প্রতিবেশী দেশগুলোতে প্রভাব বিস্তারই বড় পরীক্ষা মোদির

  যুগান্তর ডেস্ক ০৪ জুন ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তার দ্বিতীয় মেয়াদে প্রতিবেশী দেশগুলোতে প্রভাব বিস্তার প্রশ্নে চীনের সঙ্গে তীব্র যুদ্ধে অবতীর্ণ হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। ভারত এই অঞ্চলে তার প্রভাব বাড়াতে পারবে কিনা তা আরও ভালোভাবে পরিষ্কার হয়ে যাবে শ্রীলংকা ও বাংলাদেশের মতো দেশে, তবে পাকিস্তান থেকে সে আরও দূরে সরে যাবে। সাউথ এশিয়া মনিটর।

মালদ্বীপেই মোদির আঞ্চলিক পররাষ্ট্রনীতির যাত্রা শুরু হবে। তিনি এ মেয়াদে তার প্রথম আন্তর্জাতিক সফর করবেন সেখানে, ৭-৮ জুন। সফরকালে তিনি ৮৭ সদস্যবিশিষ্ট পার্লামেন্টে বক্তৃতা করবেন। সম্প্রতি স্পিকার নির্বাচিত হওয়া সাবেক প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ নাশিদ চলতি সপ্তাহে বলেছেন, ভারত ও মালদ্বীপের মধ্যে সহযোগিতা ভারত মহাসাগর অঞ্চলের স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করবে।

দক্ষিণ এশিয়ার বিশ্লেষকেরা বলছেন, এই সফর হচ্ছে হিসাবি পদক্ষেপ। ভারত এই এলাকাকে নিজের আঙিনা মনে করে। আর এখানেই ভারত ও চীনের মধ্যে যুদ্ধ হচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, মোদির কাছে ভুটানের চেয়ে মালদ্বীপ অনেক বেশি মূল্যবান। এ কারণেই তিনি এবার মালদ্বীপে যাচ্ছেন প্রথম সফরে। প্রথম মেয়াদের প্রথম সফর করেছিলেন ভুটানে।

গত বছরের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে মোদি মালদ্বীপে রাজনৈতিক মিত্র পেয়েছেন। ওই সময় চীনপন্থী ক্ষমতাসীন প্রেসিডেন্ট আবদুল্লাহ ইয়ামিনকে পরাজিত করেন ভারতপন্থী ইব্রাহিম সলিহ। তবে চীন এরপর মালদ্বীপ ও দক্ষিণ এশিয়ায় ভারতের অন্যান্য প্রতিবেশী যেমন শ্রীলংকা, বাংলাদেশ ও নেপালে নিজেদের প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা চালায় বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভের মাধ্যমে।

মোদির প্রথম মেয়াদে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরালো হলেও তিস্তার পানিবণ্টন নিয়ে দুই দেশের মধ্যে বিরোধ রয়েই গেছে। আবার ভারতের তামিলনাড়ু রাজ্যের মাছধরা ট্রলারগুলো প্রায়ই শ্রীলংকার উপকূলে হানা দেয়। এটি দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক টানাপোড়েনের সৃষ্টি করে।

ওয়াশিংটন ডিসি ভিত্তিক থিঙ্ক ট্যাঙ্ক হাডসন ইন্সটিটিউটের পরিচালক অপর্না পান্ডে বলেন, দক্ষিণ এশিয়ায় চীনের সম্পৃক্ততা ও উপস্থিতির ফলে ভারতের প্রভাব বলয় সৃষ্টির কাজ সহজ হচ্ছে না। তারা তাদের প্রতিবেশীদেরকে কেবল এটা কর, সেটা কর, বলতে পারছে না।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×