আমলাতন্ত্র এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও বিভিন্ন এজেন্সির ওপর নির্ভর না করে দল ও জনগণের ওপর নির্ভর করা। বস্তুত গণতন্ত্রের রাজনীতি এভাবেই চলে।

অন্যদিকে স্বৈরতন্ত্র বা ফ্যাসিবাদের রাজনীতি আমলাতন্ত্র, বন্দুকের শক্তি এবং এজেন্সিগুলোর পরামর্শের ওপর নির্ভরশীল। সুতরাং শেষ পর্যন্ত জনগণকে পাশ কাটিয়ে যা কিছু করা হয় তা কখনও রাজনৈতিক নেতা, রাজনৈতিক দল এবং দেশবাসীর জন্য কল্যাণকর হয় না।

বেগম খালেদা জিয়া যখন মুক্ত ছিলেন তখন ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী তাকেও একটি খোলা চিঠি লিখেছিলেন। অপ্রিয় সত্যটি হল, এই খোলা চিঠির প্রতিপাদ্য নিয়ে দলের যথাযথ স্তরে কোনো আলোচনা হয়নি। আলোচনা হলে হয়তো দল এ থেকে লাভবান হতো।

ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী দুঃখের সঙ্গে লিখেছেন, অতীতে তিনি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের চেষ্টা করেও সফল হননি। সে কারণেই তিনি খোলা চিঠি লিখেছেন। তিনি মনে করেন, প্রধানমন্ত্রীর দফতরের কেউ না কেউ তার এই চিঠিটি প্রধানমন্ত্রীর নজরে আনবেন এবং তিনি একটি প্রাপ্তি স্বীকারপত্র পাবেন। প্রধানমন্ত্রী শব্দটির সঙ্গে ‘প্রিয়’ শব্দটি জুড়ে দিয়ে তিনি বলেছেন, এটাই একজন নাগরিকের আকাঙ্ক্ষা।

ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী স্বাস্থ্য নিয়ে কাজ করেন। জনগণের স্বাস্থ্যের অবস্থা এবং দেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থার দুর্বলতাগুলো তাকে পীড়িত করে। দেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থার কীভাবে আরেকটু সংস্কার করে স্বাস্থ্যব্যবস্থাকে জনবান্ধব করে তোলা যায় সেটাই হল ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর সর্বক্ষণের চিন্তা।

বাংলাদেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থা অত্যন্ত কেন্দ্রীভূত। কেন্দ্রীভূত এই স্বাস্থ্যব্যবস্থাকে কিছুটা বিকেন্দ্রীকরণের জন্য তার কিছু পরামর্শ রয়েছে। রোগীকে হাসপাতালে ভর্তির জন্য কোনো দেশে প্রধানমন্ত্রী, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বা স্বাস্থ্য অধিদফতরের অনুমোদন লাগে না। কোভিড-১৯ আক্রান্তই হোক অথবা কোভিডমুক্ত অন্য কোনো রোগাক্রান্ত রোগীর হাসপাতালে ভর্তির সিদ্ধান্ত দেন ওই হাসপাতালের পরিচালক, কার্যত ডিউটিরত চিকিৎসক, নার্স বা ইমার্জেন্সি মেডিকেল অফিসার।

আমরা জানি, আত্মীয়স্বজন এক হাসপাতাল থেকে অন্য হাসপাতালে ভর্তি করানোর জন্য ছুটে গেছেন; কিন্তু সব হাসপাতালই রোগীকে গ্রহণ করেনি। এসব ধকল সহ্য করতে না পেরে বিনা চিকিৎসায় রোগীর মৃত্যু ঘটেছে। এর চেয়ে বড় ট্র্যাজেডি আর কী হতে পারে! হাসপাতালের লাইসেন্স নিয়েও ডা. জাফরুল্লাহ প্রধানমন্ত্রীকে এ সম্পর্কে কিছু তথ্য দিয়েছেন।

তার জানামতে, বাংলাদেশের অধিকাংশ বেসরকারি হাসপাতালের স্বাস্থ্য দফতরের অনুমোদন নেই, এমনকি গণস্বাস্থ্য নগর হাসপাতালের কোনো ডায়ালাইসিস সেন্টারেরও লাইসেন্স নবায়িত করা হয়নি। বর্তমান প্রচলিত নিয়ম হল আলাদা আলাদা অনুমোদন।

হাসপাতাল, ল্যাবরেটরি, রোগ নির্ণয় কেন্দ্র অনুমোদনের জন্য বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন প্রয়োজন হয়। তারা এমন সব নিয়ম করেছে যে, তা পূরণ করা প্রায় অসম্ভব। লাইসেন্স ফি’র টাকার অঙ্কটিও ৪০-৫০ গুণ বৃদ্ধি করা হয়েছে। হাসপাতালের অনুমোদন থাকলে এর অন্তর্ভুক্ত সব বিভাগের অনুমোদন স্বয়ংক্রিয়ভাবে হয়ে যাবে না কেন। এভাবে হাসপাতালগুলোকে জটিল সমস্যার মধ্যে ঠেলে দেয়া হয়েছে। হাসপাতালকেন্দ্রিক দুর্নীতির কথা আমরা জানি।

