কংগ্রেস ভবনে ঢুকে রাহুলের পোস্টার ছিঁড়ল বিজেপি
jugantor
কংগ্রেস ভবনে ঢুকে রাহুলের পোস্টার ছিঁড়ল বিজেপি
ক্ষমা চাওয়ার দাবিতে সর্বভারতীয় বিক্ষোভ

  যুগান্তর ডেস্ক  

১৭ নভেম্বর ২০১৯, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

রাহুল গান্ধীকে জনতার সামনে ক্ষমা চাওয়ার দাবি নিয়ে শনিবার ভারতজুড়ে বিক্ষোভের ডাক দিয়েছিল ক্ষমতাসীন বিজেপি। কলকাতায় সেই বিক্ষোভ দেখাতে গিয়ে খানিকটা সীমা ছাড়িয়ে গেলেন বিজেপির যুবসংগঠনের কর্মীরা। প্রদেশ কংগ্রেস ভবনের সামনে মিছিল নিয়ে যাওয়ার পর মূল গেটে উঠে চলে ধাক্কাধাক্কি। ছিঁড়ে দেয়া হয় রাহুল গান্ধীর ছবি লাগানো পোস্টার, ব্যানার। তারপর প্রদেশ কংগ্রেস ভবনের সামনের রাস্তায় বসে চলে ‘রাহুল গান্ধী হায় হায়’ স্লোগান। পোড়ানো হয় সাবেক কংগ্রেস সভাপতির কুশপুত্তলিকাও। ইন্ডিয়া টুডে, ডিএনএ।

গোটা ঘটনার নিন্দা করেছেন কংগ্রেস নেতারা। তাদের কথায়, বিজেপি আজকে যে কাজ করেছে আসলে এটাই ওদের সংস্কৃতি। ওরা আদালতেরও ঊর্ধ্বে উঠতে চায়। যদিও বিজেপি নেতারা বলছেন, এমন কিছু করেননি তাদের যুবকর্মীরা যাতে এমন গেল গেল রব তুলতে হবে। রাফাল নিয়ে সুপ্রিমকোর্টকে জড়িয়ে রাহুল গান্ধী যে মন্তব্য করেছিলেন তা নিয়ে মামলা চলছিল শীর্ষ আদালতে। সেই মামলায় ইতি টেনে বৃহস্পতিবার দেশের শীর্ষ আদালত জানিয়ে দিয়েছে, রাহুল গান্ধীকে কথা বলার সময়ে আরও সতর্ক হতে হবে। এরপরই সাবেক কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধীর বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানায় বিজেপি। বর্ষীয়ান বিজেপি নেতা তথা কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদ সংবাদ সম্মেলন করে বলেন, ‘রাহুল গান্ধীর উচিত সারা দেশের মানুষের সামনে ক্ষমা চাওয়া।’ এরপরই শুক্রবার সর্বভারতীয় বিজেপির তরফে ঘোষণা করা হয়, শনিবার দেশজুড়ে বিক্ষোভ হবে।

ভারতের উত্তর থেকে দক্ষিণ- যেখানে তিনি লোকসভা ভোটের প্রচার করতে গিয়েছেন, বক্তৃতার শুরুতে, মাঝে, শেষে ‘চৌকিদার চোর হ্যায়’ বলাকে এক রকম অভ্যাসে পরিণত করে ফেলেছিলেন। কংগ্রেসের অভিযোগ ছিল, রাফাল যুদ্ধবিমান কেনার সময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বন্ধু তথা শিল্পপতি অনিল আম্বানীকে বিশেষ সুবিধা পাইয়ে দেয়া হয়েছে। মোদি নিজেকে জনগণের চৌকিদার বলতেন। রাহুল একসময় বলেন, সুপ্রিমকোর্টও মেনে নিয়েছে, চৌকিদার চোর হ্যায়। এই মন্তব্যের পর রাহুলের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করেছিলেন বিজেপি নেত্রী মীনাক্ষী লেখি। সেই মামলা বৃহস্পতিবার বন্ধ করে সুপ্রিমকোর্ট। তবে একইসঙ্গে বিচারপতিরা রাহুলকে সতর্ক করে বলেছেন, ভবিষ্যতে তিনি যেন আরও সতর্ক হয়ে মন্তব্য করেন।

কংগ্রেস ভবনে ঢুকে রাহুলের পোস্টার ছিঁড়ল বিজেপি

ক্ষমা চাওয়ার দাবিতে সর্বভারতীয় বিক্ষোভ
 যুগান্তর ডেস্ক 
১৭ নভেম্বর ২০১৯, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

রাহুল গান্ধীকে জনতার সামনে ক্ষমা চাওয়ার দাবি নিয়ে শনিবার ভারতজুড়ে বিক্ষোভের ডাক দিয়েছিল ক্ষমতাসীন বিজেপি। কলকাতায় সেই বিক্ষোভ দেখাতে গিয়ে খানিকটা সীমা ছাড়িয়ে গেলেন বিজেপির যুবসংগঠনের কর্মীরা। প্রদেশ কংগ্রেস ভবনের সামনে মিছিল নিয়ে যাওয়ার পর মূল গেটে উঠে চলে ধাক্কাধাক্কি। ছিঁড়ে দেয়া হয় রাহুল গান্ধীর ছবি লাগানো পোস্টার, ব্যানার। তারপর প্রদেশ কংগ্রেস ভবনের সামনের রাস্তায় বসে চলে ‘রাহুল গান্ধী হায় হায়’ স্লোগান। পোড়ানো হয় সাবেক কংগ্রেস সভাপতির কুশপুত্তলিকাও। ইন্ডিয়া টুডে, ডিএনএ।

গোটা ঘটনার নিন্দা করেছেন কংগ্রেস নেতারা। তাদের কথায়, বিজেপি আজকে যে কাজ করেছে আসলে এটাই ওদের সংস্কৃতি। ওরা আদালতেরও ঊর্ধ্বে উঠতে চায়। যদিও বিজেপি নেতারা বলছেন, এমন কিছু করেননি তাদের যুবকর্মীরা যাতে এমন গেল গেল রব তুলতে হবে। রাফাল নিয়ে সুপ্রিমকোর্টকে জড়িয়ে রাহুল গান্ধী যে মন্তব্য করেছিলেন তা নিয়ে মামলা চলছিল শীর্ষ আদালতে। সেই মামলায় ইতি টেনে বৃহস্পতিবার দেশের শীর্ষ আদালত জানিয়ে দিয়েছে, রাহুল গান্ধীকে কথা বলার সময়ে আরও সতর্ক হতে হবে। এরপরই সাবেক কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধীর বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানায় বিজেপি। বর্ষীয়ান বিজেপি নেতা তথা কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদ সংবাদ সম্মেলন করে বলেন, ‘রাহুল গান্ধীর উচিত সারা দেশের মানুষের সামনে ক্ষমা চাওয়া।’ এরপরই শুক্রবার সর্বভারতীয় বিজেপির তরফে ঘোষণা করা হয়, শনিবার দেশজুড়ে বিক্ষোভ হবে।

ভারতের উত্তর থেকে দক্ষিণ- যেখানে তিনি লোকসভা ভোটের প্রচার করতে গিয়েছেন, বক্তৃতার শুরুতে, মাঝে, শেষে ‘চৌকিদার চোর হ্যায়’ বলাকে এক রকম অভ্যাসে পরিণত করে ফেলেছিলেন। কংগ্রেসের অভিযোগ ছিল, রাফাল যুদ্ধবিমান কেনার সময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বন্ধু তথা শিল্পপতি অনিল আম্বানীকে বিশেষ সুবিধা পাইয়ে দেয়া হয়েছে। মোদি নিজেকে জনগণের চৌকিদার বলতেন। রাহুল একসময় বলেন, সুপ্রিমকোর্টও মেনে নিয়েছে, চৌকিদার চোর হ্যায়। এই মন্তব্যের পর রাহুলের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করেছিলেন বিজেপি নেত্রী মীনাক্ষী লেখি। সেই মামলা বৃহস্পতিবার বন্ধ করে সুপ্রিমকোর্ট। তবে একইসঙ্গে বিচারপতিরা রাহুলকে সতর্ক করে বলেছেন, ভবিষ্যতে তিনি যেন আরও সতর্ক হয়ে মন্তব্য করেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন