চীনই মডেল চীনই ভরসা
jugantor
দেশে দেশে সাহায্যের হাত বাড়াচ্ছে বেইজিং
চীনই মডেল চীনই ভরসা
কঠোর লকডাউনই একমাত্র সমাধান: ইউরোপকে ২০ লাখ ও ফ্রান্সকে ১০ লাখ মাস্ক পাঠিয়েছে বেইজিং * ফিলিপাইনকে এক লাখ করে টেস্ট কিট, সার্জিক্যাল মাস্ক, এন৯৫ মাস্ক এবং ১০ হাজার সুরক্ষামূলক পোশাক পাঠানোর ঘোষণা বেইজিংয়ের * ইতালি, ইরাক ও ইরানে পাঠানো হয়েছে করোনা বিশেষজ্ঞ টিম * শ্রীলংকাকে ৫০ কোটি ডলারের আর্থিক সহায়তা। পুরো এশিয়ায় ১৮ লাখ মাস্ক ও দুই লাখ ১০ হাজার টেস্ট কিট পাঠাচ্ছে আলিবাবা

  সালমান রিয়াজ  

২২ মার্চ ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

করোনাভাইরাসে প্রথম আক্রমণের শিকার হয় চীন। প্রায় আড়াই মাসের লড়াই শেষে ভাইরাসটিকে নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়েছে দেশটি। চীন এখন বিশ্বের কাছে ‘করোনা মোকাবেলায় মডেল’। করোনার উৎসস্থল চীনের হুবেই প্রদেশে গত তিন দিনে নতুন করে কেউ আক্রান্ত হয়নি। পর্যাপ্ত ভাইরাস শনাক্তকরণ কিট, মাস্ক, ভেন্টিলেটর, সুরক্ষামূলক পোশাক এবং চিকিৎসকদের একাগ্র প্রচেষ্টায় পুরোপুরি সফল তারা। চীনই এখন বিশ্বের অন্যান্য দেশের আদর্শ ও একমাত্র ভরসার পাত্রে পরিণত হয়েছে। বিভিন্ন চিকিৎসা সরঞ্জাম চেয়ে চীনের দ্বারস্থ হচ্ছে করোনা আক্রান্ত দেশগুলো। তাদের আবেদনে সাড়াও দিচ্ছে চীন। মেডিকেল সরঞ্জামের পাশাপাশি করোনা বিশেষজ্ঞদের পাঠিয়েও সহায়তার হাত প্রশস্ত করছে বেইজিং। গত এক সপ্তাহে ইতালি, ফিলিপাইন, পাকিস্তান, কম্বোডিয়া, ফ্রান্স, স্পেন ও ভ্যাটিক্যান সিটিতে কয়েক কোটি সার্জিক্যাল মাস্ক, টেস্ট কিট, ভেন্টিলেটর পাঠিয়েছে চীন। এছাড়া, ইরাক ও ইরানে করোনা বিশেষজ্ঞ টিম পাঠানো হয়েছে। করোনা মোকাবেলায় শ্রীলংকাকে ৫০ কোটি ডলার আর্থিক সহায়তা দিয়েছে বেইজিং।

এএফপি জানায়, করোনাভাইরাস সংক্রমণে বিপর্যস্ত ইউরোপকেই সবচেয়ে বেশি সহায়তা দিচ্ছে বেইজিং। শুক্রবার সিনহুয়া নিউজ জানায়, চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং করোনায় আক্রান্ত ইতালি ও স্পেনের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে টেলিফোন আলাপে সহায়তার প্রতিশ্র“তি দিয়েছেন। চীনের বেল্ট অ্যান্ড রোড প্রকল্পের অন্যতম পার্টনার ইতালিতে দুটি মেডিকেল টিমও পাঠিয়েছে বেইজিং। আক্রান্তের সংখ্যা চীনের তুলনায় কম হলেও মৃতের সংখ্যায় শীর্ষে রয়েছে ইতালি। দেশটিতে শনিবার পর্যন্ত মারা গেছেন চার হাজার ৩২ জন। চীনে মারা গেছেন তিন হাজার ২২৫ জন। অথচ চীনে আক্রান্ত ৮১ হাজার এবং ইতালিতে আক্রান্ত ৪৭ হাজার।

ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসিলা ভন ডার লিয়েন টুইটারে বলেন, চলতি সপ্তাহেই চীন ইউরোপের জন্য ২০ লাখ মাস্ক পাঠাচ্ছে। তিনি আরও বলেন, ‘জানুয়ারিতে চীনের সংকটকালীন সময়ে ইউরোপ চিকিৎসা সরঞ্জাম পাঠিয়েছিল। এখন আমাদের বিপদে তারা এগিয়ে আসায় আমরা কৃতজ্ঞ।’ একইভাবে চীনের বিপদে জানুয়ারিতে মাস্ক পাঠিয়ে সহায়তা করেছিল ভ্যাটিক্যান সিটি। এবার তাদের ২৪ হাজার মাস্ক পাঠিয়ে সহায়তা করেছে বেইজিং। সার্বিয়ার প্রেসিডেন্ট আলেক্সান্ডার ভুসিকের অনুরোধে তাদেরও মেডিকেল সরঞ্জাম পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছে চীন। আলেক্সান্ডার তার দেশে বেইজিং দূতাবাসকে জানিয়েছিলেন, ‘আপনারা ইউরোপকে সাহায্য না করলেও তারা নিজেদের সুরক্ষা করতে পারবে। এজন্য ওই সহায়তা আমাদের দেয়া উচিত। সার্বিয়া চীনা ভাইদের সহায়তার অপেক্ষায় রয়েছে।’ ফিলিপাইনকে গত সোমবার দুই হাজার করোনা টেস্ট কিট পাঠিয়েছে চীন। দেশটিকে আরও এক লাখ টেস্ট কিটসহ অন্যান্য মেডিকেল সরঞ্জাম দান করার ঘোষণা দিয়েছে বেইজিং। চীনা রাষ্ট্রদূত হুয়াং জিলিয়ান বলেন, বেইজিংয়ের এ সহায়তার মধ্যে থাকবে এক লাখ টেস্ট কিট, এক লাখ সার্জিক্যাল মাস্ক, এক লাখ এন৯৫ মাস্ক এবং ১০ হাজার সেট সুরক্ষামূলক পোশাক। তিনি আরও বলেন, চীনের জনগণ ফিলিপাইনের ভাই-বোনদের এ কঠিন সময়ে পাশে দাঁড়াতে প্রস্তুত। জবাবে ফিলিপাইনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী টিয়োডোরো লকসিন বলেন, ‘ধন্যবাদ, আমার ভাই।’ চীনের শীর্ষ ধনী জ্যাক মা ইউরোপের দেশগুলোকে ২০ লাখ মাস্ক দান করেছেন। ইতোমধ্যে বেলজিয়াম, স্পেন ও ইতালিতে জাহাজে করে সেসব পণ্য পৌঁছে গেছে। ফ্রান্সকে আরও ১০ লাখ মাস্ক গত বুধবার চীন থেকে পাঠানো হয়েছে। ই-কমার্স সাইট আলিবাবার প্রতিষ্ঠাতা জ্যাক যুক্তরাষ্ট্রকে পাঁচ লাখ টেস্ট কিট ও ১০ লাখ ফেস মাস্ক দান করেছেন। গত ২ মার্চ জাপানকে ১০ লাখ, ৬ মার্চ ইরানকে ১০ লাখ মাস্ক পাঠিয়েছেন এ ধনকুবের। এছাড়া এশিয়ার দেশগুলোকে ১৮ লাখ মাস্ক ও দুই লাখ ১০ হাজার করোনা টেস্ট কিট পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছেন তিনি। শুক্রবার এক টুইট বার্তায় জ্যাক জানান, আফগানিস্তান, বাংলাদেশ, কম্বোডিয়া, লাওস, মালদ্বীপ, মঙ্গোলিয়া, মিয়ানমার, নেপাল, পাকিস্তান ও শ্রীলংকাকে সুরক্ষামূলক পোশাক, ভেন্টিলেটর, থার্মোমিটার ও মাস্ক পাঠানো হবে।

চীন করোনা মোকাবেলায় সারাবিশ্বের কাছে এখন মডেল বা আদর্শে পরিণত হয়েছে বলে জানিয়েছে দ্য গার্ডিয়ান। আক্রান্ত শনাক্ত হওয়ার কয়েক দিনের মধ্যেই উহান শহর লকডাউন করে দেয় চীন। আক্রান্ত বাড়তে শুরু করলেই হুবেই প্রদেশও লকডাউন করা হয়। শুধু উহানে বাস করেন এক কোটি ১০ লাখ মানুষ। খাদ্য ও ওষুধ ছাড়া সব দোকান, শপিংমল বন্ধ করা হয়। নিতান্ত প্রয়োজনে কুরিয়ারের মাধ্যমে খাবার পৌঁছে দেয়া হয়েছে। গণপরিবহন, স্কুল-কলেজ বন্ধ করা হয়। এরপরের কৌশল আরও কার্যকরী। ঘরে ঘরে গিয়ে নাগরিকদের পরীক্ষা করেছেন চিকিৎসকরা। করোনা আক্রান্ত শনাক্ত হলেই তাকে আইসোলেশনে পাঠানো হয়েছে।

