হুইলচেয়ার কাহিনী

  জগদ্বিখ্যাত ব্রিটিশ পদার্থবিজ্ঞানী স্টিফেন উইলিয়াম হকিংয়ের হুইলচেয়ার বিশ্বের আর পাঁচটি মানুষের ব্যবহার করা হুইলচেয়ারের মতো নয়। অত্যাধুনিক এ চেয়ারের মাধ্যমেই তিনি অন্যের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারতেন। ১৯৬৩ সালে মাত্র ২১ বছর বয়সে মোটর নিউরন রোগ ধরা পড়ার পর থেকেই হুইলচেয়ারই তার নিত্যসঙ্গী। ১৬ মার্চ ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

হুইলচেয়ার

চেয়ারটির সঙ্গে যুক্ত ছিল কম্পিউটার আর তার মধ্যে ছিল বিভিন্ন ধরনের অত্যাধুনিক সফটওয়্যার। এসব সফটওয়্যারের মাধ্যমে তিনি কথা বলতেন।

১৯৮৫ সালে বাকশক্তি হারানোর পর বানান লেখা কার্ড ব্যবহার করে কথা বলা শুরু করেন খ্যাতিমান এই পদার্থবিজ্ঞানী। চোখের চাহনিতে বোঝানোর চেষ্টা করতেন, কী বলতে চান।

ক্যালিফোর্নিয়ার সংস্থা ওয়ার্ডপ্লাস ‘ইকুয়ালাইজার’ নামে একটি প্রোগ্রাম যুক্ত করে দেয় হুইলচেয়ারে। এর মাধ্যমে হাতে রাখা যন্ত্রে ক্লিক করে কম্পিউটারের মাধ্যমে শব্দ বা কথা বোঝানো যায়।

পরে ‘ইকুয়ালাইজারের’ সঙ্গে যুক্ত করা হল ‘স্পিচপ্লাস’ নামে একটি সংস্থার তৈরি যন্ত্র ‘স্পিচ সিন্থেসাইজার’। হুইলচেয়ারের হাতলে লাগিয়ে দেয়া হল সেটি। হাতের ইশারায় যন্ত্রের মাধ্যমে কম্পিউটারে লেখা হতো। আর সিন্থেসাইজার মারফত ভেসে উঠত সেই কথা।

এক মিনিটে ১৫টি পর্যন্ত যান্ত্রিক শব্দ প্রকাশ করতে পারতেন হকিং। এতে তার প্রথম কথা ছিল “একজন সহকারী দরকার, ‘অ্যা ব্রিফ হিস্ট্রি অব টাইম’ শেষ করতে হবে।”

১৯৯৭ সালে হকিংয়ের সঙ্গে ইনটেলের সহ-প্রতিষ্ঠাতা গর্ডন মুরের দেখা হয়। তিনি হকিংকে মাইক্রোপ্রসেসরযুক্ত ইনটেলের আসল কম্পিউটার ব্যবহারের আহ্বান জানান। এরপর থেকে হকিংকে যাবতীয় প্রযুক্তিগত সাহায্য দিত ইনটেল। প্রতি দু’বছর অন্তর তার কম্পিউটার বদলে দিত সংস্থাটি।

ঘটনাপ্রবাহ : স্টিফেন হকিং আর নেই

আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×