আবার বেসরকারি খাতে প্রতিষ্ঠিত হাসপাতালগুলো নিজেদের মান ক্রমান্বয়ে উন্নত করতে চায় এমন দৃষ্টান্তেরও অভাব নেই। নিয়ম-কানুনের অতিরিক্ত কড়াকড়ি ব্যবহার করে হাসপাতালকেন্দ্রিক প্রতারণা বন্ধ করা সম্ভব হয়নি।

অতি সাম্প্রতিক সময়ে কিছু হাসপাতাল সম্পর্কে যেসব ভয়ানক তথ্য উদঘাটিত হয়েছে সেগুলো সাধারণ নাগরিক মনে গোটা স্বাস্থ্যব্যবস্থার ওপর অনাস্থা ও অবিশ্বাস তৈরি করেছে। এখন জনগণ পারতপক্ষে হাসপাতালে যেতে চায় না। যেদিন হাসপাতালগুলোর ওপর মানুষের পূর্ণ আস্থা ফিরে আসবে সেদিনটি হবে আমাদের স্বাস্থ্যব্যবস্থার সোনালি দিন। ডা. জাফরুল্লাহ তার খোলা চিঠিতে উল্লেখ করেছেন, সুলভে যৌক্তিক চিকিৎসা পাওয়ার অধিকার সবার; কিন্তু সেটি নিশ্চিত করার দায়িত্ব প্রধানমন্ত্রীর সরকারের।

. জাফরুল্লাহ আরও মনে করেন, অনূর্ধ্ব ৫০ হাজার লোকসংখ্যার ইউনিয়নে ২ জন চিকিৎসকের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে না পারলে ইউনিভার্সেল হেলথ কাভারেজ অর্জন করা আকাশকুসুম কল্পনা মাত্র। মেডিকেল যন্ত্রপাতি ও ওষুধের কাঁচামাল আমদানিতে শুল্ক বৈষম্য দুর্নীতির অপর একটি হাতিয়ার বলে তিনি মনে করেন।

অভিযোগ আছে, সরকারি হাসপাতালের জন্য যেসব যন্ত্রপাতি আমদানি করা হয় সেগুলো মানসম্মত নয়। অথচ এগুলোর জন্য ৩-৪ গুণ বেশি টাকা ব্যয় করতে হয়। মধ্যস্বত্বভোগীরা এবং মূল সরবরাহকারীরা এ থেকে বড় অঙ্কের ফায়দা হাসিল করেন। এর ফলে রাষ্ট্র আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বর্তমান ডিজিটাল ব্যবস্থার যুগে মেডিকেল যন্ত্রপাতির ওয়েবসাইট থেকে দামসংক্রান্ত তথ্য আহরণ করা কোনো কঠিন ব্যাপার নয়। তাহলে চলমান দুর্নীতিকে কেন প্রশ্রয় দেয়া হবে?

ডা. জাফরুল্লাহ মনে করেন, বাংলাদেশে চৈনিক ভ্যাকসিনের ট্রায়াল হওয়া উচিত। বাংলাদেশ মেডিকেল রিসার্চ কাউন্সিল যদি চীনের ভ্যাকসিন ট্রায়ালকে অনুমোদন প্রদান করে তাহলে মন্ত্রণালয় নাক গলাবে কেন? ডা. জাফরুল্লাহ প্রধানমন্ত্রীর প্রতি প্রশ্ন রেখেছেন, সুলভে সার্বজনীন চিকিৎসাসেবা প্রাপ্যতার জন্য যা করণীয় তা আপনি করেছেন কি? ভারতীয় সেবা কোম্পানির প্রতি পক্ষপাতিত্ব করছেন। কিন্তু কেন?

ডা. জাফরুল্লাহ নিজেকে একজন বোকা মুক্তিযোদ্ধা উল্লেখ করে লিখেছেন, প্রধানমন্ত্রীর কাছে একজন বোকা মুক্তিযোদ্ধার কামনা, দেশের উন্নয়নের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপনি কঠিন পরিশ্রম করেছেন; কিন্তু লক্ষ্য থেকে ক্রমে দূরে সরে যাচ্ছেন, সঙ্গে বাড়ছে আপনার একাকিত্ব ও নিঃসঙ্গতা।

দেশের এই কঠিন সময়ে আপনার নিজ দলের পুরনো সহকর্মী এবং অন্য সব রাজনীতিবিদকে সঙ্গে নিয়ে আপনাকে অগ্রসর হতে হবে। তাদের নিশ্চিত করতে হবে সুশাসনের লক্ষ্যে আগামী নির্বাচন হবে সুষ্ঠু-পরিচ্ছন্ন। কোনো চালাকির নির্বাচন নয়, দিনের নির্বাচন রাতে নয়।

হয়তো বা সফলতা আপনার জন্য অপেক্ষায় রয়েছে। প্রধানমন্ত্রীকে শেষ কথাটি তিনি যা বলেছেন তা হল, সুস্থ থাকুন, আমলা ও গোয়েন্দাদের থেকে সাবধানে থাকুন, রাজনৈতিক সহকর্মীদের কাছে ডেকে নিন। ডা. জাফরুল্লাহর শেষ কথাটি দেশের এই সংকটকালে শান্তিপূর্ণভাবে গণতন্ত্রের পথে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে। আমরা দেখতে চাই, এই খোলা চিঠির কার্যকারিতা কতটুকু।

ড. মাহবুব উল্লাহ : শিক্ষাবিদ ও অর্থনীতিবিদ

আরও খবর

সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত