ইন্দোনেশিয়ায় শরিয়া আইনপ্রণেতাকেই পরকীয়ায় প্রকাশ্য বেত্রাঘাত

  যুগান্তর ডেস্ক ০২ নভেম্বর ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

ইন্দোনেশিয়ায় শরিয়া আইনপ্রণেতাকেই পরকীয়ায় প্রকাশ্য বেত্রাঘাত

আচেহ উলামা কাউন্সিলের (এমপিইউ) সদস্য মুখলিস বিন মোহাম্মদকে বিবাহিতা নারীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক থাকায় প্রকাশ্যে ২৮ বার বেত্রাঘাত করা হয়েছে।

ইন্দোনেশিয়ায় শরিয়া আইন কার্যকরে প্রধান ভূমিকা রেখেছিল মুখলিসের সংগঠন এমপিইউ। ইন্দোনেশিয়ার কট্টর রক্ষণশীল আচেহ প্রদেশেই একমাত্র শরিয়া আইন কার্যকর রয়েছে। শুক্রবার বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ খবর প্রকাশ করা হয়েছে।

শুধু পরকীয়া বা বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কই নয়, সমকাম আর জুয়ার জন্যও আচেহতে প্রকাশ্যে বেত্রাঘাত করা হয়। মুখলিসের শহর আচেহ বেসারের ডেপুটি মেয়র হুসাইনি ওয়াহাব বিবিসিকে বলেন, ‘এটি আল্লাহর আইন।

দোষী প্রমাণিত হলে সবাইকেই বেতের মার খেতে হবে। সে এমপিইউ সদস্য হলেও রেহাই নেই।’ গত সেপ্টেম্বরে কর্মকর্তাদের কাছে হাতেনাতে ধরা পরে এই জুটি।

তারা পর্যটক অধ্যুষিত এক সৈকতের কাছে একটি গাড়িতে যৌনকর্মে লিপ্ত ছিলেন। হুসাইনি জানিয়েছেন মুখলিসকে দল থেকেও বহিষ্কার করা হবে।

এই সাজাপ্রাপ্ত ৪৬ বছর বয়সী ব্যক্তি একজন ইসলামী আধ্যাত্মিক নেতাও। ২০০৫ সালে আচেহতে শরিয়া আইন কার্যকর হওয়ার পর তিনি প্রথম ধর্মীয় নেতা যাকে বেত্রাঘাত করা হলো।

এমপিইউ’র সরাসরি ত্বত্তাবধানেই আচেহতে সব ধরনের শরিয়া শাস্তি কার্যকর হয়ে থাকে। শরিয়া আইনের আওতায় পরকীয়া, জুয়া খেলা, মদ তৈরি, বিক্রি ও পান করা শাস্তিযোগ্য অপরাধ। যৌন সম্পর্কের সময় ধরা পরা এক ব্যক্তিকে ২০১৭ সালে ৮৬ বার বেত্রাঘাত করা হয়। বেতগুলো বানানো হয় রাতান গাছ থেকে।

আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×