আইনমন্ত্রী নিজেই ভাঙলেন আইন
jugantor
আইনমন্ত্রী নিজেই ভাঙলেন আইন

  যুগান্তর ডেস্ক  

০৯ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ভারতে হুহু করে বাড়ছে করোনা সংক্রমণ। দীর্ঘতম লকডাউন শেষে পশ্চিমবঙ্গেও করোনা আক্রান্তের সংখ্যাটা একেবারে কম নয়।
ছবি: সংগৃহীত

ভারতে হুহু করে বাড়ছে করোনা সংক্রমণ। দীর্ঘতম লকডাউন শেষে পশ্চিমবঙ্গেও করোনা আক্রান্তের সংখ্যাটা একেবারে কম নয়।

ভাইরাস সংক্রমণ ঠেকাতে আনলক-৪-এর মধ্যেও সাপ্তাহিক লকডাউন ঘোষণা করছে রাজ্য সরকার। সরকারি তরফে বারবার অনুরোধ করা হচ্ছে লকডাউনের দিন জনসমাবেশ না করার।

এত সব আইনি কড়াকড়ির মধ্যে এবার আইন ভাঙলেন রাজ্যের শ্রম ও আইনমন্ত্রী নিজেই। আসানসোল শহরের বুকে লকডাউনের দিন বিধিনিয়মের তোয়াক্কা না করে জনসভা করলেন মলয় ঘটক। টাইমস অব ইন্ডিয়া।

সোমবার লকডাউনের বিকালে আসানসোল গুলজার মহল্লায় ৩০০ জন এলাকাবাসীর মধ্যে ত্রিপল বিতরণ করেন মলয় ঘটক। লকডাউনে নিয়মভঙ্গ করার অপরাধে আসানসোল দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেটের পক্ষ থেকে প্রায় ১৮৮ জনকে আটক করা হয়েছে।

সেই আসানসোল শহরেই লকডাউনের মধ্যে সভা করে লোক জমায়েত করে ত্রিপল বিতরণ করে এবার বিতর্কে জড়িয়ে পড়লেন মন্ত্রী মলয় ঘটক নিজেই।

ওয়ার্ডের কাউন্সিলর হাজি নাসিম আনসারি ওরফে নাসো সরাসরি এ ঘটনার প্রতিবাদে মুখ খুলেছেন।

সোমবার তিনি সংবাদমাধ্যমে বলেন, একদিকে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি করোনাভাইরাস ঠেকাতে লকডাউনের ঘোষণা করে রাজ্যবাসীকে ঘরে থাকার অনুরোধ করেছেন, আর অন্যদিকে সেই রাজ্যের শ্রম ও আইনমন্ত্রী মলয় ঘটক নিজেই আইন ভেঙে জনসমাবেশ করছেন।

এভাবে প্রশাসনের লোকজনই যদি আইনকে বুড়ো আঙুল দেখায়, তারপর সাধারণ জনগণ আর সরকারি নির্দেশ মানবে কেন?

এদিন সংবাদমাধ্যমে হাজি নাসো বলেন, তাকে না জানিয়ে এই কম্বল বিতরণ অনুষ্ঠান করা হয়েছে। তিনি জানলে লকডাউনের দিন কোনোভাবেই জনসমাবেশ হতে দিতেন না। কাউন্সিলর আরও বলেন, ওই অনুষ্ঠানে ৫০০ থেকে হাজার লোক জমায়েত হয়।

বিজেপির ওবিসি সেলের ন্যাশনাল কমিটির সদস্য শঙ্কর চৌধুরী জানান, পশ্চিমবঙ্গ সরকার একদিকে লকডাউনের ঘোষণা করেছে, অন্যদিকে রাজ্যের মন্ত্রীরা নিজেরাই আইন ভাঙছেন।

এর থেকে দুর্ভাগ্যজনক পরিস্থিতি আর কী হতে পারে! শ্রম ও আইনমন্ত্রীর এই জনসমাবেশ নিয়ে ইতোমধ্যে প্রশ্ন উঠেছে নানা মহলে। পুলিশ প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

