বরিসের প্রথম পরীক্ষা: ব্রেক্সিট ভোট আজ

সরকারের বিরুদ্ধে ভোট দিলে এমপিদের বহিষ্কারের হুমকি * চুক্তিহীন ব্রেক্সিট আটকে গেলে সাধারণ নির্বাচনে যাবে ব্রিটেন

  যুগান্তর ডেস্ক ০৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন প্রথম পরীক্ষায় মুখোমুখি হতে যাচ্ছেন আজ। ব্রেক্সিট প্রশ্নে মঙ্গলবার ব্রিটেনের পার্লামেন্টে ভোটাভুটি হওয়ার কথা রয়েছে। গ্রীষ্মকালীন দীর্ঘ বিরতি শেষে এদিন পার্লামেন্টে ফিরছেন এমপিরা। এর আগে চুক্তিহীন ব্রেক্সিট (নো ডিল ব্রেক্সিট) প্রশ্নে সরকারের বিরুদ্ধে ভোট দিলে ব্রিটেনের ক্ষমতাসীন কনজারভেটিভ দলের এমপিদের বহিষ্কারের হুমকি দেয়া হয়েছে।
ছবি: সংগৃহীত

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন প্রথম পরীক্ষায় মুখোমুখি হতে যাচ্ছেন আজ। ব্রেক্সিট প্রশ্নে মঙ্গলবার ব্রিটেনের পার্লামেন্টে ভোটাভুটি হওয়ার কথা রয়েছে। গ্রীষ্মকালীন দীর্ঘ বিরতি শেষে এদিন পার্লামেন্টে ফিরছেন এমপিরা। এর আগে চুক্তিহীন ব্রেক্সিট (নো ডিল ব্রেক্সিট) প্রশ্নে সরকারের বিরুদ্ধে ভোট দিলে ব্রিটেনের ক্ষমতাসীন কনজারভেটিভ দলের এমপিদের বহিষ্কারের হুমকি দেয়া হয়েছে।

অন্যদিকে, বিরোধী লেবার পার্টির এমপিরা সরকারের এ উদ্যোগ থামানোর পরিকল্পনা করছে। তারা বিদ্রোহী কনজারভেটিভ এমপিদের দলে ভেড়ানোর চেষ্টা করছেন। এসব তোড়জোড়ের মধ্যে সোমবার বিকালে মন্ত্রিসভার জরুরি বৈঠকে বসেন বরিস। খবর বিবিসি ও ডেইলি মেইলের।

পার্লামেন্টের হুইপ অফিস সূত্রে জানা গেছে, ব্রেক্সিট নিয়ে সরকার যে দর কষাকষি করছে বিদ্রোহীরা সেটি ভেস্তে দেয়ার পরিকল্পনা আঁটছে। হুইপ অফিসের কাজ হচ্ছে, সরকারের চিন্তাধারা অনুযায়ী এমপিদের ভোট নিশ্চিত করা। কনজারভেটিভ পার্টির এমপিদের বলা হয়েছে, তারা যদি চুক্তিহীন ব্রেক্সিটের বিপক্ষে ভোট দেয় তাহলে তাদের দল থেকে সাময়িক বহিষ্কার করা হবে।

এর অর্থ হচ্ছে, বহিষ্কৃতরা আগামী নির্বাচনে কনজারভেটিভ দলের প্রার্থী হতে পারবেন না। কোনো চুক্তি ছাড়া ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) থেকে ব্রিটেনের বিচ্ছেদ ঠেকাতে একদল এমপি পার্লামেন্টে একটি আইন আনতে যাচ্ছে। এ দলে কনজারভেটিভ দলের বিদ্রোহী এমপিরাও রয়েছেন।

তাদের এ উদ্যোগ তখনই সফল হবে, যদি কনজারভেটিভ দলের কিছু এমপি সরকারের বিরুদ্ধে ভোট দেয়। মঙ্গলবার বা বুধবার ওই আইনটি পার্লামেন্টে তুলতে পারে তারা। ৩১ অক্টোবর ব্রিটেনের ইইউ থেকে বেরিয়ে যাওয়ার কথা রয়েছে। হাতে সময় রয়েছে মাত্র ৫৮ দিন। চুক্তিহীন অথবা চুক্তিসহ হোক, এ সময়ের মধ্যেই বিচ্ছেদ কার্যকর করতে চান নতুন প্রধানমন্ত্রী বরিস।

এ বিষয়ে তিনি নিজের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছেন। রোববার প্রধানমন্ত্রী বরিস তার হুইপদের সঙ্গে নিজ দলের এমপিদের সম্ভাব্য বিরোধিতা নিয়ে আলোচনা করেছেন। কনজারভেটিভ হুইপ অফিসের একটি সূত্র বলেছে, ‘মঙ্গলবার তাদের দলের সংসদ সদস্যরা যদি সরকারকে ভোট না দেয়, তাহলে তারা সরকারের দর কষাকষির অবস্থানকে ধ্বংস করবে এবং পার্লামেন্টের নিয়ন্ত্রণ জেরেমি করবিনের হাতে তুলে দেবে।’

ব্রেক্সিট কার্যকরের ক্ষেত্রে চারটি বিকল্প রয়েছে- চুক্তিহীন ব্রেক্সিট, চুক্তিসহ ব্রেক্সিট, বিলম্ব এবং সাধারণ নির্বাচন। এর মধ্যে আজকের ভোটাভুটিতে চুক্তিহীন ব্রেক্সিট আটকে গেলে ব্রিটেন সাধারণ নির্বাচনের দিকে যাবে বলে ইঙ্গিত দিয়েছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ১০নং ডাউনিং স্ট্রিট। সাবেক প্রধানমন্ত্রী টরি ব্লেয়ার নির্বাচনের বিরোধিতা করছেন।

তবে সাধারণ নির্বাচনের পক্ষে লেবার পার্টির নেতা জেরেমি করবিন। ব্রেক্সিট বিষয়ে ১৭ অক্টোবর একটি চুক্তির সম্ভাবনা রয়েছে। সেদিন ইউরোপীয় ইউনিয়নের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।

সূত্রটি বলেছে, এ চুক্তি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কারণ, ব্রাসেলস অনুধাবন করেছে যে ৩১ অক্টোবরের মধ্যে ইইউ থেকে বেরিয়ে যাওয়ার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী সম্পূর্ণ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

ঘটনাপ্রবাহ : ব্রেক্সিট ইস্যু

আরও
আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×