কপাল খুলল চীনের সেই পাহাড়িদের
jugantor
কপাল খুলল চীনের সেই পাহাড়িদের

  যুগান্তর ডেস্ক  

১৫ মে ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

অবশেষে চীনের সিচুয়ান প্রদেশের সেই পাহাড়ি অধিবাসীদের কপাল খুলল। পূরণ হল বহুদিনের স্বপ্ন। শহরের মনোরম পরিবেশে ঝা চকচকে ঘরবাড়ি উপহার দেয়া হয়েছে তাদের। আর বাস করতে হবে না পাহাড়ের ওপরের ছোট্ট ছোট্ট ঝুপড়ি ঘরে। পাহাড়ের কঠিন জীবনও আর ছুঁতে পারবে না। উঁচু-দুর্গম পাহাড়ি পথ পাড়ি দিয়ে আর স্কুলে যেতে হবে না তাদের সন্তানদের। সরকারের পক্ষ থেকে দেয়া এসব বাড়িতে নতুন জীবন শুরু করেছে কয়েক ডজন পরিবার। বিবিসি ও চায়না ডেইলি। চীনের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় প্রদেশে সিচুয়ানের পাহাড়ি এলাকা ঝাউজু। এখানেই সমতল ভূমি থেকে ৮০০ মিটার উঁচুতে অবস্থিত পাহাড়ি আটুলিয়ার গ্রাম। গ্রামটিতে ৮০ পরিবারের বাস। পাহাড়ে তাদের কঠিন সংগ্রাম করতে বেঁচে থাকতে হয়। শিক্ষা-স্বাস্থ্য আর জীবিকার তাগিদে তাদের এক পাহাড় থেকে আরেক পাহাড়ে যেতে হয়। এজন্য ছেলে-বুড়ো সবাইকেই চড়তে হয় উঁচু আর ঝুঁকিপূর্ণ বাঁশের মই। ২০১৬ সালে চীনের ইংরেজি দৈনিক চায়না ডেইলিতে পাহাড় বেড়ে শিশুদের স্কুলে যাওয়ার কিছু ছবি ও ভিডিও প্রকাশ হয়। এরপরই তা বিশ্ব গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। খবরে বলা হয়েছে, আটুলিয়ার গ্রামের ৮৪টি পরিবারকেই ঝাওজু উপশহরের সরকারের হাউজিং এস্টেটের আবাসিক এলাকায় একটি বাড়ি দেয়া হয়েছে। ২০২০ সালের মধ্যে প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সরকারের দারিদ্র্যবিমোচন কর্মসূচির অংশ হিসেবে সম্প্রতি এসব বাড়ি পরিবারগুলোকে হস্তান্তর করা হয়েছে। যুগ যুগ ধরে পাহাড়ে বসবাসকারী এসব মানুষের জীবনে একটা বড় পরিবর্তন এনেছে সরকারের এ উদ্যোগ। পাহাড় থেকে প্রায় ৭০ কিলোমিটার দূরে নিজেদের নতুন বাড়ি পেয়ে এখন বেশ খুশি তারা। বাড়ি পাওয়ার পর চীনা সংবাদমাধ্যম সিজিটিএনকে এক সাক্ষাৎকারে এক গ্রামবাসী বলেন, ‘আমি খুব খুশি যে, এমন একটি বাড়ি আমি পেয়েছি।’

চায়না ডেইলি জানিয়েছে, এসব বাড়ি মূলত সরকারের একটি বৃহৎ আবাসন প্রকল্পের অংশ। দরিদ্র মানুষদের জন্য এসব বাড়ি নির্মাণে সরকার ৭০ শতাংশ পর্যন্ত ভর্তুকি দিচ্ছে। সুবিধাভোগীদের দিতে হচ্ছে মাত্র ৩০ শতাংশ। বিশেষজ্ঞদের মতে, কোনো পরিবারের জন্য এ ৩০ ভাগ অর্থ প্রদান করাও বেশ কষ্টসাধ্য। ফলে এ টাকা জোগাড় করতে অনেককেই ঋণ করতে হয়েছে।

