প্রকৌশলীদের চ্যালেঞ্জ
jugantor
ইঞ্জিনিয়ার্স ডে
প্রকৌশলীদের চ্যালেঞ্জ

  জাহিদ আবছার চৌধুরী  

০৭ মে ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

আজ ৭ মে ইঞ্জিনিয়ার্স ডে। ১৯৪৮ সালের এই দিনে ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন প্রতিষ্ঠিত হয়। সারা দেশের প্রকৌশলীরা আজ উৎসবমুখর পরিবেশে দিনটি উদ্যাপন করছেন।

স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম কাউন্সিল সভা অনুষ্ঠিত হয় ২৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ (বিজয়ের মাত্র ১০ দিনের মধ্যে)। সেই সভাতেই ‘ইনস্টিটিউট অব ইঞ্জিনিয়ার্স, পাকিস্তান’ নাম পরিবর্তন করে নামকরণ করা হয় ইনস্টিটিউশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইইবি)। এর গঠনতন্ত্রে ইনস্টিটিউশন প্রতিষ্ঠার নানাবিধ লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যের কথা লেখা আছে।

প্রতিষ্ঠার ৭০ বছরে সেসবের অনেকগুলোই বাস্তবায়িত হয়েছে বা বাস্তবায়নের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। নানা প্রতিকূলতার মধ্যে আমাদের অর্জনও কম নয়।

একবিংশ শতাব্দীতে জাতির প্রত্যাশা পূরণ করতে হলে আমাদের ‘সফলতায়’ আহ্লাদিত না হয়ে ব্যর্থতার দিকগুলো চিহ্নিত করতে হবে এবং এর ভিত্তিতে পরিকল্পনা প্রণয়ন ও কর্মসূচি নির্ধারণ করতে হবে।

আমাদের ভবিষ্যৎ অগ্রাধিকারমূলক কাজগুলো হবে-প্রকৌশলীদের একমাত্র জাতীয় প্রতিষ্ঠান হিসাবে দেশের সব প্রকৌশলীকে আইইবির ছত্রছায়ায় আনা, সার্বিকভাবে পর্যাপ্ত ও উন্নত অবকাঠামো ব্যবস্থার সংস্থান, কেন্দ্র-উপকেন্দ্রে কার্যক্রম ব্যাপকভাবে সম্প্রসারিত করা, আইইবিকে দৃঢ় অর্থনৈতিক ভিত্তিমূলে প্রতিষ্ঠা করা, জনসংযোগ ব্যবস্থা, প্রকাশনা পর্যাপ্ত করা, রক্ষণাবেক্ষণ, রেকর্ড কিপিংয়ের উন্নতি সাধন, জাতীয় উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে অন্যতম ‘প্রেসার গ্রুপ’ বা নির্ধারকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হওয়া ।

‘উন্নত জগৎ গঠন করুন’-এ মিশন নিয়েই আইইবির জন্ম। ‘উন্নত জগৎ’ গঠন করতে হলে উন্নত বাংলাদেশ গড়তে হবে। উন্নত ও উন্নয়নশীল দেশগুলো একবিংশ শতাব্দীর উন্নয়ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার ভিত্তি বিংশ শতাব্দীতে রচনা করেছে। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির চরম উৎকর্ষের যুগে একবিংশ শতাব্দীর উন্নয়ন চ্যালেঞ্জ হবে গতিশীলতা এবং শক্ত অর্থনৈতিক ও প্রযুক্তিগত উৎকর্ষ।

এ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ইনস্টিটিউশনকে অতীত ভুল, ব্যর্থতা ও অসম্পূর্ণতা থেকে শিক্ষা নিয়ে দ্রুত তা পুষিয়ে নিতে হবে এবং প্রকৌশলীদের যোগ্য করে গড়ে তুলতে নেতৃত্ব দিতে হবে।

বাংলাদেশ হাঁটি হাঁটি পা পা করে উন্নয়নের পথে এগোচ্ছে। রাজনৈতিক অস্থিরতা ও টানাপোড়েন, জ্বালানি ও বিদ্যুৎ শক্তির অপ্রতুলতা, দুর্নীতি, উন্নত প্রযুক্তি বিনিময় ও আত্তীকরণে পশ্চাৎপদতা এসবই হচ্ছে আমাদের জাতীয় উন্নয়নের পথে বড় বাধা।

এ পরিপ্রেক্ষিত বিবেচনায় আইইবিকে একবিংশ শতাব্দীর উন্নয়ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রকৌশলীদের নেতৃত্বদানের উপযোগী করে গড়ে তুলতে কার্যকর পরিকল্পনা প্রণয়ন, কর্মসূচি গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করতে হবে।

সামগ্রিক প্রেক্ষাপটে আগামী দিনগুলোয় ইনস্টিটিউশনের ভূমিকাকে আমরা এভাবে দেখতে চাই-পেশাগত মান উন্নয়ন এবং দক্ষতা অর্জন ও বৃদ্ধিতে প্রশিক্ষণ, সেমিনার, কনফারেন্স, সর্বোপরি ‘লার্নেড সোসাইটি কার্যক্রম’ জোরদারকরণ; সামাজিক যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং সমকক্ষ অন্যান্য সংগঠন ও প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং সম্ভাব্য ক্ষেত্রে জাতীয় উন্নয়নে যৌথ অবদান রাখার প্রচেষ্টা গ্রহণ; ইঞ্জিনিয়ারিং ডিভিশনগুলোর ব্যাপ্তি ঘটানো, কার্যক্রম বৃদ্ধি এবং অধিকতর স্বায়ত্তশাসন প্রদান। গবেষণা কার্যক্রম জোরদার করতে উৎসাহ প্রদান; অনলাইন ভোটিং সিস্টেমসহ সার্বিক কার্যক্রম ডিজিটাইজ্ড করার যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ; পরবর্তী মেয়াদের নির্বাচনে অনলাইন ভোটিং সিস্টেমস প্রয়োগ; ইঞ্জিনিয়ার্স মোবিলিটি ফোরামের চূড়ান্ত সদস্যপদ লাভ এবং ওয়াশিংটন অ্যাকর্ডভুক্ত হওয়ার জন্য বিপিআরবির প্রচেষ্টা জোরদারকরণ; ইএসবিবির কার্যক্রম যুগোপযোগীকরণ, উন্নত প্রযুক্তি আত্তীকরণের সহায়ক কারিকুলাম প্রণয়ন; প্রকৌশল শিক্ষার মানোন্নয়নে উদ্যোগী ভূমিকা গ্রহণ; প্রযুক্তি হস্তান্তর, বিনিময় ও আত্তীকরণে সরকারকে সময়ে সময়ে এবং নিয়মিতভাবে কার্যকর পরামর্শ ও সুপারিশ প্রদানের কার্যক্রম জোরদার করা; একটি কালজয়ী উন্নয়ন, পরিবেশবান্ধব জাতীয় প্রযুক্তি ও প্রকৌশল নীতি প্রণয়নে সরকারকে উদ্বুদ্ধকরণ; জ্বালানি নিরাপত্তা, জ্বালানি নীতি প্রণয়ন, বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যবস্থার উন্নয়ন, পানিসম্পদ উন্নয়ন, পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনা, পরিবেশ উন্নয়ন ও সংরক্ষণে ‘জাতীয় উপদেষ্টার’ ভূমিকায় অবতীর্ণ হওয়া; স্থানীয় সরকারব্যবস্থার উন্নয়নে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির প্রয়োগ নিশ্চিত করতে সরকারকে কার্যকর পরামর্শ এবং প্রযুক্তিগত সহযোগিতা প্রদান করা; ইনস্টিটিউশনের পেশাগত স্বাতন্ত্র্য অটুট রাখা; জাতীয় উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়নে প্রকৌশলীদের ভূমিকা সুনির্দিষ্ট করার ব্যবস্থা নেওয়া।

সমাজের অগ্রসর শ্রেণি হিসাবে দেশ ও জনগণের প্রতি আমাদের দায়িত্ব ও কর্তব্য অপরিসীম। পেশাগত দক্ষতার উন্নয়ন, উৎকর্ষসাধন এবং আমাদের মনন ও মেধার সর্বোত্তম প্রয়োগের মাধ্যমেই কেবল সে দায়িত্ব পালনে সফল হওয়া সম্ভব, অন্য কোনো পন্থায় নয়। অন্য কথায়, নিরঙ্কুশ পেশাগত আচরণ, দৃষ্টিভঙ্গি ও দক্ষতাই আমাদের মর্যাদা অর্জন ও সার্বিক সাফল্য লাভের একমাত্র সোপান।

