মানসম্পন্ন শিক্ষক নিয়োগ করতে হবে
jugantor
মানসম্পন্ন শিক্ষক নিয়োগ করতে হবে

  বিমল কান্তি পাল  

২৫ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

আমাদের দেশে শিক্ষা কারিকুলাম করছে এনসিটিবি (জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তুক বোর্ড)। আর শিক্ষা বোর্ড সিন্ধান্ত দিচ্ছে পরীক্ষা দেওয়ার। কোন্ শিক্ষার্থী কয়টি পরীক্ষা দেবে, সে অধিকার শিক্ষা বোর্ড কী করে রাখে? এটি থাকবে এনসিটিবির কাছে। বোর্ড শুধু সেটি বাস্তবায়ন করবে। এ ক্ষেত্রে প্রাতিষ্ঠানিক এখতিয়ার মানা হয় না। ঘন ঘন পরীক্ষা হওয়ার ফলে শিক্ষার্থীদের ব্যয় বেড়ে যাচ্ছে। পরীক্ষা কমলে ব্যয়ও কমবে। নতুন শিক্ষাক্রমে সেটিও বিবেচনায় রাখা হয়েছে।

কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের নবম ও দশম শ্রেণির ১৩টি বই সংশোধন করা হচ্ছে। ৩০০ পৃষ্ঠার একটি বইয়ের জন্য সময় দেওয়া হচ্ছে দশ দিন। এত অল্প সময়ে লেখকরা কী করবেন? তাই গুগল থেকে নামিয়ে বই তৈরি করে দিচ্ছেন। নতুন শিক্ষা নীতিমালায় যতটুকু দেখেছি তার সঙ্গে বাস্তবতার অনেক মিল রয়েছে।

শিক্ষাবিষয়ক পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য মানসম্পন্ন শিক্ষক নিয়োগের পদক্ষেপ নিতে হবে। একইসঙ্গে শিক্ষকদের আকর্ষণীয় বেতন-ভাতার ব্যবস্থাও করতে হবে। সমাজে শিক্ষকদের মর্যাদা যাতে অক্ষুণ্ন থাকে, সেটাও নিশ্চিত করা জরুরি। শিক্ষা খাতের সংশ্লিষ্ট সবাইকে দায়িত্বশীলতা ও আন্তরিকতার পরিচয় দিতে হবে। বিশেষ করে এ খাতের গুরুত্বপূর্ণ পদে যারা অধিষ্ঠিত হবেন, তাদের নির্মোহ থেকে দায়িত্ব পালন করতে হবে।

আমরা যদি শিক্ষার্থীদের কাছে ব্যতিক্রম কিছু আশা করি, তাহলে সমাজ কাঠামোকে কাক্সিক্ষত পথে পরিচালনার জন্য এর ব্যাপক পুনর্বিন্যাস ও সংস্কার প্রয়োজন, এতে কোনো সন্দেহ নেই। আধুনিক শিক্ষায় গুরুত্ব প্রদান করা হলে তা দেশের উন্নয়নে কী ভূমিকা রাখে, এটা বিশ্ববাসী বারবার প্রত্যক্ষ করেছে। আমরা যদি দেশের অর্থনৈতিক খাতে উচ্চ প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করতে চাই, তাহলে আধুনিক শিক্ষা ও গবেষণায় যথাযথ গুরুত্ব প্রদান করতে হবে। আমাদের শিক্ষা খাত তথা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো সমাজেরই অংশ।

বিমল কান্তি পাল : অধ্যক্ষ, ফেনী সরকারি কলেজ

মানসম্পন্ন শিক্ষক নিয়োগ করতে হবে

 বিমল কান্তি পাল 
২৫ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

আমাদের দেশে শিক্ষা কারিকুলাম করছে এনসিটিবি (জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তুক বোর্ড)। আর শিক্ষা বোর্ড সিন্ধান্ত দিচ্ছে পরীক্ষা দেওয়ার। কোন্ শিক্ষার্থী কয়টি পরীক্ষা দেবে, সে অধিকার শিক্ষা বোর্ড কী করে রাখে? এটি থাকবে এনসিটিবির কাছে। বোর্ড শুধু সেটি বাস্তবায়ন করবে। এ ক্ষেত্রে প্রাতিষ্ঠানিক এখতিয়ার মানা হয় না। ঘন ঘন পরীক্ষা হওয়ার ফলে শিক্ষার্থীদের ব্যয় বেড়ে যাচ্ছে। পরীক্ষা কমলে ব্যয়ও কমবে। নতুন শিক্ষাক্রমে সেটিও বিবেচনায় রাখা হয়েছে।

কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের নবম ও দশম শ্রেণির ১৩টি বই সংশোধন করা হচ্ছে। ৩০০ পৃষ্ঠার একটি বইয়ের জন্য সময় দেওয়া হচ্ছে দশ দিন। এত অল্প সময়ে লেখকরা কী করবেন? তাই গুগল থেকে নামিয়ে বই তৈরি করে দিচ্ছেন। নতুন শিক্ষা নীতিমালায় যতটুকু দেখেছি তার সঙ্গে বাস্তবতার অনেক মিল রয়েছে।

শিক্ষাবিষয়ক পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য মানসম্পন্ন শিক্ষক নিয়োগের পদক্ষেপ নিতে হবে। একইসঙ্গে শিক্ষকদের আকর্ষণীয় বেতন-ভাতার ব্যবস্থাও করতে হবে। সমাজে শিক্ষকদের মর্যাদা যাতে অক্ষুণ্ন থাকে, সেটাও নিশ্চিত করা জরুরি। শিক্ষা খাতের সংশ্লিষ্ট সবাইকে দায়িত্বশীলতা ও আন্তরিকতার পরিচয় দিতে হবে। বিশেষ করে এ খাতের গুরুত্বপূর্ণ পদে যারা অধিষ্ঠিত হবেন, তাদের নির্মোহ থেকে দায়িত্ব পালন করতে হবে।

আমরা যদি শিক্ষার্থীদের কাছে ব্যতিক্রম কিছু আশা করি, তাহলে সমাজ কাঠামোকে কাক্সিক্ষত পথে পরিচালনার জন্য এর ব্যাপক পুনর্বিন্যাস ও সংস্কার প্রয়োজন, এতে কোনো সন্দেহ নেই। আধুনিক শিক্ষায় গুরুত্ব প্রদান করা হলে তা দেশের উন্নয়নে কী ভূমিকা রাখে, এটা বিশ্ববাসী বারবার প্রত্যক্ষ করেছে। আমরা যদি দেশের অর্থনৈতিক খাতে উচ্চ প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করতে চাই, তাহলে আধুনিক শিক্ষা ও গবেষণায় যথাযথ গুরুত্ব প্রদান করতে হবে। আমাদের শিক্ষা খাত তথা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো সমাজেরই অংশ।

বিমল কান্তি পাল : অধ্যক্ষ, ফেনী সরকারি কলেজ

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন