হামলার পর বিষ আতঙ্ক লংকায়

এক টেবিলে নাস্তা, একসঙ্গে মৃত্যু

  যুগান্তর ডেস্ক ২৩ এপ্রিল ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

একটার পর একটা লাশ গণনার মধ্যেই নানা গুজবের নগরীতে পরিণত হয়েছে শ্রীলংকার রাজধানী কলম্বো। সোমবার এমনই এ গুজব ছড়িয়ে পড়ে, নগরীর বিভিন্ন স্থাপনার পানির লাইনে বিষ মিশিয়ে দিয়েছে সন্ত্রাসীরা। এরপরই আতঙ্ক দেখা দেয়।

এরপর সরকারের তরফ থেকে সকালে তুলে নেয়া কারফিউ ফের জারির ঘোষণা দিয়েছে। নতুন ঘোষণায় সোমবার রাত ৮টা থেকে আগামীকাল মঙ্গলবার ভোর ৪টা পর্যন্ত দেশজুড়ে সতর্কতামূলক কারফিউ বলবৎ থাকবে বলে খবর দিয়েছে ব্রিটিশ গণমাধ্যম বিবিসি।

এদিকে পুলিশ পানির লাইনে বিষ মিশিয়ে দেয়া বিষয়ে অনলাইনে ছড়িয়ে পড়া গুজবকে নাকচ করে দিয়েছে। এর আগে কেলানিয়া, কিরিবাথগোলা ও জা-এলার পানি সরবরাহ লাইনে সন্ত্রাসীরা বিষ মিশিয়ে দিয়েছে বলে গুজব ছড়িয়ে পড়ে।

পুলিশ বলেছে, এসব সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। সবকিছু স্বাভাবিক রয়েছে।

ড্যানিশ ধনকুবেরের ৩ সন্তানের ম্যু : শ্রীলংকার কলম্বোতে সিরিজ বোমা হামলায় ড্যানিশ ধনকুবের ও স্কটল্যান্ডের সবচেয়ে বড় শিল্পপতি অ্যান্ডার্স হোল পওলসেনের তিন সন্তান প্রাণ হারিয়েছেন। চার সন্তানের মধ্যে তিনজনের এ মৃত্যুতে শোকাহত পওলসেন। খবর গার্ডিয়ানের।

পওলসেনের সন্তানের মৃত্যুর সংবাদ নিশ্চিত করে বিবৃতি দিয়েছে ডেনমার্কের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। তবে তাৎক্ষণিকভাবে ওই তিন সন্তানের পরিচয় জানানো হয়নি। এ তিনজন বেড়াতে গিয়েছিলেন ভারত মহাসাগরের দ্বীপরাষ্ট্রটিতে।

ব্রিটেনের ফ্যাশন ও কসমেটিক সামগ্রীর অন্যতম বড় কোম্পানি ‘আসস’র মালিক এবং জার্মান কোম্পানি জালান্দোরও অংশীদার পওলসেন যুক্তরাজ্যভুক্ত দেশ স্কটল্যান্ডে ব্যবসা করলেও ড্যানিশ নাগরিক। ৪৬ বছর বয়সী পওলসেন গ্লেনফেশিসহ ১২টি আবাসন প্রতিষ্ঠানের মালিক। গ্লেনফেশি প্রায় ২ লাখ ২০ হাজার একর জমির কোম্পানি।

ইস্টার সানডে পালনের প্রাক্কালে যে ২৯০ জন প্রাণ হারিয়েছিলেন তাদের মধ্যে রয়েছেন একজন সেলিব্রেটি শেফ ও তার মেয়ে। শান্তা মায়াদুনে শ্রীলংকায় স্থানীয়ভাবে খুবই জনপ্রিয় ছিলেন তার রান্নার বই ও টেলিভিশন শো করে। বোমা বিস্ফোরণের মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগেই মায়াদুনের মেয়ে নিসাঙ্গা ফেসবুকে একটি সেলফি শেয়ার করেন। এতে দেখা যায়, শাংরি-লা হোটেল ইস্টারের সকালে নাস্তা করছেন সবাই।

রোববার শ্রীলংকার যে চারটি হোটেলে আত্মঘাতী বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে তার মধ্যে শাংরি-লা একটি। ওই হামলায় নিসাঙ্গাও প্রাণ হারান। নিসাঙ্গা ইউনিভার্সিটি অব লন্ডনে পড়াশোনা করেছিলেন। মায়াদুনের পরিবারের বন্ধু রাধা ফনসেকা জানান, তিনি শ্রীলংকানদের কাছে খুবই সম্মানিত ছিলেন। ভাগ্য তাদের দুজনকেই কেড়ে নিয়েছে। আমি খুবই বিপর্যস্ত। নিউ ইয়র্ক পোস্ট

আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×