নির্বাচনে আবারও প্রার্থী হচ্ছেন সু চি
jugantor
নির্বাচনে আবারও প্রার্থী হচ্ছেন সু চি

  যুগান্তর ডেস্ক  

০৫ আগস্ট ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

জাতীয় নির্বাচনে দ্বিতীয়বারের মতো প্রার্থী হতে যাচ্ছেন মিয়ানমারের স্টেট কাউন্সেলর অং সান সু চি। আগামী নভেম্বরে এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছে রয়টার্স।

মঙ্গলবার সাবেক রাজধানী ইয়াঙ্গুনের নির্বাচন কমিশন অফিসে ৭৫ বছরের সু চি তার মনোনয়নপত্র জমা দেন।

প্রায় ৫০ জনের মতো সমর্থকদের একটি দল নিয়ে নির্বাচন কমিশন অফিসে যান তিনি। লাল মাস্ক পরিহিত সু চির সমর্থকরা এ সময় তার পক্ষে স্লোগান দেয়। ‘মাদার সু, সুস্থ থাকুন’ স্লোগান তোলেন তার সমর্থকরা।

কয়েক দশক সামরিক শাসনে থাকা মিয়ানমারের জাতীয় নির্বাচনে ২০১৬ সালে অংশ নিয়েছিলেন সু চি। এতে বিপুল ভোটে তিনি ও তার দল বিজয়ী হয়।

মিয়ানমারের সংবিধান অনুযায়ী, স্বামী বা সন্তান বিদেশি নাগরিক হলে তিনি প্রধানমন্ত্রী হতে পারেন না- এই প্যাঁচে পড়ে প্রধানমন্ত্রীর পদ অলঙ্কৃত করতে পারেননি সু চি।

কিন্তু তার সরকার নতুন পদ ‘স্টেট কাউন্সেলর’ সৃষ্টি করে তাকে সেই পদে বসায়।

একই সঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর পদও তার দখলে রয়েছে। কার্যত সু চিই দেশকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন।

মিয়ানমারের পার্লামেন্টে সেনাবাহিনীর ২৫ শতাংশ আসন বরাদ্দ থাকায় তাদের সঙ্গে ক্ষমতা ভাগাভাগি করে নিতে হয়েছে সু চি ও তার দলকে। ২০১৭ সালে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী রাখাইনে রোহিঙ্গা নিধন অভিযানে নামে।

নির্বাচনে আবারও প্রার্থী হচ্ছেন সু চি

 যুগান্তর ডেস্ক 
০৫ আগস্ট ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

জাতীয় নির্বাচনে দ্বিতীয়বারের মতো প্রার্থী হতে যাচ্ছেন মিয়ানমারের স্টেট কাউন্সেলর অং সান সু চি। আগামী নভেম্বরে এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছে রয়টার্স।

মঙ্গলবার সাবেক রাজধানী ইয়াঙ্গুনের নির্বাচন কমিশন অফিসে ৭৫ বছরের সু চি তার মনোনয়নপত্র জমা দেন।

প্রায় ৫০ জনের মতো সমর্থকদের একটি দল নিয়ে নির্বাচন কমিশন অফিসে যান তিনি। লাল মাস্ক পরিহিত সু চির সমর্থকরা এ সময় তার পক্ষে স্লোগান দেয়। ‘মাদার সু, সুস্থ থাকুন’ স্লোগান তোলেন তার সমর্থকরা।

কয়েক দশক সামরিক শাসনে থাকা মিয়ানমারের জাতীয় নির্বাচনে ২০১৬ সালে অংশ নিয়েছিলেন সু চি। এতে বিপুল ভোটে তিনি ও তার দল বিজয়ী হয়।

মিয়ানমারের সংবিধান অনুযায়ী, স্বামী বা সন্তান বিদেশি নাগরিক হলে তিনি প্রধানমন্ত্রী হতে পারেন না- এই প্যাঁচে পড়ে প্রধানমন্ত্রীর পদ অলঙ্কৃত করতে পারেননি সু চি।

কিন্তু তার সরকার নতুন পদ ‘স্টেট কাউন্সেলর’ সৃষ্টি করে তাকে সেই পদে বসায়।

একই সঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর পদও তার দখলে রয়েছে। কার্যত সু চিই দেশকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন।

মিয়ানমারের পার্লামেন্টে সেনাবাহিনীর ২৫ শতাংশ আসন বরাদ্দ থাকায় তাদের সঙ্গে ক্ষমতা ভাগাভাগি করে নিতে হয়েছে সু চি ও তার দলকে। ২০১৭ সালে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী রাখাইনে রোহিঙ্গা নিধন অভিযানে নামে।