মরচে পড়ছে চাঁদে!
jugantor
মরচে পড়ছে চাঁদে!

  যুগান্তর ডেস্ক  

০৫ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

মহাকাশে ছড়িয়ে থাকা হাজারও রহস্যের প্রতিনিয়ত সমাধান করে চলেছেন বিজ্ঞানীরা। তারপরও মহাশূন্যের অগুনতি অজানা রহস্যের সমাধান আজও সম্ভব হয়নি।

মহাকাশে ছড়িয়ে থাকা হাজারও রহস্যের প্রতিনিয়ত সমাধান করে চলেছেন বিজ্ঞানীরা। তারপরও মহাশূন্যের অগুনতি অজানা রহস্যের সমাধান আজও সম্ভব হয়নি।

এবার চন্দ্রপৃষ্ঠে এমনই এক অদ্ভূত রহস্যের খোঁজ পেলেন মহাকাশ বিজ্ঞানীরা। বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন পানি-অক্সিজেন ছাড়াই মরছে ধরছে চাঁদের গায়ে। আর তা হালআমলের ঘটনা নয়। বহু কোটি বছর ধরেই মরচেতে ক্ষয়ে যেতে শুরু করেছে চাঁদ। আনন্দবাজার।

সম্প্রতি ভারতীয় স্পেস রিসার্চ অর্গানাইজেশনের (ইসরো) চন্দ্রায়ণ-১ কক্ষপথের তথ্য পর্যালোচনা করার সময় বেশ কিছু চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে বলে জানা গেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের হাওয়াই বিশ্ববিদ্যালয়ের শীর্ষস্থানীয় গবেষক শুই লি চন্দ্রায়ণ-১-এর মুন মিনারোলজি ম্যাপার যন্ত্র বা এম-৩ থেকে প্রাপ্ত তথ্য থেকে চন্দ্রায়ণের জলের বিষয়ে বিশদ গবেষণা চালান।

তখনই চন্দ্রপৃষ্ঠে মরচে ধরার বিষয়টি সামনে আসে। কিন্তু চাঁদের অক্সিজেন বা জলের পর্যাপ্ত উপস্থিতি ছাড়াই কীভাবে এ অবস্থা তৈরি হল, তা ভেবেই অবাক হয়ে যাচ্ছেন বিজ্ঞানীরা।

শুই লি’র নয়া গবেষণাপত্রটি পিয়ার রিভিউ জার্নাল সায়েন্স অ্যাডভান্সে প্রকাশিত হয়েছে। তবে গবেষকদের ধারণা, চন্দ্রপৃষ্ঠে হেমাইটাইটের উপস্থিতি ও হাইড্রোজেন রাসায়নিক বিক্রিয়ার কারণেই এই অদ্ভূত অবস্থার সৃষ্টি হতে পারে।

মরচে পড়ছে চাঁদে!

 যুগান্তর ডেস্ক 
০৫ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ
মহাকাশে ছড়িয়ে থাকা হাজারও রহস্যের প্রতিনিয়ত সমাধান করে চলেছেন বিজ্ঞানীরা। তারপরও মহাশূন্যের অগুনতি অজানা রহস্যের সমাধান আজও সম্ভব হয়নি।
ছবি: সংগৃহীত

মহাকাশে ছড়িয়ে থাকা হাজারও রহস্যের প্রতিনিয়ত সমাধান করে চলেছেন বিজ্ঞানীরা। তারপরও মহাশূন্যের অগুনতি অজানা রহস্যের সমাধান আজও সম্ভব হয়নি।

এবার চন্দ্রপৃষ্ঠে এমনই এক অদ্ভূত রহস্যের খোঁজ পেলেন মহাকাশ বিজ্ঞানীরা। বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন পানি-অক্সিজেন ছাড়াই মরছে ধরছে চাঁদের গায়ে। আর তা হালআমলের ঘটনা নয়। বহু কোটি বছর ধরেই মরচেতে ক্ষয়ে যেতে শুরু করেছে চাঁদ। আনন্দবাজার।

সম্প্রতি ভারতীয় স্পেস রিসার্চ অর্গানাইজেশনের (ইসরো) চন্দ্রায়ণ-১ কক্ষপথের তথ্য পর্যালোচনা করার সময় বেশ কিছু চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে বলে জানা গেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের হাওয়াই বিশ্ববিদ্যালয়ের শীর্ষস্থানীয় গবেষক শুই লি চন্দ্রায়ণ-১-এর মুন মিনারোলজি ম্যাপার যন্ত্র বা এম-৩ থেকে প্রাপ্ত তথ্য থেকে চন্দ্রায়ণের জলের বিষয়ে বিশদ গবেষণা চালান।

তখনই চন্দ্রপৃষ্ঠে মরচে ধরার বিষয়টি সামনে আসে। কিন্তু চাঁদের অক্সিজেন বা জলের পর্যাপ্ত উপস্থিতি ছাড়াই কীভাবে এ অবস্থা তৈরি হল, তা ভেবেই অবাক হয়ে যাচ্ছেন বিজ্ঞানীরা।

শুই লি’র নয়া গবেষণাপত্রটি পিয়ার রিভিউ জার্নাল সায়েন্স অ্যাডভান্সে প্রকাশিত হয়েছে। তবে গবেষকদের ধারণা, চন্দ্রপৃষ্ঠে হেমাইটাইটের উপস্থিতি ও হাইড্রোজেন রাসায়নিক বিক্রিয়ার কারণেই এই অদ্ভূত অবস্থার সৃষ্টি হতে পারে।