মোদির মন্ত্রিসভায় এবার ভুয়া ডিগ্রি

  যুগান্তর ডেস্ক ০৩ জুন ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

বৃহস্পতিবার দ্বিতীয় বারের জন্য শপথ নিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র দামোদর দাস মোদি এবং তার মন্ত্রিসভা। আর শুক্রবার দুপুরে বণ্টন করা হয় অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ দফতর। এর মধ্যে এক গুরুত্বপূর্ণ দফতর হল মানবসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রণালয়। ভারতের এ গুরুত্বপূর্ণ পদে মন্ত্রী হয়েছেন রমেশ পোখরিয়াল নিশাঙ্ক। মানবসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের হাতেই থাকে শিক্ষা বিভাগের দায়িত্ব। ফলে এ বিশাল গণতান্ত্রিক দেশের আগামী দিনের শিক্ষার যাবতীয় কার্যক্রম পরিচালনা করবেন অনেকটা শিক্ষামন্ত্রী হিসেবে মনোনীত এ হরিদ্বারের বিজেপি সাংসদ। প্রকাশ জাভড়ে করের হাত থেকে শিক্ষা দফতরের দায়িত্ব নিচ্ছেন তিনি। এনডিটিভি।

কিন্তু ইতিমধ্যে প্রশ্ন উঠেছে তার শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে। যিনি শিক্ষা দফতরের দায়িত্ব নিচ্ছেন তার নিজের শিক্ষাগত যোগ্যতা আদতে কতটুকু? তার নামের আগে ‘ডক্টর’ উপাধি ব্যবহার করেন রমেশ পোখরিয়াল। তিনি নাকি শ্রীলংকার ওপেন ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি থেকে জোড়া ডক্টরেট খেতাব লাভ করেছেন। আবার ’৯০-এর দশকে একবার সাহিত্যে অবদানের জন্য সেখান থেকে সাম্মানিক ডক্টরেট উপাধিও নাকি তিনি পেয়েছিলেন। শুধু তাই নয় কয়েক বছর আগে ওই একই বিশ্ববিদ্যালয় নাকি তাকে বিজ্ঞানে অবদানের জন্য আবারও সাম্মানিক ডক্টরেট উপাধি দিয়েছিল।

যদিও ওই নামে শ্রীলংকায় কোনো রেজিস্টার্ড বিশ্ববিদ্যালয় নেই বলে দাবি একাধিক সংবাদ মাধ্যমের। যার হাতে নব ভারতের এ গুরুত্বপূর্ণ দফতরের দায়িত্ব, তার শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে এরকম জটিল প্রশ্ন? বিশেষ ভাবে শিক্ষা দফতরের বিষয়ে এরূপ তথ্যে জনমানসে বিতর্ক আসা স্বাভাবিক। নবনির্বাচিত এ মন্ত্রী পোখরিয়ালকে ঘিরে বিতর্ক নতুন কিছু নয়। বিগত সরকার থাকাকালীন সংসদে তার একটি বক্তব্য নিয়ে বেজায় শোরগোল পড়েছিল।

আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×