ট্রাম্পের বর্ণবিদ্বেষী উসকানিতে যুক্তরাষ্ট্রে বন্দুক হামলা

  যুগান্তর ডেস্ক ০৫ আগস্ট ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

যুক্তরাষ্ট্রে ১৩ ঘণ্টার ব্যবধানে দুটি বন্দুক হামলার ঘটনায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বর্ণবাদ বিদ্বেষকেই দায়ী করছেন ডেমোক্রেটিক দলের নেতারা। বিরোধী দলের কয়েকজন প্রেসিডেন্ট পদে মনোনয়নপ্রত্যাশী এ ঘটনার নিন্দা জানিয়েছেন।
ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: এএফপি

যুক্তরাষ্ট্রে ১৩ ঘণ্টার ব্যবধানে দুটি বন্দুক হামলার ঘটনায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বর্ণবাদ বিদ্বেষকেই দায়ী করছেন ডেমোক্রেটিক দলের নেতারা। বিরোধী দলের কয়েকজন প্রেসিডেন্ট পদে মনোনয়নপ্রত্যাশী এ ঘটনার নিন্দা জানিয়েছেন।

টেক্সাসের সাবেক কংগ্রেস সদস্য বেটো ও‘রউরকি, ভারমন্টের সিনেটর বার্নি স্যান্ডার্স ও ক্যালিফোর্নিয়ার সিনেটর কমলা হ্যারিস বন্দুক হামলার জন্য ট্রাম্পের বর্ণবিদ্বেষী নেতৃত্বকেই দায়ী করেছেন।

ওয়াশিংটন পোস্ট জানায়, শনিবার দুই রাজ্যে বন্দুকধারীর এলোপাতাড়ি গুলিতে প্রাণ হারিয়েছে ২৯ জন। প্রথম হামলা হয় টেক্সাসে বেলা ১১টার দিকে, যুক্তরাষ্ট্র-মেক্সিকো সীমান্তের কয়েক মাইল দূরে এল পাসোর সিয়েলো ভিস্তা শপিংমলে ওয়ালমার্টের একটি দোকানে। হামলাকারী ২১ বছর বয়সী শ্বেতাঙ্গ যুবক অ্যালেন শহরের বাসিন্দা।

ওই হামলার ১৩ ঘণ্টার মাথায় স্থানীয় সময় রাত ১টার দিকে ওহাইও রাজ্যের অরেগনের ডেটনে একটি পানশালার বাইরে এক বন্দুকধারীর গুলিতে ৯ জন নিহত হন। টেক্সাসে হামলাকারীকে ধরতে পুলিশ সক্ষম হলেও পুলিশের গুলিতে মারা পড়েছে ওহাইওর বন্দুকধারী।

এ দুই ঘটনার নিন্দা জানিয়ে বেটো ও‘রউরকি বলেন, ‘প্রেসিডেন্টের বর্ণবাদবিরোধী আচরণের কারণেই এ ধরনের হামলা বাড়ছে। ঘৃণা ও বর্ণবাদবিদ্বেষের মাত্রা যেভাবে আমাদের দেশে বেড়েছে, সে বিষয়ে অবশ্যই আমাদের চিন্তাভাবনা করা উচিত।’ ট্রাম্পের বিরুদ্ধে একই সুর চড়িয়েছেন বার্নি স্যান্ডার্স।

তিনি বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ও তার মিত্রদের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভয়ঙ্কর হিংসা ও ঘৃণার সংস্কৃতির বিরুদ্ধে আমাদের একত্রে রুখে দাঁড়াতে হবে। নিরাপত্তা হুমকির মতোই হিংসাত্মক বর্ণবিদ্বেষকে হুমকি মনে করতে হবে।’ এসব হামলা প্রতিরোধে প্রেসিডেন্টকে সাহসী পদক্ষেপ নেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন কমলা হ্যারিস।

তিনি বলেন, ‘কংগ্রেসকে অবশ্যই যৌক্তিক বন্দুক নিরাপত্তা আইন পাস করা উচিত। গণহারে গুলির ভয় নিয়ে আমরা বাঁচতে পারি না।’ এল পাসোর ৬ লাখ ৮০ হাজার বাসিন্দার মধ্যে ৮৩ শতাংশই হিসপ্যানিক। ফলে একজন বর্ণবাদীর জন্য এলাকাটি টার্গেট করাই স্বাভাবিক।

মার্কিন গণমাধ্যম জানিয়েছে, আটক হামলাকারীর নাম প্যাট্রিক ক্রুসিয়াস। সে মূলত লাতিন আমেরিকান বিদ্বেষী। হামলার ঠিক ১৯ মিনিট আগে অনলাইনে অভিবাসনবিরোধী বিদ্বেষমূলক একটি ইশতেহার পোস্ট করে সে। স্বাক্ষরবিহীন ওই ইশতেহারে শিরোনাম ‘দ্য ইনকনভেনিয়েন্ট ট্রুথ’ বা ঝামেলাপূর্ণ সত্য।

সেন্সরশিপ নেই এমন সাইট ‘এইট চ্যান’-এ প্রকাশিত ইশতেহারে নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চের দুই মসজিদে হামলাকে সমর্থন জানায় প্যাট্রিক। ক্রাইস্টচার্চে হামলাকারী ব্রেনটন ট্যারান্টের প্রশংসা করেও বার্তা দেয় টুইটারে।

আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×