কঙ্গোয় এবার হামের মহামারী

  যুগান্তর ডেস্ক ১৯ আগস্ট ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

মরণঘাতী ভাইরাস ইবোলার সঙ্গে সঙ্গে আফ্রিকার কঙ্গোয় এবার ছড়িয়ে পড়েছে হামের মহামারী। টিকা বা প্রতিষেধকের মাধ্যমে প্রতিরোধযোগ্য হলেও প্রতিদিনই বাড়ছে আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা। ভিড় বাড়ছে হাসপাতালগুলোতে।
ছবি: সংগৃহীত

মরণঘাতী ভাইরাস ইবোলার সঙ্গে সঙ্গে আফ্রিকার কঙ্গোয় এবার ছড়িয়ে পড়েছে হামের মহামারী। টিকা বা প্রতিষেধকের মাধ্যমে প্রতিরোধযোগ্য হলেও প্রতিদিনই বাড়ছে আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা। ভিড় বাড়ছে হাসপাতালগুলোতে।

চিকিৎসার পরেও বাঁচানো যাচ্ছে না অনেককেই। ইবোলার চেয়ে হামের কারণেই মৃত্যু হচ্ছে বেশি। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত ২ হাজার ৭৫৮ জনের মৃত্যু হয়েছে।

আক্রান্ত হয়েছে প্রায় এক লাখ ৪৫ হাজার। স্বাস্থ্য ও চিকিৎসাসম্পর্কিত বেসরকারি সংস্থা ডকটর্স উইদাউট বর্ডার শনিবার এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। খবর এএফপির। আফ্রিকার কয়েকটি দেশে কয়েক দশক ধরে মহামারী আকার ধারণ করেছে ইবোলা। এ রোগে আক্রান্ত হয়ে বেঁচে গেছেন এমন লোকের সংখ্যা খুব বেশি নয়।

কিন্তু এখন পরিস্থিতি কিছুটা পাল্টাতে শুরু করেছে। কঙ্গো প্রজাতন্ত্রে বিজ্ঞানীরা ইবোলার চিকিৎসায় সাফল্য পাওয়ার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়েছেন। তাদের গবেষণা বলছে, দ্রুত চিকিৎসা শুরু করলে ৯০ শতাংশ আক্রান্ত রোগীই বেঁচে যেতে পারে। ইবোলা মহামারীতে কঙ্গোয় গত এক বছরে ১৮শ’ লোক মারা গেছে।

কঙ্গোয় ইবোলা এমনভাবে ছড়িয়ে পড়েছে, ওষুধ আবিষ্কারের পরও তা নিয়ন্ত্রণে হিমশিম খাচ্ছে কর্তৃপক্ষ। অনেকে ইবোলায় আক্রান্ত হলেও চিকিৎসার সুযোগ পান না। ফলে ইবোলা ভাইরাস দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। ২০১৩-১৫ সালে পশ্চিম আফ্রিকায় এই রোগ মহামারী সৃষ্টি করে। যাতে প্রায় ২৮ হাজার ৬১৬ জন আক্রান্ত হয়েছিল এবং ১১ হাজার ৩১০ জনের মৃত্যু হয়েছিল।

রোগটির উৎপত্তিস্থল সুদান ও কঙ্গো। প্রথম মহামারী আকার ধারণ করে মূলত সাহারার আফ্রিকার ক্রান্তীয় অঞ্চলে। ১৯৭৬ সালে প্রথম মহামারী আকারে দেখা দেয়। এর পর থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত প্রতি বছর প্রায় এক হাজার মানুষ ইবোলায় আক্রান্ত হতো। কঙ্গোর ইবোলা নদী থেকেই ‘ইবোলা’ নামকরণ।

আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×