থাইল্যান্ডে আর জান্তা চায় না তরুণরা

নির্বাচন আজ

  যুগান্তর ডেস্ক ২৪ মার্চ ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

থাইল্যান্ডে শেষ জাতীয় নির্বাচন হয়েছিল ২০১১ সালে। প্রায় ৮ বছর পর আজ রোববার দেশটিতে ফের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এ নির্বাচনের মধ্যদিয়ে একটা বড় পরিবর্তন চাচ্ছেন দেশটির তরুণ প্রজন্ম। দশকের পর দশক ধরে দেশে যে সেনা শাসন চলছে তা আর দেখতে চান না। এবারের নির্বাচনে লড়াই প্রধানত সেনাবাহিনীপন্থী দল ও গণতন্ত্রপন্থী কয়েকটি দলের মধ্যে। মোট ৫ কোটি ২০ লাখ ভোটারের ১৫ শতাংশই তরুণ ভোটার। এর মধ্যে ৭০ লাখ তরুণই প্রথমবারের মতো ভোট দেবেন। আজকের ভোটে বড় ব্যবধান গড়ে দিতে পারেন তারাই।

২০১১ সালের নির্বাচনের সময় তখনও ভোট দেয়ার যোগ্যতা হয়নি সোলতানুতকুন তুন আতিরুজের। আট বছর পর ৭০ লাখ নতুন ভোটারের সঙ্গে প্রথমবার ভোট দেবেন তিনি। সিএনএনকে এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলছিলেন, ‘আট বছর ধরে আমাদের কণ্ঠরোধ করে রাখা হয়েছে। আমি মনে করি, দেশে গত পাঁচ বছর ধরে যা চলছে সে ব্যাপারে আমার মতো বহু মানুষই ক্ষুব্ধ। আমরা এবার বেরিয়ে আসতে চাই এবং দেখিয়ে দিতে চাই যে, তাদের কর্মকাণ্ডে আমরা মোটেও সন্তুষ্ট নই।’

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার এই দেশে প্রভাবশালী সিনাওয়াত্রা পরিবার ও রাজপরিবারের দ্বন্দ্ব, সংঘাত এবং রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা নতুন নয়। রাজকীয় ও সামরিক বিশিষ্টজনরা ‘ইয়োলো শার্ট’ হিসেবে পরিচিত। আর সাবেক জনপ্রিয় প্রধানমন্ত্রী থাকসিন সিনাওয়াত্রার সহকারী ও সমর্থকরা পরিচিত ‘রেড শার্ট’ হিসেবে। এই দু’পক্ষের মধ্যে দ্বন্দ্ব^, বিভাজন ও সংঘাতের জেরে ২০০৬ সালে প্রধানমন্ত্রী থাকসিন সিনাওয়াত্রাকে ক্ষমতাচ্যুত করে সেনাবাহিনী।

গণতান্ত্রিক এ নির্বাচনে বড় ব্যবধানে জয় পেয়ে ক্ষমতায় আসেন পিউ থাই পার্টির ইংলাক সিনাওয়াত্রা। কিন্তু তিন বছরের মাথায় ২০১৪ সালে তাকে ক্ষমতাচ্যুত করেন সাবেক জেনারেল প্রায়ুথ চান ওচা। নিজেই প্রধানমন্ত্রী হন তিনি। সেই থেকে গত পাঁচ বছর ধরে জনগণের ওপর স্বৈরাচারী সেনাশাসন অব্যাহত রাখেন। পাঁচ বছর সেনা শাসনের পর আসন্ন নির্বাচনের মাধ্যমে দেশটির গণতন্ত্রের পথে ফেরার সুযোগ তৈরি হয়েছে।

১৯৩২ সালে রাজতন্ত্র অবসান হওয়ার পর এখন পর্যন্ত ১২ বার ক্ষমতা দখল করেছে সেনাবাহিনী। এই বাহিনীর হস্তক্ষেপে থাই গণতন্ত্র বারবার মুখ থুবড়ে পড়েছে।

আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×