খান নিমপাতা টকদই সঙ্গে পাতিলেবু: মমতার করোনাবধ দাওয়াই
jugantor
খান নিমপাতা টকদই সঙ্গে পাতিলেবু: মমতার করোনাবধ দাওয়াই

  যুগান্তর ডেস্ক  

২৯ মার্চ ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

নিমপাতা ও টকদই খান। হালকা গরম পানিতে পাতিলেবুর রস খান, গরমে ভালো থাকবেন। সজনে ডাঁটা অত্যন্ত উপকারী। খেতে হবে হালকা খাবার।

করোনাভাইরাসের ভয়াল থাবা থেকে দূরে থাকতে রাজ্যবাসীর জন্য এমনই ডায়েট চার্ট বেঁধে দিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি।

ওয়ান ইন্ডিয়া জানায়, শুক্রবার রাজ্য সচিবালয় নবান্নে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে রাজ্যবাসীকে ভালো থাকার দাওয়াই হিসেবে এসব খাওয়ার পরামর্শ দেন মুখ্যমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘সকালে একটু উষ্ণ জলে পাতিলেবুর রস দিয়ে খান। গলা ভালো থাকবে। টকদইও খুব ভালো এখন। সঙ্গে নিমপাতাও খান। আমি রোজ সকালে ৪টা করে নিমপাতা খাই।

হালকা খাবার খান, শরীর ভালো থাকবে।’ এমনিতেই বেশ স্বাস্থ্য সচেতন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী। নিজের কাজে যতই ব্যস্ত থাকুন না কেন প্রতিদিন তার ৪-৫ কিলোমিটার হাঁটা চাই।

পাহাড়ে যান কিংবা বিদেশ সফরে- এ হাঁটার রুটিনে একদিনও ব্যত্যয় ঘটান না। একই সঙ্গে পরিমিত খান। এই তিন কড়া রুটিনই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তরুণ প্রজন্মের ফিগার কনশাস যেকোনো মানুষকে টেক্কা দিতে পারেন অনায়াসেই।

এসব কারণে বিশেষ রোগব্যাধি তার কাছ ঘেঁষে না। তাই নিজের সুস্থ জীবনযাপনের সেই টোটকাই তিনি দিলেন রাজ্যের মানুষজনকে। করোনা সংক্রমণের কবল থেকে বাঁচতে এগুলো যথেষ্ট সহায়ক বলে তিনি মনে করেন।

শুক্রবার বিকেল ৪টার দিকে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মুখ্যমন্ত্রী বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা দেন। দেশজুড়ে করোনা সংক্রমণ রুখতে লকডাউনের মতো কঠিন পরিস্থিতিতে পুলিশের ভূমিকা ঠিক কেমন হওয়া উচিত তাও বলে দিলেন তিনি। বলেন, ‘কেউ রেশন কিনতে গেলে, ওষুধ কিনতে গেলে যেন আটকানো না হয়। ক্ষমতার অপব্যবহার করবেন না কেউ।’

গত কয়েক দিনে অতি বাড়াবাড়ির কারণে সাতজন পুলিশকে ক্লোজ করা হয়েছে বলে জানান পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী। পুলিশের উদ্দেশে এ বার্তার পাশাপাশি আরও বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত দেন মমতা।

করোনাভাইরাস মোকাবেলায় মুখ্যমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে রাজ্যের তরফে তৈরি তহবিলটিও। এই তহবিলে আর্থিক সাহায্য করলে আয়কর ছাড়ের ঘোষণা দেন মুখ্যমন্ত্রী।

এ সময় রেশনব্যবস্থা চালু রাখতে কড়া নির্দেশ দিয়েছেন মমতা। তার ভাষ্য, ‘বিলি করার জন্য যদি কাউকে না পাওয়া যায়, সে ক্ষেত্রে স্থানীয় ছেলেমেয়েদেরই এই কাজে লাগাতে হবে।

খান নিমপাতা টকদই সঙ্গে পাতিলেবু: মমতার করোনাবধ দাওয়াই

 যুগান্তর ডেস্ক 
২৯ মার্চ ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

নিমপাতা ও টকদই খান। হালকা গরম পানিতে পাতিলেবুর রস খান, গরমে ভালো থাকবেন। সজনে ডাঁটা অত্যন্ত উপকারী। খেতে হবে হালকা খাবার।

করোনাভাইরাসের ভয়াল থাবা থেকে দূরে থাকতে রাজ্যবাসীর জন্য এমনই ডায়েট চার্ট বেঁধে দিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি।

ওয়ান ইন্ডিয়া জানায়, শুক্রবার রাজ্য সচিবালয় নবান্নে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে রাজ্যবাসীকে ভালো থাকার দাওয়াই হিসেবে এসব খাওয়ার পরামর্শ দেন মুখ্যমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘সকালে একটু উষ্ণ জলে পাতিলেবুর রস দিয়ে খান। গলা ভালো থাকবে। টকদইও খুব ভালো এখন। সঙ্গে নিমপাতাও খান। আমি রোজ সকালে ৪টা করে নিমপাতা খাই।

হালকা খাবার খান, শরীর ভালো থাকবে।’ এমনিতেই বেশ স্বাস্থ্য সচেতন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী। নিজের কাজে যতই ব্যস্ত থাকুন না কেন প্রতিদিন তার ৪-৫ কিলোমিটার হাঁটা চাই।

পাহাড়ে যান কিংবা বিদেশ সফরে- এ হাঁটার রুটিনে একদিনও ব্যত্যয় ঘটান না। একই সঙ্গে পরিমিত খান। এই তিন কড়া রুটিনই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তরুণ প্রজন্মের ফিগার কনশাস যেকোনো মানুষকে টেক্কা দিতে পারেন অনায়াসেই।

এসব কারণে বিশেষ রোগব্যাধি তার কাছ ঘেঁষে না। তাই নিজের সুস্থ জীবনযাপনের সেই টোটকাই তিনি দিলেন রাজ্যের মানুষজনকে। করোনা সংক্রমণের কবল থেকে বাঁচতে এগুলো যথেষ্ট সহায়ক বলে তিনি মনে করেন।

শুক্রবার বিকেল ৪টার দিকে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মুখ্যমন্ত্রী বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা দেন। দেশজুড়ে করোনা সংক্রমণ রুখতে লকডাউনের মতো কঠিন পরিস্থিতিতে পুলিশের ভূমিকা ঠিক কেমন হওয়া উচিত তাও বলে দিলেন তিনি। বলেন, ‘কেউ রেশন কিনতে গেলে, ওষুধ কিনতে গেলে যেন আটকানো না হয়। ক্ষমতার অপব্যবহার করবেন না কেউ।’

গত কয়েক দিনে অতি বাড়াবাড়ির কারণে সাতজন পুলিশকে ক্লোজ করা হয়েছে বলে জানান পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী। পুলিশের উদ্দেশে এ বার্তার পাশাপাশি আরও বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত দেন মমতা।

করোনাভাইরাস মোকাবেলায় মুখ্যমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে রাজ্যের তরফে তৈরি তহবিলটিও। এই তহবিলে আর্থিক সাহায্য করলে আয়কর ছাড়ের ঘোষণা দেন মুখ্যমন্ত্রী।

এ সময় রেশনব্যবস্থা চালু রাখতে কড়া নির্দেশ দিয়েছেন মমতা। তার ভাষ্য, ‘বিলি করার জন্য যদি কাউকে না পাওয়া যায়, সে ক্ষেত্রে স্থানীয় ছেলেমেয়েদেরই এই কাজে লাগাতে হবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : ছড়িয়ে পড়ছে করোনাভাইরাস