ধরিত্রী বাঁচাও দাবিতে বিশ্বজুড়ে ছাত্র হরতাল

  যুগান্তর ডেস্ক ১৬ মার্চ ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

‘দ্বিতীয় আর কোনো পৃথিবী নেই। একটাই পৃথিবী আমাদের। এর পরিবেশ ও জলবায়ুর সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে বিশ্বনেতাদেরকেই।’ বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তন রুখতে ও ধরিত্রী বাঁচাতে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে শুক্রবার বিশ্বজুড়ে ছাত্র হরতালের ডাক দিয়েছে হাজার হাজার স্কুল শিক্ষার্থী। ‘ইয়ুথ ক্লাইমেট স্ট্রাইক’ শীর্ষক বিক্ষোভ কর্মসূচিটিতে প্রায় একশ’রও বেশি দেশে প্রায় একযোগে পালিত হচ্ছে। প্রায় ১ হাজারটি স্থানে আয়োজন করা হয়েছে বিক্ষোভ। এশিয়ার ব্যাংকক থেকে ইউরোপের বার্লিন, লাগোস থেকে লন্ডন পর্যন্ত সব স্কুলের ক্লাস বর্জন করে রাস্তায় নেমে এসেছে শিক্ষার্থীরা। শুধু যুক্তরাষ্ট্রেই এ কর্মসূচিতে যোগ দিয়েছে প্রায় ১ লাখ শিক্ষার্থী। খবর এএফপির।

ইউরোপ ও এশিয়ার বিভিন্ন দেশের রাস্তাগুলোয় এখন লাখ লাখ শিক্ষার্থীর ঢল। তাদের হাতে হাতে পোস্টার, বেলুন ও প্ল্যাকার্ড। তাতে লেখা ‘দ্বিতীয় কোনো ধরিত্রী নেই বিশ্বে।’ বিশ্বনেতাদের উদ্দেশে লেখা ‘তোমরা আমাদের ভবিষ্যৎটাকে ধ্বংস করে দিচ্ছ। তোমরা যদি বিজ্ঞজনের মতো কাজ না কর, তাহলেই আমরাই দায়িত্ব নেব।’ গত ৩০ বছর ধরে জলবায়ু সতর্কতা সত্ত্বেও ২০১৭ সালে এবং গত বছরও গ্রিন হাউস গ্যাস নির্গমনে রেকর্ড গড়েছে বিশ্ব।

জাতিসংঘের সম্প্রতি প্রকাশিত এ প্রতিবেদনে জলবায়ু পরিবর্তনের বিষয়ে দেয়া সতর্কবার্তার কথা উল্লেখ করছে শিক্ষার্থীরা। তাদের বক্তব্য ‘আগামী ১২ বছরের মধ্যে কোনো মহাবিপর্যয় ঘটুক তা আমরা দেখতে চাই না। আমরা আমাদের ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত করতে চাই।’ ‘ইয়ুথ ক্লাইমেট স্ট্রাইক’ কর্মসূচির শুরু সুইডেনের এক শিক্ষার্থীর অনুপ্রেরণায়। গ্রেটা থানবার্গ নামের ওই কিশোরী জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় কার্যকর পদক্ষেপের দাবিতে নানা কর্মসূচি পালন করছে। জলবায়ু ইস্যুতে সচেতনতা সৃষ্টির কাজে এ বছর নোবেল শান্তি পুরস্কারে প্রাথমিক তালিকায় এসেছে তার নাম। তার উদ্যোগ এক সময় অনুপ্রাণিত করে আরও অনেককে।

জাতিসংঘের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনটিতে সতর্ক করে দেয়া হয়েছে, দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা না হলে বিশ্বজুড়ে ঘূর্ণিঝড় ও দাবানল বাড়তে থাকবে। সেই সঙ্গে দেখা দেবে খাদ্য সংকটসহ অন্যান্য দুর্যোগ। বড়জোর ২০৪০ সালের মধ্যে এসব দুর্যোগে ভুক্তভোগী হতে শুরু করবে মানুষ। ১৩ মার্চ জাতিসংঘের আরেকটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পানি ও বাতাস বিশুদ্ধ করার জন্য যদি ‘অভূতপূর্ব মাত্রার’ উদ্যোগ গ্রহণ করা না হয়, তাহলে তা লাখ লাখ মানুষের অকাল মৃত্যুর কারণ হয়ে দেখা দেবে।

আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×