গণহত্যার শুনানির মধ্যেই ৯৫ রোহিঙ্গার জেল
jugantor
গণহত্যার শুনানির মধ্যেই ৯৫ রোহিঙ্গার জেল

  যুগান্তর ডেস্ক  

১২ ডিসেম্বর ২০১৯, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

রোহিঙ্গা গণহত্যার মামলায় নেদারল্যান্ডসের দ্য হেগ শহরের আন্তর্জাতিক আদালতে বিচারের শুনানি চলছে। মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত সেনাবাহিনীর পক্ষে সাফাই গাইছেন দেশটির নেত্রী ও সরকারের স্টেট কাউন্সেলর অং সান সু চি। এর মধ্যেই মিয়ানমারের রাখাইনে প্রায় একশ রোহিঙ্গাকে কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে ২৫ জন শিশু ও কিশোরও রয়েছে। বুধবার তাদের প্রত্যেককে অন্তত দুই বছর কারাদণ্ড দিয়ে রায় দেয় দেশটির একটি আদালত। নিরাপত্তা বাহিনীর নির্যাতন ও নিপীড়ন থেকে পালিয়ে যাওয়ার মুখে সম্প্রতি তাদের আটক করা হয়। আইনজীবীর বরাত দিয়ে এ খবর দিয়েছে এএফপি।

খবরে বলা হয়, এদিন মিয়ানমারের পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর পাথেইনে একটি আদালতে পুলিশের গাড়ি থেকে একে একে নামানো হয় ভীত ও শঙ্কিত ৯৫ রোহিঙ্গাকে। তাদের অপরাধ, অভিযানের মুখে সরকারের অনুমতি ছাড়া শহর ছেড়ে পালানোর চেষ্টা করা। ২০১৭ সালের সেনাবাহিনীর নিধনযজ্ঞের মুখে রাখাইন থেকে পালিয়ে বাংলাদেশের কক্সবাজারে আশ্রয় নেয় ৭ লক্ষাধিক রোহিঙ্গা। এরপর থেকে নিজেদের রাজ্যেই কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে খেয়ে-না-খেয়ে ও শিক্ষা, স্বাস্থ্যের অধিকারবঞ্চিত হয়ে বাস করতে বাধ্য হচ্ছে আরও কয়েক লাখ রোহিঙ্গা। এই অবস্থাকে ‘বর্ণবাদ’ হিসেবে অভিহিত করেছে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল। এমন পরিস্থিতির মধ্যে সন্ত্রাস দমনের নামে গ্রামে গ্রামে প্রায়ই চালানো হচ্ছে সামরিক অভিযান। ফলে আগের মতোই নৌকা, ট্রেন ও বাস করে বাংলাদেশ কিংবা মিয়ানমারের অন্য রাজ্যে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে রোহিঙ্গা। গত মাসের শেষের দিকে নৌকায় বাণিজ্যিক রাজধানী ইয়াঙ্গুন যাওয়ার পথে আটক করা হয় ৯৫ জনকে। এই দলটি ছিল গত মাসে আটক হওয়া তৃতীয় দল। কয়েকদিন আটক রাখার পর বুধবার তাদের আদালতে তোলা হয়। দলটির আইনজীবী তাজিন মিয়াত বলেন, উন্নত জীবনের আশায় ইয়াঙ্গুনে প্রবেশের চেষ্টা করছিল ওই ৯৫ জন। এজন্য দালালকে তারা মাথাপিছু কয়েকশ ডলার করে দিয়েছিল।

গণহত্যার শুনানির মধ্যেই ৯৫ রোহিঙ্গার জেল

 যুগান্তর ডেস্ক 
১২ ডিসেম্বর ২০১৯, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

রোহিঙ্গা গণহত্যার মামলায় নেদারল্যান্ডসের দ্য হেগ শহরের আন্তর্জাতিক আদালতে বিচারের শুনানি চলছে। মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত সেনাবাহিনীর পক্ষে সাফাই গাইছেন দেশটির নেত্রী ও সরকারের স্টেট কাউন্সেলর অং সান সু চি। এর মধ্যেই মিয়ানমারের রাখাইনে প্রায় একশ রোহিঙ্গাকে কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে ২৫ জন শিশু ও কিশোরও রয়েছে। বুধবার তাদের প্রত্যেককে অন্তত দুই বছর কারাদণ্ড দিয়ে রায় দেয় দেশটির একটি আদালত। নিরাপত্তা বাহিনীর নির্যাতন ও নিপীড়ন থেকে পালিয়ে যাওয়ার মুখে সম্প্রতি তাদের আটক করা হয়। আইনজীবীর বরাত দিয়ে এ খবর দিয়েছে এএফপি।

খবরে বলা হয়, এদিন মিয়ানমারের পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর পাথেইনে একটি আদালতে পুলিশের গাড়ি থেকে একে একে নামানো হয় ভীত ও শঙ্কিত ৯৫ রোহিঙ্গাকে। তাদের অপরাধ, অভিযানের মুখে সরকারের অনুমতি ছাড়া শহর ছেড়ে পালানোর চেষ্টা করা। ২০১৭ সালের সেনাবাহিনীর নিধনযজ্ঞের মুখে রাখাইন থেকে পালিয়ে বাংলাদেশের কক্সবাজারে আশ্রয় নেয় ৭ লক্ষাধিক রোহিঙ্গা। এরপর থেকে নিজেদের রাজ্যেই কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে খেয়ে-না-খেয়ে ও শিক্ষা, স্বাস্থ্যের অধিকারবঞ্চিত হয়ে বাস করতে বাধ্য হচ্ছে আরও কয়েক লাখ রোহিঙ্গা। এই অবস্থাকে ‘বর্ণবাদ’ হিসেবে অভিহিত করেছে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল। এমন পরিস্থিতির মধ্যে সন্ত্রাস দমনের নামে গ্রামে গ্রামে প্রায়ই চালানো হচ্ছে সামরিক অভিযান। ফলে আগের মতোই নৌকা, ট্রেন ও বাস করে বাংলাদেশ কিংবা মিয়ানমারের অন্য রাজ্যে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে রোহিঙ্গা। গত মাসের শেষের দিকে নৌকায় বাণিজ্যিক রাজধানী ইয়াঙ্গুন যাওয়ার পথে আটক করা হয় ৯৫ জনকে। এই দলটি ছিল গত মাসে আটক হওয়া তৃতীয় দল। কয়েকদিন আটক রাখার পর বুধবার তাদের আদালতে তোলা হয়। দলটির আইনজীবী তাজিন মিয়াত বলেন, উন্নত জীবনের আশায় ইয়াঙ্গুনে প্রবেশের চেষ্টা করছিল ওই ৯৫ জন। এজন্য দালালকে তারা মাথাপিছু কয়েকশ ডলার করে দিয়েছিল।