অভিবাসনে বিশাল জয় ট্রাম্পের

  যুগান্তর ডেস্ক ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসীদের আশ্রয় চাওয়ার সক্ষমতা হ্রাস করা সংক্রান্ত ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন যে অভিবাসননীতির পরিকল্পনা করেছে, তাতে অনুমোদন দিয়েছেন দেশটির সুপ্রিমকোর্ট।
ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসীদের আশ্রয় চাওয়ার সক্ষমতা হ্রাস করা সংক্রান্ত ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন যে অভিবাসননীতির পরিকল্পনা করেছে, তাতে অনুমোদন দিয়েছেন দেশটির সুপ্রিমকোর্ট।

বুধবার যুক্তরাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আদালতের এ রায়কে ট্রাম্পের জন্য বিশাল জয় হিসেবে দেখা হচ্ছে। খবর বিবিসির।

নতুন এ নীতির আওতায়, তৃতীয় কোনো দেশ হয়ে যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছালে অভিবাসীদের আগে ওই দেশে আশ্রয় চাইতে হবে। এ নিয়ে আইনি লড়াই এখনও চলছে।

সুপ্রিমকোর্টের এ রায়ের মাধ্যমে এটা পরিষ্কার যে, এটি এখন পুরো যুক্তরাষ্ট্রের জন্য প্রযোজ্য হবে। এক টুইটে ট্রাম্প বলেছেন, সীমান্তে আশ্রয় প্রার্থনার বিষয়ে মার্কিন সুপ্রিমকোর্টের এটি একটি বড় জয়।

অভিবাসন কমিয়ে আনা ট্রাম্পের শাসনামলের একটা বড় লক্ষ্য। এটি ২০২০ সালে পুনর্নির্বাচনের জন্যও তার প্রতিশ্রুতির একটা বড় অংশ পূরণ করবে। চলতি বছরের জুলাই মাসে এ পরিকল্পনাটি ঘোষণা করা হয়।

এ নীতি কার্যকর হওয়া ঠেকিয়ে দেয়া হয়। ফলে সুপ্রিমকোর্টের এ অনুমোদন মার্কিন গণমাধ্যমে ট্রাম্প প্রশাসনের জন্য জয় হিসেবেই দেখা হচ্ছে।

মধ্য আমেরিকার অভিবাসীরা উত্তর দিকে যাত্রা করে, হেঁটে মেক্সিকো হয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সীমান্তে পৌঁছায়। তাদের মধ্যে বেশিরভাগই সহিংসতা এবং দারিদ্র্যের কারণে দেশ ছাড়ে। নতুন এ অভিবাসননীতি কার্যকর হলে, হন্ডুরাস, নিকারাগুয়া এবং এল সালভাদরের অভিবাসনপ্রত্যাশীদের আশ্রয় চাইতে হলে যুক্তরাষ্ট্রের আগে প্রতিবেশী কোনো দেশ বা মেক্সিকোতে আশ্রয় চাইতে হবে।

তবে এ নীতি আমেরিকা অঞ্চলের বাইরের অভিবাসনপ্রত্যাশীদের ওপরও প্রভাব ফেলবে। আমেরিকার সিভিল লিবার্টিজ ইউনিয়ন এ নীতির বিরুদ্ধে চ্যালেঞ্জ করেছে। তারা বলছে, আশ্রয় পাওয়ার যোগ্যদের সংখ্যা মারাত্মকভাবে কমিয়ে দেবে এ নিষেধাজ্ঞা।

এক পিটিশনে সংস্থাটি বলে, ‘চলতি নিষেধাজ্ঞার কারণে দক্ষিণ সীমান্ত এবং বন্দরে থাকা আশ্রয়প্রার্থীরা এমনকি শুধু মেক্সিকান ছাড়া আর কেউই আশ্রয় চাওয়ার যোগ্য বলে বিবেচিত হবে না।’ তবে তৃতীয় কোনো দেশে আশ্রয় চাওয়ার পর তা নাকচ হলে কিংবা মানব পাচারের শিকার ব্যক্তিরা এখনও আশ্রয় চেয়ে আবেদন করতে পারবে।

অভিবাসীরা যেভাবেই পৌঁছান না কেন, সবার আশ্রয়ের আবেদন বিবেচনা করার দীর্ঘদিনের মার্কিন নীতিকে বদলে দেবে এ নিষেধাজ্ঞা। সুপ্রিমকোর্টের নয় বিচারকের মধ্যে দু’জন রুথ ব্যাডার গিন্সবার্গ এবং সোনিয়া সটোমেয়র এ রুলের বিপক্ষে মত দিয়েছেন।

বিচারক সোনিয়া বলেন, ‘আবারও নির্বাহী শাখা এমন একটি নীতি ইস্যু করল, যা নিপীড়নের শিকার থেকে পালিয়ে আসা শরণার্থীদের আশ্রয় আবেদন বিবেচনার দীর্ঘদিনের মার্কিন চর্চাকে উল্টে দেবে।

যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছানোর যাত্রাপথ বিপজ্জনক। এছাড়া অসহায় হওয়ার কারণে প্রায়ই মধ্য আমেরিকার অভিবাসীরা প্রতিবেশী দেশের গ্যাংগুলোর খপ্পরে পড়ে।

আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×