কিমের পাশেই বসা সেই ‘অপসারিত’ কূটনীতিক

  যুগান্তর ডেস্ক ০৪ জুন ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

শাস্তি হিসেবে শ্রমশিবিরে পাঠানো হয়েছে বলে কথিত উত্তর কোরীয় এক কর্মকর্তাকে একটি অনুষ্ঠানে দেশটির নেতা কিম জং উনের পাশে দেখা গেছে। শুক্রবার বিশ্বব্যাপী গণমাধ্যমের খবরে উত্তর কোরীয় কর্মকর্তা কিম ইয়ং চোলকে পুনঃশিক্ষা শিবিরে পাঠানো হয়েছে বলে প্রচারিত হয়েছিল, কিন্তু রোববার উত্তর কোরিয়ার গণমাধ্যমে সম্প্রচারিত ফুটেজে তাকে অন্যান্য শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে একটি সঙ্গীতানুষ্ঠান উপভোগ করতে দেখা গেছে, জানিয়েছে বিবিসি। ইয়ং চোলকে উত্তর কোরীয় নেতার ডান হাত বলে বিবেচনা করা হতো। ভিয়েতনামের রাজধানী হ্যানয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে কিম জং উনের শীর্ষ বৈঠকের প্রস্তুতি নিতে তিনি যুক্তরাষ্ট্র সফর করেছিলেন। ওই বৈঠক ব্যর্থ হওয়ার পর শাস্তি হিসেবে উত্তর কোরিয়া তাদের পাঁচ কর্মকর্তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করেছে বলে খবর দিয়েছিল দক্ষিণ কোরিয়ার একটি সংবাদপত্র। ওই খবরে ইয়ং চোলকে শ্রমশিবিরে পাঠানো হয়েছে বলে বলা হয়েছিল। কিন্তু উত্তর কোরিয়ার গণমাধ্যমে সম্প্রচারিত ফুটেজে তাকে দেশটির শীর্ষ নেতা কিমের পাশেই দেখা গেছে। উত্তর কোরিয়ার উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের শাস্তি হিসেবে শ্রমশিবিরে পাঠানো বা তাদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার মতো খবরগুলো যাচাই করা কঠিন এবং এগুলো প্রায়ই ভুল প্রমাণ হয় বলে জানিয়েছে বিবিসি। আগেও দক্ষিণ কোরিয়ার গণমাধ্যম ও সিউলের সরকার উত্তর কোরিয়ার বিভিন্ন ব্যক্তির বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে অথবা তাদের মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়েছে বলে খবর দিয়েছিল, যার অনেকগুলোই ভুল প্রমাণিত হয়েছে। দেখা গেছে তারা জীবিত আছেন এবং নেতা কিম জং উনের সঙ্গেই আছেন। তবে কিম ইয়ং চোল রোববারের সঙ্গীতানুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বলে তাকে কখনও শ্রমশিবিরে পাঠানো হয়নি, এমনটা বোঝায় না; তবে সেটি এখন ঘটেনি বলেই মনে করা হচ্ছে বলে ভাষ্য বিবিসির।

দক্ষিণ কোরীয় সংবাদপত্রের শুক্রবারের ওই প্রতিবেদনে, যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত সাবেক উত্তর কোরীয় রাষ্ট্রদূত কিম হায়ক চোলকে পিয়ংইয়ং বিমানবন্দরে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়েছে বলে বলা হয়েছিল। ফেব্রুয়ারিতে হ্যানয়ের শীর্ষ বৈঠক আয়োজনের আলাপ-আলোচনায় তিনি গুরুত্বপূর্ণ একজন কর্মকর্তা হিসেবে ছিলেন। রোববারের অনুষ্ঠানে উপস্থিত কর্মকর্তাদের নামের তালিকায় তার নাম ছিল না। কিন্তু উত্তর কোরিয়ার গণমাধ্যম এখনও শাস্তি বা মৃত্যুদণ্ডের কোনো প্রতিবেদনে প্রকাশ না করায় হায়ক চোল কোথায় আছেন তা অজানাই রয়ে গেছে।

আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×