মুসলিমদের তাড়াতে চায় মিয়ানমার

  যুগান্তর ডেস্ক ২৯ ডিসেম্বর ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

মুসলিমদের তাড়াতে চায় মিয়ানমার
ছবি: সংগৃহীত

মুসলিমদের মিয়ানমার থেকে তাড়িয়ে দিতে চায় দেশটির কর্তৃপক্ষ। মিয়ানমারে কয়েক দশক ধরে রোহিঙ্গাদের অধিকার নিয়ে লড়াই চালিয়ে যাওয়া সুপরিচিত আইনজীবী ও অধিকারকর্মী ইউ কিয়াও হ্লা অং আলজাজিরাকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে এমন মন্তব্য করেছেন।

শুক্রবার সাক্ষাৎকারটি প্রতিবেদন আকারে প্রকাশ করেছে আলজাজিরা।

মুসলিম সংখ্যালঘুদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখার জন্য সম্প্রতি তিনি আর্মেনিয়া থেকে পুরস্কার পেয়েছেন। পুরস্কারের সেই অর্থও দান করেছেন রোহিঙ্গাদের কল্যাণে।

হ্লা অং বলেন, ১৯৪৮ সালের নাগরিকত্ব আইন অনুযায়ী একজন ব্যক্তি ১০ বছর এবং আট বছর একটানা মিয়ানমারে বসবাস করলে তিনি নাগরিকত্ব পাওয়ার যোগ্য। কিন্তু ১৯৮২ সাল থেকে তারা (মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ) আমাদের নাগরিকত্ব অস্বীকার করে আসছে।

কোনো ব্যক্তির জমির মালিকানা থাকলে তাকে নাগরিক হিসেবে গ্রহণ করা উচিত। কিন্তু এমনটা ঘটছে না। এই অধিকারকর্মী বলেন, ১৯৬৪ সালে মিয়ানমারের তৎকালীন শাসক জেনারেল নে উইন ভারতীয়, পাকিস্তানি ও চীনাদের মালিকানাধীন সব দোকান, জমি এবং কোম্পানি জাতীয়করণ করেন। তিনি মিয়ানমার থেকে সব বিদেশিদের বের করে দেন। কিন্তু সে সময় তিনি রোহিঙ্গাদের বিতাড়িত করেননি।

কয়েকবার জেল খাটা আইনজীবী হ্লা অং আরও বলেন, রোহিঙ্গারা এখানকারই অধিবাসী, এর আগের প্রধানমন্ত্রী ইউ নুসহ সব গণতান্ত্রিক সরকার তাদের স্বীকৃতি দিয়েছে।

কিন্তু ১৯৮২ সালে সেনা অভ্যুত্থানের পর দেশটির কর্তৃপক্ষ জানায়, মুসলিমরা মিয়ানমারের মানুষ নয়। মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের বর্তমান অবস্থার বর্ণনায় তিনি বলেন, সরকার রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে জোটবদ্ধ। আগে রোহিঙ্গারা পুলিশ, মিলিটারি, প্রশাসনে প্রতিনিধিত্ব করত।

ঘটনাপ্রবাহ : রোহিঙ্গা বর্বরতা

আরও
আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×