জাহিদ আবছার চৌধুরী : প্রকৌশলী, বঙ্গবন্ধু গবেষক ও প্রকৌশলী সংগঠক

ইঞ্জিনিয়ার্স ডে

প্রকৌশলীদের চ্যালেঞ্জ

 জাহিদ আবছার চৌধুরী 
০৭ মে ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

আজ ৭ মে ইঞ্জিনিয়ার্স ডে। ১৯৪৮ সালের এই দিনে ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন প্রতিষ্ঠিত হয়। সারা দেশের প্রকৌশলীরা আজ উৎসবমুখর পরিবেশে দিনটি উদ্যাপন করছেন।

স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম কাউন্সিল সভা অনুষ্ঠিত হয় ২৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ (বিজয়ের মাত্র ১০ দিনের মধ্যে)। সেই সভাতেই ‘ইনস্টিটিউট অব ইঞ্জিনিয়ার্স, পাকিস্তান’ নাম পরিবর্তন করে নামকরণ করা হয় ইনস্টিটিউশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইইবি)। এর গঠনতন্ত্রে ইনস্টিটিউশন প্রতিষ্ঠার নানাবিধ লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যের কথা লেখা আছে।

প্রতিষ্ঠার ৭০ বছরে সেসবের অনেকগুলোই বাস্তবায়িত হয়েছে বা বাস্তবায়নের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। নানা প্রতিকূলতার মধ্যে আমাদের অর্জনও কম নয়।

একবিংশ শতাব্দীতে জাতির প্রত্যাশা পূরণ করতে হলে আমাদের ‘সফলতায়’ আহ্লাদিত না হয়ে ব্যর্থতার দিকগুলো চিহ্নিত করতে হবে এবং এর ভিত্তিতে পরিকল্পনা প্রণয়ন ও কর্মসূচি নির্ধারণ করতে হবে।

আমাদের ভবিষ্যৎ অগ্রাধিকারমূলক কাজগুলো হবে-প্রকৌশলীদের একমাত্র জাতীয় প্রতিষ্ঠান হিসাবে দেশের সব প্রকৌশলীকে আইইবির ছত্রছায়ায় আনা, সার্বিকভাবে পর্যাপ্ত ও উন্নত অবকাঠামো ব্যবস্থার সংস্থান, কেন্দ্র-উপকেন্দ্রে কার্যক্রম ব্যাপকভাবে সম্প্রসারিত করা, আইইবিকে দৃঢ় অর্থনৈতিক ভিত্তিমূলে প্রতিষ্ঠা করা, জনসংযোগ ব্যবস্থা, প্রকাশনা পর্যাপ্ত করা, রক্ষণাবেক্ষণ, রেকর্ড কিপিংয়ের উন্নতি সাধন, জাতীয় উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে অন্যতম ‘প্রেসার গ্রুপ’ বা নির্ধারকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হওয়া ।

‘উন্নত জগৎ গঠন করুন’-এ মিশন নিয়েই আইইবির জন্ম। ‘উন্নত জগৎ’ গঠন করতে হলে উন্নত বাংলাদেশ গড়তে হবে। উন্নত ও উন্নয়নশীল দেশগুলো একবিংশ শতাব্দীর উন্নয়ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার ভিত্তি বিংশ শতাব্দীতে রচনা করেছে। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির চরম উৎকর্ষের যুগে একবিংশ শতাব্দীর উন্নয়ন চ্যালেঞ্জ হবে গতিশীলতা এবং শক্ত অর্থনৈতিক ও প্রযুক্তিগত উৎকর্ষ।

এ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ইনস্টিটিউশনকে অতীত ভুল, ব্যর্থতা ও অসম্পূর্ণতা থেকে শিক্ষা নিয়ে দ্রুত তা পুষিয়ে নিতে হবে এবং প্রকৌশলীদের যোগ্য করে গড়ে তুলতে নেতৃত্ব দিতে হবে।

বাংলাদেশ হাঁটি হাঁটি পা পা করে উন্নয়নের পথে এগোচ্ছে। রাজনৈতিক অস্থিরতা ও টানাপোড়েন, জ্বালানি ও বিদ্যুৎ শক্তির অপ্রতুলতা, দুর্নীতি, উন্নত প্রযুক্তি বিনিময় ও আত্তীকরণে পশ্চাৎপদতা এসবই হচ্ছে আমাদের জাতীয় উন্নয়নের পথে বড় বাধা।

এ পরিপ্রেক্ষিত বিবেচনায় আইইবিকে একবিংশ শতাব্দীর উন্নয়ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রকৌশলীদের নেতৃত্বদানের উপযোগী করে গড়ে তুলতে কার্যকর পরিকল্পনা প্রণয়ন, কর্মসূচি গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করতে হবে।

সামগ্রিক প্রেক্ষাপটে আগামী দিনগুলোয় ইনস্টিটিউশনের ভূমিকাকে আমরা এভাবে দেখতে চাই-পেশাগত মান উন্নয়ন এবং দক্ষতা অর্জন ও বৃদ্ধিতে প্রশিক্ষণ, সেমিনার, কনফারেন্স, সর্বোপরি ‘লার্নেড সোসাইটি কার্যক্রম’ জোরদারকরণ; সামাজিক যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং সমকক্ষ অন্যান্য সংগঠন ও প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং সম্ভাব্য ক্ষেত্রে জাতীয় উন্নয়নে যৌথ অবদান রাখার প্রচেষ্টা গ্রহণ; ইঞ্জিনিয়ারিং ডিভিশনগুলোর ব্যাপ্তি ঘটানো, কার্যক্রম বৃদ্ধি এবং অধিকতর স্বায়ত্তশাসন প্রদান। গবেষণা কার্যক্রম জোরদার করতে উৎসাহ প্রদান; অনলাইন ভোটিং সিস্টেমসহ সার্বিক কার্যক্রম ডিজিটাইজ্ড করার যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ; পরবর্তী মেয়াদের নির্বাচনে অনলাইন ভোটিং সিস্টেমস প্রয়োগ; ইঞ্জিনিয়ার্স মোবিলিটি ফোরামের চূড়ান্ত সদস্যপদ লাভ এবং ওয়াশিংটন অ্যাকর্ডভুক্ত হওয়ার জন্য বিপিআরবির প্রচেষ্টা জোরদারকরণ; ইএসবিবির কার্যক্রম যুগোপযোগীকরণ, উন্নত প্রযুক্তি আত্তীকরণের সহায়ক কারিকুলাম প্রণয়ন; প্রকৌশল শিক্ষার মানোন্নয়নে উদ্যোগী ভূমিকা গ্রহণ; প্রযুক্তি হস্তান্তর, বিনিময় ও আত্তীকরণে সরকারকে সময়ে সময়ে এবং নিয়মিতভাবে কার্যকর পরামর্শ ও সুপারিশ প্রদানের কার্যক্রম জোরদার করা; একটি কালজয়ী উন্নয়ন, পরিবেশবান্ধব জাতীয় প্রযুক্তি ও প্রকৌশল নীতি প্রণয়নে সরকারকে উদ্বুদ্ধকরণ; জ্বালানি নিরাপত্তা, জ্বালানি নীতি প্রণয়ন, বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যবস্থার উন্নয়ন, পানিসম্পদ উন্নয়ন, পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনা, পরিবেশ উন্নয়ন ও সংরক্ষণে ‘জাতীয় উপদেষ্টার’ ভূমিকায় অবতীর্ণ হওয়া; স্থানীয় সরকারব্যবস্থার উন্নয়নে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির প্রয়োগ নিশ্চিত করতে সরকারকে কার্যকর পরামর্শ এবং প্রযুক্তিগত সহযোগিতা প্রদান করা; ইনস্টিটিউশনের পেশাগত স্বাতন্ত্র্য অটুট রাখা; জাতীয় উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়নে প্রকৌশলীদের ভূমিকা সুনির্দিষ্ট করার ব্যবস্থা নেওয়া।

সমাজের অগ্রসর শ্রেণি হিসাবে দেশ ও জনগণের প্রতি আমাদের দায়িত্ব ও কর্তব্য অপরিসীম। পেশাগত দক্ষতার উন্নয়ন, উৎকর্ষসাধন এবং আমাদের মনন ও মেধার সর্বোত্তম প্রয়োগের মাধ্যমেই কেবল সে দায়িত্ব পালনে সফল হওয়া সম্ভব, অন্য কোনো পন্থায় নয়। অন্য কথায়, নিরঙ্কুশ পেশাগত আচরণ, দৃষ্টিভঙ্গি ও দক্ষতাই আমাদের মর্যাদা অর্জন ও সার্বিক সাফল্য লাভের একমাত্র সোপান।

জাহিদ আবছার চৌধুরী : প্রকৌশলী, বঙ্গবন্ধু গবেষক ও প্রকৌশলী সংগঠক

 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন