একটি মহৎ স্লোগানের ইতিবৃত্ত

  আবু এনএম ওয়াহিদ ১৪ আগস্ট ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

স্লোগানের ইতিবৃত্ত
ছবি: সংগৃহীত

সাম্প্রতিক বাংলাদেশে ‘নিরাপদ সড়ক চাই’ আন্দোলনে অংশ নেয়া স্কুল-কলেজ পড়ুয়া অগণিত কিশোর-কিশোরীর হাতের প্ল্যাকার্ডে ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস’ একটি স্লোগান দেখা গেছে। ওই সময়ে তাদের মাথা থেকে আরও অনেক সুন্দর সুন্দর ও চমকপ্রদ কথা ও বাণী বেরিয়ে এসেছে।

তবে ভাবার্থ ও গভীরতার বিবেচনায় ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস’-ই সবচেয়ে ওজনদার। অন্যরা কীভাবে নেবেন জানি না, আমার মতে এটিই ছিল তাদের কেন্দ্রীয় দাবি। বাকি সব ছুড়ে ফেলে দিয়ে, ওই একটি বক্তব্য নিয়ে তারা রাস্তায় নামলেই যথেষ্ট ছিল। আমি মনে করি, এই স্লোগানটি অন্যসব চাওয়া-পাওয়ার ‘মা’।

যে কোনো সামাজিক আন্দোলনে, ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস’ কথাটি জগতের তাবৎ দাবি-দাওয়ার মর্মবাণীকে পূর্ণরূপে ধারণ করে। এটি একদিকে যেমন মানুষের সবচেয়ে পুরনো আকুতি, তেমনি এটি লক্ষ কোটি জনতার প্রতিদিনের প্রত্যাশা, চিরনতুন আকাঙ্ক্ষা।

এটি কোনোদিন পুরনো হওয়ার নয়, জনজীবনে এর প্রাসঙ্গিকতা কোনোদিন ফোরাবারও নয়, কারণ সভ্য মানুষ তার পথচলার সূচনালগ্ন থেকে ‘বিচার’ চেয়ে আসছে- কখনও পেয়েছে, কখনও পায়নি। এখনও চাচ্ছে- কোথাও পাচ্ছে, কোথাও না, কোথাও বা পাচ্ছে দেরিতে, কোথাও কিঞ্চিৎ, আর বিচারের নামে অবিচার সে তো হচ্ছে সর্বত্র, হরহামেশা।

বাংলাদেশ এর একটি প্রকৃষ্ট উদাহরণ। এখানে কালেভদ্রে কদাচিৎ ন্যায়বিচারের দেখা মেলে, মিললেও মিলে মামলা হওয়ার পাঁচ-দশ বছর পর। এ দেশে সময়মতো যে সুবিচার পায় সে বড়ই ভাগ্যবান! দেশ-বিদেশের ইতিহাস ঘাঁটলে দেখা যায়, শতভাগ মানুষ, সময়মতো, ষোলো আনা বিচার কখনও পায়নি, কোথাও পায়নি। আগামীতে কী হবে, কে জানে!

সুবিচারের সঙ্গে বাংলাদেশের একটি জন্মসংযোগ আছে। আমরা সবাই জানি, ১৯৭১ সালে এ দেশ স্বাধীন হয়েছিল একটি সশস্ত্র ও রক্তাক্ত সংগ্রামের ভেতর দিয়ে। ঘোষণাপত্র অনুযায়ী যে তিনটি মূলনীতি ও লক্ষ্য সামনে রেখে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয়েছিল সেগুলো হল : ‘অর্থনৈতিক সাম্য’, ‘সামাজিক ন্যায়বিচার’ ও ‘মানবিক মর্যাদা’।

অতি দুঃখের বিষয়, যে তিনটি অঙ্গীকার নিয়ে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছিল, দীর্ঘ ৪৭ বছরে তার একটিও পূরণ হয়নি। কত রাজা এলো কত রাজা গেল, অভাগা জাতির স্বপ্নপূরণ হল না, প্রত্যাশা ও প্রাপ্তির দূরত্ব ঘুচল না। আমার এই বক্তব্যে কেউ আপত্তি তুলতে পারেন।

বলতে পারেন, বাংলাদেশের মাথাপিছু গড় আয় নব্বই ডলার থেকে পনেরোশ’ ডলার হল, সরকারের বার্ষিক বাজেট সাতশ’ কোটি টাকা থেকে চার লক্ষ কোটি ছাড়িয়ে গেল, আমরা গরিব দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশের স্বীকৃতি পেলাম, তারপরও কেন এমন হতাশা! জবাবে আমি বলব, গণতন্ত্রের কথা যদি বাদও দিই, তথাপি সুশাসন, ন্যায়ানুগ সমানাধিকার, সুবিচার ও মানবিক মর্যাদা পদে পদে ভূলুণ্ঠিত করে কেবল অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির ওপর ভর করে কোনো সমাজ আখেরে লাভবান হয় না, সামনে এগোতে পারে না।

অতীতে যা হওয়ার তা তো হয়েই গেছে। অদূর ভবিষ্যতে আলোচিত তিন মূলনীতির সব কটি কিংবা কোনো একটিও যে পূরণ হবে, তেমন আলামত আমি অন্তত দেখি না।

‘ন্যায়বিচার’ কিংবা ‘সুবিচার’ আমাদের মুক্তিযুদ্ধের একটি অন্যতম স্তম্ভ, আর এই স্তম্ভই আমার আজকের এ লেখার বিষয়বস্তু। প্রকৃতপক্ষে ‘বিচার’ বলতে যেনতেন বিচার বোঝায় না, ‘বিচার’ মানেই ‘ন্যায়বিচার’, ‘বিচার’ মানেই ‘সুবিচার’। শুরুতেই দেখা যাক ‘বিচারের’ কেতাবি সংজ্ঞাটা কী।

প্রচলিত অর্থে, ন্যায়নীতির ভিত্তিতে জনসাধারণের ‘অধিকার সংরক্ষণ’ এবং সব ধরনের ‘অপরাধের শাস্তি’ নিশ্চিত করার নামই ‘বিচার’। আমার বিচারে, ‘বিচারের’ এই সংজ্ঞায় একটু গলদ আছে। আমি মনে করি, নাগরিকের ‘অধিকার সংরক্ষণ’ এবং ‘অপরাধের শাস্তি’ কোনোক্রমেই দুটো বিযুক্ত কিংবা আলাদা বিষয় নয়, বরং এ দুটি এমনি ওতপ্রোতভাবে জড়িত যে, তারা দুয়ে মিলে একেবারে এক ও অভিন্ন।

একজনের ‘অপরাধ’- সে যে কিসিমেরই হোক না কেন, আরেকজনের অথবা কয়েকজনের ‘অধিকার’ হরণেরই নামান্তর। উদাহরণস্বরূপ বলা যেতে পারে, একজন চেয়ারম্যান যখন ত্রাণের গম কিংবা টিন চুরি করেন তখন তিনি তারই প্রতিবেশী এক বা একাধিক গরিবের ‘অধিকার’ হরণ করেন।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তাদের অবহেলা অথবা লোভের কারণে যখন রিজার্ভের টাকা ও সোনা মারা যায়, তখন ১৬ কোটি মানুষের ‘অধিকার’ ভূলুণ্ঠিত হয়। এ জাতীয় ব্যাংক ডাকাতিকে ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা হলে অথবা উদর পিণ্ডি বুধোর ঘাড়ে চাপালে আরও অনেক মানুষের ‘অধিকার’ খর্ব করা হবে এবং দেশের ভেতরে সংঘটিত ‘অপরাধের’ তালিকা দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর আকার ধারণ করবে।

এবার অপরাধ ও ‘অধিকার’ হরণের অন্য ধরনের একটি মিসাল দিই। ট্রাফিক পুলিশ যখন লাইসেন্সবিহীন চালকের কাছ থেকে ঘুষ খেয়ে তাকে ছেড়ে দেয়, বলুন তো, তখন কার অধিকার লঙ্ঘিত হয়? আপাতদৃষ্টিতে মনে হয়, কারও তো কোনো সুবিধা-অসুবিধা হয়নি, বরং একজন নতুন মানুষ রাস্তায় গাড়ি চলানোর নতুন অধিকার ভোগ করছেন মাত্র, যেটা ঘুষ ছাড়া তার নাগালের বাইরে ছিল।

আসলে ঘুষ দিয়ে লাইসেন্সবিহীন চালক আইনমান্যকারী জনগণের একটি নয়, বরং দুটো অধিকার লণ্ডভণ্ড করেছেন। প্রথমত, তিনি রাস্তার যেটুকু জায়গা দখল করে রেখেছেন, সেটুকু জায়গা থেকে একজন লাইসেন্সধারী বৈধ চালককে বঞ্চিত করেছেন।

দ্বিতীয়ত, লাইসেন্সবিহীন চালক ঘুষের বিনিময়ে গাড়ি চালানোর অনুমতি পেয়ে রাস্তায় দুর্ঘটনার আশঙ্কা বাড়িয়ে অগণিত চালক, যাত্রী ও পথচারীর মৃত্যু অথবা জখম-ঝুঁকি বাড়িয়ে দিয়েছেন। অপরাধের সঙ্গে ‘অধিকারের’ সম্পর্কটি এমন যে, একটি অপরাধ সংঘটিত হওয়া মানেই একটি ‘অধিকারের’ অপমৃত্যু।

একই কথা উল্টোভাবে বলা যায়, একটি ‘অধিকার’ সংরক্ষিত হওয়া মানেই একটি অপরাধ কমে যাওয়া। ‘অধিকার’ যতই রক্ষা করা যাবে, অপরাধ আপনা আপনি ততটাই হ্রাস পাবে। সমাজ এবং রাষ্ট্র যখন সব নাগরিকের সব ‘অধিকার’ নিশ্চিত করবে, তখন দেশে অপরাধের লেশমাত্রও থাকবে না। সমাজে কোনো অপরাধীও খুঁজে পাওয়া যাবে না।

এবার দেখা যাক ‘অধিকার’ কাকে বলে। অধিকার বলতে বোঝায় নাগরিকের ‘অধিকার’। নাগরিক মানে রাষ্ট্রের আইনানুগ বাসিন্দা। সংবিধানের আওতায় রাষ্ট্র যেসব সুবিধা তার নাগরিকদের দিয়ে থাকে রাজনৈতিক পরিমণ্ডলে তাকেই বলা হয় ‘অধিকার’ কিংবা ‘রাইটস’।

এ ধরনের অধিকারের মাঝে আছে- সব ব্যাপারে সব নাগরিকের ন্যায়ানুগ সমানাধিকার, সবার জান, মাল, সম্ভ্রম রক্ষা ও চলাফেরার অধিকার, রাজনৈতিক সংগঠন, সভা-সমাবেশ এবং সরকার বা যে কোনো কর্তৃপক্ষের কাছে শান্তিপূর্ণভাবে দাবি জানাবার ও দাবি আদায় করার অধিকার, সমাজে যাদের অবস্থান অপেক্ষাকৃত দুর্বল অর্থাৎ ধর্মীয় সংখ্যালঘু, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী, প্রতিবন্ধী ও এ জাতীয় অন্যান্য জনগোষ্ঠীর সুবিধাদির বিশেষ হেফাজত করা ইত্যাদি।

বলাই বাহুল্য, সব দেশে, সব সময় নাগরিকের সাংবিধানিক ‘অধিকার’ একরকম হয় না, হওয়ার কথাও নয়। এসব যুগে যুগে, দেশে দেশে ভিন্ন ভিন্ন হতেই পারে, তবে কিছু কিছু ‘অধিকার’ সর্বজনীনভাবেই স্বীকৃত। এরকম ৩০টি ‘অধিকার’ ১৯৪৮ সালে স্বাক্ষরিত জাতিসংঘ মৌলিক মানবাধিকার সনদে লিপিবদ্ধ আছে।

সংবিধানে রক্ষিত নাগরিক ‘অধিকারের’ লঙ্ঘন আইনানুযায়ী শাস্তিযোগ্য অপরাধ। জনমানুষের এসব ‘অধিকার’ ব্যক্তি দ্বারা লঙ্ঘিত হতে পারে, আবার রাষ্ট্রের প্রতিভূ হিসেবে সরকারের দ্বারাও অহরহ পদদলিত হতে দেখা যায়। পশ্চিমা দেশে ব্যক্তি দ্বারা ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর ‘অধিকারের’ হেরফের হলে অধিকাংশ ক্ষেত্রে সুবিচার আশা করা যায়, কিন্তু সরকার কর্তৃক এমন অনাচার হয়ে থাকলে অনেক সময়ই সহি বিচার পাওয়া দুষ্কর হয়ে ওঠে।

তৃতীয় বিশ্বের চিত্রটি অন্য রকম। এখানে ব্যক্তির কাছে ব্যক্তি বা গোষ্ঠী ‘অধিকার’ খোয়ালে একটু আধটু বিচার পাওয়া গেলেও সরকার কর্তৃক লঙ্ঘিত অধিকারের বিচারের আশা দুরাশা ছাড়া আর কিছুই নয়। এসব দেশে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ চর্চার অভাব, দুর্বল রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান এবং প্রশাসন দ্বারা প্রভাবিত আইন-আদালতের কারণে মানুষ বিচার পায় না।

হীন রাজনৈতিক স্বার্থে সরকারগুলো ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে চায় না, করে না। এ ব্যাপারে কম আর বেশি, প্রতিদ্বন্দ্বী বড় দুই দলেরই দায় আছে। অত্যন্ত পরিতাপের সঙ্গে আমরা যা লক্ষ করি তা হল, প্রতিটি সরকার তার পূর্ববর্তী সরকারের চেয়ে অধিক মাত্রায় দুঃশাসন উপহার দিচ্ছে।

দিনে দিনে দুর্দশা এমন জায়গায় এসে দাঁড়িয়েছে, দেশের আনাচে-কানাচে প্রতিদিন অসংখ্য বিচারপ্রার্থী মানুষের আর্তনাদ ও কান্নার আওয়াজ আকাশে-বাতাসে হৃৎকম্পন তোলে। অনলাইন নিউজপোর্টাল ও সামাজিক মিডিয়ার বদৌলতে মুহূর্তের মধ্যে সেসব আওয়াজ দুনিয়ার সব প্রান্তে পৌঁছে যায়, কিন্তু আফসোস, দেশের অভ্যন্তরে যারা এর প্রতিকার করতে পারেন তাদের কানে পৌঁছে না।

একজন নাগরিক কেবল রাষ্ট্রের বাসিন্দাই নন, তিনি পরিবার, তার আপন গোষ্ঠী ও বৃহত্তর সমাজেরও একজন সদস্য। সেই সুবাদে, দেশের সাংবিধানিক কাঠামোর বাইরেও তার রয়েছে আরও একগুচ্ছ ‘অধিকার’, যেমন- পিতা-মাতার ওপর রয়েছে সন্তানের অধিকার, তেমনি সন্তানেরও দায়িত্ব আছে মা-বাবার প্রতি।

পরিবারের অন্যান্য সদস্য, প্রতিবেশী ও সমাজের সবার প্রতি রয়েছে প্রত্যেকের পারস্পরিক ‘অধিকার’ ও দায়িত্ব। শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সম্পর্কের মাঝেও নিহিত আছে এরকম একটি চাওয়া-পাওয়ার ব্যাপার। সমাজের সদস্য হিসেবে একজন আরেকজনের সামাজিক ‘অধিকারের’ সীমানা মাড়ালে তা দেশের আইনানুযায়ী শাস্তিযোগ্য অপরাধ হতে পারে, আবার না-ও হতে পারে।

উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, লায়েক হয়ে ছেলে যদি বৃদ্ধ পিতা-মাতাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করে, মারধর করে তবে এটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ। ভুক্তভোগী নিজে না করলেও রাষ্ট্র বাদী হয়ে অপরাধী সন্তানের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করতে পারে। দুর্ব্যবহার না করেও আরেক সন্তান যদি তার পিতা-মাতাকে সময় সময় দেখাশোনা না করে, তাদের সুবিধা-অসুবিধার ডাকে সাড়া না দেয়, তবে সেও মা-বাবার ‘অধিকার’ খর্ব করল।

তবে এটা কি শাস্তিযোগ্য অপরাধ? এ জন্য কি আদালতে মামলা হবে? আমার তো মনে হয় না। ‘অধিকার’ প্রসঙ্গে আরেকটি মজার কথা না বললেই নয়। আপনারা সবাই জানেন, সহনাগরিক, আত্মীয়স্বজন ও প্রতিবেশী বাদেও মানুষের আরও কিছু বাড়তি দায়িত্ব রয়েছে।

যেমন- মানুষের ওপর প্রকৃতি, পরিবেশ ও তাবৎ মখলুকেরও ‘অধিকার’ রয়েছে। মানুষের ওপর বিশ্বস্রষ্টারও ‘অধিকার’ আছে। এসব ‘অধিকার’ লঙ্ঘিত হলে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে দেশীয় আইনে আদালতের আশ্রয় নেয়া যায় না, আবার মানুষ এসব দায়ভার এড়িয়ে যেতে পারে না। অপরাধীরা মানুষের আদালতে পার পেলেও বড় আদালতে একদিন ধরা খেতে বাধ্য।

ফিরে আসি আজকের শিরোনামে, আজকের স্লোগানে- ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস’। আমরা আমাদের দেশে ও সমাজে এই স্লোগানের যথাযথ ও পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন চাই। আমরা চাই, রাষ্ট্র ও সরকার- দল, মত, ধর্ম, বর্ণ, গোত্র, লিঙ্গ, জাতিসত্তা ইত্যাদি নির্বিশেষে সব নাগরিকের সাংবিধানিক ‘অধিকারের’ সুরক্ষা দিক।

এখানেই শেষ নয়, আমাদের আরও প্রত্যাশা আছে। দেশের প্রতিটি পরিবার, জনগোষ্ঠী ও বৃহত্তর সমাজ গড়ে উঠুক আমাদের ইতিহাস, ঐতিহ্য, ধর্মীয় ও সামাজিক মূল্যবোধের ভিত্তিতে। এ আদর্শ অবস্থা আমরা কেন, কোথাও দেখতে পাই না, তার ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ নিয়ে আগামীতে আপনাদের সামনে আবারও হাজির হওয়ার এরাদা আছে।

আবু এন এম ওয়াহিদ : অধ্যাপক, টেনেসি স্টেট ইউনিভার্সিটি, যুক্তরাষ্ট্র

[email protected]

ঘটনাপ্রবাহ : বিমানবন্দর সড়কে দুই শিক্ষার্থীর মৃত্যু

 

 

আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৮

converter