চীনের মতো আসামেও স্টেডিয়ামে কোয়ারেন্টিন

  যুগান্তর ডেস্ক ২৮ মার্চ ২০২০, ০০:০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

ছবি: সংগৃহীত

চীনের উহানের মতো করোনা আক্রান্তদের জন্য স্টেডিয়ামে কোয়ারেন্টিন কেন্দ্র তৈরি হচ্ছে ভারতের আসামেও।

আক্রান্তদের আলাদা রাখা ও চিকিৎসা দেয়ার জন্য রাজ্যের সরুসোজাই স্পোর্টস কমপ্লেক্সে তৈরি করা হচ্ছে ৭০০ বেডের বিরাট এক কোয়ারেন্টিন কেন্দ্র। চলতি সপ্তাহেই স্টেডিয়ামটি বিরাট এক অস্থায়ী হাসপাতালে পরিণত হবে।

বৃহস্পতিবার স্টেডিয়ামটি পরিদর্শন শেষে দেয়া এক টুইট বিবৃতিতে এ কথা জানান রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা। আসামের আরও একটি স্টেডিয়ামকেও কোয়ারেন্টিন হাসপাতাল হিসেবে ব্যবহারের প্রস্তাব দিয়েছে রাজ্যের ক্রিকেট বোর্ড। খবর এনডিটিভির।

টুইটে হিমন্ত লেখেন, একটি বিশাল কোয়ারেন্টিই কেন্দ্র তৈরি করা হচ্ছে গুয়াহাটির সরুসোজাই স্পোর্টস কমপ্লেক্সে। একসঙ্গে ৭০০ জনকে রাখার ক্ষমতা রয়েছে এই কেন্দ্রের। সকালে সেখানকার প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে পরিদর্শনে গিয়েছিলাম। এক সপ্তাহের মধ্যে এটি প্রস্তুত হয়ে যাবে।

টুইটের সঙ্গে ছবিও শেয়ার করেছেন বিশ্বশর্মা। সেখানে দেখা যাচ্ছে, মাস্ক পরিহিত কর্মীরা বাঁশের কাঠামোর সঙ্গে দড়ি বেঁধে তৈরি করছেন কেন্দ্রটি। দীর্ঘ এ কেন্দ্রটি ইউ শেপের এয়ারক্র্যাফট হ্যাঙ্গারের মতো দেখতে।

অর্থাৎ বিমান রাখার বিরাট কেন্দ্রের মতোই বড় হবে কেন্দ টি। রোগীদের চিকিৎসায় আসাম মেডিকেল কলেজের শেষ বর্ষের ৭০০ ছাত্রকে ও ২০০০ নার্স প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

শুধু আসামই নয়, পিছিয়ে নেই ওড়িষাও। করোনার সংক্রমণকে ‘স্টেজ থ্রি’ পর্যন্ত পৌঁছতে না দেয়ার পদক্ষেপ চলছে ভারতের এই রাজ্যেও। ভারতে প্রথম রাজ্য হিসেবে চীনের মতোই দ্রুততম গতিতে হাসপাতাল নির্মাণের কাজ শুরু করেছে ওড়িষা।

ইতোমধ্যে এক হাজার শয্যার একটি অস্থায়ী হাসপাতাল নির্মাণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্যসরকার। ওড়িষা সরকার নিশ্চিত করেছে, আগামী ১৪ দিনের মধ্যেই এই হাসপাতাল পুরোপুরি তৈরি হয়ে যাবে।

শুধু তা-ই নয়, এতগুলো বেডে যাতে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক রোগীকে ভর্তি করে দ্রুত পরিষেবা দেয়া যায়, সে চেষ্টাও করবে সরকার।

হাসপাতাল গড়ার এই উদ্যোগে সরকারের সঙ্গে হাত মিলিয়েছে রাজ্যের সবক’টি মেডিকেল কলেজ। অনেকেই বলছেন, করোনাভাইরাস সংক্রমণের মোকাবেলায় নতুন পথ দেখাচ্ছে ওড়িষা।

বিশেষজ্ঞরা বারবার সতর্ক করে বলছেন, একবার যদি সামাজিক সংক্রমণ শুরু হয়ে যায় করোনাভাইরাসের, তাহলেই এই অসুখ পৌঁছে যাবে স্টেজ থ্রি-তে। তাহলে ভারতকে মহামারী থেকে রক্ষা করা যাবে না।

ঘটনাপ্রবাহ : ছড়িয়ে পড়ছে করোনাভাইরাস

আরও
 

সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত