ভারতে চাকরি হারানো তরুণরা ফিরছে কৃষিকাজে

  যুগান্তর ডেস্ক ০৭ জুন ২০২০, ০০:০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

প্রতীকী ছবি

ভারতে কাজের খোঁজে গ্রামে ফিরে আসছে করোনা লকডাউনে চাকরি হারানো শহরের শিক্ষিত তরুণরা।

গ্রামে এসে যোগ দিচ্ছে বাপ-দাদার আদি পেশা কৃষিকাজে। করোনা লকডাউনের জেরে বেকার হয়ে পড়েছেন ভারতের লাখ লাখ মানুষ।

যারা একসময় বেশ ভালো বেতনের চাকরি করতেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে তারাও কর্মহীন।

বেঁচে থাকার লড়াইয়ে, পেট চালানোর তাগিদে গ্রাজুয়েট ছেলেরাও উপার্জনের জন্য দিনমজুরিসহ যে কোনো ধরনের কাজ করতেও দ্বিধা করছেন না।

এনডিটিভি জানিয়েছে, ভারতে চাকরি হারিয়ে অনেক বিবিএ-এমবিএ করা শিক্ষিত তরুণও এখন মহাত্মা গান্ধী জাতীয় গ্রামীণ কর্মসংস্থান গ্যারান্টি অ্যাক্টের (এমজিএনআরইজিএ) অধীনে চাকরি করছেন।

অনেকেই আবার চাকরি পেতে অপেক্ষায় আছেন। গত ১ এপ্রিল থেকে সারা দেশে কমপক্ষে ৩৫ লাখ মানুষ এই স্কিমে চাকরির জন্য আবেদন করেছেন। যা এই দশকের মধ্যে সর্বোচ্চ।

এমনই একজন হলেন রাজধানী থেকে প্রায় দেড়শ’ কিলোমিটার দূরে উত্তরপ্রদেশের একটি গ্রামের রওশন কুমার।

‘আমি চাকরি করতাম এবং ভালো অর্থ উপার্জন করতাম। কিন্তু লকডাউনের পরে আমাকে চাকরি ছাড়তে বলা হয়’- এমএ ডিগ্রিধারী রওশন কুমার বলছিলেন। রওশন কুমার স্নাতক এবং স্নাতকোত্তর দু’টিই সম্পন্ন করা তরুণ যিনি এখন পুকুর খনন এবং পল্লী রাস্তা মেরামতের মতো কাজে শ্রম দিতে ইচ্ছুক।

বিবিএ ডিগ্রিধারী সতেন্দ্র কুমারও তাদের দলে। তিনি বলছেন, আমি বিবিএ ডিগ্রি সম্পন্ন করেছি। কিন্তু দীর্ঘদিন চাকরি পাচ্ছিলাম না।

অবশেষে ৬-৭ হাজার রুপি মাসের একটি চাকরি জোগাড় করতে সমর্থ হই। কিন্তু লকডাউনের কারণে সেটাও চলে গেছে। ফলে আমি আমার গ্রামে ফিরে এসে গ্রামপ্রধানের সহযোগিতায় এখানে কাজ করছি।

এমএ স্নাতক, সাথে বিএড ডিগ্রি করা সুরজিৎ কুমারেরও একই দশা হয়েছে। তিনি বলছেন, তার এছাড়া আর কোনো উপায় ছিল না। লকডাউনের কারণে অন্য চাকরি জোগাড় করা কঠিন হয়ে পড়েছে তার পক্ষে।

ঘটনাপ্রবাহ : ছড়িয়ে পড়ছে করোনাভাইরাস

আরও

সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত