ট্রাম্পকে ১০০ ডলার পাঠাতে পারি
jugantor
চীনা কর্মকর্তার কটাক্ষ
ট্রাম্পকে ১০০ ডলার পাঠাতে পারি
যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞায় হংকংয়ের নেতা ক্যারি লামসহ ১১ কর্মকর্তা

  যুগান্তর ডেস্ক  

০৯ আগস্ট ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

হংকংয়ে দমনপীড়নসহ মানুষের রাজনৈতিক স্বাধীনতা খর্ব করায় ভূমিকা থাকার অভিযোগে অঞ্চলটির নেতা ক্যারি লামসহ ১১ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এ নিষেধাজ্ঞার পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে কটাক্ষ করে চীনের হংকং লিয়াজোঁ অফিসের প্রধান লুয়ো হুইনিং বলেন, ‘আমি ১০০ ডলার পাঠাতে পারি, যাতে তিনি (ট্রাম্প) এটি জব্দ করতে পারেন।’ লিয়াজোঁ দফতরের ওয়েবসাইট থেকে শনিবার এক বিবৃতিতে এ কটাক্ষ করেন হুইনিং। মার্কিন নিষেধাজ্ঞার কবলে পড়া ১১ কর্মকর্তার মধ্যে তিনি অন্যতম। খবর দ্য গার্ডিয়ানের।

হংকংয়ে চীনের জাতীয় নিরাপত্তা আইন চালুর পর বেইজিংয়ের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক পদক্ষেপ নিতে গত মাসে ট্রাম্পের সই করা নির্বাহী আদেশের আওতায় এ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। এ তালিকায় সাবেক ও বর্তমান কয়েক পুলিশ প্রধান এবং আরও ৮ কর্মকর্তা রয়েছেন। ক্যারি লাম ছাড়াও হংকংয়ের পুলিশ কমিশনার ক্রিস ট্যাং এবং সাবেক পুলিশ কমিশনার স্টিফেন লো, হংকংয়ের সেক্রেটারি অব সিকিউরিটি জন লি কা-চিউ ও সেক্রেটারি অব জাস্টিস তেরেসা চেংয়ের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে বলে এক বিবৃতিতে জানিয়েছে মার্কিন ট্রেজারি বিভাগ। নিষেধাজ্ঞার কবলে পড়া হংকংয়ের কর্মকর্তাদের যুক্তরাষ্ট্রে থাকা সব সম্পদ জব্দ হবে এবং মার্কিনিদের সঙ্গে তাদের লেনদেনও নিষিদ্ধ থাকবে। এর পরদিনই হুইনিং বিবৃতিতে বলেন, ‘বিদেশের মাটিতে আমার কোনো সম্পদ নেই। তবে ট্রাম্প চাইলে আমি তার জন্য ১০০ ডলার পাঠাতে পারি। আর সেটা তিনি জব্দ করুক।’ হুশিয়ারির সুরে তিনি আরও বলেন, ‘যদি যুক্তরাষ্ট্র মনে করে থাকে যে নিষেধাজ্ঞা দিলে চীন নমনীয় হবে, তাহলে তারা ভুলের মধ্যে রয়েছে।’

যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ মন্ত্রণালয় শুক্রবার এক বিবৃতিতে জানায়, ‘চীনের চাপিয়ে দেয়া নিরাপত্তা আইনে হংকংয়ের স্বায়ত্তশাসন ক্ষুণ্ন হয়েছে। এ আইন চীনা মূল ভূখণ্ডের নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের কোনো জবাবদিহিতা ছাড়াই সেখানে কাজ করার পথ প্রশস্ত করেছে। ফলে হংকংয়ে কেউ চীন বৈরী বলে সন্দেহ সৃষ্টি হলে তার দমনপীড়নের শিকার হওয়ার পট প্রস্তুত হয়েছে।’ মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্টিভেন মুচিন বলেন, ‘হংকংয়ে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া এবং স্বাধীনতার টুঁটি চিপে ধরা চীনের এই কঠোর নীতি বাস্তবায়নের জন্য সরাসরি দায়ী প্রধান নির্বাহী ক্যারি লাম। যুক্তরাষ্ট্র হংকংয়ের জনগণের পাশে আছে। আমরা আমাদের হাতে থাকা বিভিন্ন উপায় এবং ক্ষমতাবলে স্বায়ত্তশাসন ক্ষুণ্নকারীদের নিশানায় রাখব।’

চীনা কর্মকর্তার কটাক্ষ

ট্রাম্পকে ১০০ ডলার পাঠাতে পারি

যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞায় হংকংয়ের নেতা ক্যারি লামসহ ১১ কর্মকর্তা
 যুগান্তর ডেস্ক 
০৯ আগস্ট ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

হংকংয়ে দমনপীড়নসহ মানুষের রাজনৈতিক স্বাধীনতা খর্ব করায় ভূমিকা থাকার অভিযোগে অঞ্চলটির নেতা ক্যারি লামসহ ১১ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এ নিষেধাজ্ঞার পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে কটাক্ষ করে চীনের হংকং লিয়াজোঁ অফিসের প্রধান লুয়ো হুইনিং বলেন, ‘আমি ১০০ ডলার পাঠাতে পারি, যাতে তিনি (ট্রাম্প) এটি জব্দ করতে পারেন।’ লিয়াজোঁ দফতরের ওয়েবসাইট থেকে শনিবার এক বিবৃতিতে এ কটাক্ষ করেন হুইনিং। মার্কিন নিষেধাজ্ঞার কবলে পড়া ১১ কর্মকর্তার মধ্যে তিনি অন্যতম। খবর দ্য গার্ডিয়ানের।

হংকংয়ে চীনের জাতীয় নিরাপত্তা আইন চালুর পর বেইজিংয়ের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক পদক্ষেপ নিতে গত মাসে ট্রাম্পের সই করা নির্বাহী আদেশের আওতায় এ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। এ তালিকায় সাবেক ও বর্তমান কয়েক পুলিশ প্রধান এবং আরও ৮ কর্মকর্তা রয়েছেন। ক্যারি লাম ছাড়াও হংকংয়ের পুলিশ কমিশনার ক্রিস ট্যাং এবং সাবেক পুলিশ কমিশনার স্টিফেন লো, হংকংয়ের সেক্রেটারি অব সিকিউরিটি জন লি কা-চিউ ও সেক্রেটারি অব জাস্টিস তেরেসা চেংয়ের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে বলে এক বিবৃতিতে জানিয়েছে মার্কিন ট্রেজারি বিভাগ। নিষেধাজ্ঞার কবলে পড়া হংকংয়ের কর্মকর্তাদের যুক্তরাষ্ট্রে থাকা সব সম্পদ জব্দ হবে এবং মার্কিনিদের সঙ্গে তাদের লেনদেনও নিষিদ্ধ থাকবে। এর পরদিনই হুইনিং বিবৃতিতে বলেন, ‘বিদেশের মাটিতে আমার কোনো সম্পদ নেই। তবে ট্রাম্প চাইলে আমি তার জন্য ১০০ ডলার পাঠাতে পারি। আর সেটা তিনি জব্দ করুক।’ হুশিয়ারির সুরে তিনি আরও বলেন, ‘যদি যুক্তরাষ্ট্র মনে করে থাকে যে নিষেধাজ্ঞা দিলে চীন নমনীয় হবে, তাহলে তারা ভুলের মধ্যে রয়েছে।’

যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ মন্ত্রণালয় শুক্রবার এক বিবৃতিতে জানায়, ‘চীনের চাপিয়ে দেয়া নিরাপত্তা আইনে হংকংয়ের স্বায়ত্তশাসন ক্ষুণ্ন হয়েছে। এ আইন চীনা মূল ভূখণ্ডের নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের কোনো জবাবদিহিতা ছাড়াই সেখানে কাজ করার পথ প্রশস্ত করেছে। ফলে হংকংয়ে কেউ চীন বৈরী বলে সন্দেহ সৃষ্টি হলে তার দমনপীড়নের শিকার হওয়ার পট প্রস্তুত হয়েছে।’ মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্টিভেন মুচিন বলেন, ‘হংকংয়ে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া এবং স্বাধীনতার টুঁটি চিপে ধরা চীনের এই কঠোর নীতি বাস্তবায়নের জন্য সরাসরি দায়ী প্রধান নির্বাহী ক্যারি লাম। যুক্তরাষ্ট্র হংকংয়ের জনগণের পাশে আছে। আমরা আমাদের হাতে থাকা বিভিন্ন উপায় এবং ক্ষমতাবলে স্বায়ত্তশাসন ক্ষুণ্নকারীদের নিশানায় রাখব।’