মৃতদের স্মরণে প্রতিরাতেই বাঁশি বাজান বাঁশিওয়ালা

  ১৪ মে ২০২০, ০০:০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

লোহার কাঁটাতারের উঁচু বেড়ায় ঘেরা ক্যালিফোর্নিয়ার সান্তা মনিকার পালিসাডেস পার্ক। স্বাভাবিক পরিস্থিতিতে শহরবাসীর পদচারণায় মুখর থাকে সব সময়। কিন্তু প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস মহামারীর তাণ্ডবে এর চেহারা একেবারেই পাল্টে গেছে। উঁচু উঁচু পাম গাছ, পায়ে হেঁটে চলা পথ আর উপকূলীয় সবুজ প্রকৃতির নয়নাভিরাম দৃশ্যের পার্কটি গত কয়েক সপ্তাহ ধরে একরকম পরিত্যক্ত। প্রতিদিনই কেউ না কেউ মারা যাচ্ছে। ভয়-শঙ্কা আর চাপাকান্না গ্রাস করেছে পুরো এলাকা। এমন পরিস্থিতিতে এখানকার অধিবাসীদের বেঁচে থাকার অনুপ্রেরণা হয়ে হাজির হয়েছেন এক বাঁশিওয়ালা। তিনি অ্যান্ডু ম্যাকগ্রেগর। সান্তা মনিকার খ্যাতনামা ব্যাগপাইপার। করোনায় মৃতদের স্মরণে প্রতিরাতে বাঁশি বাজান তিনি। রয়টার্স ও লস অ্যাঞ্জেলেস টাইম।

প্রতিদিন সন্ধ্যায় সূর্য ডুবে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই পালিসাডেস পার্কের কাঁটাতারের বেড়ার পাশের সংকীর্ণ পথ ধরে নেমে আসেন ৪০ বছর বয়সী ম্যাকগ্রেগর। আস্তে আস্তে এগিয়ে চলেন সমুদ্রপাড়ের দিকে। ঘাড়ে ঝোলানো তার ব্যাগপাইপ বাঁশি। রাতের আঁধারে হেঁটে চলেন আর বাঁশি বাজান। বাঁশির সেই সুর করুণ কান্নার মতো ছড়িয়ে পড়ে বহুদূরে। লস অ্যাঞ্জেলেস টাইমস বলেছে, রাত্রিকালে ম্যাকগ্রেগরের এই বাঁশির সুর অনেকটা শোককান্নার মতো। সেই সঙ্গে সান্তা মনিকার অধিবাসীদের জন্য আশা জাগানিয়াও। রয়টার্স বলেছে, ম্যাকগ্রেগর আসলে তার বাঁশিতে ‘আমেজিং গ্রেস’ নামের একটি সুর তোলেন। এই সুরের মূর্ছনায় যেন পালিসাডেস পার্কের সব নীরবতা ভেঙে খান খান হয়ে যায়। ক্যালিফোর্নিয়ায় গত মার্চ মাসে করোনা বিধিনিষেধ আরোপ করার পর থেকে গত দুই মাস ধরে সান্তা মনিকার নির্জন সমুদ্রতীরে বাঁশি বাজিয়ে চলেছেন ম্যাকগ্রেগর।

 

সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত