দরিদ্র দেশগুলোতে ক্যান্সার বাড়বে ৮১ শতাংশ
jugantor
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সতর্কতা
দরিদ্র দেশগুলোতে ক্যান্সার বাড়বে ৮১ শতাংশ

  যুগান্তর ডেস্ক  

০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

প্রতিরোধ এবং চিকিৎসাসেবায় বিনিয়োগের অভাবে ২০৪০ সালের মধ্যে নিু ও মধ্যম আয়ের দেশগুলোতে প্রাণঘাতী ক্যান্সারের প্রকোপ ৮১ শতাংশ বৃদ্ধি পেতে পারে বলে সতর্ক করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। এসব দেশ ক্যান্সারের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের পরিবর্তে অন্যান্য সংক্রামক ব্যাধি ও মাতৃ এবং শিশু স্বাস্থ্যের উন্নতির জন্য তাদের সীমিত সম্পদ ব্যয়ে মনোনিবেশ করেছে। মঙ্গলবার ডব্লিউএইচও এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানিয়েছে। এতে বলা হয়, বিশ্বের নিু এবং মধ্যম আয়ের দেশগুলোতে ক্যান্সারে মৃত্যুহার সর্বোচ্চ। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সহকারী মহাপরিচালক রেন মিংহু বলেছেন, ধনী এবং দরিদ্র দেশগুলোতে ক্যান্সারের সেবায় মেনে না নেয়ার মতো এ বৈষম্য আমাদের জেগে ওঠার এক আহ্বান। তিনি আরও বলেন, যদি প্রাথমিক সেবা এবং চিকিৎসা ব্যবস্থায় মানুষের সহজ প্রবেশাধিকার থাকে, তাহলে প্রাণঘাতী এ রোগ প্রাথমিক পর্যায়ে শনাক্ত, কার্যকর চিকিৎসা এবং নিরাময় করা যেতে পারে। বিশ্বের কোথাও কারও জন্য ক্যান্সার মৃত্যুর সাজা হতে পারে না। বিশ্ব ক্যান্সার দিবসে প্রকাশিত ডব্লিউএইচও’র এ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগামী দশকে আড়াই হাজার কোটি ডলার (২৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার) বিনিয়োগই কেবল ক্যান্সারের ছোবল থেকে ৭০ লাখ মানুষের জীবন বাঁচাতে পারে। ডব্লিউএইচও’র সংক্রামক ব্যাধি ব্যবস্থাপনা বিভাগের প্রধান অ্যান্ড্রু ইবায়ি বলেছেন, ক্যান্সারের নিয়ন্ত্রণ ব্যয়বহুল হওয়া ঠিক হবে না। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০৪০ সালের মধ্যে বিশ্বজুড়ে ক্যান্সার আক্রান্তের ঘটনা ৬০ শতাংশ বৃদ্ধি পেতে পারে। বর্তমানে ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে ২০ শতাংশ মৃত্যুর জন্য তামাকই দায়ী। ক্যান্সার গবেষণাবিষয়ক সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল অ্যাজেন্সি ফর রিসার্চ অন ক্যান্সারের পরিচালক এলিজাবেথ উইডারপাস বলেন, উচ্চআয়ের দেশগুলোতে উন্নত ক্যান্সার চিকিৎসার ফলে ২০০০ থেকে ২০১৫ সালের মধ্যে প্রাণহানি ২০ শতাংশ হ্রাস পেয়েছিল।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সতর্কতা

দরিদ্র দেশগুলোতে ক্যান্সার বাড়বে ৮১ শতাংশ

 যুগান্তর ডেস্ক 
০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

প্রতিরোধ এবং চিকিৎসাসেবায় বিনিয়োগের অভাবে ২০৪০ সালের মধ্যে নিু ও মধ্যম আয়ের দেশগুলোতে প্রাণঘাতী ক্যান্সারের প্রকোপ ৮১ শতাংশ বৃদ্ধি পেতে পারে বলে সতর্ক করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। এসব দেশ ক্যান্সারের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের পরিবর্তে অন্যান্য সংক্রামক ব্যাধি ও মাতৃ এবং শিশু স্বাস্থ্যের উন্নতির জন্য তাদের সীমিত সম্পদ ব্যয়ে মনোনিবেশ করেছে। মঙ্গলবার ডব্লিউএইচও এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানিয়েছে। এতে বলা হয়, বিশ্বের নিু এবং মধ্যম আয়ের দেশগুলোতে ক্যান্সারে মৃত্যুহার সর্বোচ্চ। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সহকারী মহাপরিচালক রেন মিংহু বলেছেন, ধনী এবং দরিদ্র দেশগুলোতে ক্যান্সারের সেবায় মেনে না নেয়ার মতো এ বৈষম্য আমাদের জেগে ওঠার এক আহ্বান। তিনি আরও বলেন, যদি প্রাথমিক সেবা এবং চিকিৎসা ব্যবস্থায় মানুষের সহজ প্রবেশাধিকার থাকে, তাহলে প্রাণঘাতী এ রোগ প্রাথমিক পর্যায়ে শনাক্ত, কার্যকর চিকিৎসা এবং নিরাময় করা যেতে পারে। বিশ্বের কোথাও কারও জন্য ক্যান্সার মৃত্যুর সাজা হতে পারে না। বিশ্ব ক্যান্সার দিবসে প্রকাশিত ডব্লিউএইচও’র এ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগামী দশকে আড়াই হাজার কোটি ডলার (২৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার) বিনিয়োগই কেবল ক্যান্সারের ছোবল থেকে ৭০ লাখ মানুষের জীবন বাঁচাতে পারে। ডব্লিউএইচও’র সংক্রামক ব্যাধি ব্যবস্থাপনা বিভাগের প্রধান অ্যান্ড্রু ইবায়ি বলেছেন, ক্যান্সারের নিয়ন্ত্রণ ব্যয়বহুল হওয়া ঠিক হবে না। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০৪০ সালের মধ্যে বিশ্বজুড়ে ক্যান্সার আক্রান্তের ঘটনা ৬০ শতাংশ বৃদ্ধি পেতে পারে। বর্তমানে ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে ২০ শতাংশ মৃত্যুর জন্য তামাকই দায়ী। ক্যান্সার গবেষণাবিষয়ক সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল অ্যাজেন্সি ফর রিসার্চ অন ক্যান্সারের পরিচালক এলিজাবেথ উইডারপাস বলেন, উচ্চআয়ের দেশগুলোতে উন্নত ক্যান্সার চিকিৎসার ফলে ২০০০ থেকে ২০১৫ সালের মধ্যে প্রাণহানি ২০ শতাংশ হ্রাস পেয়েছিল।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন