ঘুমিয়ে আছে শিশুর পিতা সব শিশুরই অন্তরে

  খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ ১১ অক্টোবর ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

শিশুর পিতা

শৈশবে এই কবিতাটি আবৃত্তি করতাম। আমার মতো অনেকেই করত। শৈশবের সরল চিন্তায় ভাবতাম, বাবা আমার মনের মধ্যে থাকেন। বাবার কথা মনে হলে তার চেহারাটা মনের মধ্যে ভাসত। ভাবতাম, তাহলে এটাই কবিতাটির অর্থ। মাথা একটু গুলিয়ে যেত যখন মায়ের কথা মনে পড়ত, তার স্নেহভরা চেহারাটা মনের আয়নায় ভেসে উঠত।

কবির ওপর একটু অভিমান হতো। কবি কেন লিখলেন না, ‘ঘুমিয়ে আছে শিশুর মাতা, সব শিশুরই অন্তরে’। নিজের মনেই বুঝে নিতাম, কবি তো একজন বাবা। তাই বাবার কথাই লিখেছেন। মা হলে মায়ের কথা লিখতেন।

আজ পরিণত বয়সে শৈশবের খেয়ালি চিন্তা আর কবিতার সরল অর্থগুলো মনে পড়লে হাসি পায়। পুরুষতান্ত্রিক সমাজে পুরুষ কবি তো পিতার কথাই লিখবেন, যদিও মা তার সবচেয়ে আপন। কবি মায়ের কোলেই বড় হয়েছেন। মনীষীরা মায়ের কথাই বেশি বলেছেন।

নবী করিম (সা.) বলেছেন, ‘সবচেয়ে আপন হলেন মা’, ‘মায়ের পদতলে স্বর্গ’, ‘মা-বাবাকে কখনও কষ্ট দিও না’। আমাদের অভিযোগ-অনুযোগ-আবদার, সব তো মায়েরই কাছে। বাবাকে বলতে একটু ভয়ও হয়। তাই হয়তো মুখে বলি বাবার কথা, মা থেকে যান অন্তরে। জেন্ডার সচেতন ও পুরুষতান্ত্রিকতামুক্ত একজন কবি হয়তো শিরোনামের কবিতাটি এভাবে লিখতেন,

‘লুকিয়ে আছে শিশুর মাতা সকল শিশুর অন্তরে,

ঘুমিয়ে আছে শিশুর পিতা, সব শিশুরই অন্তরে।’

বড় হয়ে বুঝতে পেরেছি, শৈশবের সরল অর্থ সঠিক ছিল না। কবি বোঝাতে চেয়েছেন, আজকের ছোট্ট শিশুটিই বড় হয়ে একজন পিতা হবে। আগামীর পিতা সে অর্থে শিশুর অন্তরে ঘুমিয়ে আছে। শিশু বড় হলে পিতাটি জেগে উঠবে, অর্থাৎ উপযোগী বয়স হলে সে পিতা হবে। কবির এ কথাটিও কি ঠিক? মনে হয় না।

শিশুটি যদি কন্যাশিশু হয়, তাহলে বড় হলে সে মা হবে। আর ছেলেশিশু হলে বড় হয়ে পিতা হবে। কবিতার পঙ্ক্তিটি আমি যেভাবে বর্ধিত করেছি, তাও টিকছে না। আবার সংশোধন করছি :

‘লুকিয়ে আছে শিশুর মাতা, কন্যাশিশুর অন্তরে;

ঘুমিয়ে আছে শিশুর পিতা, পুত্রশিশুর অন্তরে।’

কবি বেঁচে থাকলে তার এই অমর কবিতাটিকে শল্যবিদের মতো ব্যবচ্ছেদ করার কারণে হয়তো ক্ষেপে যেতেন। কবিতার অঙ্গনে বেরসিক অ-কবিদের পদচারণায় ক্ষিপ্ত হয়ে হয়তো আরেক অমর কবিতা লিখে ফেলতেন জেন্ডার বিভ্রাটের নিকুচি করে। যাক সেসব। আমরা ফিরে যাই শিশুদের মাঝে।

সবার মতো আমিও একসময় শিশু ছিলাম। বাবা-মা, দাদা-দাদি, নানা-নানি, ভাইবোন, সহপাঠী- সবাইকে নিয়ে জীবনের সবচেয়ে আনন্দের দিনগুলো কাটিয়েছি তখন। এটা অবশ্য প্রবীণ বয়সের উপলব্ধি। ছাত্রাবস্থায় আমি কবিতা লিখতাম। তখনকার দৈনিক ‘আজাদ’ পত্রিকায় ছোটদের পাতা ‘মুকুলের মহফিলে’ ছাপা হতো।

তারপর রোকনুজ্জামান খান দাদাভাই, কবি সুফিয়া কামাল, বিজ্ঞানী ড. আবদুল্লাহ আল-মুতি প্রমুখের সংস্পর্শে এসে ১৯৫৭ সাল থেকে শিশু সংগঠন কেন্দ্রীয় কচি-কাঁচার মেলার শিশু আহ্বায়ক হিসেবে কাজ করি। শিশু থেকে তরুণ, তরুণ থেকে অনেক বছর পেরিয়ে আজ প্রবীণ হয়েছি কচি-কাঁচার মেলায় জড়িত থেকেই।

২০০১ সাল থেকে আমি শিশু প্রতিষ্ঠানটির কর্মকাণ্ডের পরিচালক এবং কেন্দ্রীয় সভাপতি। শিশুদের সঙ্গে দীর্ঘদিন কাজ করার অভিজ্ঞতা থেকে শিশুশিক্ষা ও উন্নয়ন বিষয়ে কিছু কথা বলব।

মা-বাবার হাত ধরে শিশুরা পৃথিবীর বুকে যখন পা রাখে, তখন তাদের কোনো পূর্ব অভিজ্ঞতা বা ধারণা থাকে না। তাদের নিউরন বা মস্তিষ্ক কোষগুলো থাকে শূন্য। এই কোষগুলোই ধীরে ধীরে শ্রুতি, দর্শন ও স্পর্শ অনুভূতিগুলো মস্তিষ্কে ধারণ করে, ঠিক যেমন একটি অব্যবহৃত ভিডিও ক্যাসেট গান, কথা, দৃশ্য ধারণ করে।

ক্যাসেটের মতোই নিউরন কোষগুলো ধারণকৃত শব্দ, দৃশ্য, অনুভূতিগুলো উদ্গিরণ করতে পারে এবং করে, যাকে স্মরণ প্রক্রিয়া বলি আমরা। এভাবেই জন্মের পর প্রথম চার-পাঁচ বছরের লব্ধ জ্ঞান, অভিজ্ঞতা আর অনুভূতির সমন্বয়ে শিশুর ‘মন’ গঠিত হয়।

মনের প্রকৃতি ও প্রকাশই তার ব্যক্তিত্ব। প্রত্যেক শিশুর দর্শন, শ্রবণ, অনুভূতি তার নিজস্ব এবং অন্যের চেয়ে আলাদা। তাই প্রত্যেক মানুষের মানস ও ব্যক্তিত্ব স্বাতন্ত্র্যে উদ্ভাসিত।

জীবনচক্রে শিশু থেকে পূর্ণবয়স্ক মানুষে রূপান্তরের বিভিন্ন পর্যায়ে বিভিন্ন ধরনের শিক্ষা, অভিজ্ঞতা ও প্রবণতা অর্জন করতে হয় সবাইকে। মেধা ও বুদ্ধিমত্তার বীজ জন্ম থেকেই ধারণ করে একটি শিশু, প্রত্যেকেই ভিন্ন ভিন্ন মাত্রায়। ধীরে ধীরে সেই বীজকে প্রস্ফুটিত করতে হয়। এর জন্য প্রয়োজন চর্চা ও সহায়ক পরিবেশ।

কিন্তু প্রবণতা, পারস্পরিক সম্পর্ক, আবেগ, অনুকরণ ইত্যাদির সমন্বয়ে গড়ে ওঠা ব্যক্তিত্ব নিয়ে কেউই জন্মগ্রহণ করে না। প্রত্যেকের নিজস্ব ব্যক্তিত্ব গঠিত হয় শৈশবের নিজ নিজ অভিজ্ঞতার আলোকে।

বাবা-মা, বাড়ির অন্যান্য মানুষ, পাড়া-প্রতিবেশী, বন্ধু-বান্ধব, আদেশ-নিষেধের ধরন, চাহিদা পূরণ-অপূরণ, স্নেহ-ভালোবাসা প্রাপ্তির মাত্রা- এসবের ওপর ভিত্তি করেই নির্ধারিত হয় ব্যক্তিত্ব।

