আত্মবিশ্বাসী জাতি রোহিঙ্গা সংকটের সমাধান করবেই

  একেএম শামসুদ্দিন ০৫ জুলাই ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

রোহিঙ্গা নারী

২৭ জুন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর ওপর জাতিগত নিধন অভিযানে মিয়ানমার নিরাপত্তা বাহিনীর ১৩ জন শীর্ষ কর্মকর্তার সক্রিয়ভাবে জড়িত থাকার সাক্ষ্য-প্রমাণসহ এক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।

একই সঙ্গে মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধের অভিযোগে এসব কর্মকর্তাকে অভিযুক্ত করে বিচারের জন্য সুপারিশ করে। মানবাধিকার সংস্থাটির তদন্তকারী সদস্যরা উল্লেখিত কর্মকর্তাদের নেতৃত্বে মিয়ানমার নিরাপত্তা বাহিনী যে কৌশলে রোহিঙ্গা মুসলমানদের নিজ বাসভূমি থেকে উচ্ছেদ করে বাংলাদেশে নির্বাসনে পাঠিয়েছে তারও সন্ধান পেয়েছে।

বিভিন্ন উপগ্রহ চিত্র, ভিডিও ক্লিপ, সেই সঙ্গে বিশেষজ্ঞ ফরেনসিক, ব্যবহৃত অস্ত্র বিশ্লেষণ এবং টেলিফোন রেকর্ডিং যাচাই-বাছাই করে তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে এই প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছে, যা বিচারকালে সাক্ষ্য-প্রমাণ হিসেবে কাজে লাগবে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ আছে।

মানবাধিকার সংস্থাটি জানায়, Rome Statute of the International Criminal Court-এর Article-7-এ তালিকাভুক্ত মানবতাবিরোধী ১১টি অপরাধের মধ্যে ৯টি অপরাধই রোহিঙ্গা মুসলমানদের বিরুদ্ধে সংঘটিত হয়েছে। রোহিঙ্গা মুসলমানদের অত্যন্ত সুপরিকল্পিতভাবে গণহত্যা, ধর্ষণ, নির্যাতন, অগ্নিসংযোগ ও নির্বাসিত করার মূল হোতা হিসেবে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর কমান্ডার ইন চিফ সিনিয়র জেনারেল মিন অং হ্লাইংয়ের বিরুদ্ধেও অভিযোগ আনা হয়েছে। তাকে একজন অত্যন্ত নিষ্ঠুর ও অত্যাচারিত জেনারেল হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

ইতিপূর্বে ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন এবং কানাডা রোহিঙ্গা মুসলমানদের বিরুদ্ধে পরিচালিত অভিযানে নেতৃত্বদানকারী জেনারেলসহ সাতজন সিনিয়র সামরিক কর্মকর্তার সম্পত্তি বাজেয়াপ্তসহ ইউরোপিয়ান দেশগুলোতে ভ্রমণের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে।

এই নিষেধাজ্ঞা জারির পর গত ২৫ জুন মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের তালিকাভুক্ত সাতজনের অন্যতম একজন জেনারেল- রাখাইনের পশ্চিমাঞ্চলে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর ওপর পরিচালিত নৃশংস অভিযানের কমান্ডার মেজর জেনারেল মং মং সো’কে তার কমান্ডের দুর্বলতার কারণ দেখিয়ে মিয়ানমার সেনাবাহিনী থেকে চাকরিচ্যুত করেছে।

উল্লেখ্য, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র গত ডিসেম্বরে জেনারেল মং মং সো-এর ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল। এছাড়াও রাখাইনে পরিচালিত রোহিঙ্গা মুসলমানদের বিরুদ্ধে জাতিগত নিধন অভিযানের ‘বিশেষ অপারেশন অফিসার’ লেফটেন্যান্ট জেনারেল আং কিয়াওয়া জাওকে মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ পদত্যাগ করার নির্দেশ দিলে স্বাস্থ্যগত কারণ দেখিয়ে গত মে মাসে তিনি পদত্যাগ করেন।

