বুথফেরত জরিপকে গালগল্প বললেন মমতা

তলে তলে চলছে ইভিএম কারচুপির ষড়যন্ত্র

  যুগান্তর ডেস্ক ২০ মে ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

সপ্তম তথা শেষ দফার ভোটগ্রহণ শেষ হতেই সামনে আসতে শুরু করেছে সপ্তদশ লোকসভা নির্বাচনের বুথফেরত সমীক্ষার ফলাফল। বিভিন্ন সমীক্ষায় বিভিন্ন ফল পাওয়া গেলেও মোটের ওপর স্পষ্ট, বুথফেরত সমীক্ষায় এগিয়ে আছে বিজেপি নেততৃত্বাধীন এনডিএ জোট। ফল সামনে আসার পরই এ ধরনের বুথফেরত জরিপকে ‘গালগল্প’ বলে উড়ালেন তৃণমূল নেত্রী মমতা ব্যানার্জি। একই সঙ্গে ফের সামনে আনলেন ইভিএম কারচুপির অভিযোগ। তিনি বলেন, তলে তলে ইভিএম কারচুপির ষড়যন্ত্র চলছে।

প্রায় সবক’টি বুথফেরত সমীক্ষার হিসেবেই মোটের উপর দেখা যাচ্ছে, কেন্দ্রে সরকার গড়ার লড়াইতে বাকিদের থেকে অনেকটাই এগিয়ে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ। বুথফেরত সমীক্ষার হিসেবে দ্বিতীয় বারের জন্য প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনা বেশ উজ্জ্বল নরেন্দ্র মোদির সামনে।

বুথফেরত সমীক্ষার হিসাবে অবশ্য পশ্চিমবঙ্গে নিজেদের দুর্গ রক্ষা করতে অনেকটাই সফল তৃণমূল। বিজেপির আসন অনেকটা বাড়লেও সংখ্যার হিসাবে রাজ্যের রাশ থাকছে মমতার হাতেই। যদিও এই ফলাফলকে গসিপ বলে উড়ালেন তিনি। বুথফেরত সমীক্ষার ফল সামনে আসার পরই তার টুইট, ‘আমি এই বুথফেরত সমীক্ষার গসিপে বিশ্বাস করি না। গসিপ ছড়িয়ে দিয়ে হাজার হাজার ইভিএম পাল্টে দেয়ার ষড়যন্ত্র চলছে। আমি সব বিরোধী দলগুলোকে ঐক্যবদ্ধ, শক্তিশালী এবং সাহসী থাকার আহ্বান জানাচ্ছি। এই লড়াই আমরা সবাই একসঙ্গে লড়ব।’

পরে ফোনে এবিপি আনন্দকে বলেন, ‘টোটাল গসিপ (পুরোটাই গালগল্প)। এরা কেউ ভগবানের দূত নয়। এদের তত্ত্বে বিশ্বাস করি না। এটা একটা চক্রান্ত। ইভিএম পাল্টে দিতে পারে। এটা আমার সন্দেহ। ইতিমধ্যেই আমার চার-পাঁচজনের সঙ্গে কথা হয়েছে। ভালো করে পাহারা দিন। কোনওভাবেই যাতে ইভিএম পাল্টাতে না পারে।’ মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, পুরোটাই নরেন্দ্র মোদির পরিকল্পনা, যাতে বিরোধীরা জোট বাঁধতে না পারে।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×