ভাঙছে মধ্যপ্রদেশ সরকার

মোদির সঙ্গে দেখা করে দল ছাড়লেন কংগ্রেস নেতা

  যুগান্তর ডেস্ক ১১ মার্চ ২০২০, ০০:০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠকের পর কংগ্রেস ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছেন দলটির অন্যতম নেতা জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া।

তার সঙ্গে পদত্যাগ করেছেন মধ্যপ্রদেশ বিধানসভার ২২ জন বিধায়ক। এতে পতনের মুখে পড়েছে কংগ্রেস শাসিত রাজ্যটির মুখ্যমন্ত্রী কমল নাথের সরকার। টাইমস অব ইন্ডিয়া।

মঙ্গলবার এক টুইট বার্তায় সিন্ধিয়া নিজের পদত্যাগের চিঠি শেয়ার করার কিছুক্ষণের মধ্যেই ‘দলবিরোধী’ কাজের অভিযোগে জ্যোতিরাদিত্যকে বহিষ্কার করে কংগ্রেস।

দলটির সাধারণ সম্পাদক কেসি ভেনুগোপাল এক বিবৃতিতে বলেন, ‘কংগ্রেস সভানেত্রী দলবিরোধী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস থেকে জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়াকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্তে অনুমোদন দিয়েছেন।’

নিজের পদত্যাগপত্রে জ্যোতিরাদিত্য লিখেছেন, ‘বরাবরই আমার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য ছিল আমার রাজ্য ও দেশের জনগণের সেবা করা, কিন্তু আমি মনে করছি এ দলের মধ্যে সেই কাজ আর আমি করতে পারছি না।’

তার আগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠকের ঘটনায় জ্যোতিরাদিত্যের বিজিপিতে যোগ দেয়ার গুঞ্জন আরও প্রবল হয়। কেউ কেউ বলছেন, আজই বিজেপিতে যোগ দিতে পারেন তিনি।

এমনকি বিজেপির হয়ে রাজ্যসভার প্রার্থীও হতে পারেন জ্যোতিরাদিত্য। আগের দিন সোমবার কংগ্রেসের প্রবীণ নেতা দিগ্বিজয় সিং জানান, তারা বহু চেষ্টা করেও জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়ার সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেননি।

তিনি জানান, ‘আমরা সিন্ধিয়ার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করে চলেছি কিন্তু বলা হচ্ছে তিনি সোয়াইন ফ্লুতে আক্রান্ত। তাই কথা বলতে পারবেন না।’

গত কয়েক দিন ধরেই চাপা ডামাডোল চলছিল মধ্যপ্রদেশ কংগ্রেসে। এর মধ্যেই সোমবার থেকে দলীয় নেতাদের সঙ্গে সব রকমের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে ফেলেন জ্যোতিরাদিত্য।

একই সঙ্গে খবর পাওয়া যাচ্ছিল, কমলনাথ সরকারের ছয় মন্ত্রীসহ ১৬ জন কংগ্রেস বিধায়ককে বেঙ্গালুরুতে নিয়ে গিয়ে হোটেলে রেখেছে বিজেপি। ঘটনা মোড় নেয় মঙ্গলবার সকাল থেকে।

অমিত শাহের সঙ্গে নরেন্দ্র মোদির বাসভবনে গিয়ে তার সঙ্গে দেখা করেন জ্যোতিরাদিত্য। তারপরই দল থেকে ইস্তফা দেন। ইস্তফাপত্র পাঠিয়ে দেন দলের অন্তর্বর্তী সভাপতি সনিয়া গান্ধীর কাছে।

কিছুক্ষণের মধ্যেই ছয় মন্ত্রীসহ ২২ জন কংগ্রেস বিধায়কও ইস্তফাপত্র পাঠিয়ে দেন রাজ্যপালের কাছে। মুখ্যমন্ত্রী কমলনাথ সংবাদিকদের বলেন, ‘সেসব শক্তিকে আমি জয়ী হতে দেব না, যারা মাফিয়াদের সাহায্যে অস্থিরতা তৈরি করছে। আমার সবচেয়ে বড় শক্তি হল বিশ্বাস এবং মধ্যপ্রদেশের মানুষের ভালোবাসা।’

ঘটনাপ্রবাহ : ভারতে নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল বিতর্ক

আরও

সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত