‘পৃথিবীর ফুসফুসে’ আগুন লাগিয়েছে এনজিওগুলো: ব্রাজিলের প্রেসিডেন্টের টুইট

  যুগান্তর ডেস্ক ২৩ আগস্ট ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

সরকারকে লজ্জায় ফেলতে এনজিওগুলো অ্যামাজন বনাঞ্চলে ‘আগুন দিচ্ছে’ বলে অভিযোগ করেছেন ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট জার বোলসোনারো। ক্ষমতায় এসে বিভিন্ন এনজিওর তহবিল বরাদ্দ কমিয়ে দেন তিনি। আর তাতেই ক্ষুব্ধ হয়ে তার সরকারকে বেকায়দায় ফেলার চেষ্টা করছে এনজিওগুলো।
ছবি: সংগৃহীত

সরকারকে লজ্জায় ফেলতে এনজিওগুলো অ্যামাজন বনাঞ্চলে ‘আগুন দিচ্ছে’ বলে অভিযোগ করেছেন ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট জার বোলসোনারো। ক্ষমতায় এসে বিভিন্ন এনজিওর তহবিল বরাদ্দ কমিয়ে দেন তিনি। আর তাতেই ক্ষুব্ধ হয়ে তার সরকারকে বেকায়দায় ফেলার চেষ্টা করছে এনজিওগুলো।

ব্রাজিলের কট্টরপন্থী প্রেসিডেন্ট বোলসোনেরো কাঠুরে ও কৃষকদের বনটি উজাড়ে উৎসাহ দিচ্ছেন বলে পাল্টা অভিযোগ করেছেন পরিবেশ সংরক্ষণবাদীরা। খবর এএফপির।

ব্রাজিলের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ‘দ্য ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট ফর স্পেস রিসার্চ’ (ইনপে) জানায়, উপগ্রহ থেকে পাওয়া ছবিতে তারা এ বছর প্রথম ৮ মাসেই অ্যামাজন বনাঞ্চলে রেকর্ড ৭২ হাজারের বেশি বার আগুন লাগার প্রমাণ পেয়েছেন।

এ সংখ্যা গত বছর একই সময়ের তুলনায় প্রায় ৮৩ শতাংশ বেশি। বন উজাড়ের তথ্য নিয়ে বিতর্কের জেরে বোলসোনারো ইনপের শীর্ষ কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করার এক সপ্তাহের মাথায় অ্যামাজন বনাঞ্চল নিয়ে এ উদ্বেগজনক খবর এল।

চিরহরিৎ এ বনের আগুন থেকে আসা ধোঁয়ার কারণে সোমবার সাও পাওলো শহরে দিনের বেলায়ই অন্ধকার নেমে এসেছিল বলে বিবিসি জানিয়েছে। অ্যামাজোনাস ও রোনডোনিয়া রাজ্যের বনাঞ্চলে লাগা আগুনের ধোঁয়া দুই হাজার ৭০০ কিলোমিটারেরও বেশি দূরত্ব অতিক্রম করে সাও পাওলোতে এলে সোমবার বেলা ৩টার পর থেকে ঘণ্টাখানেকের জন্য শহরটি অন্ধকারে ডুবে ছিল।

বিশ্বের সবচেয়ে বড় চিরহরিৎ বনাঞ্চল অ্যামাজন বিপুল পরিমাণ কার্বন জমা রেখে বৈশ্বিক উষ্ণতার গতিকে খানিকটা শ্লথ রেখেছে।

ভৌগোলিকভাবে বিশ্বের বৃহত্তম এ অরণ্য পৃথিবীর ২০ শতাংশ অক্সিজেন সরবরাহ করে। তাই দক্ষিণ আমেরিকার অ্যামাজন নদীর অববাহিকায় গড়ে ওঠা এ গভীর রেইন ফরেস্টকে পৃথিবীর ফুসফুসও বলা হয়। একাংশের অনুমান, সরকারকে কাঠগড়ায় তুলতে অ্যামাজনের জঙ্গলে ইচ্ছে করে আগুন লাগিয়ে দিচ্ছে ক্ষুব্ধ স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলো।

আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×