শিক্ষণ প্রক্রিয়ার ওপর ভিত্তি করে ব্যক্তিত্ব গঠন প্রক্রিয়া বেশ জটিল। মেধার পরিবর্তন ঘটাতে না পারলেও আদর্শ ব্যক্তিত্ব গড়ে তোলার ভিত্তি স্থাপিত হয় শৈশবে, যা ক্রমশ সম্প্রসারিত হতে থাকে। তাই কাক্সিক্ষত ও সংহত ভিত্তি প্রস্তুতের জন্য প্রত্যেক শিশুর প্রয়োজন উপযোগী পরিবেশ এবং যথাযথ ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া।

সমাজ উপযোগী স্বকীয় সত্তা গড়ে তোলার জন্য প্রত্যেক শিশুকেই উপযোগী শিক্ষণ-প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে লালন করা প্রয়োজন।

শিশুদের কিছু অধিকার রয়েছে, যা রক্ষা করার দায়িত্ব বড়দের তথা রাষ্ট্রের। অধিকার চর্চা তথা সংরক্ষণের জন্য কিছু শিক্ষা অর্জন ও দায়িত্ব পালনের উপযোগী হতে হয় শিশুদের। এই পরিপ্রেক্ষিতে শিশু-অধিকার ও শিশু-শিক্ষা বিষয়ে আলোচনা করা প্রয়োজন।

১৯৮৯ সালের ২০ নভেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ শিশু অধিকার বিষয়ে একটি কনভেনশন বা সনদ গ্রহণ করে। ওই সনদের সূচনায় বলা হয়- ১. শৈশবে শিশুদের প্রদান করতে হবে বিশেষ যত্ন ও সহায়তা; ২. শিশুর ব্যক্তিত্ব বিকাশ ও সাবলীল উন্নয়নের জন্য তাকে পারিবারিক পরিবেশে লালন-পালন করতে হবে এবং পরিবারে থাকতে হবে শান্তি, ভালোবাসা ও পারস্পরিক সহযোগিতা; ৩. জন্মের আগে ও পরে শিশুর প্রয়োজন আইনানুগ ও বিশেষ নিরাপত্তা এবং যত্ন; ৪. বিশ্বের অনেক দেশে অনেক শিশু খুবই কঠিন অবস্থায় রয়েছে, তাদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থার প্রয়োজন।

উপরোক্ত সূচনা বক্তব্যের পর বলা হয়, ১৮ বছরের নিচে সব মানুষই শিশু হিসেবে বিবেচিত হবে। অতঃপর জাতিসংঘের ওই সনদে শিশুদের জন্য ৫৪টি অধিকার সংবলিত আর্টিকেল যোগ করা হয়েছে। শিশু অধিকার কনভেনশনে বাংলাদেশও স্বাক্ষর করেছে।

শিশুদের কয়েকটি অধিকার সনদ এখানে উল্লেখ করা হল- ১. প্রত্যেক শিশুর জীবন ধারণের মৌলিক অধিকার রয়েছে। তাদের জীবনযাপন ও উন্নয়নের অধিকার পূরণের জন্য রাষ্ট্রের সরকার সর্বাধিক সম্ভব ব্যবস্থা গ্রহণ করবে; ২. প্রত্যেক শিশুর জন্ম নিবন্ধন করতে হবে এবং নামকরণ ও জাতীয়তা প্রাপ্তির জন্মগত অধিকার থাকবে; পিতা-মাতার পরিচিতি জানা ও যত্নপ্রাপ্তির অধিকার শিশুর থাকবে; ৩. পিতা-মাতা, আইনানুগ অভিভাবক এবং পরিবার সদস্যদের পদমর্যাদা, কার্যকলাপ ও বিশ্বাস যাই থাকুক না কেন, শিশুদের সব ধরনের বিভেদ থেকে রক্ষা করতে হবে; ৪. প্রত্যেক শিশু তার নাম, জাতীয়তা ও পারিবারিক সম্পর্ক বজায় রাখার অধিকার ভোগ করবে; ৫. রাষ্ট্র ও সমাজ প্রত্যেক শিশুর ভিন্ন দেশে বেআইনি পাচার ও দেশে প্রত্যাবর্তনে বাধা দূরীকরণের জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করবে; ৬. প্রত্যেক শিশুর নিজস্ব চিন্তা-চেতনা ধারণ ও প্রকাশ করার অধিকার রয়েছে এবং শিশুর বয়স বিচারে সেসব চিন্তা-চেতনা ও প্রকাশকে গুরুত্ব দিতে হবে; ৭. প্রত্যেক শিশুর চিন্তার স্বাধীনতা, প্রকাশের স্বাধীনতা, বিবেক, ধর্মগ্রহণ ও পালনের স্বাধীনতা থাকবে।

জাতিসংঘের শিশু অধিকার সনদ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বাংলাদেশে শিশু অধিকার আইন, ২০১৩ সংসদে গৃহীত হয়েছে। এ আইনে নয় বছরের কম বয়সের শিশুকে গ্রেফতার নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

এছাড়া বড়দের জেলে শিশুদের না রাখার বিধান রয়েছে। গবেষণায় জানা গেছে, পাঁচ বছরের নিচের শিশুদের মৃত্যুর হার গত দুই দশকে ৬০ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। বর্তমানে এই হার প্রতি হাজারে ৫৩ জন। বাংলাদেশ সরকার শিশুমৃত্যুর এই হার ২০৩৫ সালের মধ্যে প্রতি হাজারে ২০-এ নামিয়ে আনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে।

শিশু অধিকারের পর শিশুশিক্ষা নিয়ে কিছু বলা প্রয়োজন। বাংলাদেশে শিশুশিক্ষা অবৈতনিক ও সার্বজনীন। শিক্ষার জন্য বছরের প্রথম দিন সব ছাত্রকে বিনামূল্যে বই দেয়া হয়। প্রাথমিক শিক্ষা পর্যায়ে ৯০ শতাংশের অধিক শিক্ষার্থী ভর্তি হয়। তবে ঝরে পড়ার সংখ্যা নিয়ন্ত্রণ করা প্রয়োজন।

শিশুদের ব্যক্তিত্ব বিকাশে, স্বাস্থ্য ও সচেতনতা বৃদ্ধিতে এবং সামাজিক দক্ষতা অর্জনে স্কুলের একাডেমিক শিক্ষার সঙ্গে সঙ্গে কো-কারিকুলার শিক্ষা একান্ত প্রয়োজন।

এ পর্যায়ের শিক্ষা-প্রশিক্ষণের মধ্যে রয়েছে- ১. খেলাধুলা, ২. সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড অর্থাৎ সুর-চর্চা, নৃত্য-চর্চা, ছবি-আঁকা, শিশু-নাটক, আবৃত্তি, বক্তৃতা-উপস্থাপনা, বিতর্ক ইত্যাদি; এবং ৩. সামাজিক কর্মকাণ্ড যথা পথশিশুদের সাহায্য করা, দরিদ্রদের সহায়তা দান, শিশু সমাবেশ, শিশু পার্লামেন্ট, নিরক্ষর শিশুদের পাঠদান, ফার্স্ট এইড, বাগান করা, গাছ লাগানো, শিশু অধিকার আদায়ের জন্য সচেতনতা সৃষ্টি ইত্যাদি।

দেশের সাধারণ স্কুলগুলোতে কো-কারিকুলার শিক্ষার ব্যবস্থা নেই বললেই চলে। তবে জাতীয় শিশু-কিশোর প্রতিষ্ঠান কচি-কাঁচার মেলাসহ স্বল্পসংখ্যক প্রতিষ্ঠান সম্পূর্ণ স্ব-উদ্যোগে সারা দেশে শিশুদের কো-কারিকুলার শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।

স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রম প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল। তদুপরি সন্তানদের প্রাইভেট কোচিং এবং ‘এ-প্লাস’ পাওয়ার ব্যাপারে পিতা-মাতার উন্মাদনায় শিশুরা কো-কারিকুলার শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। খেলাধুলার অভাবে শারীরিক গঠনে ঘাটতি থাকছে।

অন্যদিকে সামাজিক-সাংস্কৃতিক শিক্ষার অভাবে মানস-গঠন ভীষণভাবে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। তদুপরি আধুনিক স্মার্টফোন শিশুদের মারাত্মকভাবে নেশায় ডুবিয়ে আত্মকেন্দ্রিক করে তুলছে। সব মিলিয়ে বিরাটসংখ্যক শিশু অসামাজিক রোবট হয়ে গড়ে উঠছে।

এ অবস্থায় শিক্ষাব্যবস্থার মধ্যে কো-কারিকুলার শিক্ষাকে অন্তর্ভুক্ত করা সময়ের দাবি। আগামী প্রজন্মের শারীরিক-মানসিক গঠন ও বিকাশের জন্য এটি অপরিহার্য।

খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ : বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর

আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৮

converter