মঞ্চ ছিল তার সবচেয়ে শান্তির জায়গা
jugantor
মঞ্চ ছিল তার সবচেয়ে শান্তির জায়গা

  ড. প্রণবানন্দ চক্রবর্ত্তী  

০৩ ডিসেম্বর ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

আরেক নক্ষত্রের পতন ঘটল। হারিয়ে গেলেন একুশে পদকপ্রাপ্ত অভিনেতা, স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শব্দসৈনিক, প্রগতিশীল সাংস্কৃতিক আন্দোলনের অন্যতম পুরোধা ব্যক্তিত্ব আলী যাকের। টেলিভিশন ও মঞ্চ নাটকে সমান জনপ্রিয় আলী যাকের বাংলাদেশের বৃহত্তম বিজ্ঞাপনী সংস্থা এশিয়াটিক থ্রিসিক্সটির কর্ণধার ছিলেন।

তিনি অর্জন করেন একুশে পদক, বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি পুরস্কার, বঙ্গবন্ধু পুরস্কার, মুনীর চৌধুরী পদক, নরেন বিশ্বাস পদক, দ্য ডেইলি স্টার-স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড সেলিব্রিটিং লাইফ, মেরিল-প্রথম আলো আজীবন সম্মাননা পুরস্কারসহ অগণিত সম্মাননা।

কবর, বুড়ো শালিকের ঘাড়ে রোঁ, বাকি ইতিহাস, বিদগ্ধ রমণীকুল, তৈল সংকট, এই নিষিদ্ধ পল্লীতে, দেওয়ান গাজীর কিস্সা, সৎ মানুষের খোঁজে, অচলায়তন, কোপেনিকের ক্যাপ্টেন, ম্যাকবেথ, টেম্পেস্ট, নূরলদীনের সারাজীবন, কবর দিয়ে দাও, গ্যালিলিও, কাঁঠাল বাগান (চেরি অরচার্ড) মঞ্চ নাটকগুলোর কথা মনে পড়লে তার বহুমাত্রিক অবয়বের কথা আমাদের মানসপটে ভেসে ওঠে।

টেলিভিশন ধারাবাহিক বহুব্রীহি, আজ রবিবার; চলচ্চিত্র আগামী, নদীর নাম মধুমতী, লালসালু, রাবেয়া; একক নাটক একদিন হঠাৎ, নীতু তোমাকে ভালোবাসি, পাথর সময়, অচিনবৃক্ষ, আইসক্রিম, পাণ্ডুলিপি, গণি মিয়ার পাথর আজও মানুষের মনের গভীরে স্থান করে আছে।

দীর্ঘদিন ধরে ক্যান্সারে আক্রান্ত থাকলেও আরও কিছুদিন হয়তো এই মহান মানুষটির কর্ম তার সহকর্মীদের উজ্জীবিত করত। কিন্তু কী এক ভয়ংকর ব্যাধি কোভিড-১৯ তা হতে দিল না। আমাদের সবার প্রিয়, নাট্যাঙ্গনের শ্রদ্ধেয় গম্ভীর অথচ শিশুসুলভ, সদা হাস্যোজ্জ্বল ‘ছোটলো ভাই’ ২০২০ সালের ২৭ নভেম্বর সকালে ঢাকার ইউনাইটেড হাসপাতালে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন।

ঢাকার মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরে ‘গার্ড অব অনার’ দেয়ার সময় অশ্রুভরা চোখে বন্ধু-স্বজন-সহকর্মীরাও জানিয়েছেন শেষবিদায়। কী কঠিন বাস্তবতা! এই মানুষটি নেই, হারিয়ে গেলেন চিরতরে! বনানী কবরস্থানে তাকে সমাহিত করা হয়েছে। তার বয়স হয়েছিল ৭৬ বছর।

আলী যাকের ১৯৪৪ সালের ৬ নভেম্বর তৎকালীন চট্টগ্রাম জেলার ব্রাহ্মণবাড়িয়া মহকুমার (বর্তমানে জেলা) রতনপুর ইউনিয়নে জন্মগ্রহণ করেন। মাহমুদ তাহের ও রেজিয়া তাহেরের চার সন্তানের মধ্যে যাকের ছিলেন তৃতীয়। পিতা মরহুম মোহাম্মদ তাহের জেলা প্রশাসক ছিলেন। তার বাবার বদলিযোগ্য চাকরির কারণে তার শৈশব কেটেছে চট্টগ্রাম, খুলনা, মাদারীপুর ও কুষ্টিয়ায়। ১৯৫৩ সালে তিনি ঢাকায় আসেন।

আলী যাকের ১৯৬০ সালে সেন্ট গ্রেগরিজ উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ম্যাট্রিক পাস করেন। পরে ঢাকার নটর ডেম কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সম্পন্ন করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন এবং সেখান থেকে সমাজবিজ্ঞানে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। এ সময় তিনি ছাত্র ইউনিয়নের সঙ্গে যুক্ত হন। ১৯৬৬ সালে যুক্তরাজ্যভিত্তিক বিজ্ঞাপন কোম্পানি ডব্লিউ এস ক্রাউফর্ডস্ লিমিটেডের সঙ্গে করাচিতে কর্মজীবন শুরু করেন। ১৯৬৮ সালে ইস্ট এশিয়াটিক অ্যাডভার্টাইজিং লিমিটেডে যোগ দেন।

১৯৭২ সালে আলী যাকের আরণ্যক নাট্যদলের হয়ে মামুনুর রশীদের নির্দেশনায় মুনীর চৌধুরীর কবর নাটকে প্রথম অভিনয় করেন। এটির প্রথম প্রদর্শনী হয়েছিল ইঞ্জিনিয়ারিং ইন্সটিটিউশনে। ১৯৭২ সালে জুন মাসের দিকে আতাউর রহমান ও জিয়া হায়দারের আহ্বানে নাগরিক নাট্য সম্প্রদায়ে যোগ দেন।

ওই দলে তিনি আতাউর রহমানের নির্দেশনায় ‘বুড়ো শালিকের ঘাড়ে রোঁ’ নাটকে প্রথম অভিনয় করেন, যার প্রথম মঞ্চায়ন হয়েছিল ওয়াপদা মিলনায়তনে। ১৯৭৩ সালে নাগরিক নাট্য সম্প্রদায়ে তিনি প্রথম নির্দেশনা দেন বাদল সরকারের ‘বাকি ইতিহাস’ নাটকে, যা ছিল বাংলাদেশে প্রথম দর্শনীর বিনিময়ে নাট্য প্রদর্শনীর যাত্রা।

বের্টোল্ড ব্রেখটের দ্য লাইফ অব গ্যালিলিও অবলম্বনে গ্যালিলিও নামে অনুবাদ নাটকের নামচরিত্র ‘গ্যালিলিও’ হিসেবে অভিনয়ের জন্য আলী যাকেরকে ‘বাংলার গ্যালিলিও’ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়। নাগরিক নাট্য সম্প্রদায়ের জন্য বিশ্বখ্যাত বিদেশি নাটকের বাংলা রূপান্তর আর নাটক নির্দেশনা- এসব কাজে আলী যাকের ব্যস্ত ছিলেন।

১৯৭৩ সালে ওই দলে যোগ দেন সারা যাকের, যাকে শুরুতে চোখেই পড়েনি আলী যাকেরের। একটি নাটকের প্রদর্শনীর আগের দিন একজন অভিনেত্রী হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে সারা যাকেরকে দেয়া হয় চরিত্রটিতে অভিনয় করতে। আলী যাকেরের ওপর দায়িত্ব পড়ে চরিত্রটার জন্য তাকে তৈরি করার। খুব দ্রুত চরিত্রটির সঙ্গে নিজেকে মানিয়ে নেন সারা যাকের।

তার এ প্রতিভায় মুগ্ধ হন আলী যাকের। ১৯৭৭ সালের এ ঘটনার রেশ ধরেই আলী যাকের আর সারা যাকেরের বিয়ে হয়। এই দম্পতির দুই সন্তান। পুত্র অভিনেতা ইরেশ যাকের ও কন্যা শ্রিয়া সর্বজয়া। ইরেশ ও শ্রিয়া দু’জনই এশিয়াটিক মার্কেটিং যোগাযোগ লিমিটেডে অফিসিয়াল চিফ এবং ব্র্যান্ডের চিঠিপত্রের সুপারভাইজার হিসেবে আলাদাভাবে কাজ করছেন।

সারাটি জীবন ব্যস্ত এ মহান মানুষটি সম্পর্কে সবকিছু লেখা এ পরিসরে সম্ভব হল না বলে বাকিটুকু জানার ও লেখার তৃষ্ণা থেকেই গেল। শিশুর মতো মনটি যার, সেই তো পারে এতসব সৃজনশীল কাজ করতে। শ্রদ্ধা আপনাকে, শ্রদ্ধা আপনার কর্মকে। আত্মার আত্মীয় হারানোর চেয়েও তার জন্য যেন বুকে আমার চাপধরা ব্যথা; যা বোঝানো যাবে না কাউকে। (সূত্র : উইকিপিডিয়া)

ড. প্রণবানন্দ চক্রবর্ত্তী : নির্দেশক, অভিনেতা; সংগঠক, লোক নাট্যদল; ডেপুটি রেজিস্ট্রার, উত্তরা ইউনিভার্সিটি

মঞ্চ ছিল তার সবচেয়ে শান্তির জায়গা

 ড. প্রণবানন্দ চক্রবর্ত্তী 
০৩ ডিসেম্বর ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

আরেক নক্ষত্রের পতন ঘটল। হারিয়ে গেলেন একুশে পদকপ্রাপ্ত অভিনেতা, স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শব্দসৈনিক, প্রগতিশীল সাংস্কৃতিক আন্দোলনের অন্যতম পুরোধা ব্যক্তিত্ব আলী যাকের। টেলিভিশন ও মঞ্চ নাটকে সমান জনপ্রিয় আলী যাকের বাংলাদেশের বৃহত্তম বিজ্ঞাপনী সংস্থা এশিয়াটিক থ্রিসিক্সটির কর্ণধার ছিলেন।

তিনি অর্জন করেন একুশে পদক, বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি পুরস্কার, বঙ্গবন্ধু পুরস্কার, মুনীর চৌধুরী পদক, নরেন বিশ্বাস পদক, দ্য ডেইলি স্টার-স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড সেলিব্রিটিং লাইফ, মেরিল-প্রথম আলো আজীবন সম্মাননা পুরস্কারসহ অগণিত সম্মাননা।

কবর, বুড়ো শালিকের ঘাড়ে রোঁ, বাকি ইতিহাস, বিদগ্ধ রমণীকুল, তৈল সংকট, এই নিষিদ্ধ পল্লীতে, দেওয়ান গাজীর কিস্সা, সৎ মানুষের খোঁজে, অচলায়তন, কোপেনিকের ক্যাপ্টেন, ম্যাকবেথ, টেম্পেস্ট, নূরলদীনের সারাজীবন, কবর দিয়ে দাও, গ্যালিলিও, কাঁঠাল বাগান (চেরি অরচার্ড) মঞ্চ নাটকগুলোর কথা মনে পড়লে তার বহুমাত্রিক অবয়বের কথা আমাদের মানসপটে ভেসে ওঠে।

টেলিভিশন ধারাবাহিক বহুব্রীহি, আজ রবিবার; চলচ্চিত্র আগামী, নদীর নাম মধুমতী, লালসালু, রাবেয়া; একক নাটক একদিন হঠাৎ, নীতু তোমাকে ভালোবাসি, পাথর সময়, অচিনবৃক্ষ, আইসক্রিম, পাণ্ডুলিপি, গণি মিয়ার পাথর আজও মানুষের মনের গভীরে স্থান করে আছে।

দীর্ঘদিন ধরে ক্যান্সারে আক্রান্ত থাকলেও আরও কিছুদিন হয়তো এই মহান মানুষটির কর্ম তার সহকর্মীদের উজ্জীবিত করত। কিন্তু কী এক ভয়ংকর ব্যাধি কোভিড-১৯ তা হতে দিল না। আমাদের সবার প্রিয়, নাট্যাঙ্গনের শ্রদ্ধেয় গম্ভীর অথচ শিশুসুলভ, সদা হাস্যোজ্জ্বল ‘ছোটলো ভাই’ ২০২০ সালের ২৭ নভেম্বর সকালে ঢাকার ইউনাইটেড হাসপাতালে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন।

ঢাকার মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরে ‘গার্ড অব অনার’ দেয়ার সময় অশ্রুভরা চোখে বন্ধু-স্বজন-সহকর্মীরাও জানিয়েছেন শেষবিদায়। কী কঠিন বাস্তবতা! এই মানুষটি নেই, হারিয়ে গেলেন চিরতরে! বনানী কবরস্থানে তাকে সমাহিত করা হয়েছে। তার বয়স হয়েছিল ৭৬ বছর।

আলী যাকের ১৯৪৪ সালের ৬ নভেম্বর তৎকালীন চট্টগ্রাম জেলার ব্রাহ্মণবাড়িয়া মহকুমার (বর্তমানে জেলা) রতনপুর ইউনিয়নে জন্মগ্রহণ করেন। মাহমুদ তাহের ও রেজিয়া তাহেরের চার সন্তানের মধ্যে যাকের ছিলেন তৃতীয়। পিতা মরহুম মোহাম্মদ তাহের জেলা প্রশাসক ছিলেন। তার বাবার বদলিযোগ্য চাকরির কারণে তার শৈশব কেটেছে চট্টগ্রাম, খুলনা, মাদারীপুর ও কুষ্টিয়ায়। ১৯৫৩ সালে তিনি ঢাকায় আসেন।

আলী যাকের ১৯৬০ সালে সেন্ট গ্রেগরিজ উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ম্যাট্রিক পাস করেন। পরে ঢাকার নটর ডেম কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সম্পন্ন করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন এবং সেখান থেকে সমাজবিজ্ঞানে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। এ সময় তিনি ছাত্র ইউনিয়নের সঙ্গে যুক্ত হন। ১৯৬৬ সালে যুক্তরাজ্যভিত্তিক বিজ্ঞাপন কোম্পানি ডব্লিউ এস ক্রাউফর্ডস্ লিমিটেডের সঙ্গে করাচিতে কর্মজীবন শুরু করেন। ১৯৬৮ সালে ইস্ট এশিয়াটিক অ্যাডভার্টাইজিং লিমিটেডে যোগ দেন।

১৯৭২ সালে আলী যাকের আরণ্যক নাট্যদলের হয়ে মামুনুর রশীদের নির্দেশনায় মুনীর চৌধুরীর কবর নাটকে প্রথম অভিনয় করেন। এটির প্রথম প্রদর্শনী হয়েছিল ইঞ্জিনিয়ারিং ইন্সটিটিউশনে। ১৯৭২ সালে জুন মাসের দিকে আতাউর রহমান ও জিয়া হায়দারের আহ্বানে নাগরিক নাট্য সম্প্রদায়ে যোগ দেন।

ওই দলে তিনি আতাউর রহমানের নির্দেশনায় ‘বুড়ো শালিকের ঘাড়ে রোঁ’ নাটকে প্রথম অভিনয় করেন, যার প্রথম মঞ্চায়ন হয়েছিল ওয়াপদা মিলনায়তনে। ১৯৭৩ সালে নাগরিক নাট্য সম্প্রদায়ে তিনি প্রথম নির্দেশনা দেন বাদল সরকারের ‘বাকি ইতিহাস’ নাটকে, যা ছিল বাংলাদেশে প্রথম দর্শনীর বিনিময়ে নাট্য প্রদর্শনীর যাত্রা।

বের্টোল্ড ব্রেখটের দ্য লাইফ অব গ্যালিলিও অবলম্বনে গ্যালিলিও নামে অনুবাদ নাটকের নামচরিত্র ‘গ্যালিলিও’ হিসেবে অভিনয়ের জন্য আলী যাকেরকে ‘বাংলার গ্যালিলিও’ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়। নাগরিক নাট্য সম্প্রদায়ের জন্য বিশ্বখ্যাত বিদেশি নাটকের বাংলা রূপান্তর আর নাটক নির্দেশনা- এসব কাজে আলী যাকের ব্যস্ত ছিলেন।

১৯৭৩ সালে ওই দলে যোগ দেন সারা যাকের, যাকে শুরুতে চোখেই পড়েনি আলী যাকেরের। একটি নাটকের প্রদর্শনীর আগের দিন একজন অভিনেত্রী হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে সারা যাকেরকে দেয়া হয় চরিত্রটিতে অভিনয় করতে। আলী যাকেরের ওপর দায়িত্ব পড়ে চরিত্রটার জন্য তাকে তৈরি করার। খুব দ্রুত চরিত্রটির সঙ্গে নিজেকে মানিয়ে নেন সারা যাকের।

তার এ প্রতিভায় মুগ্ধ হন আলী যাকের। ১৯৭৭ সালের এ ঘটনার রেশ ধরেই আলী যাকের আর সারা যাকেরের বিয়ে হয়। এই দম্পতির দুই সন্তান। পুত্র অভিনেতা ইরেশ যাকের ও কন্যা শ্রিয়া সর্বজয়া। ইরেশ ও শ্রিয়া দু’জনই এশিয়াটিক মার্কেটিং যোগাযোগ লিমিটেডে অফিসিয়াল চিফ এবং ব্র্যান্ডের চিঠিপত্রের সুপারভাইজার হিসেবে আলাদাভাবে কাজ করছেন।

সারাটি জীবন ব্যস্ত এ মহান মানুষটি সম্পর্কে সবকিছু লেখা এ পরিসরে সম্ভব হল না বলে বাকিটুকু জানার ও লেখার তৃষ্ণা থেকেই গেল। শিশুর মতো মনটি যার, সেই তো পারে এতসব সৃজনশীল কাজ করতে। শ্রদ্ধা আপনাকে, শ্রদ্ধা আপনার কর্মকে। আত্মার আত্মীয় হারানোর চেয়েও তার জন্য যেন বুকে আমার চাপধরা ব্যথা; যা বোঝানো যাবে না কাউকে। (সূত্র : উইকিপিডিয়া)

ড. প্রণবানন্দ চক্রবর্ত্তী : নির্দেশক, অভিনেতা; সংগঠক, লোক নাট্যদল; ডেপুটি রেজিস্ট্রার, উত্তরা ইউনিভার্সিটি