গত বছরের আগস্ট মাসের পর থেকে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর ওপর নৃশংস গণহত্যা শুরু হয়। কিন্তু মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ বরাবরের মতো বলে এসেছে রাখাইনে কোনো গণহত্যা হয়নি বরং রোহিঙ্গা বিচ্ছিন্নতাবাদী গ্রুপের আক্রমণ থেকে নিরাপত্তা বাহিনী আত্মরক্ষামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে বলে দাবি করে আসছিল। উল্লেখিত এই দু’জন জেনারেলকে চাকরিচ্যুত করার মাধ্যমে তারা তাদের আগের অবস্থান থেকে কিছুটা সরে এসেছে বলে মনে হয়।

অপরদিকে মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ সংঘটনের জন্য মিয়ানমারের সামরিক কর্মকর্তাদের আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে বিচারের দাবি উত্থাপিত হয়েছে। কিন্তু মুশকিল হল, Rome Statute-এর সদস্য নয় এমন কোনো দেশ বা দেশের ব্যক্তিবিশেষের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের বিচার করার বিধান নেই।

মিয়ানমারও Rome Statute-এর সদস্য নয়। এ পরিপ্রেক্ষিতে রাখাইনে সংঘটিত অপরাধের জন্য মিয়ানমারের অভিযুক্ত কর্মকর্তাদের আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে বিচার করা যাবে কিনা এ নিয়ে রয়েছে সংশয়।

এ কারণে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের অন্যতম প্রসিকিউটর ফাতোয়া বেনসৌদা গত ৯ এপ্রিল আন্তর্জাতিক আদালতে মিয়ানমারের যেসব ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ উত্থাপিত হয়েছে তাদের বিচারের এখতিয়ার আছে কিনা জানতে চেয়ে অনুরোধ করেছেন।

তিনি মনে করেন, ‘উচ্ছেদ এবং নির্বাসন’ Rome Statute-এ উল্লেখিত তালিকাভুক্ত অপরাধগুলোর মধ্যে অন্যতম অপরাধ যা আন্তর্জাতিক আদালতে বিচার করা সম্ভব। তিনি নির্বাসনের ব্যাখ্যা উল্লেখ করতে গিয়ে বলেছেন, ‘যখন কোনো ব্যক্তি কিংবা জনগোষ্ঠী কোনো অপশক্তি দ্বারা তাদের বাস্তুভিটা বা নিজ বাসভূমি থেকে জোরপূর্বক বিতাড়িত হয়ে আন্তর্জাতিক সীমানা অতিক্রম করে অন্য কোনো দেশে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়, তখনই আমরা একে নির্বাসন বলতে পারি।’

রোহিঙ্গা মুসলমানদের ক্ষেত্রে তাই হয়েছে। মিয়ানমার নিরাপত্তা বাহিনীর পরিকল্পিত আক্রমণে নির্যাতন-নিপীড়ন, ধর্ষণ এবং গণহত্যার শিকার হয়ে বাংলাদেশে নির্বাসিত হয়েছে।

প্রসিকিউটর বনসৌদা আরও কিছুটা ব্যাখ্যা দিয়ে বলেন, রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে মিয়ানমার নিরাপত্তা বাহিনী কর্তৃক অপরাধটি শুরু হয়েছিল মিয়ানমার ভূখণ্ডে এবং সেই অপরাধের শেষাংশ সম্পন্ন হয় বাংলাদেশে প্রবেশ করার মাধ্যমে অর্থাৎ সম্পূর্ণ অপরাধটি সংঘটিত হয়েছে মিয়ানমার এবং বাংলাদেশের ভূখণ্ড জুড়ে।

অতএব বাংলাদেশ যেহেতু Rome Statute-এর সদস্য; সুতরাং এক্ষেত্রে মিয়ানমার সদস্য না হলেও মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধের বিচারকার্য পরিচালনায় আন্তর্জাতিক আদালতের আর কোনো বাধা থাকল না। অতঃপর হেগভিত্তিক আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত প্রসিকিউটরের অনুরোধ গ্রহণ করে রোহিঙ্গা ইস্যুতে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে মামলা চালানোর জন্য এখতিয়ার আছে কিনা তা যাচাইয়ের জন্য প্রি-ট্রায়াল চেম্বার তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে ১১ জুনের মধ্যে বাংলাদেশের পর্যবেক্ষণ জানানোর জন্য অনুরোধ করে। এ পর্যবেক্ষণ বাংলাদেশ ইচ্ছা করলে প্রকাশ্যে কিংবা গোপনে জানাতে পারে। বিষয় তিনটি হল-

১. বাংলাদেশে মিয়ানমারের রোহিঙ্গাদের উপস্থিতির কারণে চারপাশের এলাকার পরিবেশ ও পরিস্থিতি সম্পর্কে পর্যবেক্ষণ।

২. বাংলাদেশে মিয়ানমারের রোহিঙ্গা জনগণের অভিবাসনের অভিযোগে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের আঞ্চলিক বিচারব্যবস্থার অনুশীলনের সম্ভাবনা সম্পর্কে পর্যবেক্ষণ।

৩. প্রসিকিউটরের অনুরোধের সঙ্গে সম্পর্কিত অন্য কোনো বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারের পর্যবেক্ষণ, মতামত যা এতদসংক্রান্ত বিষয়ে প্রি-ট্রায়াল চেম্বারকে সহায়তা করবে।

বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম জানিয়েছেন, বাংলাদেশ ইতিমধ্যেই তাদের পর্যবেক্ষণগুলো জানিয়ে দিয়েছে এবং এতদসঙ্গে প্রয়োজনীয় অন্যান্য সব তথ্যও প্রদান করেছে। বাংলাদেশের পর্যবেক্ষণগুলো পাওয়ার পর আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের প্রি-ট্রায়াল চেম্বার এবার একই বিষয়ে আগামী ২৭ জুলাইয়ের মধ্যে মিয়ানমারের পর্যবেক্ষণ জানানোর জন্য অনুরোধ করে।

রোহিঙ্গা ইস্যুতে বিচার কাজের জন্য হয়তো আরও কিছুদিন আমাদের অপেক্ষা করতে হবে। বাংলাদেশের ভূখণ্ডে যে আনুমানিক ১১ লাখ রোহিঙ্গা উদ্বাস্তু আছে তাদের পুনর্বাসনের কী হবে কিংবা তাদের নিজ বাসভূমে ফিরে যাওয়ারই বা কী হবে সে প্রশ্ন কিন্তু রয়েই যায়। তা না হলে রোহিঙ্গা উদ্বাস্তুদের পদভারে বাংলাদেশের সামনে যে আর্থসামাজিক, রাজনৈতিক, পরিবেশ ও নিরাপত্তাজনিত ঝুঁকি রয়ে গেছে তা কতকাল বহন করে নিয়ে যেতে হবে তার উত্তর এই মুহূর্তে আমাদের জানা নেই।

বাংলাদেশ ও মিয়ানমার গত নভেম্বরে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের একটি সমঝোতাপত্র স্বাক্ষর করেছে। সে সমঝোতাপত্রে স্বেচ্ছার ভিত্তিতে রোহিঙ্গা জনগণের প্রত্যাবাসনের ব্যবস্থার কথা বলা হয়েছে। কিন্তু দুঃখের বিষয় রোহিঙ্গা জনগণের মূল বা ন্যায্য যে দাবি তা অপ্রত্যাশিতভাবে উপেক্ষিত হয়েছে। তা হল রোহিঙ্গা জনগণের প্রত্যাবাসনপূর্বক নিশ্চিত নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং মিয়ানমারের নাগরিকত্ব নিশ্চিতকরণ।

এ কারণে রোহিঙ্গারা সেই সমঝোতাপত্র স্বাক্ষরের পর যেমনটি খুশি হওয়ার কথা ছিল তা হতে পারেনি বরং তারা তাদের পক্ষ থেকে সমঝোতা পত্রটি প্রত্যাখ্যান করে চরম হতাশা ব্যক্ত করে। বাংলাদেশ এবং মিয়ানমারের মধ্যে সমঝোতা স্বাক্ষরের পর কিছুদিন আগে রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশ থেকে মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনের পর রাখাইনে বসবাসের উপযুক্ত পুনর্বাসনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা সম্পন্ন করার জন্য জাতিসংঘের দুটো এজেন্সি ‘ইউএনএইচসিআর’ এবং ‘ইউএনডিপি’র সঙ্গে মিয়ানমারের সরকারের একটি সমঝোতা পত্র স্বাক্ষরিত হয়; কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে এখানেও রোহিঙ্গা জনগণের নিরাপত্তা ও নাগরিকত্বের নিশ্চয়তার বিষয়টি উহ্য থাকে। যে কারণে ১১ লাখ রোহিঙ্গা উদ্বাস্তুর প্রত্যাবাসন অনিশ্চয়তার মধ্যেই রয়ে গেল।

