বরিসের বিরুদ্ধে লড়ছেন ইরানি অভিবাসী আলি
jugantor
বরিসের বিরুদ্ধে লড়ছেন ইরানি অভিবাসী আলি

  যুগান্তর ডেস্ক  

০৯ নভেম্বর ২০১৯, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ব্রিটেনের নির্বাচনে এবার প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের বিরুদ্ধে লড়ছেন ইরানি অভিবাসী বাবা-মায়ের ছেলে আলি মিলানি। প্রধান বিরোধী দল লেবার পার্টির হয়ে মাঠে নামছেন তিনি। ভোটে উত্তরপশ্চিম লন্ডনের সাউথ রাইস্লিপের আক্সব্রিজ আসনের এমপি বরিস। এই আসনটিতে ২০১৫ সাল থেকে লড়ে আসছেন তিনি। আসনটিতে তার বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নেমে এখন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের শিরোনামে তরুণ আলি। ধারণা করা হচ্ছে, জনসনের সঙ্গে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে তার। ২৫ বছর বয়সী আলি নিজেই জনসনকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন।

মিলানির প্রচার এরই মধ্যে ওই আসনের ভোটারদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে বলে ওয়াশিংটন পোস্টের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। আক্সব্রিজ এক দশক আগেও ক্ষমতাসীন কনজারভেটিভ বা টোরি পার্টির নিরাপদ আসন হিসেবেই পরিচিত ছিল। গত এক দশকে এ চিত্র অনেকখানিই বদলে গেছে। ২০১৭ সালের শেষ সাধারণ নির্বাচনে জনসন এখানে মাত্র ৫ হাজার ৩৪ ভোটের ব্যবধানে জিতেছেন।

আলি জানিয়েছেন, ব্রিটিশ গণতন্ত্রের ইতিহাসে পদে থাকা কোনো এক প্রধানমন্ত্রীকে এই প্রথম পদচ্যুত করার সুযোগ মিলেছে। আলির মতে, এটা বরিস জনসনকে ‘নাটকীয় অপমান’। সম্প্রতি এক দৈনিককে আলি বলেন, ‘বরিস আর প্রধানমন্ত্রী নন, একজন পার্লামেন্ট সদস্যও নন। এ দেশের ভবিষ্যৎ রাজনীতিতে জড়িতই আর নন।

বরিসের বিরুদ্ধে লড়ছেন ইরানি অভিবাসী আলি

 যুগান্তর ডেস্ক 
০৯ নভেম্বর ২০১৯, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ব্রিটেনের নির্বাচনে এবার প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের বিরুদ্ধে লড়ছেন ইরানি অভিবাসী বাবা-মায়ের ছেলে আলি মিলানি। প্রধান বিরোধী দল লেবার পার্টির হয়ে মাঠে নামছেন তিনি। ভোটে উত্তরপশ্চিম লন্ডনের সাউথ রাইস্লিপের আক্সব্রিজ আসনের এমপি বরিস। এই আসনটিতে ২০১৫ সাল থেকে লড়ে আসছেন তিনি। আসনটিতে তার বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নেমে এখন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের শিরোনামে তরুণ আলি। ধারণা করা হচ্ছে, জনসনের সঙ্গে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে তার। ২৫ বছর বয়সী আলি নিজেই জনসনকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন।

মিলানির প্রচার এরই মধ্যে ওই আসনের ভোটারদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে বলে ওয়াশিংটন পোস্টের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। আক্সব্রিজ এক দশক আগেও ক্ষমতাসীন কনজারভেটিভ বা টোরি পার্টির নিরাপদ আসন হিসেবেই পরিচিত ছিল। গত এক দশকে এ চিত্র অনেকখানিই বদলে গেছে। ২০১৭ সালের শেষ সাধারণ নির্বাচনে জনসন এখানে মাত্র ৫ হাজার ৩৪ ভোটের ব্যবধানে জিতেছেন।

আলি জানিয়েছেন, ব্রিটিশ গণতন্ত্রের ইতিহাসে পদে থাকা কোনো এক প্রধানমন্ত্রীকে এই প্রথম পদচ্যুত করার সুযোগ মিলেছে। আলির মতে, এটা বরিস জনসনকে ‘নাটকীয় অপমান’। সম্প্রতি এক দৈনিককে আলি বলেন, ‘বরিস আর প্রধানমন্ত্রী নন, একজন পার্লামেন্ট সদস্যও নন। এ দেশের ভবিষ্যৎ রাজনীতিতে জড়িতই আর নন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন