দক্ষিণ আফ্রিকা

ব্রিজের ওপর ‘ট্রেন হোটেল’

  যুগান্তর ডেস্ক ০৯ জুলাই ২০২০, ০০:০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

মরা নদীর ওপর ইটের তৈরি কয়েকটি পিলারে ভর করে দাঁড়িয়ে লোহার ব্রিজটি। সেই ব্রিজের ওপরেই স্থায়ীভাবে পার্ক করা আস্ত একটা ট্রেন। দক্ষিণ আফ্রিকা বিলাসবহুল ‘ট্রেন হোটেল’। নাম ক্রুগার সেলাটি : দ্য ট্রেন অন দ্য ব্রিজ। করোনা মহামারীর মধ্যে শত শত হোটেলের দরজা বন্ধ হয়ে গেলেও অতিথিদের আমন্ত্রণ জানাচ্ছে দক্ষিণ আফ্রিকার এই চমকপ্রদ হোটেলটি।

দক্ষিণ আফ্রিকা এবং মোজাম্বিক সীমান্তে কোমাটিপোর্টে বহু বছর আগে ট্রেন চলাচল করত। ক্রুগার ন্যাশনাল পার্কের মধ্য দিয়ে এই ট্রেনে ভ্রমণ করা যেত তাজেনিন শহর পর্যন্ত। এই পথেই সাবি নদীর ওপর রয়েছে একটি রেলসেতু। পরিত্যক্ত ওই রেলসেতুটির ওপরই গড়ে তোলা হচ্ছে ট্রেন হোটেল। এতে থাকছে ২৪টি বগি ও ৭টি বিলাসবহুল ব্রিজ হাউস। এখান থেকে সাবি নদী এবং ক্রুগার ন্যাশনাল পার্কের অপূর্ব দৃশ্য উপভোগে করবে অতিথিরা। করোনাভাইরাস মহামারীর কারণে গত কয়েক মাসের নির্মাণ বন্ধ রয়েছে। তবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলেই অবশিষ্ট কাজ শেষ করে এর উদ্বোধন করা হবে। হোটেল কর্তৃপক্ষ বলছে, চলতি বছরের ডিসেম্বরেই কার্যক্রম শুরু করবে হোটেল। হোটেলের দেয়াল গ্লাসের তৈরি ও কক্ষগুলো বড়সড় হওয়ায় এখান থেকে পুরো নদীই নজরে পড়বে। স্থানীয় শিল্পীদের হাতে সজ্জিত হোটেল কক্ষের সঙ্গে রয়েছে পৃথক ডাইনিংও। এছাড়া ব্রিজের ওপর তৈরি করা হয়েছে একটি সুইমিংপুল। খুব শিগগিরই হোটেলটিতে পরিবার নিয়েও থাকতে পারবেন অতিথিরা। তবে ১২ বছরের নিচে কাউকেই এই হোটেলে থাকার অনুমতি দেয়া হবে না। সেলাতি রেলওয়ের রয়েছে এক দীঘীর ইতিহাস যা ক্রুগার জাতীয় উদ্যানের সঙ্গে মিশে আছে। ১৮৯০ সালের দিকে দক্ষিণ আফ্রিকার তৎকালীন ট্রান্সভাল প্রদেশের উত্তরপূর্ব অঞ্চলে স্বর্ণসহ অন্যান্য মূল্যবান বস্তুর খনির সন্ধান পাওয়া যায়। এসব মূল্যবান খনিজদ্রব্য বহনের জন্য ১৮৯২ সালে সেলাতি রেলওয়ের নির্মাণ কাজ শুরু হয়। সিএনএন

সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত