ব্রেক্সিটে পঙ্গু ব্রিটিশ রাজনীতি

  যুগান্তর ডেস্ক ২৭ জানুয়ারি ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

ব্রেক্সিট
ব্রেক্সিট। ছবি: সংগৃহীত

ব্রেক্সিট নিয়ে একদিকে যেমন কোনো নিশ্চয়তা নেই, অন্যদিকে এতে বিভক্ত ও পঙ্গু হয়ে পড়েছে ব্রিটিশ রাজনীতি। গুনে গুনে আর মাত্র ৬২ দিন সময় পাচ্ছে ব্রিটেন। এরপরই বিশ্বের সবচেয়ে বড় বাণিজ্য ব্লক ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) থেকে বের হয়ে যাবে বিশ্বের পঞ্চম বৃহত্তম অর্থনীতির এ দেশটি।

কিন্তু চুক্তি ছাড়াই সেটা হবে নাকি কোনো চুক্তিসহ হবে এই মুহূর্তে সে ব্যাপারে কারো কোনো ধারণাই নেই। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী তেরেসা মে’র প্রথম ব্রেক্সিট প্রস্তাবটি পার্লামেন্টে (এখন ‘প্ল্যান এ’ হিসেবেও পরিচিত) ১৫ জানুয়ারির ভোটাভুটিতে নাকচ হয়ে যাওয়ার পর ‘প্ল্যান বি’ অর্থাৎ দ্বিতীয় প্রস্তাব তৈরিতে ব্যস্ত রয়েছেন মে।

আগামী ২৯ জানুয়ারিতেই ওই প্রস্তাবটি নিয়ে আবার ভোটাভুটি হবে। এবং প্রস্তাবটিতে কিছু সংশোধনীও আনবেন এমপিরা। এখন পর্যন্ত সবকিছুই ঠিকভাবেই এগোচ্ছে। শেষ পর্যন্ত এমপিরা যদি প্রস্তাবটির পক্ষে ভোট দেন তাহলে ইইউকে দেখানোর মতো কিছু একটা দলিল হাতে পাবেন তেরেসা। বিপরীতটা ঘটলে ফের মহা বিপাকে পড়বেন।

ব্রেক্সিট অচলাবস্থা নিরসনে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনায় কাক্সিক্ষত কোনো ছাড় পায়নি বিরোধী দলগুলো। শুরু থেকেই নিজ দলের বিদ্রোহী এবং সরকারের শরিক দলগুলোকে এক করে চুক্তি পাস করিয়ে নেয়ার কৌশল নিয়েছেন তেরেসা। ফলে ব্রেক্সিট নিয়ে বহুমুখী যে বিরোধ, সেটি এখন অনেকটা ক্ষমতাসীন বনাম বিরোধী দলের লড়াইয়ে পরিণত হয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা বলছেন, বিরোধীদের চাওয়া পূরণ করতে গেলে ক্ষমতাসীন দলের গৃহবিবাদ আরও চড়াও হবে।

অন্যদিকে বিতর্কিত ‘ব্যাকস্টপ ব্যবস্থা’ বাদ দিতে পারলে ক্ষমতাসীন কনজারভেটিভ দলের বিদ্রোহীরা এবং সরকারের শরিক দল ডিইউপি চুক্তিটি সমর্থন করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। একেই চুক্তি পাসের সহজ সমাধান ভাবছে সরকার। কিন্তু ‘ব্যাকস্টপ ব্যবস্থা’ নিয়ে ইইউ’র তরফ থেকে ছাড় দেয়ার কোনো ইঙ্গিত এখনও মেলেনি।

বিরোধী দল লেবার পার্টির নেতা জেরেমি করবিন বলেন, যে মাত্রায় ব্রেক্সিট চুক্তি প্রত্যাখ্যাত হয়েছে, সেটিকে উপেক্ষা করতে চাইছেন প্রধানমন্ত্রী মে। ইইউর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রাখা এবং কাস্টমস ইউনিয়নে যুক্ত থাকার বিষয়ে লেবার দলের প্রস্তাবগুলো নিয়ে সংসদ সদস্যদের মতামত যাচাইয়ে একটি প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়েছে।

লেবার দলীয় সংসদ সদস্যদের আরও তিনটি পক্ষ বিচ্ছেদের সময়সীমা পিছিয়ে দেয়া এবং পুনরায় গণভোটের দাবি জানিয়ে আলাদা আলাদা প্রস্তাব উত্থাপন করেছে। এসব প্রস্তাবের ওপর ভোটাভুটি হবে কিনা, সেটি স্পিকারের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে। তবে এসবের কোনো একটি প্রস্তাব পাস হয়ে গেলে আবারও হেঁাঁচট খাবে সরকার।

ঘটনাপ্রবাহ : ব্রেক্সিট ইস্যু

আরও
আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×