বরফ রাজ্যেও ঘাঁটি গাড়ছে চীন

এক ট্রিলিয়ন ডলার ব্যয়ে ‘বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ’ প্রকল্পের কাজ করছে বেইজিং

  যুগান্তর ডেস্ক ৩১ ডিসেম্বর ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

বরফ রাজ্যেও ঘাঁটি গাড়ছে চীন
ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বের পরাশক্তি হওয়ার চেষ্টায় বিভিন্ন অঞ্চলে উপস্থিতি জোরদার করছে চীন। তারই ধারাবাহিকতায় এবার আর্কটিকে বরফের মুল্লুকেও প্রভাব বিস্তার করছে বেইজিং। স্থলপথে সিল্ক রুট পরিকল্পনা বাস্তবায়নের পথে এশিয়ার এ দেশটি।

উত্তর মেরুর বরফ অঞ্চলেও তারা ‘পোলার সিল্ক রুট’ তৈরির পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে। স্থলপথে কিংবা স্বাভাবিক পানিপথে নয়, বরফে আচ্ছাদিত আর্কটিক সাগরে জাহাজ চলাচলের জন্য এই রুট বানাবে চীন।

এই পথে ইউরোপের দেশগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ বাড়াতে চায় বেইজিং। রোববার এ খবর দিয়েছে সিএনএন।

ভারত সাগর ও প্রশান্ত মহাসাগরের পাশাপাশি দক্ষিণ চীন সাগরে প্রভাব বিস্তারের ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতসহ বেশ কয়েকটি শক্তিশালী রাষ্ট্রের চ্যালেঞ্জের মুখে রয়েছে বেইজিং। তবে আর্কটিকে তেমন প্রতিদ্বন্দ্বী নেই বললেই চলে।

কারণ অঞ্চলটি নিয়ে চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছতে পারেনি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়। ফলে বাণিজ্যপথের সঙ্গে সঙ্গে তেল ও গ্যাস উত্তোলনে গবেষণা শুরু করেছে দেশটি। তবে চীনের মিত্র রাশিয়াও সম্প্রতি সেখানে উপস্থিতি জোরদার করছে।

রুট তৈরি করতে রাশিয়া এবং অন্যান্য আর্কটিক অঞ্চলের দেশগুলোর সঙ্গে কাজ করবে বেইজিং সরকার। বেইজিংয়ের কমিউনিস্ট পার্টি ইতিমধ্যে এক ট্রিলিয়ন ডলার ব্যয়ে ‘বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ’ প্রকল্পের কাজ নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে।

আটলান্টিক ও আর্কটিক (সুমেরু) অঞ্চলে নৌশক্তি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাশিয়া। ওই অঞ্চলগুলোতে ন্যাটোর বিরাজমান তৎপরতার জবাব দিতেই তারা এ উদ্যোগ নিয়েছে। দেশটির নৌবাহিনীর নতুন পরিকল্পনায় এসব বলা হয়েছে।

রাশিয়ার কর্মকর্তারা বলছেন, আর্কটিক অঞ্চল দিয়ে তারা অবাধে আটলান্টিক ও প্রশান্ত মহাসাগরে যেতে পারি। আর এ জন্য নৌবাহিনীকে নতুন নৌবহর দেয়া হবে।

এ নৌবহরের জাহাজগুলো বরফ ভেঙে রাস্তা তৈরি করতে সক্ষম। নতুন পরিকল্পনায় বলা হয়েছে, প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে চীনের সঙ্গে এবং ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে নয়াদিল্লির সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার করতে হবে।

রাশিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রী দিমিত্রি রোগোজিন সম্প্রতি বলেন, ‘আটলান্টিক ও আর্কটিক- এ দুটি অঞ্চলে আমাদের গুরুত্ব বাড়বে।’ এর কারণ হিসেবে তিনি বলেন, ‘আটলান্টিক অঞ্চলে আমাদের সীমান্ত ঘেঁষে সম্প্রতি ন্যাটো বাহিনীর তৎপরতা বৃদ্ধি পেয়েছে।

রুশ ফেডারেশন অবশ্যই এ তৎপরতার জবাব দেবে।’ তবে আর্কটিক ও আটলান্টিক অঞ্চলে নৌশক্তি বাড়ানোর পেছনে ক্রিমিয়া ইস্যুটিরও প্রভাব আছে বলে জানান রোগোজিন।

আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×