বান্ধবী কেলেঙ্কারিতে জেলে যেতে পারেন বরিস

  যুগান্তর ডেস্ক ০৭ অক্টোবর ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

বান্ধবী কেলেঙ্কারিতে জেলে যেতে পারেন বরিস

নারী কেলেঙ্কারির জেরে জেল হতে পারে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের। তার বিরুদ্ধে একের পর এক নারী কেলেঙ্কারি নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে।

এর মধ্যে মার্কিন প্রযুক্তি উদ্যোক্তা ও সাবেক বান্ধবী জেনিফার আরকিউরির সঙ্গে অবৈধ প্রেমের সম্পর্ক নিয়ে বেশ কয়েকটি তদন্ত চলছে। ইতিমধ্যে আরকিউরিকে পাঠানো বরিসের লিখিত বার্তা ও ই-মেইল সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছে জমা দেয়ার নির্দেশ দিয়েছে ব্রিটিশ পার্লামেন্টের লন্ডন অ্যাসেম্বলি জিএলএ ওভারসাইট কমিটি।

২৪ সেপ্টেম্বর ইস্যু করা এক চিঠিতে তাকে দুই সপ্তাহের সময় বেঁধে দেয়া হয়। কিন্তু এখন পর্যন্ত ওই নির্দেশনার ব্যাপারে কোনো জবাব দেননি বরিস। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে জবাব না দিলে বিকল্প ব্যবস্থা নেবে কমিটি। এমনকি কথোপকথনের সব নথি হস্তান্তর করতে প্রধানমন্ত্রীকে বাধ্যও করা হতে পারে। এমনকি মার্কিন উদ্যোক্তার সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে প্রশ্নের জবাব দিতে বরিসকে সামনাসামনি শুনানির জন্য ডাকতে পারে কমিটি। রোববার এ খবর দিয়েছে দ্য গার্ডিয়ান।

কিন্তু এসব অভিযোগ গায়ে মাখছেন না বরিস। অভিযোগের ব্যাপারে স্পষ্ট জবাব দিতেও অস্বীকার করছেন তিনি। তিনি এখন ব্রেক্সিট নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন।

রোববার লন্ডনের বেশ কয়েকটি পত্রিকায় নিবন্ধ লিখে তিনি দাবি করেছেন, তার ব্রেক্সিট প্রস্তাব পার্লামেন্টের এমপিদের সমর্থন পেয়েছে। এখন ইউরোপীয় ইউনিয়ন চাইলেই চুক্তি চূড়ান্ত হতে পারে। চুক্তি সম্পাদনে ইইউকে ছাড় দেয়ার আহ্বানও জানিয়েছেন তিনি।

নিবন্ধে তিনি বলেন, আগামী ২৫ দিনের মধ্যেই আমরা ইইউ ছেড়ে যাচ্ছি। ইইউ চাইলে আমরা এখন একটা চুক্তির মধ্য দিয়েই এটা করতে পারি। বরিসের এই বক্তব্যের কঠোর সমালোচনা করেছেন ইইউর অন্যতম সদস্য লাটভিয়ার প্রধানমন্ত্রী ক্রিসজানিস কারিন্স।

বিবিসিকে তিনি বলেন, ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য অনেকটা ‘ধর তক্তা, মার পেরেক’ প্রবাদের মতো। যুক্তরাজ্যের প্রস্তাব অবশ্যই এমন হওয়া উচিত নয়। ব্রেক্সিট বিষয়ে নতুন ঐকমত্যে পৌঁছতে আগামী সোমবারই ব্রাসেলসে যাবেন বরিস। সেখানে ইইউ নেতাদের গুরুত্বপূর্ণ সম্মেলনের ফাঁকে নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন তিনি।

আগামী নির্বাচনে তার নেতৃত্বে কনজারভেটিভ পার্টি ফের ব্রিটেনের মসনদ দখল করবে বলে আত্মবিশ্বাসী প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। তবে ২০ বছর আগেকার যৌন হেনস্তার অভিযোগ তার গ্রহণযোগ্যতাকে প্রশ্নের মুখে ফেলবে বলে মনে করা হচ্ছে।

গত জুলাইয়ে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন বরিস। ৩১ অক্টোবরের মধ্যে যে কোনো মূল্যে ব্রেক্সিট চুক্তি কার্যকরের প্রতিশ্রুতিও দিয়ে রেখেছেন তিনি। এরই মধ্যে তার বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনার ডাক দিয়েছে দ্য স্কটিশ ন্যাশনাল পার্টি।

অনাস্থা ভোটে সরকারের পতন হলে দেশে অকাল ভোটের সম্ভাবনাও দেখছেন বিশেষজ্ঞরা। তবে নির্বাচন হলে বরিসের জয়ের পথে সবচেয়ে বড় কাঁটা হয়ে উঠতে পারে বিশ বছরের পুরনো সেই যৌন কেলেঙ্কারির অভিযোগ।

ঘটনাপ্রবাহ : ব্রেক্সিট ইস্যু

আরও
আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×