হিরোশিমা ভাস্কর্যের স্বপ্ন

  ভাস্কর রাসা ০৬ আগস্ট ২০২০, ০০:০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

গত শতাব্দীটি ছিল মানবসভ্যতার ইতিহাসে সবচেয়ে ভয়াবহ শতাব্দী। ১৯০০ সাল আরম্ভের প্রথম দিকে শুরু হয় প্রথম বিশ্বযুদ্ধ। কোটি কোটি মানুষ মৃত্যুবরণ করে। সেই সঙ্গে কোটি কোটি মানুষ সহায়-সম্বলহীন হয়ে মানবেতর জীবনযাপনে বাধ্য হয়।

এ বিশ্বযুদ্ধের মধ্য দিয়ে অস্ত্র ব্যবসা ফুলে-ফেঁপে উঠতে থাকে। ১৯৪১ থেকে ১৯৪৫ আবার বিশ্বযুদ্ধ বাধে, আবারও উল্লেখিত অবস্থার মধ্যে পতিত হয় শান্তিপ্রিয় কর্মঠ মানুষ। এ বিশ্বযুদ্ধকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ বলা হয়।

এ যুদ্ধের ভয়াবহ স্বরূপটি আমরা দেখতে পাই হিরোশিমা (৬ আগস্ট) ও নাগাসাকির (৯ আগস্ট) পারমাণবিক বোমাবর্ষণের মধ্য দিয়ে। এর আগে পৃথিবীতে এত অল্প সময়ে এত লক্ষ মানুষের প্রাণহানি, পঙ্গুত্বের ঘটনা আর ঘটেনি। পৃথিবীতে প্রথম এ নির্মম নিষ্ঠুরতা সংঘটিত হল। সেই ভয়ংকর বোমা দুটির নাম ছিল ফ্যাটম্যান ও লিটল বয়।

ভয়ংকর বোমা যারা বানিয়েছিল তারা ছিল আরও হিংস্র ড্রাকুলার মস্তিষ্কের মানুষ। কারণ যারা এ ধ্বংসলীলার সঙ্গে জড়িত তারা সবাই উচ্চশিক্ষিত, তবে তাদের শিক্ষার সঙ্গে নীতিশিক্ষা ছিল না। মানবিক কল্যাণময় দিকটি তাদের মস্তিষ্কে ছিল না।

এখন যারা এ হিংস্র কাজে লিপ্ত তাদের অবস্থাও তদরূপ, উচ্চশিক্ষার সঙ্গে নীতিশিক্ষার অনুপস্থিতির জন্য নীতিহীন উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত ব্যক্তিরা হীনস্বার্থে বিপদগামী হয়ে পড়ছে এবং এ সংখ্যা করোনার মতোই সংক্রমিত হচ্ছে। বর্তমান অবস্থা বিবেচনা করে জরুরি ভিত্তিতে উচ্চশিক্ষার সঙ্গে নীতিশিক্ষাকে সংযুক্ত করতে হবে।

নয়তো আগামীতে এ পৃথিবী একটি দানবীয় পৃথিবীতে পরিণত হবে। এ মুহূর্তে পৃথিবীতে যত পারমাণবিক ও রাসায়নিক অস্ত্র আছে তা দিয়ে এ পৃথিবীকে কমপক্ষে ২০০ বার হত্যা করা যাবে। আর পৃথিবীতে পারমাণবিক, রাসায়নিক শক্তিধর দেশের সংখ্যা কয়েক ডজন।

খোঁজ নিলে দেখা যাবে, এসব অনেক দেশের উল্লেখযোগ্যসংখ্যক নাগরিক মানবেতর জীবনযাপন করছে। অথচ তাদের এ দিকে ভ্রুক্ষেপ নেই, তাদের ভয়ংকর এ অস্ত্র লাগবেই। রাজনীতিতে শত্রু শত্রু খেলা শুরু করেছে অস্ত্র ব্যবসায়ী দেশ ও প্রতিষ্ঠানগুলো।

এ শত্রু শত্রু খেলা এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে, এক দেশের রাষ্ট্রপ্রধান গর্ব করে বলছে তার মিসাইল ৪০০০ মাইল দূরে গিয়ে আরেক দেশকে ধ্বংস করে দিতে পারে; কিন্তু ৪০০০ মাইল দূরে গিয়ে অসহায় মানুষকে বিপদ থেকে উদ্ধার করার কোনো ঘোষণা এসব যুদ্ধবাজ নেতার মস্তিষ্ক থেকে পাওয়া যাবে না এটি নিশ্চিত।

দেশের রাষ্ট্রপ্রধান ভালুকের মতো গর্জন করে বলছে, তার অস্ত্রভাণ্ডারে এমন অস্ত্র আছে যা দিয়ে সমুদ্রের পানিকে ৩০০ ফুট উপর তুলে সব উপকূলীয় অঞ্চল ধ্বংস করা সম্ভব।

বিশ্বের অস্ত্রের খবরদারি করছে যেসব দেশ তাদের হাতে যে পরিমাণ অস্ত্র আছে তার সঠিক তথ্য কি বিশ্ববাসী জানে? এসব খবরদারিকারী দেশগুলোর অস্ত্র মজুদ কি বিশ্ব নিরাপত্তার জন্য হুমকি নয়?

আসা যাক জীবাণু অস্ত্র কখন থেকে শুরু হয়েছে সেই আলোচনায়। জানা যায়, আমেরিকা-ব্রিটিশ উপনিবেশ থাকাকালীন রেড ইন্ডিয়ানদের দমন করতে শীতকালে ব্রিটিশ বাহিনী গুটি বসন্তের জীবাণু মিশ্রিত কম্বল বিতরণ করেছিল রেড ইন্ডিয়ারদের মধ্যে। জীবাণু অস্ত্রের ব্যবহার সম্ভবত সেই থেকেই শুরু হয়েছে।

এ কম্বল ব্যবহারের ফলে হাজার হাজার রেড ইন্ডিয়ান গুটি বসন্তে আক্রান্ত হয়ে মারা যায়। সেই সময়ের ব্রিটিশ বাহিনীর একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার একটি চিঠির অংশ উল্লেখ করতে চাই। ১৬৭০ সালে আমেরিকায় ব্রিটিশ সেনাপ্রধান স্যার জেফ্রি আহমাস্ট তার অধস্তন কর্মচারী কর্নেল হেনরি পোস্টকে চিঠি লেখেন: রেড ইন্ডিয়ানদের নির্মূল করতে তুমি যে ব্যবস্থার কথা বলেছ তাতে আমার কোনো আপত্তি নেই।

এ অসভ্য উপজাতি দিন দিন আমাদের অশান্তির কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে। ওদের অনাহারে মেরে ফেলার জন্য ওদের প্রধান খাদ্য বাইসন মেরে প্রায় শেষ করে দেয়া হয়েছে। আধুনিক অস্ত্র দিয়ে ওদের বসতির পর বসতি জ্বালিয়ে দেয়া হচ্ছে, তবু এ ছোট ছোট উপজাতি দলগুলো আদিকালের অস্ত্র নিয়ে আমাদের সঙ্গে সংঘাতে জড়িয়ে লোকক্ষয় ও লোকসান করছে, তাই এ অবস্থায় তোমার এ পরিকল্পনা যদি বাস্তবায়িত হয় তবে তা হবে সভ্য জগতের জন্য আশীর্বাদস্বরূপ।

এ গুটি বসন্তের কম্বল বিতরণ করতে ধর্মকে ব্যবহার করেছিল ব্রিটিশ বাহিনী। ধর্মযাজক পার্দি ফ্লিপসকে দিয়ে এ কম্বল বিতরণ করা হয়। পরে অবশ্য পার্দি ফ্লিপসও গুটিবসন্তে আক্রান্ত হয়ে মারা যায়। সেই থেকে জীবাণু অস্ত্র শাসকদের হাতে পড়ে বহুরূপ পরিবর্তন করে মর্যাদাপূর্ণ নভেল করোনা নাম ধারণ করেছে। বর্তমান সময়ে অদৃশ্য শত্রুর তাণ্ডব নৃত্য বিশ্বকে তছনছ করে দিচ্ছে। এ সঙ্গে যুক্ত হয়েছে আরেক দৈত্য রাসায়নিক অস্ত্র।

এ দৈত্যের আক্রমণ শুরু হয় সম্ভবত দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের সময় থেকে। গত শতাব্দীর শেষ থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত একাধিকবার রাসায়নিক অস্ত্র ব্যবহার করে হাজার হাজার মানুষকে মেরে ফেলা হচ্ছে। শতাব্দীর অন্যতম দুর্ভাগ্য ও দুঃখজনক ঘটনা হচ্ছে, পশ্চিমা বিশ্ব দাবি করেছিল ইরাক রাসায়নিক অস্ত্রের পাহাড় গড়ে তুলেছে।

এ অস্ত্র বিশ্ব নিরাপত্তার জন্য হুমকি স্বরূপ, তাই সামরিক শক্তি প্রয়োগ করে হলেও ইরাকের রাসায়নিক অস্ত্রের মওজুদ ধ্বংস করতে হবে। পরাশক্তির এক অংশ রাসায়নিক অস্ত্র ইরাকে কী পরিমাণ আছে তা তদন্তের জন্য আন্তর্জাতিক তদন্ত কমিশন গঠন করে।

এ তদন্ত কমিশনের প্রধান হ্যান্স ফ্লিকসের নেতৃত্বে দলটি ইরাকে যেয়ে রাসায়নিক অস্ত্রের অনুসন্ধান করে ফিরে এসে তদন্ত রিপোর্ট পেশ করার আগেই প্রমাণহীন অভিযোগের ভিত্তিতে আমেরিকার তৎকালীন প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশ ও ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ারের নেতৃত্বে আন্তর্জাতিক যৌথবাহিনী ভয়ংকর ত্রিমুখী সামরিক শক্তি ব্যবহার করে নির্বিচারে চালায় হত্যা, লুণ্ঠন, অগ্নিসংযোগ করে ধ্বংস করে দেয় পৃথিবীর প্রাচীন সভ্যতার অন্যতম নির্দশনসমৃদ্ধ দেশ ইরাককে।

ইরাককে সম্পূর্ণ ধ্বংস করার পর অবশ্য তদন্ত কমিটির প্রধান বলেছিল তাদের তদন্তে কিছুটা ভুল ছিল। তবে, সেখানে পাওয়া গিয়েছিল সম্ভবত রাসায়নিক কৃষি উপাদানগুলো।

একটি দেশকে মিথ্যা অভিযোগে ধ্বংস করার অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের কি বিশ্ব ব্যবস্থা শাস্তি দিতে পেরেছে? বর্তমানে পৃথিবীর সবচেয়ে লাভজনক ব্যবসা হচ্ছে অস্ত্র ব্যবসা। ধরা যাক একটি পিস্তলে যে পরিমাণ কাঁচামাল প্রয়োজন হয় তার বাজারমূল্য বড়জোর ৪-৫ হাজার টাকা; এ কাঁচামাল দিয়ে যখন পিস্তলটি তৈরি হয় তখন এর বাজারমূল্য হয় প্রায় লক্ষ টাকা।

কত হাজার গুণ লাভ হয় এ ব্যবসায়। সভ্যতা এখন অস্ত্র ব্যবসায়ীদের দ্বারা আক্রান্ত। তাই বিশ্বব্যাপী সাংস্কৃতিক বিপ্লবের বিকল্প নেই। দেশে দেশে বিপুলসংখ্যক মানুষের অংশগ্রহণের মাধ্যমে হতে পারে বিশাল শিল্পকর্ম। যেমন ক্ষুধা-পীড়িত আফ্রিকায় কৃষিকর্মবিষয়ক বা মধ্যপ্রাচ্যে লাখ লাখ মানুষের অংশগ্রহণে গড়ে উঠতে পারে যুদ্ধবিরোধী ভাস্কর্য মুর‌্যাল, নৃত্যগান, চলচ্চিত্র।

এভাবে ব্যাপক মানুষকে শিল্পে সংযুক্ত করলে প্রতিটি মানুষের মধ্যে যে শিল্পবোধ সুপ্ত আছে তাকে জাগিয়ে তোলা যাবে। তখন যুদ্ধের সংস্কৃতিকে ঘৃণা করে শান্তির সংস্কৃতির সুবাতাস বইবে পৃথিবীতে।

ব্যাপক মানুষের অংশগ্রহণে আমি একটি পারমাণবিক রাসায়নিক অস্ত্রবিরোধী বিশাল ভাস্কর্য সৃজনের পরিকল্পনা দীর্ঘদিন ধরে লালন করে যাচ্ছি। ভাস্কর্যের শিরোনাম ‘হিরোশিমা’ প্রায় তিনশ’ ফুট উঁচু গাছ আকৃতির কংক্রিটের ঢালাই দিয়ে হবে এ ভাস্কর্য।

হিরোশিমায় বোমাবর্ষণকারী পাইলট পল টিবস। পরিকল্পনা এমন করা হয়েছে, পল টিবস এ বোমার ভয়াবহতা যেনে যদি সে আপত্তি তোলে তাই বোমা বহনকারী পেনের নাম রাখা হল এলেনা গে। এ নামটি পল টিবসের মায়ের নাম। যেন পল টিবস তার মায়ের কোলে উঠছে। ধ্বংস যজ্ঞের কী নিষ্ঠুর পরিকল্পনা! পারমাণবিক বোমার আঘাতে প্রকৃতি উল্টে যায়। প্রকৃতির প্রতীক বৃক্ষ।

একটি ৩০০ ফিট উঁচু বৃক্ষ উল্টে আছে। সেই বৃক্ষের উপর থেকে নিচু পর্যন্ত হাজার মানুষের যন্ত্রণাক্লিষ্ট অস্তিত্বজনিত অভিব্যক্তি থাকবে। হিরোশিমায় বোমার আঘাতে মানুষের অবস্থা ফুটে উঠবে সেই ভাস্কর্যে।

পৃথিবীতে পারমাণবিক রাসায়নিক অস্ত্র নিষিদ্ধবিষয়ক প্রথম বিশাল আকৃতির ভাস্কর্য হবে হিরোশিমা। লক্ষ কোটি মানুষের শিল্পবোধকে জাগিয়ে তুলতে হবে। তবেই অস্ত্রবাজদের পরাজিত করা সম্ভব। হিরোশিমা ভাস্কর্যের উদ্দেশ্য হচ্ছে এ মুহূর্তে পৃথিবীর বড় শক্র অ্যাটম বোমা ও রাসায়নিক অস্ত্র।

এ পারমাণবিক ও রাসায়নিক অস্ত্রের বিরুদ্ধে শিল্পকলার ক্ষেত্র থেকে এক সৃজনশীল ও প্রতিবাদী শিল্পকর্মে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ থেকে প্রায় ৩০-৪০ জন ভাস্কর সেই ভাস্কর্যে কাজ করবেন। প্রায় ৩০০ ফুট উঁচু হবে ভাস্কর্যটি। একটি বৃক্ষকে উল্টে রাখলে যা হয় সেই আকৃতির হবে হিরোশিমা ভাস্কর্যটি।

সেই ৩০০ ফুট উঁচু গাছের আদলের মধ্যে বোমাবর্ষণের সময় সেই আর্তনাদ ও খণ্ডিত মানুষের অসহায় অভিব্যক্তি ফুটে উঠবে। কাজটি হবে সিমেন্ট ও রড দিয়ে। সেই ভাস্কর্যের বেইজটি হবে ১০০০*১০০০ ফিট, উচ্চতা হবে ১৪ ফিট। কালো গ্রানাইট পাথরে হবে বেইজ।

এ বেইজকে ঘিরে পরিকল্পিত বাগান থাকবে। এর জন্য বড় আকৃতির ভূমি লাগবে। বড় আকারের একটি চর হলে ভালো হয়। এ ভাস্কর্য করতে বহু টাকার প্রয়োজন হবে। তাই এ ভাস্কর্যের বেইজের চারদিকে ৫ লক্ষ মানুষের নাম থাকবে, যারা ভাস্কর্যের চারদিকে বৃক্ষরোপণ করবে এবং ভাস্কর্য সৃজনের জন্য ৩০০০ টাকা করে দেবেন।

ফলে সংগৃহীত অর্থ দিয়েই এ প্রকল্পের কাজ শেষ করা যাবে। পৃথিবীতে প্রথম ৫ লক্ষ মানুষের আর্থিক, শারীরিক ও মানসিক অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে সৃজন হবে হিরোশিমা ভাস্কর্য।

পৃথিবীকে মারণাস্ত্র মুক্ত করতে হলে বিশ্বব্যাপী সাংস্কৃতিক বিপ্লবের বিকল্প নেই। পৃথিবীতে অনেক বড় বড় ভাস্কর্য আছে; কিন্তু পারমাণবিক-রাসায়নিক অস্ত্রবিরোধী কোনো ভাস্কর্য নেই। হিরোশিমা ভাস্কর্য হতে পারে পৃথিবীর প্রথম মারণাস্ত্রবিরোধী বিশাল ভাস্কর্য।

আমরা আইফেল টাওয়ার, স্ট্যাচু অফ লিবার্টি বা আমেরিকার ৫ জন নেতার পাহাড় কেটে করা ভাস্কর্য বা রাশিয়ার বিশাল স্বাধীনতার ভাস্কর্য ও সম্প্রতি ভারতে ভারতীয় নেতার বিশাল ভাস্কর্য দেখতে যাই এবং ভালো লাগে; কিন্তু আমরা বাংলাদেশের মানুষও এ রকম বিশ্বে আলোড়ন সৃষ্টিকারী ভাস্কর্য সৃজন করতে পারি, তার নাম হিরোশিমা ভাস্কর্য।

ভাস্কর রাসা : জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পুরস্কারপ্রাপ্ত ভাস্কর্য শিল্পী

সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত