রোহিঙ্গা শিবিরে জনবিস্ফোরণ নিয়ন্ত্রণ করা জরুরি
jugantor
রোহিঙ্গা শিবিরে জনবিস্ফোরণ নিয়ন্ত্রণ করা জরুরি

  এম এ মাসুদ  

২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

দেশের জনসংখ্যা স্ফীতি এবং করোনাভাইরাসকালীন হাজারও সমস্যা মোকাবেলায় সরকার অত্যন্ত ব্যতিব্যস্ত। ২০১৭ সালের আগস্টে মিয়ানমার সেনাবাহিনী কর্তৃক বিতাড়িত রোহিঙ্গারা আমাদের দেশে ঢুকে পড়ে বিগত চার বছরে সমস্যা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

তাদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর বিষয়টি এখন বলতে গেলে রাষ্ট্রীয় জরুরি কাজের তালিকায় গুরুত্ব হারাচ্ছে। একসময় যে বিষয়টি ছিল ‘টক অব দ্য কান্ট্রি’; এমন কী ‘টক অব দ্য ওয়ার্ল্ড’- এ নিয়ে আজ দেশের জনগণ, বুদ্ধিজীবী মহল ও সুশীলসমাজ থেকে শুরু করে গ্রামগঞ্জের হাটবাজার, চা দোকান, বৈঠকখানা কোথাও আলোচনা হতে শোনা যায় না।

এমনকি যেসব বৃহৎ শক্তি, যারা অর্থনৈতিক ও সামরিক শক্তির মত্ততায় সারা দুনিয়ার ওপর ছড়ি ঘোরান, তারাও রোহিঙ্গাদের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনে ‘লিপ সার্ভিস’ প্রদান ছাড়া দৃশ্যমান আর কিছুই করছে না।

দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে থাকা রোহিঙ্গা সমস্যা নিরসনে বিশ্ব সম্প্রদায়ের নির্বিকারত্ব বাংলাদেশের অর্থনীতির ওপর ভীষণ চাপ সৃষ্টি করে চলেছে। বৃহৎ শক্তিবর্গের সদিচ্ছা থাকলে এ সমস্যাটি যে দ্রুত সমাধান করা সম্ভব, তা যে কোনো সচেতন মানুষ বুঝতে সক্ষম। অথচ এ সমস্যাটির দ্রুত সমাধানে আমাদের দুই বৃহৎ প্রতিবেশীসহ বৃহৎ শক্তিবর্গ যেমন- যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য এবং ইউরোপের দেশগুলো কোনো কার্যকর পদক্ষেপ আজ পর্যন্ত নেয়নি।

৩ বছর পার হওয়ার পরও যখন রোহিঙ্গাদের তাদের দেশে ফেরত নেয়ার কোনো কার্যকর উপায় বের করা গেল না- তার মানে এটি স্পষ্ট, প্যালেস্টাইনিদের মতোই রোহিঙ্গাদের রাষ্ট্রবিহীন জনগোষ্ঠীতে পরিণত করার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের পরিকল্পনা আঁটছে মিয়ানমার।

নিজ দেশ থেকে ইসরাইল কর্তৃক বিতাড়িত হয়ে প্যালেস্টাইনরা যেমন মিসর, জর্ডান, সিরিয়া, লেবাননসহ বিভিন্ন দেশে স্থায়ীভাবে বসতি স্থাপন করেছে, ঠিক তেমনি মিয়ানমার কর্তৃক বিতাড়িত রোহিঙ্গারাও টেকনাফ, উখিয়া ও নাইক্ষ্যংছড়িতে স্থায়ীভাবে থেকে যেতে চায়। বিশ্বের শক্তিধর দেশগুলো কেউ চায় না রোহিঙ্গারা নিজ দেশে ফিরে যাক।

তারা চায়, এদের ফেরত নেয়ার জন্য বাংলাদেশ মাঝেমধ্যে বক্তৃতা-বিবৃতি দিতে থাকুক আর তারা মাঝে মাঝে উপদেশমূলক ‘লিপ সার্ভিস’ দিয়ে দায়িত্ব সম্পন্ন করবেন।

জনসংখ্যার ভারে জর্জরিত বাংলাদেশে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর আগমনের ফলে দেশের আর্থসামাজিক অবস্থার ভারসাম্যের ওপর যে চাপ এসেছে, তা পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে নেয়া প্রায় অসম্ভব। রোহিঙ্গারা আমাদের জীবন-জীবিকায় আঘাত হানছে। তারা মাদক বেচাকেনায় সম্পৃক্ত হয়ে ওই এলাকার যুবসমাজকে ধ্বংস করে দিচ্ছে। এমন কী তারা চুরি-ডাকাতিতেও লিপ্ত হয়ে পড়েছে।

উখিয়া, টেকনাফ এবং নাইক্ষ্যংছড়িতে বসবাসরত রোহিঙ্গারা সংখ্যায় এখন ওইসব এলাকার মূল বাসিন্দাদের ছাড়িয়ে গেছে। সেসব এলাকার মূল বাসিন্দারা এখন রোহিঙ্গাদের উদ্ধত ও বর্বর আচরণ এবং অত্যাচারের কারণে ‘নিজ দেশে পরবাসী’র জীবনযাপনে বাধ্য হচ্ছেন। বস্তুত অস্ত্র-মাদক ও আদম ব্যবসা থেকে শুরু করে সব ধরনের বেআইনি কাজে লিপ্ত হয়ে পড়েছে রোহিঙ্গারা। তাদের এসব অপকর্ম টেকনাফ-উখিয়ার জনজীবন বিষিয়ে তুলেছে।

সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হল, রোহিঙ্গাদের সন্তান উৎপাদন সক্ষমতা এত বেশি যে, অনতিবিলম্বে তা নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা করা না হলে তারা পুরো কক্সবাজার ও বান্দরবান গ্রাস করবে। জনসংখ্যা এবং করোনাভাইরাসসহ অন্যান্য অনেক সমস্যায় জর্জরিত থাকা সত্ত্বেও সরকার রোহিঙ্গাদের অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান এবং চিকিৎসার ব্যবস্থা করেছে। বাংলাদেশ তাদের জন্য ভিন্ন দেশ; কিন্তু ভিন্ন দেশের ভিন্ন পরিবেশের আশ্রয়শিবিরে বসবাস করার সময় সন্তান জন্মদানে সংযমী হওয়ার মতো জ্ঞান বা চেতনাবোধ তাদের নেই।

অশিক্ষা-কুশিক্ষায় নিমজ্জিত রোহিঙ্গারা বিগত ৩ বছর ধরে আমাদের দেশে অব্যাহত গতিতে জনসংখ্যা বৃদ্ধি করে চলেছে। বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়ার পর গত ৩ বছরে তারা ৯০ হাজারেরও বেশি শিশু জন্ম দিয়েছে। আধুনিক দুনিয়া এবং বিজ্ঞানের চরম উৎকর্ষতার এ যুগে রোহিঙ্গা এবং তাদের ধর্মীয় নেতাদের অজ্ঞতা ও জন্মশাসন সম্পর্কে অত্যাধুনিক বৈজ্ঞানিক সহজলভ্য ব্যবস্থা গ্রহণ না করার ফলে নাইক্ষ্যংছড়ি, টেকনাফ ও উখিয়ায় তাদের বংশবৃদ্ধির অব্যাহত ধারা আমাদের জন্য অশনিসংকেত।

রোহিঙ্গা কর্তৃক পাহাড় কর্তন, বৃক্ষনিধন, চুরি-ছিনতাই-ডাকাতি ইত্যাদি কারণে ওইসব এলাকা আজ পর্যটকশূন্য হয়ে পড়েছে। শোনা যাচ্ছে, কিছুসংখ্যক রোহিঙ্গাকে নাকি নোয়াখালীর ভাসানচরে নিয়ে যাওয়া হবে। এ খবর শুনে আমরা আতঙ্কিত এই ভেবে যে, টেকনাফ, উখিয়া তথা কক্সবাজারের সামাজিক ও প্রাকৃতিক পরিবেশ এবং ওই এলাকার বাসিন্দাদের জীবনযাপন পদ্ধতি রোহিঙ্গারা যেভাবে ধ্বংস করে দিয়েছে, ভাসানচরে যদি তাদের নেয়া হয়; তাহলে সেখানকার পরিবেশ-পরিস্থিতিও টেকনাফ উখিয়ার মতোই হবে।

এ সমস্যা থেকে উত্তরণের একমাত্র উপায় হল- ১. আমাদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধিক তৎপর হওয়া এবং বিশ্বব্যাপী কূটনৈতিক তৎপরতার মাধ্যমে রোহিঙ্গাদের তাদের দেশে ফেরত পাঠানোর ব্যবস্থা করা এবং ২. যতদিন রোহিঙ্গারা এদেশে থাকবে, ততদিন সন্তান উৎপাদনে সক্ষম তাদের সব নারী-পুরুষকে বাধ্যতামূলকভাবে স্থায়ী জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতির আওতায় আনা।

এম এ মাসুদ : সমাজকর্মী

[email protected]

রোহিঙ্গা শিবিরে জনবিস্ফোরণ নিয়ন্ত্রণ করা জরুরি

 এম এ মাসুদ 
২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

দেশের জনসংখ্যা স্ফীতি এবং করোনাভাইরাসকালীন হাজারও সমস্যা মোকাবেলায় সরকার অত্যন্ত ব্যতিব্যস্ত। ২০১৭ সালের আগস্টে মিয়ানমার সেনাবাহিনী কর্তৃক বিতাড়িত রোহিঙ্গারা আমাদের দেশে ঢুকে পড়ে বিগত চার বছরে সমস্যা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

তাদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর বিষয়টি এখন বলতে গেলে রাষ্ট্রীয় জরুরি কাজের তালিকায় গুরুত্ব হারাচ্ছে। একসময় যে বিষয়টি ছিল ‘টক অব দ্য কান্ট্রি’; এমন কী ‘টক অব দ্য ওয়ার্ল্ড’- এ নিয়ে আজ দেশের জনগণ, বুদ্ধিজীবী মহল ও সুশীলসমাজ থেকে শুরু করে গ্রামগঞ্জের হাটবাজার, চা দোকান, বৈঠকখানা কোথাও আলোচনা হতে শোনা যায় না।

এমনকি যেসব বৃহৎ শক্তি, যারা অর্থনৈতিক ও সামরিক শক্তির মত্ততায় সারা দুনিয়ার ওপর ছড়ি ঘোরান, তারাও রোহিঙ্গাদের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনে ‘লিপ সার্ভিস’ প্রদান ছাড়া দৃশ্যমান আর কিছুই করছে না।

দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে থাকা রোহিঙ্গা সমস্যা নিরসনে বিশ্ব সম্প্রদায়ের নির্বিকারত্ব বাংলাদেশের অর্থনীতির ওপর ভীষণ চাপ সৃষ্টি করে চলেছে। বৃহৎ শক্তিবর্গের সদিচ্ছা থাকলে এ সমস্যাটি যে দ্রুত সমাধান করা সম্ভব, তা যে কোনো সচেতন মানুষ বুঝতে সক্ষম। অথচ এ সমস্যাটির দ্রুত সমাধানে আমাদের দুই বৃহৎ প্রতিবেশীসহ বৃহৎ শক্তিবর্গ যেমন- যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য এবং ইউরোপের দেশগুলো কোনো কার্যকর পদক্ষেপ আজ পর্যন্ত নেয়নি।

৩ বছর পার হওয়ার পরও যখন রোহিঙ্গাদের তাদের দেশে ফেরত নেয়ার কোনো কার্যকর উপায় বের করা গেল না- তার মানে এটি স্পষ্ট, প্যালেস্টাইনিদের মতোই রোহিঙ্গাদের রাষ্ট্রবিহীন জনগোষ্ঠীতে পরিণত করার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের পরিকল্পনা আঁটছে মিয়ানমার।

নিজ দেশ থেকে ইসরাইল কর্তৃক বিতাড়িত হয়ে প্যালেস্টাইনরা যেমন মিসর, জর্ডান, সিরিয়া, লেবাননসহ বিভিন্ন দেশে স্থায়ীভাবে বসতি স্থাপন করেছে, ঠিক তেমনি মিয়ানমার কর্তৃক বিতাড়িত রোহিঙ্গারাও টেকনাফ, উখিয়া ও নাইক্ষ্যংছড়িতে স্থায়ীভাবে থেকে যেতে চায়। বিশ্বের শক্তিধর দেশগুলো কেউ চায় না রোহিঙ্গারা নিজ দেশে ফিরে যাক।

তারা চায়, এদের ফেরত নেয়ার জন্য বাংলাদেশ মাঝেমধ্যে বক্তৃতা-বিবৃতি দিতে থাকুক আর তারা মাঝে মাঝে উপদেশমূলক ‘লিপ সার্ভিস’ দিয়ে দায়িত্ব সম্পন্ন করবেন।

জনসংখ্যার ভারে জর্জরিত বাংলাদেশে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর আগমনের ফলে দেশের আর্থসামাজিক অবস্থার ভারসাম্যের ওপর যে চাপ এসেছে, তা পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে নেয়া প্রায় অসম্ভব। রোহিঙ্গারা আমাদের জীবন-জীবিকায় আঘাত হানছে। তারা মাদক বেচাকেনায় সম্পৃক্ত হয়ে ওই এলাকার যুবসমাজকে ধ্বংস করে দিচ্ছে। এমন কী তারা চুরি-ডাকাতিতেও লিপ্ত হয়ে পড়েছে।

উখিয়া, টেকনাফ এবং নাইক্ষ্যংছড়িতে বসবাসরত রোহিঙ্গারা সংখ্যায় এখন ওইসব এলাকার মূল বাসিন্দাদের ছাড়িয়ে গেছে। সেসব এলাকার মূল বাসিন্দারা এখন রোহিঙ্গাদের উদ্ধত ও বর্বর আচরণ এবং অত্যাচারের কারণে ‘নিজ দেশে পরবাসী’র জীবনযাপনে বাধ্য হচ্ছেন। বস্তুত অস্ত্র-মাদক ও আদম ব্যবসা থেকে শুরু করে সব ধরনের বেআইনি কাজে লিপ্ত হয়ে পড়েছে রোহিঙ্গারা। তাদের এসব অপকর্ম টেকনাফ-উখিয়ার জনজীবন বিষিয়ে তুলেছে।

সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হল, রোহিঙ্গাদের সন্তান উৎপাদন সক্ষমতা এত বেশি যে, অনতিবিলম্বে তা নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা করা না হলে তারা পুরো কক্সবাজার ও বান্দরবান গ্রাস করবে। জনসংখ্যা এবং করোনাভাইরাসসহ অন্যান্য অনেক সমস্যায় জর্জরিত থাকা সত্ত্বেও সরকার রোহিঙ্গাদের অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান এবং চিকিৎসার ব্যবস্থা করেছে। বাংলাদেশ তাদের জন্য ভিন্ন দেশ; কিন্তু ভিন্ন দেশের ভিন্ন পরিবেশের আশ্রয়শিবিরে বসবাস করার সময় সন্তান জন্মদানে সংযমী হওয়ার মতো জ্ঞান বা চেতনাবোধ তাদের নেই।

অশিক্ষা-কুশিক্ষায় নিমজ্জিত রোহিঙ্গারা বিগত ৩ বছর ধরে আমাদের দেশে অব্যাহত গতিতে জনসংখ্যা বৃদ্ধি করে চলেছে। বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়ার পর গত ৩ বছরে তারা ৯০ হাজারেরও বেশি শিশু জন্ম দিয়েছে। আধুনিক দুনিয়া এবং বিজ্ঞানের চরম উৎকর্ষতার এ যুগে রোহিঙ্গা এবং তাদের ধর্মীয় নেতাদের অজ্ঞতা ও জন্মশাসন সম্পর্কে অত্যাধুনিক বৈজ্ঞানিক সহজলভ্য ব্যবস্থা গ্রহণ না করার ফলে নাইক্ষ্যংছড়ি, টেকনাফ ও উখিয়ায় তাদের বংশবৃদ্ধির অব্যাহত ধারা আমাদের জন্য অশনিসংকেত।

রোহিঙ্গা কর্তৃক পাহাড় কর্তন, বৃক্ষনিধন, চুরি-ছিনতাই-ডাকাতি ইত্যাদি কারণে ওইসব এলাকা আজ পর্যটকশূন্য হয়ে পড়েছে। শোনা যাচ্ছে, কিছুসংখ্যক রোহিঙ্গাকে নাকি নোয়াখালীর ভাসানচরে নিয়ে যাওয়া হবে। এ খবর শুনে আমরা আতঙ্কিত এই ভেবে যে, টেকনাফ, উখিয়া তথা কক্সবাজারের সামাজিক ও প্রাকৃতিক পরিবেশ এবং ওই এলাকার বাসিন্দাদের জীবনযাপন পদ্ধতি রোহিঙ্গারা যেভাবে ধ্বংস করে দিয়েছে, ভাসানচরে যদি তাদের নেয়া হয়; তাহলে সেখানকার পরিবেশ-পরিস্থিতিও টেকনাফ উখিয়ার মতোই হবে।

এ সমস্যা থেকে উত্তরণের একমাত্র উপায় হল- ১. আমাদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধিক তৎপর হওয়া এবং বিশ্বব্যাপী কূটনৈতিক তৎপরতার মাধ্যমে রোহিঙ্গাদের তাদের দেশে ফেরত পাঠানোর ব্যবস্থা করা এবং ২. যতদিন রোহিঙ্গারা এদেশে থাকবে, ততদিন সন্তান উৎপাদনে সক্ষম তাদের সব নারী-পুরুষকে বাধ্যতামূলকভাবে স্থায়ী জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতির আওতায় আনা।

এম এ মাসুদ : সমাজকর্মী

[email protected]