দেশে দেশে সাহায্যের হাত বাড়াচ্ছে বেইজিং

চীনই মডেল চীনই ভরসা

কঠোর লকডাউনই একমাত্র সমাধান: ইউরোপকে ২০ লাখ ও ফ্রান্সকে ১০ লাখ মাস্ক পাঠিয়েছে বেইজিং * ফিলিপাইনকে এক লাখ করে টেস্ট কিট, সার্জিক্যাল মাস্ক, এন৯৫ মাস্ক এবং ১০ হাজার সুরক্ষামূলক পোশাক পাঠানোর ঘোষণা বেইজিংয়ের * ইতালি, ইরাক ও ইরানে পাঠানো হয়েছে করোনা বিশেষজ্ঞ টিম * শ্রীলংকাকে ৫০ কোটি ডলারের আর্থিক সহায়তা। পুরো এশিয়ায় ১৮ লাখ মাস্ক ও দুই লাখ ১০ হাজার টেস্ট কিট পাঠাচ্ছে আলিবাবা
 সালমান রিয়াজ 
২২ মার্চ ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

করোনাভাইরাসে প্রথম আক্রমণের শিকার হয় চীন। প্রায় আড়াই মাসের লড়াই শেষে ভাইরাসটিকে নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়েছে দেশটি। চীন এখন বিশ্বের কাছে ‘করোনা মোকাবেলায় মডেল’। করোনার উৎসস্থল চীনের হুবেই প্রদেশে গত তিন দিনে নতুন করে কেউ আক্রান্ত হয়নি। পর্যাপ্ত ভাইরাস শনাক্তকরণ কিট, মাস্ক, ভেন্টিলেটর, সুরক্ষামূলক পোশাক এবং চিকিৎসকদের একাগ্র প্রচেষ্টায় পুরোপুরি সফল তারা। চীনই এখন বিশ্বের অন্যান্য দেশের আদর্শ ও একমাত্র ভরসার পাত্রে পরিণত হয়েছে। বিভিন্ন চিকিৎসা সরঞ্জাম চেয়ে চীনের দ্বারস্থ হচ্ছে করোনা আক্রান্ত দেশগুলো। তাদের আবেদনে সাড়াও দিচ্ছে চীন। মেডিকেল সরঞ্জামের পাশাপাশি করোনা বিশেষজ্ঞদের পাঠিয়েও সহায়তার হাত প্রশস্ত করছে বেইজিং। গত এক সপ্তাহে ইতালি, ফিলিপাইন, পাকিস্তান, কম্বোডিয়া, ফ্রান্স, স্পেন ও ভ্যাটিক্যান সিটিতে কয়েক কোটি সার্জিক্যাল মাস্ক, টেস্ট কিট, ভেন্টিলেটর পাঠিয়েছে চীন। এছাড়া, ইরাক ও ইরানে করোনা বিশেষজ্ঞ টিম পাঠানো হয়েছে। করোনা মোকাবেলায় শ্রীলংকাকে ৫০ কোটি ডলার আর্থিক সহায়তা দিয়েছে বেইজিং।

এএফপি জানায়, করোনাভাইরাস সংক্রমণে বিপর্যস্ত ইউরোপকেই সবচেয়ে বেশি সহায়তা দিচ্ছে বেইজিং। শুক্রবার সিনহুয়া নিউজ জানায়, চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং করোনায় আক্রান্ত ইতালি ও স্পেনের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে টেলিফোন আলাপে সহায়তার প্রতিশ্র“তি দিয়েছেন। চীনের বেল্ট অ্যান্ড রোড প্রকল্পের অন্যতম পার্টনার ইতালিতে দুটি মেডিকেল টিমও পাঠিয়েছে বেইজিং। আক্রান্তের সংখ্যা চীনের তুলনায় কম হলেও মৃতের সংখ্যায় শীর্ষে রয়েছে ইতালি। দেশটিতে শনিবার পর্যন্ত মারা গেছেন চার হাজার ৩২ জন। চীনে মারা গেছেন তিন হাজার ২২৫ জন। অথচ চীনে আক্রান্ত ৮১ হাজার এবং ইতালিতে আক্রান্ত ৪৭ হাজার।

ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসিলা ভন ডার লিয়েন টুইটারে বলেন, চলতি সপ্তাহেই চীন ইউরোপের জন্য ২০ লাখ মাস্ক পাঠাচ্ছে। তিনি আরও বলেন, ‘জানুয়ারিতে চীনের সংকটকালীন সময়ে ইউরোপ চিকিৎসা সরঞ্জাম পাঠিয়েছিল। এখন আমাদের বিপদে তারা এগিয়ে আসায় আমরা কৃতজ্ঞ।’ একইভাবে চীনের বিপদে জানুয়ারিতে মাস্ক পাঠিয়ে সহায়তা করেছিল ভ্যাটিক্যান সিটি। এবার তাদের ২৪ হাজার মাস্ক পাঠিয়ে সহায়তা করেছে বেইজিং। সার্বিয়ার প্রেসিডেন্ট আলেক্সান্ডার ভুসিকের অনুরোধে তাদেরও মেডিকেল সরঞ্জাম পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছে চীন। আলেক্সান্ডার তার দেশে বেইজিং দূতাবাসকে জানিয়েছিলেন, ‘আপনারা ইউরোপকে সাহায্য না করলেও তারা নিজেদের সুরক্ষা করতে পারবে। এজন্য ওই সহায়তা আমাদের দেয়া উচিত। সার্বিয়া চীনা ভাইদের সহায়তার অপেক্ষায় রয়েছে।’ ফিলিপাইনকে গত সোমবার দুই হাজার করোনা টেস্ট কিট পাঠিয়েছে চীন। দেশটিকে আরও এক লাখ টেস্ট কিটসহ অন্যান্য মেডিকেল সরঞ্জাম দান করার ঘোষণা দিয়েছে বেইজিং। চীনা রাষ্ট্রদূত হুয়াং জিলিয়ান বলেন, বেইজিংয়ের এ সহায়তার মধ্যে থাকবে এক লাখ টেস্ট কিট, এক লাখ সার্জিক্যাল মাস্ক, এক লাখ এন৯৫ মাস্ক এবং ১০ হাজার সেট সুরক্ষামূলক পোশাক। তিনি আরও বলেন, চীনের জনগণ ফিলিপাইনের ভাই-বোনদের এ কঠিন সময়ে পাশে দাঁড়াতে প্রস্তুত। জবাবে ফিলিপাইনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী টিয়োডোরো লকসিন বলেন, ‘ধন্যবাদ, আমার ভাই।’ চীনের শীর্ষ ধনী জ্যাক মা ইউরোপের দেশগুলোকে ২০ লাখ মাস্ক দান করেছেন। ইতোমধ্যে বেলজিয়াম, স্পেন ও ইতালিতে জাহাজে করে সেসব পণ্য পৌঁছে গেছে। ফ্রান্সকে আরও ১০ লাখ মাস্ক গত বুধবার চীন থেকে পাঠানো হয়েছে। ই-কমার্স সাইট আলিবাবার প্রতিষ্ঠাতা জ্যাক যুক্তরাষ্ট্রকে পাঁচ লাখ টেস্ট কিট ও ১০ লাখ ফেস মাস্ক দান করেছেন। গত ২ মার্চ জাপানকে ১০ লাখ, ৬ মার্চ ইরানকে ১০ লাখ মাস্ক পাঠিয়েছেন এ ধনকুবের। এছাড়া এশিয়ার দেশগুলোকে ১৮ লাখ মাস্ক ও দুই লাখ ১০ হাজার করোনা টেস্ট কিট পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছেন তিনি। শুক্রবার এক টুইট বার্তায় জ্যাক জানান, আফগানিস্তান, বাংলাদেশ, কম্বোডিয়া, লাওস, মালদ্বীপ, মঙ্গোলিয়া, মিয়ানমার, নেপাল, পাকিস্তান ও শ্রীলংকাকে সুরক্ষামূলক পোশাক, ভেন্টিলেটর, থার্মোমিটার ও মাস্ক পাঠানো হবে।

চীন করোনা মোকাবেলায় সারাবিশ্বের কাছে এখন মডেল বা আদর্শে পরিণত হয়েছে বলে জানিয়েছে দ্য গার্ডিয়ান। আক্রান্ত শনাক্ত হওয়ার কয়েক দিনের মধ্যেই উহান শহর লকডাউন করে দেয় চীন। আক্রান্ত বাড়তে শুরু করলেই হুবেই প্রদেশও লকডাউন করা হয়। শুধু উহানে বাস করেন এক কোটি ১০ লাখ মানুষ। খাদ্য ও ওষুধ ছাড়া সব দোকান, শপিংমল বন্ধ করা হয়। নিতান্ত প্রয়োজনে কুরিয়ারের মাধ্যমে খাবার পৌঁছে দেয়া হয়েছে। গণপরিবহন, স্কুল-কলেজ বন্ধ করা হয়। এরপরের কৌশল আরও কার্যকরী। ঘরে ঘরে গিয়ে নাগরিকদের পরীক্ষা করেছেন চিকিৎসকরা। করোনা আক্রান্ত শনাক্ত হলেই তাকে আইসোলেশনে পাঠানো হয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন