দোকানে ভিড় দেখলেই ‘বুলেট’ ছুড়ছে পুলিশ
jugantor
দোকানে ভিড় দেখলেই ‘বুলেট’ ছুড়ছে পুলিশ
দক্ষিণ আফ্রিকা : করোনায় প্রথম দু’জনের মৃত্যু, ২১ দিন লকডাউন

  যুগান্তর ডেস্ক  

২৯ মার্চ ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

দক্ষিণ আফ্রিকায় করোনাভাইরাসে প্রথম দু’জনের মৃত্যু হয়েছে। আক্রান্তের সংখ্যা এক হাজার ছাড়িয়ে গেছে। এ পরিস্থিতিতে দেশজুড়ে তিন সপ্তাহের লকডাউনের পদক্ষেপ নিয়েছে দেশটি। শুক্রবার মধ্যরাত থেকেই শুরু হয়েছে এ লকডাউন। আর সকালে ঘুম থেকে উঠেই দক্ষিণ আফ্রিকাবাসী কোভিড-১৯ এ প্রথম মৃত্যুর এ দুঃসংবাদ শুনেছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। লকডাউনের মধ্যে দোকানগুলোতে হুমড়ি খেয়ে পড়েছেন ক্রেতারা। সামাজিক দূরত্ব না মেনে দোকানের সামনে ভিড় করলেই রাবার বুলেট ছুড়ে হুশিয়ারি দিচ্ছে আফ্রিকার পুলিশ বাহিনী। শনিবার এএফপি জানায়, জোহানেসবার্গের সুপারমার্কেট এলাকায় শতাধিক দোকানিকে লক্ষ্য করে রাবার বুলেট ছুড়েছে পুলিশ।

বিবিসি জানায়, দক্ষিণ আফ্রিকার দক্ষিণাঞ্চলীয় ওয়েস্টার্ন কেপ প্রদেশের হাসপাতালে ওই দুই রোগীর মৃত্যু হয়েছে। সরকার ভাইরাসের বিস্তার ঠেকানোর চেষ্টায় ২১ দিনের লকডাউন শুরু করেছে। অপরিহার্য জিনিস আনা-নেয়া ছাড়া মানুষের আর কোনো রকম চলাচল নিষিদ্ধ রয়েছে। পুলিশ এবং সেনা রাস্তায় নেমে কাজ করছে। দেশটিতে এরই মধ্যে সব স্কুল বন্ধ হয়েছে এবং ১০০ জনের বেশি মানুষের জমায়েতও নিষিদ্ধ হয়েছে। নভেল করোনাভাইরাসে নতুন করে আরও সংক্রমণ ঠেকাতে লকডাউন কার্যকর করছে দেশটির পুলিশ ও সেনাবাহিনী। দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট সিরিল রামাফোসা বলেছেন, সংকটময় পরিস্থিতিতে জনগণকে রক্ষার দায়িত্বে সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। লকডাউন শুরুর আগে জোহানেসবার্গে সেনা সদস্যদের সঙ্গে দেখা করেন প্রেসিডেন্ট। তিনি আরও বলেন, দক্ষিণ আফ্রিকার গণতন্ত্রের ইতিহাসে কখনও ২১ দিনের লকডাউন হয়নি। কিন্তু করোনাভাইরাসের মতো এক অদৃশ্য শত্রুর মোকাবেলা করতে আজ আমাদের এই কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে। লকডাউনের আওতামুক্ত থাকবে দক্ষিণ আফ্রিকার সব খাবার দোকান। কিন্তু, পানশালা ও অন্যান্য বিনোদন কেন্দ্র যেখানে জনসমাগমের সম্ভাবনা রয়েছে সেগুলো বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। লকডাউনের ঘোষণা আসার সঙ্গে সঙ্গেই বিশাল লাইন দেখা দিয়েছে নিত্যপণ্যের দোকানগুলোর সামনে। জোহানেসবার্গের ইয়োভিলের জনপ্রিয় মুদি দোকান শপরাইটের সামনে ২০০ থেকে ৩০০ জনের জমায়েত দেখা গেছে। তাদের অধিকাংশ সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে অবস্থান করছিল না। মুহূর্তেই সেখানে পুলিশের ১০টি বহর উপস্থিত হয়ে রাবার বুলেট ছুড়তে শুরু করে। আরও শতাধিক দোকানের সামনে ভিড় দেখে গুলি ছোড়ে পুলিশ। পরে দোকানে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে চলতে নির্দেশনা দেয়া হয়।

দোকানে ভিড় দেখলেই ‘বুলেট’ ছুড়ছে পুলিশ

দক্ষিণ আফ্রিকা : করোনায় প্রথম দু’জনের মৃত্যু, ২১ দিন লকডাউন
 যুগান্তর ডেস্ক 
২৯ মার্চ ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

দক্ষিণ আফ্রিকায় করোনাভাইরাসে প্রথম দু’জনের মৃত্যু হয়েছে। আক্রান্তের সংখ্যা এক হাজার ছাড়িয়ে গেছে। এ পরিস্থিতিতে দেশজুড়ে তিন সপ্তাহের লকডাউনের পদক্ষেপ নিয়েছে দেশটি। শুক্রবার মধ্যরাত থেকেই শুরু হয়েছে এ লকডাউন। আর সকালে ঘুম থেকে উঠেই দক্ষিণ আফ্রিকাবাসী কোভিড-১৯ এ প্রথম মৃত্যুর এ দুঃসংবাদ শুনেছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। লকডাউনের মধ্যে দোকানগুলোতে হুমড়ি খেয়ে পড়েছেন ক্রেতারা। সামাজিক দূরত্ব না মেনে দোকানের সামনে ভিড় করলেই রাবার বুলেট ছুড়ে হুশিয়ারি দিচ্ছে আফ্রিকার পুলিশ বাহিনী। শনিবার এএফপি জানায়, জোহানেসবার্গের সুপারমার্কেট এলাকায় শতাধিক দোকানিকে লক্ষ্য করে রাবার বুলেট ছুড়েছে পুলিশ।

বিবিসি জানায়, দক্ষিণ আফ্রিকার দক্ষিণাঞ্চলীয় ওয়েস্টার্ন কেপ প্রদেশের হাসপাতালে ওই দুই রোগীর মৃত্যু হয়েছে। সরকার ভাইরাসের বিস্তার ঠেকানোর চেষ্টায় ২১ দিনের লকডাউন শুরু করেছে। অপরিহার্য জিনিস আনা-নেয়া ছাড়া মানুষের আর কোনো রকম চলাচল নিষিদ্ধ রয়েছে। পুলিশ এবং সেনা রাস্তায় নেমে কাজ করছে। দেশটিতে এরই মধ্যে সব স্কুল বন্ধ হয়েছে এবং ১০০ জনের বেশি মানুষের জমায়েতও নিষিদ্ধ হয়েছে। নভেল করোনাভাইরাসে নতুন করে আরও সংক্রমণ ঠেকাতে লকডাউন কার্যকর করছে দেশটির পুলিশ ও সেনাবাহিনী। দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট সিরিল রামাফোসা বলেছেন, সংকটময় পরিস্থিতিতে জনগণকে রক্ষার দায়িত্বে সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। লকডাউন শুরুর আগে জোহানেসবার্গে সেনা সদস্যদের সঙ্গে দেখা করেন প্রেসিডেন্ট। তিনি আরও বলেন, দক্ষিণ আফ্রিকার গণতন্ত্রের ইতিহাসে কখনও ২১ দিনের লকডাউন হয়নি। কিন্তু করোনাভাইরাসের মতো এক অদৃশ্য শত্রুর মোকাবেলা করতে আজ আমাদের এই কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে। লকডাউনের আওতামুক্ত থাকবে দক্ষিণ আফ্রিকার সব খাবার দোকান। কিন্তু, পানশালা ও অন্যান্য বিনোদন কেন্দ্র যেখানে জনসমাগমের সম্ভাবনা রয়েছে সেগুলো বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। লকডাউনের ঘোষণা আসার সঙ্গে সঙ্গেই বিশাল লাইন দেখা দিয়েছে নিত্যপণ্যের দোকানগুলোর সামনে। জোহানেসবার্গের ইয়োভিলের জনপ্রিয় মুদি দোকান শপরাইটের সামনে ২০০ থেকে ৩০০ জনের জমায়েত দেখা গেছে। তাদের অধিকাংশ সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে অবস্থান করছিল না। মুহূর্তেই সেখানে পুলিশের ১০টি বহর উপস্থিত হয়ে রাবার বুলেট ছুড়তে শুরু করে। আরও শতাধিক দোকানের সামনে ভিড় দেখে গুলি ছোড়ে পুলিশ। পরে দোকানে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে চলতে নির্দেশনা দেয়া হয়।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন