সুস্থ শরীর ও পরিবেশের যত অন্তরায়

  মে জ র রে জা উ ল ক রি ম (অব.) ০৪ মে ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

মতামত

এ দেশের যে কোনো একজন সাধারণ নাগরিককে যদি জিজ্ঞেস করা হয়, গত ১০-২০ বছরে দেশে সবচেয়ে বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে কোন সেক্টর? এক্ষেত্রে চিকিৎসা খাত তথা হাসপাতাল, ক্লিনিক, ওষুধের দোকান বৃদ্ধির কথাই অধিকাংশ মানুষের বলার কথা।

সাধারণ দৃষ্টিতেও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বিশেষ করে কিন্ডারগার্টেন স্কুল, বিউটি পার্লার এবং চিকিৎসাসংক্রান্ত প্রতিষ্ঠানই গত এক-দুই দশকে ব্যাপক বিস্তার লাভ করেছে বলে প্রতীয়মান হয়। পাড়ার অলিতেগলিতে এখন ওষুধের দোকান।

অথচ ‘চিকিৎসা’কে সাধারণত আমরা সেবা খাত হিসেবে জানি, ব্যবসা বা বাণিজ্য খাত হিসেবে নয়। কিন্তু চিকিৎসা খাতের এ বিস্তার যতটা না সেবার উদ্দেশ্যে তার চেয়েও বেশি বাণিজ্যের উদ্দেশ্যে। চিকিৎসা সেবাকেন্দ্র ও ওষুধের দোকানের এ বিস্তার প্রমাণ করে আমাদের দেশে অসুস্থতার হার অনেক বেশি।

এমন পরিবার পাওয়া বর্তমান সময়ে কঠিন, যে পরিবারের কোনো না কোনো সদস্য সপ্তাহে কোনো ধরনের ওষুধ সেবন করেন না। অর্থাৎ দেশের অধিকাংশ পরিবারেই ওষুধ একটা নিত্যব্যবহার্য পণ্য। অধিকাংশ ক্ষেত্রে বিষয়টি এমন অবস্থা ধারণ করেছে যে ওষুধই জীবন। কিন্তু কেন এ ওষুধনির্ভরতা কিংবা কেনইবা অসুস্থ হওয়ার এ প্রবণতা?

ওষুধের ওপর নির্ভরশীলতা একদিনে তৈরি হয়নি। গর্ভকালীন অপুষ্টি, শিশুকালীন খাদ্যাভ্যাস, বিশুদ্ধ পানির অভাব, বায়ুদূষণ, ভেজাল খাদ্য, খাদ্য উৎপাদনে অতিরিক্ত রাসায়নিক সার, কীটনাশক ও বিভিন্ন কেমিক্যালের ব্যবহার ইত্যাদি এর জন্য দায়ী। খাদ্যদ্রব্য উৎপাদনের সময় অতিরিক্ত ফলনের জন্য রাসায়নিক পদার্থের ওপর বেশি নির্ভরতা খাদ্যের গুণগত মান নষ্ট করার পাশাপাশি মানুষের শরীরের রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল করে দেয়। অন্যদিকে জন্মের পর থেকেই আমাদের সমাজের একটা বড় অংশের মায়েরা শিশুকে বুকের দুধের পরিবর্তে বাজারজাত খাদ্যের ওপরও নির্ভরশীল করে, যা শিশুর রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দেয়।

আমাদের সমাজের একটা বড় অংশ, বিশেষ করে শিশু ও তরুণ প্রজন্ম বর্তমানে স্মার্টফোন, কম্পিউটার, ট্যাব, ভিডিও গেমসের ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল। এ নির্ভরশীলতা তাকে মানসিকভাবে অবসাদগ্রস্ত করে দেয়। এর পাশাপাশি দীর্ঘক্ষণ এ ধরনের প্রযুক্তির সামনে বসে থাকার কারণে শরীরের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হয়।

এর ফলে চোখ, মস্তিষ্ক, মেরুদণ্ডসহ দেহের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। আমাদের আগের প্রজন্ম অবসর সময় কাটানোর জন্য মাঠে যেত, খেলাধুলা করত, বন্ধুদের সঙ্গে সরাসরি আড্ডা দিত। কিন্তু বর্তমান সময়ে এগুলো অনেক কমে গেছে।

বিশেষ করে ঢাকা শহরে খেলার মাঠ নেই, বিনোদনের খোলা জায়গা নেই, পার্ক নেই, এমনকি স্বাভাবিক নিরাপত্তাও নেই। যে কারণে তথ্যপ্রযুক্তির ওপর নির্ভরশীলতা বেড়েছে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে এটি আসক্তির পর্যায়ে পৌঁছে গেছে, যার কারণে অনিদ্রা, অরুচিসহ বিভিন্ন সমস্যা দেখা দিচ্ছে। তথ্যপ্রযুক্তিতে ব্যবহৃত তরঙ্গও মানব শরীরের জন্য ক্ষতিকর, যা থেকেও বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা দেখা দিতে পারে। সবচেয়ে বেশি দেখা দেয় ঘুমের সমস্যা।

ঘুম আসছে না অথচ সকালে জলদি উঠে ক্লাসে যেতে হবে বলে অনেকেই ঘুমের ট্যাবলেট খেয়ে নেয়। প্রতিদিন খাওয়ার উদ্দেশ্য নিয়ে কেউ কখনও ঘুমের ওষুধ খাওয়া শুরু করে না। প্রথমে হয়তো মাসে একটি বা দুটি, পরে ক্রমেই বাড়তে থাকে এর সংখ্যা। ঘুমের অভাব যে কী অস্বস্তিকর, তা কেবল সে-ই জানে যার অনিদ্রার সমস্যা আছে।

তাই ঘুমের জন্য কাতর ব্যক্তি ঘুমানোর জন্য ঘুমের ওষুধের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ে। বিশেষ করে শারীরিক পরিশ্রমের অভাবে বর্তমান প্রজন্মের মধ্যে অনিদ্রার প্রকোপ বেশি। আবার খুব বেশি টেনশন কিন্তু ঘুমটাও প্রয়োজন, তা ভেবেও অনেকে এ ট্যাবলেট খাচ্ছেন।

এরকম নানা কারণে যখন-তখন কেউ কেউ ঘুমের ট্যাবলেট খায়। এর মধ্য দিয়েই তারা ট্যাবলেটের প্রতি নেশাগ্রস্ত হয়ে পড়ে। এর থেকে হরমোনের সমস্যা ও পরিবর্তন হয়। যে পরিবর্তন মানসিক অবসাদগ্রস্ততা থেকে শুরু করে লিভার, কিডনি বিকল, এমনকি ক্যান্সারেরও কারণ হতে পারে।

বর্তমান সময়ে দূষণ বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান সমস্যা। যে কোনো সময়ের চেয়ে বিভিন্ন ধরনের দূষণের হার বর্তমানে অনেক বেশি, যার মধ্যে পানিদূষণ, বায়ুদূষণ, শব্দদূষণ, মাটিদূষণ অন্যতম। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও ইউনিসেফের একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে, ৩০টি বড় বড় রোগের কারণ ১২ ধরনের পরিবেশ দূষণ।

এর মধ্যে শব্দদূষণ অন্যতম। একাধিক জরিপে দেখা গেছে, ঢাকা নগরীর শব্দদূষণের মাত্রা ৬০ থেকে শুরু করে কোনো কোনো স্থানে ১০৬ ডেসিবল (ডিবি) পর্যন্ত, যা মানুষের শারীরিক, মানসিক ও আর্থিক ক্ষতির অন্যতম কারণ বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, বসতি এলাকায় দিনের বেলা শব্দের মাত্রা ৫৫ ডিবি, রাতে ৪৫ ডিবি হওয়া উচিত। বাণিজ্যিক এলাকায় দিনে ৬৫ ডিবি, রাতে ৫৫ ডিবি, শিল্পাঞ্চলে দিনে ৭৫ ডিবি, রাতে ৬৫ ডিবির মধ্যে শব্দ মাত্রা থাকা উচিত। আর হাসপাতাল ইত্যাদি সাইলেন্স জোন বা নীরব এলাকায় দিনে ৫০, রাতে ৪০ ডিবি শব্দ মাত্রা থাকা উচিত। অর্থাৎ এ মাত্রার মধ্যে থাকা আমাদের মধ্যে সহনীয়। এর বেশি হলেই দূষণ হিসেবে তা চিহ্নিত হয়।

ঢাকা শহরে বর্তমানে প্রায় দুই কোটি মানুষের বসবাস। এ বিপুলসংখ্যক মানুষের ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলছে শব্দ, বায়ু ও পানিদূষণ। বহুমাত্রিক এসব দূষণে কানে কম শোনা, হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ, স্থায়ী মাথাব্যথা, ক্ষুধামন্দা, অবসাদগ্রস্ততা, নিদ্রাহীনতাসহ নানা জটিল রোগে আক্রান্ত হচ্ছে ঢাকাবাসী। এর মধ্যে শব্দ ও বায়ূদূষণ আমাদের স্বাস্থ্যের ওপর দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতিকর প্রভাব ফেলছে। ঢাকা শহরের রাস্তায় গাড়ির বিকট হর্ন এবং কালো ধোঁয়া পরিবেশের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। এর পাশাপাশি রাস্তার পাশের ডাস্টবিন থেকে উপচেপড়া ময়লা পরিবেশ দূষিত করছে।

শীতকালে পরিবেশ দূষণের মাত্রা অনেক বেড়ে যায়। ফলে ওই সময়ে পরিবেশ দূষণের প্রভাব আরও প্রকট আকার ধারণ করে। ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা ময়লা-আবর্জনার স্তূপ পরিবেশের পাশাপাশি পানিও দূষিত করে থাকে। ঢাকা শহরের পরিবেশ নিয়ে সবচেয়ে উদ্বেগের কারণ হচ্ছে বিশুদ্ধ পানির অভাব। নগরীর বিভিন্ন এলাকায় বিশুদ্ধ ও সুপেয় পানির তীব্র সংকট রয়েছে। এছাড়াও বিষাক্ত সিসা, কার্বন ডাই-অক্সাইড, কার্বন মনো-অক্সসাইড, সালফার বাতাসের ধূলিকণায় নিঃশ্বাসের সঙ্গে শ্বাসনালীতে প্রবেশ করে শ্বাসকষ্ট, হাঁপানি, ফুসফুস ক্যান্সার, কিডনি ড্যামেজ, লিভারে সমস্যা থেকে শুরু করে নানা ধরনের সংক্রামক ব্যাধিতে আক্রান্ত করছে আমাদের। নানা ধরনের জটিল রোগে আক্রান্ত হওয়ায় রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাচ্ছে ক্রমান্বয়ে। ধীরে ধীরে মৃত্যুর দিকে ধাবিত হচ্ছে আমাদের প্রজন্ম।

অন্যদিকে ওষুধের ঢালাও ও ভুল ব্যবহার বাড়ছে। ডাক্তাররা ব্যবস্থাপত্রে অপ্রয়োজনীয় ওষুধ বেশি লিখছেন। এতে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার ঝুঁকি বাড়ছে এবং ক্ষেত্রবিশেষে ওষুধের কার্যকারিতা কমে যাচ্ছে। গ্রাহকের ওপরও আর্থিক চাপ পড়ছে। এ ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যঝুঁকি ও সমস্যা অ্যান্টিবায়োটিকের ক্ষেত্রে বেশি।

এছাড়াও এক গবেষণায় দেখা গেছে, বাংলাদেশের প্রায় অর্ধেক ক্রেতা ডাক্তারের যথাযথ পরামর্শ ছাড়াই অ্যান্টিবায়োটিক কিনে থাকেন। ওষুধের প্রতি অধিক ঝোঁকের নানা কারণ থাকতে পারে। রোগ নির্ণয়ের যথাযথ ব্যবস্থা না থাকায় চিকিৎসকরা বেশি ওষুধ ব্যবহারের পরামর্শ দিয়ে থাকতে পারেন। পাশাপাশি অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রির ওপর নজরদারির ব্যবস্থা নেই বলে এর অপব্যবহার হচ্ছে বেশি।

অ্যান্টিবায়োটিক ছাড়াও যে কোনো ঠুনকো সমস্যার কারণেও অনেকে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়াই বিভিন্ন ওষুধ সেবন করে থাকেন। অনেক ক্ষেত্রে ওষুধ বিক্রেতাই ডাক্তার সেজে বসেন। কোনো রকমের একটা তিন মাসের কোর্স করা অথবা কোনো হাসপাতালে কিছুদিন যে কোনো পদে চাকরি করা অথবা কোনো ডাক্তারের ব্যক্তিগত সহকারী হিসেবে কাজের অভিজ্ঞতা অথবা বড় কোনো ফার্মেসিতে কাজের অভিজ্ঞতা নিয়েই ডাক্তারি পেশায় নাম লেখানো ওষুধ বিক্রেতার সংখ্যা আমাদের সমাজে নেহায়েত কম নয়।

সাম্প্রতিক সময়ে দেশের বেশ কয়েকটি ‘নামকরা’ হাসপাতালে অপচিকিৎসায় রোগী মারা যাওয়া ও সংকটাপন্ন হওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে চিকিৎসাসেবার অব্যবস্থাপনা নতুন করে আমাদের সামনে এসেছে। মুনাফালোভী, অসৎ ও মানবিক মূল্যবোধহীন কিছু ডাক্তার ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ যোগসাজশ করে রোগীদের জিম্মি করছে, অপচিকিৎসা দিচ্ছে, ব্যক্তিগত ক্ষোভের প্রতিশোধ রোগীর ওপর নিচ্ছে। টাকার লোভে প্রয়োজনাতিরিক্ত ওষুধ দিচ্ছে, ডায়াগনসিস টেস্ট করতে দিচ্ছে, সাধারণ সমস্যাকে জটিল আকারে উপস্থাপন করে রোগীর মনে ভীতি তৈরি করছে। এমনকি বিল বাড়ানোর জন্য মৃত রোগীকে আইসিইউতে রাখার মতো অমানবিক কাজও দেশের তথাকথিত বড় হাসপাতালগুলোতে বিরল নয়।

প্রত্যেক অভিভাবকই চায় তার প্রিয়জন নিরাপদ ও ঝুঁকিমুক্ত থাকুক, ভালো ও নিরাপদ চিকিৎসা গ্রহণ করুক। এজন্য তারা অনেক কষ্টের জমানো টাকায় হলেও ‘ভালো’ হাসপাতালে ভর্তি হয়। আর এ সুযোগটাই নেয় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও অসাধু ডাক্তাররা। পাঠকমাত্রই জানেন, বাংলাদেশে কিছু ‘স্বনামধন্য’ হাসপাতাল রয়েছে, যেগুলো খুব ব্যয়বহুলও বটে। সেখানে রোগীদের একটি বড় অংশ আর্থিক ও সামাজিকভাবে প্রতিষ্ঠিত ও পরিচিত।

তুলনামূলক কম ক্ষমতাসম্পন্ন যেসব মানুষ সুনামের মায়াজালে বিভ্রান্ত হয়ে সেখানে ভর্তি হন, তারাই শোষণ, নিপীড়ন ও অবহেলার শিকার হন বেশি। সম্প্রতি এরকম একটি হাসপাতালে গাইনি বিভাগের চিকিৎসকের অপচিকিৎসায় এক নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগ ওঠে। মৃত নবজাতকের মা’র মতে, তিনি ৫ এপ্রিল সন্তান ডেলিভারির জন্য ওই হাসপাতালে ভর্তি হন। সন্তান গর্ভের ৭ মাস বয়স থেকেই তিনি ওই ডাক্তারের চিকিৎসা নিয়েছেন।

গর্ভে তার সন্তান সম্পূর্ণ সুস্থ ছিল। ৭ এপ্রিল সকালের দিকে তার ওপর একধরনের ‘নির্যাতন’ করা হয়। জরায়ু যথাযথ ওপেন না হলেও তার পানি ভেঙে দেন ডাক্তার। উদ্দেশ্য ছিল যে কোনো উপায়ে সিজার করানো।

অপুষ্টি, দূষণ, পরিবেশ সমস্যা, ওষুধের সহজলভ্যতা ও অপব্যবহার, খাদ্যাভ্যাসসহ বিভিন্ন কারণে আমাদের দেশের মানুষের একটি বড় অংশ জন্মের পর থেকেই ওষুধের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ে। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এ নির্ভরশীলতা ক্রমান্বয়ে বাড়তে থাকে, যা রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা, মানসিক শক্তি, কর্মক্ষমতা, মস্তিষ্কের কার্যকারিতা, মনোযোগ ও ইচ্ছাশক্তি নষ্ট করে দেয়। এ কারণে বর্তমানে আমরা এমন একটি প্রজন্ম পাচ্ছি যারা কায়িক পরিশ্রমে চরম অনীহা পোষণ করে, ধৈর্যের অভাবের কারণে বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ে, মাদকাসক্ত হয়, মানসিক অবসাদে ভোগে। সামগ্রিকভাবে পরিবেশের উন্নয়ন ও ওষুধের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীলতা কমাতে না পারলে আগামী প্রজন্ম দেশের জন্য বোঝা হিসেবে আবির্ভূত হবে।

মেজর রেজা উল করিম (অব.): প্রাবন্ধিক

 

 

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৮

converter
.