গত বছর আগস্টে রোহিঙ্গাদের গণহত্যা এবং মিয়ানমার থেকে জোরপূর্বক নির্বাসন শুরুর পর এ সমস্যা সমাধানে আমাদের এতদিনের পরীক্ষিত বন্ধু রাষ্ট্র ভারতকে আমরা আমাদের পাশে পেলাম না। একই কথা চীনের বেলায়ও খাটে। নিজ নিজ দেশ ও বাণিজ্যের স্বার্থে উভয় রাষ্ট্রই মিয়ানমারের পাশে গিয়ে দাঁড়াল।

ভারত ও চীনের এহেন আচরণে আমরা এতটুকুও আশ্চর্য হয়নি বরং তাদের এই পদক্ষেপের প্রশংসা করি এই কারণে যে, নিজের দেশ ও জনগণের স্বার্থ রক্ষার্থে রাষ্ট্র কর্তৃক যে কোনো পদক্ষেপই গ্রহণীয়, যদি আঞ্চলিক কূটনৈতিক ভারসাম্য রক্ষা করা যায়।

আমরা ব্যক্তি বা দলীয় স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে কবে যে রাষ্ট্র এবং জনগণের স্বার্থে নিবেদিত হতে পারব সেদিনের জন্য হয়তো আমাদের আরও কিছুদিন অপেক্ষা করতে হবে। যাই হোক আসল প্রসঙ্গে আসা যাক। গেল সপ্তাহে চীন সফরে গেলে আমাদের পররাষ্ট্রমন্ত্রী তার কাউন্টারপার্টের সঙ্গে রোহিঙ্গা প্রসঙ্গটি তোলেন এবং এ ব্যাপারে চীনের সাহায্য কামনা করেন।

উত্তরে চীন মিয়ানমারের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক আলোচনার মাধ্যমে রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধানের পরামর্শ দেয়। যা বর্তমান পরিস্থিতিতে সম্ভব নয় বলেই মনে হয়। এ সমস্যা সমাধান দ্বিপাক্ষিক ভিত্তিতে না হয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সবাইকে সম্পৃক্ত করেই সমাধানের পথ বের করতে হবে। মিয়ানমারের ওপর চীনের যে প্রভাব আছে, তাকে যথাযথভাবে কাজে লাগিয়ে চীনের মাধ্যমে মিয়ানমারের ওপর চাপ প্রয়োগ করে সমস্যা সমাধানের কোনো সুযোগ আদায় করতে এ যাত্রায় আমাদের পররাষ্ট্র দফতর ব্যর্থ হয়েছে।

জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস দু’দিনব্যাপী বাংলাদেশ সফর করে ঢাকা ত্যাগ করেছেন। নিরাপদ, স্বতঃস্ফূর্ত ও মর্যাদার সঙ্গে রোহিঙ্গাদের তাদের বাস্তুভিটায় ফেরত পাঠানোর অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ জাতিসংঘ মহাসচিবের এই সফরের উদ্দেশ্য।

ইতিমধ্যে তিনি কক্সবাজারে রোহিঙ্গা ক্যাম্প সফর করেছেন। জাতিসংঘের মহাসচিব আমাদের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেছেন। সাক্ষাতে রোহিঙ্গা প্রত্যাবর্তনের ব্যাপারে মিয়ানমারের ওপর চাপ অব্যাহত রাখার বিষয়ে তাদের সংকল্পের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন। এখন শুধু ধৈর্যসহকারে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে সঙ্গে নিয়ে রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধানে আমাদের কূটনৈতিক তৎপরতাকে আরও বেশি শাণিত করতে হবে।

আশপাশের কেউ আমাদের পাশে থাকুক আর নাই থাকুক, বাংলাদেশ বর্তমানে অনেক আস্থাশীল। বিশ্ব দরবারে আমাদের আরও অনেক বন্ধু আছে, তাদের নিয়েই না হয় আমরা বাংলাদেশে আশ্রিত ১১ লাখ রোহিঙ্গা মুসলমানদের স্বতঃস্ফূর্ত, নিরাপদ ও যথাযথ মর্যাদায় প্রত্যাবাসনের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে সক্ষম হব বলে আমার দৃঢ় বিশ্বাস।

একেএম শামসুদ্দিন : অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা

ঘটনাপ্রবাহ : রোহিঙ্গা বর্বরতা

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৮

converter