ধারণার চেয়েও দ্রুত বাড়ছে সমুদ্রের উষ্ণতা

  যুগান্তর ডেস্ক ৩০ জুন ২০১৯, ০০:০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির কারণে মহাসাগরগুলোর তাপমাত্রা যে হারে বাড়বে বলে জাতিসংঘ পূর্বাভাস দিয়েছে, তার চেয়েও ৪০ শতাংশ দ্রুত সমুদ্রের উষ্ণতা বাড়ছে। ৬০ শতাংশ অধিকহারে তাপমাত্রা শুষে নেয়ার বর্তমান প্রবণতাই যার পেছনে মূল অবদান রাখছে। চলতি বছরের শুরুতে প্রকাশিত এক গবেষণা প্রতিবেদনে একথা জানানো হয়। রয়টার্স।

ইতিপূর্বে জাতিসংঘের ইন্টার-গভার্নমেন্টাল প্যানেল প্রকাশিত প্রতিবেদন জানায়, প্রতিবছর সমুদ্র ৮ জিটাজুল শক্তির সমান তাপমাত্রা শুষে নিচ্ছে। ১ জিটাজুল মানে এর পেছনে রয়েছে ২১টি শূন্য। অর্থাৎ সমুদ্র অবিশ্বাস্য মাত্রায় তাপমাত্রা টেনে নিয়ে বিশ্বকে শীতল রাখতে সাহায্য করে। তবে মানুষের সীমাহীন দূষণের ফলে সমুদ্রের বাৎসরিক তাপমাত্রা শোষণও আর কাজে আসছে না। বরং প্রতিবছরই মহাসাগরগুলোর তাপমাত্রা শোষণ বৃদ্ধি সত্ত্বেও বিশ্বের তাপমাত্রা বেড়েই চলেছে।

সাম্প্রতিক গবেষণাটি বলছে, ৮ নয় বরং বাৎসরিক ১৩ জিটাজুল শক্তির সমান তাপ টেনে নিচ্ছে মহাসাগরগুলো। শুধু মানবসৃষ্ট দূষণ নয় বরং তার সরাসরি পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়ায় বায়ুমণ্ডলের টেনে নেয়া সূর্যের তাপও টেনে নেয়। একটি হিসাব দিলেই সঠিক চিত্র বুঝে উঠতে সুবিধা হবে। আইইএ বা আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থা বলছে, প্রতিবছর মানুষ যে পরিমাণ শক্তি ব্যবহার করে তা মাত্র ১ জিটাজুলের সমান। অর্থাৎ বাকি তাপের পুরোটাই আসছে গ্রিনহাউজ গ্যাসের কল্যাণে বায়ুমণ্ডলে আটকে পড়া সূর্যের তাপ শুষে নেয়ার মাধ্যমে।

এই গবেষণার ফলে, বিশ্ব পরিবেশ যে পূর্বের যে কোনো ধারণার চেয়েও বেশি ঝুঁকির মুখে সেই বিষয়টি ফুটে ওঠে। এর অর্থ হল, গ্রিনহাউজ গ্যাস নিঃসরণ কমাতে আরও বেশি পদক্ষেপ নিতে হবে। এমনটাই পরামর্শ দিয়েছেন গবেষণাটির মূল লেখক এবং প্রিন্সটন বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক লওরে রেসপ্ল্যান্ডি।

সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত