পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি-তৃণমূল সংঘর্ষ রাতভর বোমাবাজি, মন্ত্রী ঘেরাও
jugantor
পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি-তৃণমূল সংঘর্ষ রাতভর বোমাবাজি, মন্ত্রী ঘেরাও
যুবনেতার বাড়িতে হামলা আহত ৪ * দল ছাড়ল আরও ২৪

  যুগান্তর ডেস্ক  

০২ জুন ২০১৯, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ভোট মিটেছে, ফল বেড়িয়েছে, সরকার গঠন হয়েছে। কিন্তু শান্তি ফেরেনি। উল্টো আরও অশান্ত হয়ে উঠছে পশ্চিমবঙ্গ। তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষে পুরো পশ্চিমবঙ্গেই টানটান উত্তেজনা।

হামলা, বোমাবাজি, মারধরের অভিযোগ। একে অন্যের দিকে আঙুল তুলছে দুই শিবিরই। রাজ্য মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির গাড়িবহরকেও ছাড় দিচ্ছে না বিজেপি কর্মীরা। শুক্রবার নৈহাটিতে তার গাড়িবহর আটকে দেয় বিজেপির কর্মীরা। পরদিন শনিবারই রণক্ষেত্রে পরিণত হয় তৃণমূল ঘাঁটি বীরভূম।

জেলার তৃণমূল পার্টি অফিস, জিনাইপুর, গদাধরপুর দাসপাড়ায় রাতভর বোমাবাজি চলে। পোড়ানো হয় তৃণমূলের পতাকা। দলের যুবনেতার বাড়িতে হামলা, ভাংচুরও করা হয় বলেও অভিযোগ করছে তৃণমূল কর্মীরা।

ভাংচুর করা হয় গাড়ি, বাইকও। আরও কয়েকজনের বাড়িতেও তাণ্ডব চালানো হয়। হামলায় আহত হয়েছেন ৪ তৃণমূল কর্মী। এক কথায় উত্তেজনা চরমে। মানুষ আতঙ্কে রয়েছেন। হামলার ঘটনায় তৃণমূল গেরুয়া শিবিরের দিকে আঙুল তুললেও অভিযোগ অস্বীকার করেছে বিজেপি। একই ঘটনা ঘটেছে কাঁচড়াপাড়াতেও।

শনিবার সকালেই জগদ্দলের কাউগাছি পঞ্চায়েতের ২৪ জন সদস্যের সবাই যোগ দিয়ে দিয়েছেন বিজেপিতে। কাল পর্যন্ত যা ছিল জোড়া ফুলের, রাত পোহাতেই সেই পঞ্চায়েত চলে গিয়েছে পদ্মশিবিরের দখলে। এরই মধ্যে জগদ্দলের তৃণমূল ব্লক সভাপতি সুকুমার চক্রবর্তীও গেরুয়া শিবিরে ভিড়ে গিয়েছেন। তড়িঘড়ি বৈঠক ডাকেন রাজ্যের খাদ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূলের উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলা সভাপতি জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক।

ঠিক হয় জেলার শীর্ষ নেতারা বৈঠকে বসবেন কাঁচড়াপাড়ার এক তৃণমূল নেতার বাড়িতে। রাজ্যের মন্ত্রী তাপস রায়, সুজিত বসু, বিধায়ক নির্মল ঘোষ, তৃণমূল নেতা মদন মিত্ররা একে একে আসতে শুরু করেন ওই নেতার বাড়িতে।

খবর পেয়েই রাস্তায় জমায়েত করে বিজেপি। তৃণমূল নেতাদের রাস্তা আটকে জয় শ্রীরাম স্লোগান দিতে থাকেন তারা। মন্ত্রীদের রাস্তা আটকানোয় লাঠিচার্জ শুরু করে পুলিশ। আসে র‌্যাফ। কাঁচড়াপাড়ার ব্যস্ততম রাস্তা কেজিআর পথ রণক্ষেত্রের চেহারা নেয়।

বন্ধ হতে শুরু করে দোকানপাট। দুপুর পৌনে ২টা পর্যন্ত খবর, তৃণমূলের নেতামন্ত্রীরা কাঁচড়াপাড়ার ওই নেতার বাড়িতেই রয়েছেন। চলছে বৈঠক। কিছুটা দূরে রাস্তায় রয়েছে বিজেপির জমায়েতও। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করছে পুলিশ। ভাটপাড়া পৌরসভা আগেই হাতছাড়া হয়েছে। এবার যেতে শুরু করেছে লাগোয়া পঞ্চায়েত।

পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি-তৃণমূল সংঘর্ষ রাতভর বোমাবাজি, মন্ত্রী ঘেরাও

যুবনেতার বাড়িতে হামলা আহত ৪ * দল ছাড়ল আরও ২৪
 যুগান্তর ডেস্ক 
০২ জুন ২০১৯, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ভোট মিটেছে, ফল বেড়িয়েছে, সরকার গঠন হয়েছে। কিন্তু শান্তি ফেরেনি। উল্টো আরও অশান্ত হয়ে উঠছে পশ্চিমবঙ্গ। তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষে পুরো পশ্চিমবঙ্গেই টানটান উত্তেজনা।

হামলা, বোমাবাজি, মারধরের অভিযোগ। একে অন্যের দিকে আঙুল তুলছে দুই শিবিরই। রাজ্য মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির গাড়িবহরকেও ছাড় দিচ্ছে না বিজেপি কর্মীরা। শুক্রবার নৈহাটিতে তার গাড়িবহর আটকে দেয় বিজেপির কর্মীরা। পরদিন শনিবারই রণক্ষেত্রে পরিণত হয় তৃণমূল ঘাঁটি বীরভূম।

জেলার তৃণমূল পার্টি অফিস, জিনাইপুর, গদাধরপুর দাসপাড়ায় রাতভর বোমাবাজি চলে। পোড়ানো হয় তৃণমূলের পতাকা। দলের যুবনেতার বাড়িতে হামলা, ভাংচুরও করা হয় বলেও অভিযোগ করছে তৃণমূল কর্মীরা।

ভাংচুর করা হয় গাড়ি, বাইকও। আরও কয়েকজনের বাড়িতেও তাণ্ডব চালানো হয়। হামলায় আহত হয়েছেন ৪ তৃণমূল কর্মী। এক কথায় উত্তেজনা চরমে। মানুষ আতঙ্কে রয়েছেন। হামলার ঘটনায় তৃণমূল গেরুয়া শিবিরের দিকে আঙুল তুললেও অভিযোগ অস্বীকার করেছে বিজেপি। একই ঘটনা ঘটেছে কাঁচড়াপাড়াতেও।

শনিবার সকালেই জগদ্দলের কাউগাছি পঞ্চায়েতের ২৪ জন সদস্যের সবাই যোগ দিয়ে দিয়েছেন বিজেপিতে। কাল পর্যন্ত যা ছিল জোড়া ফুলের, রাত পোহাতেই সেই পঞ্চায়েত চলে গিয়েছে পদ্মশিবিরের দখলে। এরই মধ্যে জগদ্দলের তৃণমূল ব্লক সভাপতি সুকুমার চক্রবর্তীও গেরুয়া শিবিরে ভিড়ে গিয়েছেন। তড়িঘড়ি বৈঠক ডাকেন রাজ্যের খাদ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূলের উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলা সভাপতি জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক।

ঠিক হয় জেলার শীর্ষ নেতারা বৈঠকে বসবেন কাঁচড়াপাড়ার এক তৃণমূল নেতার বাড়িতে। রাজ্যের মন্ত্রী তাপস রায়, সুজিত বসু, বিধায়ক নির্মল ঘোষ, তৃণমূল নেতা মদন মিত্ররা একে একে আসতে শুরু করেন ওই নেতার বাড়িতে।

খবর পেয়েই রাস্তায় জমায়েত করে বিজেপি। তৃণমূল নেতাদের রাস্তা আটকে জয় শ্রীরাম স্লোগান দিতে থাকেন তারা। মন্ত্রীদের রাস্তা আটকানোয় লাঠিচার্জ শুরু করে পুলিশ। আসে র‌্যাফ। কাঁচড়াপাড়ার ব্যস্ততম রাস্তা কেজিআর পথ রণক্ষেত্রের চেহারা নেয়।

বন্ধ হতে শুরু করে দোকানপাট। দুপুর পৌনে ২টা পর্যন্ত খবর, তৃণমূলের নেতামন্ত্রীরা কাঁচড়াপাড়ার ওই নেতার বাড়িতেই রয়েছেন। চলছে বৈঠক। কিছুটা দূরে রাস্তায় রয়েছে বিজেপির জমায়েতও। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করছে পুলিশ। ভাটপাড়া পৌরসভা আগেই হাতছাড়া হয়েছে। এবার যেতে শুরু করেছে লাগোয়া পঞ্চায়েত।