কপাল খুলল চীনের সেই পাহাড়িদের

 যুগান্তর ডেস্ক 
১৫ মে ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

অবশেষে চীনের সিচুয়ান প্রদেশের সেই পাহাড়ি অধিবাসীদের কপাল খুলল। পূরণ হল বহুদিনের স্বপ্ন। শহরের মনোরম পরিবেশে ঝা চকচকে ঘরবাড়ি উপহার দেয়া হয়েছে তাদের। আর বাস করতে হবে না পাহাড়ের ওপরের ছোট্ট ছোট্ট ঝুপড়ি ঘরে। পাহাড়ের কঠিন জীবনও আর ছুঁতে পারবে না। উঁচু-দুর্গম পাহাড়ি পথ পাড়ি দিয়ে আর স্কুলে যেতে হবে না তাদের সন্তানদের। সরকারের পক্ষ থেকে দেয়া এসব বাড়িতে নতুন জীবন শুরু করেছে কয়েক ডজন পরিবার। বিবিসি ও চায়না ডেইলি। চীনের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় প্রদেশে সিচুয়ানের পাহাড়ি এলাকা ঝাউজু। এখানেই সমতল ভূমি থেকে ৮০০ মিটার উঁচুতে অবস্থিত পাহাড়ি আটুলিয়ার গ্রাম। গ্রামটিতে ৮০ পরিবারের বাস। পাহাড়ে তাদের কঠিন সংগ্রাম করতে বেঁচে থাকতে হয়। শিক্ষা-স্বাস্থ্য আর জীবিকার তাগিদে তাদের এক পাহাড় থেকে আরেক পাহাড়ে যেতে হয়। এজন্য ছেলে-বুড়ো সবাইকেই চড়তে হয় উঁচু আর ঝুঁকিপূর্ণ বাঁশের মই। ২০১৬ সালে চীনের ইংরেজি দৈনিক চায়না ডেইলিতে পাহাড় বেড়ে শিশুদের স্কুলে যাওয়ার কিছু ছবি ও ভিডিও প্রকাশ হয়। এরপরই তা বিশ্ব গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। খবরে বলা হয়েছে, আটুলিয়ার গ্রামের ৮৪টি পরিবারকেই ঝাওজু উপশহরের সরকারের হাউজিং এস্টেটের আবাসিক এলাকায় একটি বাড়ি দেয়া হয়েছে। ২০২০ সালের মধ্যে প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সরকারের দারিদ্র্যবিমোচন কর্মসূচির অংশ হিসেবে সম্প্রতি এসব বাড়ি পরিবারগুলোকে হস্তান্তর করা হয়েছে। যুগ যুগ ধরে পাহাড়ে বসবাসকারী এসব মানুষের জীবনে একটা বড় পরিবর্তন এনেছে সরকারের এ উদ্যোগ। পাহাড় থেকে প্রায় ৭০ কিলোমিটার দূরে নিজেদের নতুন বাড়ি পেয়ে এখন বেশ খুশি তারা। বাড়ি পাওয়ার পর চীনা সংবাদমাধ্যম সিজিটিএনকে এক সাক্ষাৎকারে এক গ্রামবাসী বলেন, ‘আমি খুব খুশি যে, এমন একটি বাড়ি আমি পেয়েছি।’

চায়না ডেইলি জানিয়েছে, এসব বাড়ি মূলত সরকারের একটি বৃহৎ আবাসন প্রকল্পের অংশ। দরিদ্র মানুষদের জন্য এসব বাড়ি নির্মাণে সরকার ৭০ শতাংশ পর্যন্ত ভর্তুকি দিচ্ছে। সুবিধাভোগীদের দিতে হচ্ছে মাত্র ৩০ শতাংশ। বিশেষজ্ঞদের মতে, কোনো পরিবারের জন্য এ ৩০ ভাগ অর্থ প্রদান করাও বেশ কষ্টসাধ্য। ফলে এ টাকা জোগাড় করতে অনেককেই ঋণ করতে হয়েছে।