আইনমন্ত্রী নিজেই ভাঙলেন আইন

 যুগান্তর ডেস্ক 
০৯ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ
ভারতে হুহু করে বাড়ছে করোনা সংক্রমণ। দীর্ঘতম লকডাউন শেষে পশ্চিমবঙ্গেও করোনা আক্রান্তের সংখ্যাটা একেবারে কম নয়।
ছবি: সংগৃহীত

ভারতে হুহু করে বাড়ছে করোনা সংক্রমণ। দীর্ঘতম লকডাউন শেষে পশ্চিমবঙ্গেও করোনা আক্রান্তের সংখ্যাটা একেবারে কম নয়।

ভাইরাস সংক্রমণ ঠেকাতে আনলক-৪-এর মধ্যেও সাপ্তাহিক লকডাউন ঘোষণা করছে রাজ্য সরকার। সরকারি তরফে বারবার অনুরোধ করা হচ্ছে লকডাউনের দিন জনসমাবেশ না করার।

এত সব আইনি কড়াকড়ির মধ্যে এবার আইন ভাঙলেন রাজ্যের শ্রম ও আইনমন্ত্রী নিজেই। আসানসোল শহরের বুকে লকডাউনের দিন বিধিনিয়মের তোয়াক্কা না করে জনসভা করলেন মলয় ঘটক। টাইমস অব ইন্ডিয়া।

সোমবার লকডাউনের বিকালে আসানসোল গুলজার মহল্লায় ৩০০ জন এলাকাবাসীর মধ্যে ত্রিপল বিতরণ করেন মলয় ঘটক। লকডাউনে নিয়মভঙ্গ করার অপরাধে আসানসোল দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেটের পক্ষ থেকে প্রায় ১৮৮ জনকে আটক করা হয়েছে।

সেই আসানসোল শহরেই লকডাউনের মধ্যে সভা করে লোক জমায়েত করে ত্রিপল বিতরণ করে এবার বিতর্কে জড়িয়ে পড়লেন মন্ত্রী মলয় ঘটক নিজেই।

ওয়ার্ডের কাউন্সিলর হাজি নাসিম আনসারি ওরফে নাসো সরাসরি এ ঘটনার প্রতিবাদে মুখ খুলেছেন।

সোমবার তিনি সংবাদমাধ্যমে বলেন, একদিকে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি করোনাভাইরাস ঠেকাতে লকডাউনের ঘোষণা করে রাজ্যবাসীকে ঘরে থাকার অনুরোধ করেছেন, আর অন্যদিকে সেই রাজ্যের শ্রম ও আইনমন্ত্রী মলয় ঘটক নিজেই আইন ভেঙে জনসমাবেশ করছেন।

এভাবে প্রশাসনের লোকজনই যদি আইনকে বুড়ো আঙুল দেখায়, তারপর সাধারণ জনগণ আর সরকারি নির্দেশ মানবে কেন?

এদিন সংবাদমাধ্যমে হাজি নাসো বলেন, তাকে না জানিয়ে এই কম্বল বিতরণ অনুষ্ঠান করা হয়েছে। তিনি জানলে লকডাউনের দিন কোনোভাবেই জনসমাবেশ হতে দিতেন না। কাউন্সিলর আরও বলেন, ওই অনুষ্ঠানে ৫০০ থেকে হাজার লোক জমায়েত হয়।

বিজেপির ওবিসি সেলের ন্যাশনাল কমিটির সদস্য শঙ্কর চৌধুরী জানান, পশ্চিমবঙ্গ সরকার একদিকে লকডাউনের ঘোষণা করেছে, অন্যদিকে রাজ্যের মন্ত্রীরা নিজেরাই আইন ভাঙছেন।

এর থেকে দুর্ভাগ্যজনক পরিস্থিতি আর কী হতে পারে! শ্রম ও আইনমন্ত্রীর এই জনসমাবেশ নিয়ে ইতোমধ্যে প্রশ্ন উঠেছে নানা মহলে। পুলিশ প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

 

ঘটনাপ্রবাহ : ছড়িয়ে পড়ছে করোনাভাইরাস